corruption – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 29 Jun 2022 05:11:37 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg corruption – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 কলেজে অনলাইনে ভর্তি নয়, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য, ফের দুর্নীতির আশঙ্কায় শিক্ষাবিদরা https://thenewsbangla.com/college-admission-is-not-online-said-education-minister-bratya-basu-educationists-fear-corruption-again/ Wed, 29 Jun 2022 05:00:24 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15754 কলেজে অনলাইনে ভর্তি নয়, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বাসু; ফের দুর্নীতির আশঙ্কায় শিক্ষাবিদরা। কেন্দ্রীয় অনলাইনে ভর্তি নিয়ে; পিছু হঠল রাজ্য সরকারের শিক্ষা দফতর। “এবছর স্নাতকে কেন্দ্রীয় অনলাইনে ভর্তি নয়”; উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকের পরে জানিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। পরিকাঠামোগত প্রস্তুতির অভাবে কেন্দ্রীয় অনলাইন নয়; চলতি বছরেও সেই পুরনো কলেজে লাইনে দাঁড়িয়েই ভর্তি পদ্ধতিতেই কলেজে ভর্তি হবে।

দুর্নীতির এত অভিযোগ সত্ত্বেও; কেন অনলাইনে ভর্তি নয়? ঠিক কী সমস্যা হল? রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, “কেন্দ্রীয় অনলাইনের পোর্টাল ঠিকমতো তৈরি করে, ভর্তির কাজ চালু করতে; এখনও মাস পাঁচ-ছয়েক সময় লাগবে। কিন্তু ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বোর্ডের; দ্বাদশ স্তরের ফলাফল প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। তাই এই অবস্থায় অনলাইন পোর্টালে ভর্তির প্রক্রিয়া চালানো হলে; সেক্ষেত্রে ভর্তি প্রক্রিয়ায় ত্রুটি থাকার আশঙ্কা উপাচার্যদের”।

আরও পড়ুনঃ ‘হাজার-হাজার চাকরি রেডি আছে’, বাংলায় কর্মসংস্থান নিয়ে বিরাট বার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতার

কিছুদিন আগেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছিলেন; “চলতি বছরে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া হবে; সেই অনুযায়ী একটি পোর্টাল তৈরির কাজ চলছে”। কিন্তু সেই পোর্টাল পুরোপুরি তৈরি হয়ে কর্মক্ষম হতে; আরও বেশ কিছুটা সময় লাগবে বলেই একাধিক উপাচার্য আশঙ্কা করছেন; বলেই জানান ব্রাত্য বসু। যারপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় চলতি বছরে অনলাইনে নয়; আগের মতো অফলাইনেই হবে কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া।

আরও পড়ুনঃ সারদার আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর জন্য, বড়সড় উদ্যোগ নিল কলকাতা হাইকোর্ট

ব্রাত্য বাসু উপাচার্য-দের কথা বললেও; এই সিদ্ধান্তে বেশ হতাশ রাজ্যের শিক্ষা মহল। কলেজে স্নাতক স্তরে কেন্দ্রীয় অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া, চলতি বছরের জন্য স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায়; বেশ হতাশ বাংলার শিক্ষাবিদরা। শিক্ষাবিদ অমল মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “কলেজে ভর্তির সময় গোটা বাংলা জুড়েই ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের ছাত্র পরিষদ যে ভর্তির জন্য ছাত্রছাত্রী-দের কাছ থেকে টাকা দাবি করে সেই অভিজ্ঞতা আমার ব্যক্তিগতভাবেও শোনা”।

অমল মুখোপাধ্যায় আরও বলেন, “পরিকাঠামোগত প্রস্তুতির অভাবে চলতি বছরে; কলেজে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া হচ্ছে না; এটা মেনে নেওয়া খুব মুশকিল। আমার অনুমান তৃণমূলের ছাত্রগোষ্ঠীর ও তৃণমূল নেতাদের; চাপের জেরেই এই সিদ্ধান্ত। রাজ্য সরকারের এভাবে পিছু হটাকে ধিক্কার জানাই”।

