CM – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 14 Jun 2019 17:24:15 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg CM – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে এসেই ক্ষমা চাইতে হবে, সাফ জানিয়ে দিল জুনিয়ার ডাক্তাররা https://thenewsbangla.com/cm-mamata-banerjee-have-to-come-ask-for-forgiveness-cleared-by-junior-doctors-of-nrs/ Fri, 14 Jun 2019 16:44:12 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13855 মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এন আর এস হাসপাতালে এসেই ক্ষমা চাইতে হবে; সাফ জানিয়ে দিল জুনিয়ার ডাক্তাররা। শুক্রবার সন্ধ্যার পর নবান্ন থেকে এন আর এস হাসপাতালের; আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ডাক পত্রপাঠ ফিরিয়ে দিলেন ডাক্তাররা।

নবান্নে কয়েকজন সিনিয়ার ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনা করার পর; মুখ্যমন্ত্রী মমতা নবান্নে ডেকে পাঠান আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের। তাঁর বার্তা নিয়ে সন্ধ্যার পর নবান্ন থেকে এন আর এস হাসপাতালে যান; রাজ্যের শিক্ষা স্বাস্থ্য অধিকর্তা প্রদীপ মিত্র। কিন্তু তাঁর মুখের উপর পরিষ্কার না বলে দিলেন এন আর এস হাসপাতালের জুনিয়ার ডাক্তাররা।

আরও পড়ুন: ইস্তফার জেরে ডাক্তার শূন্য রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতাল

মুখ্যমন্ত্রী মমতাকেই এসে ক্ষমা চাইতে হবে; সাফ জানিয়ে দিল জুনিয়ার ডাক্তাররা। জুনিয়ারদের রাজি করতে না পেরে; শুন্য হাতেই ফিরে যান রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা প্রদীপ মিত্র। তবে সেখানে গিয়ে; প্রথমেই বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি।

আরও পড়ুন: হাসপাতাল কাণ্ডে ডাক্তারদের আক্রমণকারীদের গণশত্রু বললেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম

জুনিয়র ডাক্তাররা অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীর ডাক ফিরিয়ে দেন। জুনিয়র ডাক্তারদের ধর্মঘটের জেরে ভেঙে পড়েছে; রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা। অচলাবস্থা কাটাতে শুক্রবার সন্ধ্যায় সুকুমার মুখোপাধ্যায়, এম এল সাহা, অলকেন্দু ঘোষ, অভিজিত্ চৌধুরির মতো বিশিষ্ট চিকিত্সকদের নবান্নে ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন: EXCLUSIVE: পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে পুলিশের সতর্কবার্তা

ওই বৈঠকে মমতাকে; এনআরএসের জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দেন সিনিয়ররা। ওই পরামর্শের পর এনআরএসের আন্দোলনরত; জুনিয়র ডাক্তারদের ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রস্তাব নিয়ে এনআরএসে পৌঁছন; স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা প্রদীপ মিত্র। আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন; মুখ্যমন্ত্রীকেই এনআরএসে পড়ুয়াদের কাছে আসতে হবে। তাঁরা নবান্নে যাবেন না।

আরও পড়ুন: শয়ে শয়ে ডাক্তারের গণ ইস্তফা, তালা ঝুলবে রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালে

রাজনৈতিক মহলের মতে; চাপে পড়েই সুর নরম করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নে সিনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে শুক্রবার বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরই এনআরএস হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের; ডেকে পাঠান মমতা। তাঁর বার্তা নিয়ে নীলরতন সরকার হাসপাতালে পৌঁছন; স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা প্রদীপ মিত্র। তবে এনআরএস থেকে; পত্রপাঠ তাঁকে খালি হাতেই ফিরে আসতে হয়।

]]>
রামমন্দির তৈরি করতে না পারায় মোদীকে তোপ মমতার https://thenewsbangla.com/cm-mamata-banerjee-attacks-pm-modi-for-unable-to-make-ram-mandir/ Tue, 07 May 2019 13:07:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12546 ভোটের শেষ মুহূর্তে রাম নিয়ে জমজমাট বাংলার রাজনীতি; এতদিন উত্তর ভারতসহ গোবলয়ে রাম রাজনীতি সীমাবদ্ধ থাকলেও বিগত ৫ বছরে তা গোবলয়ের সীমা অতিক্রম করে বাংলায় ঢুকে পড়েছে; আর ভোটের মধ্যে রাম রাজনীতি যেন আরও বেশিমাত্রায় প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে; মোদী মমতা তরজাতেও চলছে রামকে নিয়ে টানাটানি।