]]>
কাটমানি ফেরত দিয়ে নিজের দুর্নীতি স্বীকার তৃণমূল নেতার, আনন্দে ভাসছে গ্রামবাসী https://thenewsbangla.com/cut-money-scam-tmc-leader-accepted-corruption-by-return-money/ Wed, 26 Jun 2019 06:07:46 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14428 কাটমানি কেলেঙ্কারি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; কাটমানি ফেরৎ দেওয়ার কথা ঘোষনার পরই; চাপে পরেছেন তৃণমূল নেতারা। কাটমানি বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজ্য জুড়ে যে অশান্তি শুরু হয়েছে; তা থামাতে কাটমানি ফেরতের আশ্বাসও দিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। আর টাকা ফেরত দিয়ে; দুর্নীতি স্বীকার করে নিয়ে; আরও গাড্ডায় পরলেন তৃণমূল নেতা ত্রিলোচন মুখার্জি।

কাটমানি ফেরত দিয়ে; দুর্নীতি স্বীকার করে নিলেন তৃণমূল নেতা। শতাধিক গ্রামবাসীর চাপে; ১৬০০ টাকা করে মানুষের হাতে তুলে দিলেন; তৃণমূলের বুথ সভাপতি; ত্রিলোচন মুখার্জি। মঙ্গলবার সকালে সিউড়ি ২নং ব্লকের কোমা গ্রাম পঞ্চায়েতের চাতরা গ্রামে; তৃণমূলের নেতার কাছ থেকে; কাটমানি আদায় করে উচ্ছ্বাসে ভেসেছে গোটা গ্রাম।

আরও পড়ুনঃ কাটমানি কেলেঙ্কারি, মমতাও সৎ নন ইঙ্গিত কাটমানি নিয়ে ফ্যাসাদে তৃণমূল নেত্রীর

ইতিমধ্যে ১৪১ জন মানুষ আদায় করেছেন; আট মাস আগে; গ্রামে নর্দমা সংস্কারের মজুরির কাটমানি। এদিন টাকা হাতে নিয়ে; গ্রামের খুশি মাল, আরতি মাল, যাদব মণ্ডল, সুবোধ বাগদিরা জানান, “কবে কাজ করেছি তার ঠিক নেই। টাকা চাইলে; তৃণমূলের বুথ সভাপতি ত্রিলোচন মুখার্জি দিত মারার হুমকি”।

যেসব নেতা সরকারি প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে; বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছেন; তাঁদের বিরুদ্ধেই এই আন্দোলন শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বেজায় অস্বস্তিতে তৃণমূল। নেতারা বলেছেন; “ঘুষ ফেরতের নির্দেশ মমতা প্রকাশ্যে না দিলেই ভালো হত। এতে দলের হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে”।

অভিযোগ, গত আট বছর ধরে একশো দিনের সামান্যও যা কাজ হয়েছে; সব টাকা তৃণমূল নেতারা ব্যাঙ্ক থেকে তুলে; নিজের কব্জায় নিয়ে নিত। তারপর পেছন পেছন ঘুরে; মিলত দুশো-পাঁচশোর মত ভিক্ষার দান। গত দু-তিন বছরে তো টাকা দেওয়ায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল”।

জানা গেছে, শেষ নর্দমা সংস্কারের কাজে; দু মাস আগে এসেছিল; প্রায় ২ লক্ষ ৪১ হাজার টাকা। এই সব টাকাই তুলে নিয়েছিল তৃণমূল নেতারা। কোনো টাকাই পায়নি গ্রামবাসীরা। অবশেষে তারা একজোট হয়ে; বিক্ষোভে শামিল হতে; এদিন প্রত্যেকের হাতে ১৬০০ টাকা করে ফেরত দেয় ওই তৃণমূল নেতা।

জানা গেছে, এই ধরণের পরিস্থিতি আরও বেশ কিছু জেলায়। তৃণমূল নেতারা গা ঢাকা দিয়েছেন। শুরু হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের তদন্ত। কাটমানি কেলেঙ্কারিতে ফ্যাসাদে তৃণমূল।

]]>
সম্পর্কের খাতিরে চাকরি দুর্নীতি, রাজ্যের দফতরে কর্মীদের মুখরোচক গল্প https://thenewsbangla.com/complaint-against-corruption-in-government-jobs-for-illicit-relationship/ Tue, 05 Feb 2019 04:33:39 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6419 The News বাংলা, EXCLUSIVE: সরকারী চাকরির নিয়োগের ক্ষেত্রে ফের দুর্নীতির অভিযোগ! এবার অভিযোগের তীর রাজ্য সরকারের অধীনস্থ ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইলেকট্রিসিটি ট্রান্সমিশন কোম্পানি” বা ‘WBSETCL’ এর দিকে। তবে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তবে অভিযোগ গেছে মুখ্যমন্ত্রী দফতর পর্যন্ত।

আরও পড়ুনঃ ২০১৪ সালে বিজেপি ব্যবহার করেছিল আমাকে, বিস্ফোরক অন্না হাজারে

কলকাতার গড়িয়ার বাসিন্দা বিমল বসু নামক এক ব্যক্তি ‘WBSETCL’ এর বিরুদ্ধে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন। রাজ্য ভিজিলেন্স কমিশনের কাছে তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি একটি চিঠি দেন। অভিযোগকারীর মতে, অতি সম্প্রতি ‘সহকারী ম্যানেজার-কর্পোরেট কমিউনিকেশন’ পদে লোক নিয়োগ করা হয়েছে। আর সেখানেই হয়েছে এই দুর্নীতি, অভিযোগ এমনটাই।

সম্পর্কের খাতিরে চাকরি দুর্নীতি, রাজ্যের দফতরে কর্মীদের মুখরোচক গল্প
সম্পর্কের খাতিরে চাকরি দুর্নীতি, রাজ্যের দফতরে কর্মীদের মুখরোচক গল্প/The News বাংলা

সরকারি নিয়মে এক পদের জন্যে কম করে তিনজন পদপ্রার্থীর ইন্টারভিউ করতে হয়। লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে ওই পদে ইন্টারভিউর জন্য নির্বাচিত হয়। লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে তিনজনকে ইন্টারভিউতে ডাকাও হয়। দেবায়ন ভাদুড়ি, সহেলী দত্ত ও শুভেচ্ছা মিত্র।

আরও পড়ুনঃ ভারত হাতে পাচ্ছে বিজয় মালিয়াকে, ভোটের আগে বড় জয় মোদী সরকারের

কিন্তু নিয়মবহির্ভূত ভাবে শুভেচ্ছা মিত্রকে কোনও এক অজ্ঞাত কারণে ইন্টারভিউ দিতে দেননি জেনারেল ম্যানেজার-মানবসম্পদ এবং সিনিয়র ম্যানেজার মানবসম্পদ। ওই পদের যোগ্য দাবিদার হওয়ার পরেও শ্রীমতী শুভেচ্ছা মিত্রর বদলে অনৈতিকভাবে শ্রীমতী সহেলি দত্তকে নিযুক্ত করা হয়। অভিযোগ জানিয়েছেন, বিমল বসু ও শুভেচ্ছা মিত্র।

আরও পড়ুনঃ ব্রিগেডের পর ধর্মতলা, ডিম্ভাত ছেড়ে এবার স্যান্ডুইচ ও চিকেন বিরিয়ানি

তাঁর অভিযোগের মূল তীর কোম্পানির ‘জেনেরাল ম্যানেজার-মানবসম্পদ বিভাগ’ এবং ‘সিনিয়র ম্যানেজার-মানবসম্পদ’ এর বিরুদ্ধে। সরকারী নিয়ম অনুযায়ী নূন্যতম তিনজন ব্যক্তির ইন্টারভিউ কোম্পানিকে নিতেই হবে। এই ক্ষেত্রেও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে এই দুই ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। তাঁরা এই নিয়ম মানেননি বলেই অভিযোগ। তবে WBSETCL এর তরফ থেকে এই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মায়ের প্রতিহিংসা থেকে বাঁচতেই কি বিজেপিতে যোগ দিলেন ‘মমতার মেয়ে’