সোমবার ঝাড়্গ্রাম ও হলদিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জোড়া জনসভা অনুষ্ঠিত হয়; ঝাড়গ্রামের জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন; এই রাজ্যে কেউ জয় শ্রী রাম বললেই তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন; রাম তাঁর শিরায় শিরায় রয়েছেন; রামই তাঁর অনুপ্রেরণা।

আরও পড়ুনঃ ফনী দুর্গতদের সাহায্যে ১ কোটি টাকা দান করলেন অক্ষয় কুমার

মোদীর রামভক্তির কড়া সমালোচনা করে সোমবার জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী; বিষ্ণুপুরে একটি নির্বাচনী জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন; বিজেপি মন্দির নিয়ে এতো হইচই করেও রামমন্দির তৈরি করতে পারেনি; ৫ বছরে মোদী একটি মন্দির বানাতে পারলেন না বলে তোপ দাগেন তিনি।

এদিকে রাজ্যের তারাপীঠ; দক্ষিনেশ্বর; কালীঘাট মন্দিরের উন্নয়নের জন্য অনেক ইতিবাচক পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রী নিয়েছেন বলে জানান; প্রসঙ্গত শনিবার চন্দ্রকোনা হয়ে মুখ্যমন্ত্রী একটি রোড শোতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় চন্দ্রকোনার রাধাবল্লভপুরে জয় শ্রী রাম ধ্বনি দিতে থাকে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

আরও পড়ুনঃ মহরম ঈদে বিদ্যুৎ দিলেও, হোলি দিওয়ালিতে দিত না আগের সরকার, মন্তব্য আদিত্যনাথের

মুখ্যমন্ত্রীর এরপরেই গাড়ি থেকে নেমে পড়েন; তৎক্ষনাৎ শ্লোগান দেওয়া ব্যক্তিরা পালাতে শুরু করে; মুখ্যমন্ত্রী জোর গলায় তাদের বলেন, ” কি রে, পালাচ্ছিস কোথায়? সব হরিদাসের দল”। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন; তাকে উদ্দেশ্য করে কটুক্তি করে বিজেপি কর্মীরা। এরপরই পুলিশকে তৎপর হতে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। গ্রেফতার করা হয় ৩ বিজেপি কর্মীকে।

এরপরেই মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা শুরু হয় দেশ জুড়ে; শুধুমাত্র জয় শ্রী রাম বলার কারনে গ্রেফতার করে মুখ্যমন্ত্রী স্বৈরাচারী ও অগনতান্ত্রিক মনোভাবের প্রকাশ করেছেন বলে অনেকে মন্তব্য করেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে তুষ্ট করতে হিন্দুদের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তা দেখাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, এমন অভিযোগও তোলা হয়।

]]>
অসুস্থ শিল্পীকে ‘বঙ্গরত্ন’ দেওয়ার দাবী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ ছাত্রছাত্রীরা https://thenewsbangla.com/the-students-are-demanding-bangaratna-from-chief-minister-for-the-sick-artist/ Mon, 26 Nov 2018 15:57:57 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3148 The News বাংলা, শিলিগুড়িঃ উত্তরবঙ্গের সংস্কৃতি ও বিভিন্ন জনজাতির কথা, তিনি তাঁর রঙ তুলিতে ফুটিয়ে তুলে দেশ বিদেশে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তবে তাঁর কথা ভাবেই নি সরকার থেকে শুরু করে রাজ্যবাসীরা। সেই শিল্পীর শৈল্পিক স্বত্বা এখন হারাতে বসেছে। কিন্তু এমন একটি প্রতিভাকে এভাবে অন্ধকারে হারিয়ে যেতে দিতে নারাজ তার ছাত্র-ছাত্রীরা। বিভিন্ন নেতা মন্ত্রীর পর এবার দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। দাবী, শিল্পীকে দেওয়া হোক “বঙ্গরত্ন” সম্মান।

Image : The News বাংলা
Image : The News বাংলা

শিলিগুড়ির ডাবগ্রামের বাসিন্দা পরিতোষ পাল। যিনি তাঁর জীবনের অর্ধেকটা সময় শুধু ছবি এঁকেই কাটিয়েছেন। তাঁর ছবি পশ্চিমবাংলায় তো বটেই, প্রশংসা পেয়েছে মুম্বাই, ম্যাঙ্গালোর, চেন্নাই সহ সুইজারল্যান্ডেও। তিনি সব সময় তাঁর তুলির ছোয়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন উত্তরবঙ্গের সংস্কৃতিকে।