বিদ্যুৎ ভবনের কর্মীরা এই দুর্নীতির পিছনে অবৈধ সম্পর্ক ও আর্থিক লেনদেনেরও আভাস পাচ্ছেন। অর্থের বিনিময়ে সরকারী চাকরি পাইয়ে দেওয়া, চিরাচরিত অভিযোগ উঠছে। এটাও বলা হচ্ছে যে বর্তমানে অফিসের পর মিস দত্তকে ‘জেনেরাল ম্যানেজার-এইচ.আর’ এর সাথে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে। তাঁদের ঘনিষ্ঠতা বিদ্যুৎ ভবনের অনেক কর্মীর মধ্যেই গুঞ্জন সৃষ্টি করেছে। তবে WBSETCL এর তরফ থেকে শুভেচ্ছা মিত্রর অভিযোগের সারবত্তা নেই বলেই জানান হয়েছে।

সম্পর্কের খাতিরে চাকরি, রাজ্যের একটি দফতরে কর্মীদের মুখরোচক গল্প
সম্পর্কের খাতিরে চাকরি, রাজ্যের একটি দফতরে কর্মীদের মুখরোচক গল্প/The News বাংলা

তবে, কাজের বাইরে একজাতীয় সম্পর্ক ফেঁদে কাজের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পাওয়া, এটাই সন্দেহ করছেন দফতরের অনেকেই। কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে মুখরোচক রসাল গল্প। মিস মিত্র তাঁর বক্তব্যের সপক্ষে বেশকিছু নথিও প্রমাণস্বরূপ জমা করেছেন। এটিও জানা গেছে যে সিনিয়র ম্যানেজার মিস মিত্রর সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন চাকরির ইন্টারভিউতে এবং শুভেচ্ছা মিত্র এর ইন্টারভিউ নেননি।

আরও পড়ুনঃ সারদা কেলেঙ্কারির পাল্টা এবার সিবিআইকেই প্রতারণা মামলার নোটিশ মমতার পুলিশের

শুভেচ্ছা মিত্র এর অভিযোগ, ‘জেনেরাল ম্যানেজার-মানবসম্পদ বিভাগ’ এবং ‘সিনিয়র ম্যানেজার-মানবসম্পদ’, ‘ডিরেক্টর-এইচ.আর’ কে বাধ্য করেন মিস দত্তকে নিয়োগ করার জন্যে। তিনি অভিযোগ পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর দফতরেও।

আরও পড়ুনঃ মমতার নির্দেশে সিবিআই অফিসারদের আটক করে বাংলার আইপিএসরা বিপদে

সবমিলিয়ে, বিদ্যুৎ ভবনে কর্মী নিয়োগে দুর্নীতির এই ধরণের অভিযোগ, সাধারণ কর্মী ও অফিসারদের মধ্যে বেশ আলোড়ন ফেলেছে। শেষ পর্যন্ত সঠিক তদন্তের আশায় অভিযোগকারী। যাতে তাঁর সাথে ঘটা অন্যায়ের ন্যায্য বিচার পাওয়া যায় তাঁর জন্য সব দফতরে ঘুরছেন। বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, “একটা অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে দেখাও হয়েছে”। তবে তাতে কানাঘুষো থামছে না বিদ্যুৎ দফতরে।

]]>
দূর্নীতি স্বজনপোষণ নেই- মনেও নেই https://thenewsbangla.com/laal-bahadur-shastri-was-not-in-nepotism-and-corruption-so-we-does-not-even-remember-him/ Tue, 02 Oct 2018 16:47:23 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=741 বিশেষ সংবাদদাতা : ২ রা অক্টোবর বললে মুহূর্তেই মহাত্মা গান্ধীর জন্মের কথা মনে পরে। জাতির জনকের জন্মদিনে জাতীয় ছুটিও দেওয়া হয়। অথচ মনেই পরে না ভারতের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর কথা। আজ তাঁরও জন্মদিন।

১৮৬৯ সালের ২ রা অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী আর ১৯০৪ সালের ২ রা অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন লাল বাহাদুর শাস্ত্রী। অথচ, সারাজীবন মানুষের জন্য রাজনীতি করা সহজ সরল লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মদিনে আমজনতার কোন পোস্ট বা প্রচার দেখা যায় না।

তাঁর আমলেই ভারতে শুরু হয় White Revolution ও Green Revolution। তৈরি হয় AMUL। তৈরি হয় National Dairy Development Board। তাঁর আমলেই চালু হয় The Food Corporation of India এবং The National Agricultural Products Board Act.

দেশে খাদ্য সংকটের সময় তাঁর একবেলা উপোস করে খাদ্যদান করার আবেদন সাড়া ফেলে দেয় গোটা ভারতবর্ষে। এখনও সেই স্মরণে দেশের অনেক জায়গায় ‘শাস্ত্রী ব্রত’ পালন করা হয়।

চীন ও পাকিস্তানের দিকে লক্ষ্য রেখে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়বরাদ্দ বাড়ানো তাঁর আমল থেকেই শুরু হয়। এতটাই দূরদর্শী ছিলেন তিনি।

শ্রীলঙ্কায় থাকা ভারতীয় তামিলদের জন্য শ্রীলঙ্কান প্রধানমন্ত্রী সিরিমাভো বন্দরনায়েকের সঙ্গে তাঁর চুক্তি আজও সিরিমা-শাস্ত্রী চুক্তি বলেই পরিচিত।

১৯৬৫ র ভারত-পাক যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী। ‘জয় জওয়ান, জয় কিষান’ (Hail the Soldier, Hail the Farmer) তিনিই প্রথম ঘোষণা করেন। যা আজও ভারতের ইতিহাসে চিরস্মরনীয় হয়ে আছে।

১৯৬৬, ১০ জানুয়ারী রাশিয়ার তাসখন্দে চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয় ভারত-পাক যুদ্ধ। পরের দিন অদ্ভুত এক পরিস্থিতির মধ্যে মারা যান লাল বাহাদুর শাস্ত্রী। মৃত্যুর কারণ ‘Heart Attack’ হলেও এই মৃত্যু নিয়ে আজও সন্দেহের গন্ধ আছে। ভারতের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রীর পোস্টমর্টেমও করা হয় নি। অনেকেই আজও আঙুল তোলেন ইন্দিরা গান্ধীর দিকে।

মৃত্যুর পরে পুরো কংগ্রেস আমলে লাল বাহাদুর শাস্ত্রীকে প্রচারের আলোয় আনা হয় নি। সেই ট্র্যাডিশন আজও চলছে। তাই মহাত্মা গান্ধী নিয়ে যে পরিমান পোস্ট, যা প্রচার আজ হল, তার ছিটেফোঁটাও দেখা গেল না লাল বাহাদুর শাস্ত্রীকে নিয়ে।

ভারতের সবচেয়ে সহজ সরল রাজনীতিবিদ ও সফল প্রধানমন্ত্রীকে মনে রাখার প্রয়োজন বোধ করি নি আমরা। কোন দূর্নীতিতে নাম জড়ায় নি যে !! স্বজনপোষণ করেন নি কখনও। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালিন নিজের পরিবারকে কোনরকম সুযোগ-সুবিধা নিতে দেন নি তিনি, কেন মনে রাখব তাঁকে ??!!

আমজনতার চৈতন্য হোক।
আমাদের জন্য আজীবন কাজ করে যাওয়া লাল বাহাদুর শাস্ত্রীকে জন্মদিনে প্রণাম, শ্রদ্ধা।
শুভ জন্মদিন, ‘বোকা’ জনগণের আরও ‘বোকা’ জননেতা………..

]]>