আরও পড়ুনঃ দার্জিলিং ‘ভূমিপুত্র’ বিতর্কে বিনয় তামাংকে চ্যালেঞ্জ আলুওয়ালিয়ার

উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে নানা সম্প্রদায়ের মানুষ। সে সব মানুষের জীবন যাপন, তাদের সংস্কৃতি এসব কিছু দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন তাঁর ছবির মাধ্যমে। দেশ বিদেশের মানুষ জানতে পেরেছেন কিছু বিলুপ্তপ্রায় জনজাতির কথা। এক কথায় তিনি বাংলার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে বাংলার সংস্কৃতির প্রসার ঘটানোর কাজ করেছেন।

Image : The News বাংলা
Image : The News বাংলা

কিন্তু এরপরই তাঁর জীবনে বিপর্যয় নেমে আসে, দুটো কিডনিই নষ্ট হয়ে যায়। ২০০২ সালে তা প্রতিস্থাপন হলেও তাঁকে সবসময় ওষুধ খেতে হয়। প্রতি মাসে প্রায় ১৩ হাজার টাকার ওষুধ খেয়ে তবে তিনি কিছুটা সুস্থ অনুভব করেন। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার সময় শিল্পীর পাশে কেউ দাড়ায় নি। সরকার থেকে ন্যুনতম সাহায্যও তিনি পান নি।

আরও পড়ুন: আন্দামান নর্থ সেন্টিনেলে ‘জাড়োয়া’দের তীরের মুখে ভারতীয় কমান্ড্যান্ট

দুই মেয়ে ও স্ত্রীর ভরনপোষন ও নিজের ওষুধের খরচ সব কিছুই তিনি গৃহশিক্ষকতা করে উপার্জন করার চেষ্টা করেন। কলা বিভাগের স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের পড়িয়ে তিনি কোন রকমে সংসার চালান। ২০১৪ সালে তিনি ডুয়ার্স-রত্ন সম্মান পেয়েছেন। কিন্তু এই সম্মান থেকেও আরও বড় সম্মান পাওয়ার যোগ্য বলে মনে করে তাঁর শিক্ষার্থীরা। সেই সম্মান হল ‘বঙ্গরত্ন’ সম্মান।

Image: The News বাংলা
Image: The News বাংলা

আরও পড়ুন: ভারতীয় সিনেমার জনক দাদাসাহেব ফালকে না হীরালাল সেন?

সে কারনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করে চলেছে। সামনেই উত্তরবঙ্গ উৎসব। এ বছর উত্তরবঙ্গ উৎসবে তাদের প্রিয় গুরু তথা মাস্টারমশাই ‘বঙ্গরত্ন’ সম্মান পাক তা তারা চান। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তারা একটি চিঠি পাঠিয়েছে। তাদের আবেদন, এমন একজন শিল্পীকে ‘বঙ্গরত্ন’ সম্মানে ভুষিত করা হোক। বিভিন্ন স্কুল কলেজ থেকে তারা ২০০০ সাক্ষর সংগ্রহ করেছেন। সেই সাক্ষর সম্বলিত আরও একটি স্মারকলিপি মুখ্যমন্ত্রীকে তারা পাঠাবেন।

]]>
মুখ্যমন্ত্রী মমতার নজরে এবার বাংলায় নমশুদ্র উন্নয়ন পর্ষদ https://thenewsbangla.com/chief-minister-mamata-banerjee-eyes-on-formation-of-nomasudra-development-board-in-bengal/ Thu, 01 Nov 2018 18:37:32 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1839 শিলিগুড়িঃ আর কয়েকটা মাস, তারপরই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে উত্তরবঙ্গে বিভিন্ন জনজাতি ও বিভিন্ন সম্প্রোদায়ভুক্ত মানুষের মন জয় করতে পাঁচ দিনের উত্তরবঙ্গ সফরের চতুর্থ দিনে বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দুটি সম্প্রোদায়ভুক্ত মানুষের উন্নয়নে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

এদিন জলপাইগুড়ির চালসার টিয়াবন থেকে হেলিকপ্টারে চেপে শিলিগুড়ির নিকট ফুলবাড়ির স্বশত্র বাহিনীর হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে বেলা ১টা নাগাদ অবতরন করেন তিনি। এরপর সেখান থেকে সড়ক পথে গাড়িতে উত্তরকন্যায় আসেন। সেখানেই নমশুদ্র বিকাশ পরিষদ ও ওয়েস্ট বেঙ্গল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কালচারাল বোর্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষন বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: ৩০০ বছরের ডাকাতে কালির হাড় হিম করা কাহিনি

বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী নিজে সাংবাদিকদের মুখোমুখি না হলেও, সর্বভারতীয় নমশুদ্র বিকাশ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমটির কার্যকরি সভাপতি মুকুল চন্দ্র বৈরাগ্য জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এদিনের বৈঠকে মূলত দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় তাদের। প্রথমত নতুন করে বাংলায় নমশুদ্র উন্নয়ন পর্ষদ গঠন, দ্বিতীয়ত অসমের বাঙালি ও নমশুদ্র সম্প্রোদায়ভুক্ত মানুষের এনআরসি নিয়ে আন্দোলন।

The News বাংলা

তিনি আরও বলেন, নমশুদ্র উন্নয়ন বোর্ড গঠনে আবেদন জানিয়ে গত সাত বছর ধরে গোটা রাজ্যের ১৪টা জেলা থেকে ৪০টি স্মারকলিপি পাঠানো হয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। তারই ফলস্বরুপ ইতিমধ্যেই গত আগষ্ট মাসের ৬ তারিখেও নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি স্মারকলিপি দেওয়ার পর সেই বোর্ড নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে আলোচনা হয় সেদিন।

আরও পড়ুন: তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে তৃণমূল নেতাদেরই শাস্তির দাবীতে পোস্টার

এরপর এই সফরে এসে তাদের ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। তার আরও বক্তব্য, বিভিন্ন জনজাতির জন্য বিভিন্ন সময়ে উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই নমশুদ্র উন্নয়ন পর্ষদের জন্যেও আবেদন করা হয় এদিন।

এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা পর তিনি আশ্বস্ত করেন যে, আগামী ৫ তারিখে নবান্নে মন্ত্রিসভার ক্যাবিনেট মিটিং হবে, সেখানে এই উন্নয়ন পর্ষদ পাশ করানো নিয়ে আলোচনা হবে। সেই বৈঠকে নোট তৈরি করে তারপর উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন মুখ্যমন্ত্রী।

The News বাংলা

এবিষয়ে মুকুলবাবু আশাবাদী যে মুখ্যমন্ত্রী কার্যকারি পদক্ষেপ গ্রহন করবেনই। তিনি আরও জানান, গোটা রাজ্যে মোট ২ কোটি ৮৭ লক্ষ নমশুদ্র সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছে। অধিকাংশই পূর্ববঙ্গের মানুষ। তাদের উন্নয়নে এবার মুখ্যমন্ত্রী সদর্থক ভুমিকা নেবেন।

মুকুলবাবু আরও জানান, তাদের দ্বিতীয় প্রস্তাবে এদিন অসমের এনআরসি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়। সেখানে ১৮জন সরকারি কর্মরত মানুষ অাত্মহত্যা করেছেন। তাদের প্রমানের সমস্ত দস্তাবেশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলে তারা।

আরও পড়ুন: বিশ্বের সেরা একশোয় সত্যজিতের পথের পাঁচালি

সেই সব প্রমানপত্রের কাগজপত্র মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দেন। তিনি জানান, এনআরসি থেকে নাম বাদ পরায় অসমে মোট ৩১ জন আত্মহত্যা করেছেন যার মধ্যে ১৮ জন নমশুদ্র সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষ রয়েছেন। তারা কেউই বাংলাদেশে জন্মায় নি। সকলেই ভারতীয়। শুধু বাঙালি বলেই তাদের নাম এনআরসি থেকে বাদ গেছে। তার সমস্ত প্রমানপত্র মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তার সমস্ত শক্তি দিয়ে অসমের নমশুদ্র ও সমস্ত বাঙালীদের রক্ষা করবেন তিনি। এনআরসি নিয়ে নমশুদ্রদের আন্দোলনকে আগেও মুখ্যমন্ত্রী সমর্থন করেছেন। এবং আগামী দিনের আন্দোলনকে এদিনও সমস্তরকম সহোযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন মুখ্যমন্ত্রী।

The News বাংলা

পাশাপাশি এদিন ওয়েস্ট বেঙ্গল আদিবাসি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কালচারাল বোর্ডের প্রতিনিধিদের সাথে দীর্ঘক্ষন বৈঠক হয় মুখ্যমন্ত্রীর। এদিন পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসি উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান বিরষা তীরকি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ২০ দফা দাবী তুলে ধরেন। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবী হল মুখ্যমন্ত্রীর তৈরী করা এই বোর্ডের কাজে যেন কেউ হস্তক্ষেপ না করে স্বাধীনভাবে চলতে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ছোট মেয়েকে হারিয়ে মনমরা মা শীলা ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা 

এছাড়া বানারহাটের কার্তিক ওড়াও হিন্দি কলেজের নাম পরিবর্তন করে হিন্দি কথাটা বাদ দেবার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কালচিনি ও বাগডোগরায় ও নাগরাকাটায় মহিলা কলেজ সহ সরকারী চারকরীর ক্ষেত্রে আদিবাসীদের জন্য স্পেশাল কোটা তৈরী ও হাউসিং প্রকল্পের দাবী করা হয়।

এছাড়া গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের সময় ৯০০ জন আদিবাসীদের নামে কোর্টে মামলা চলে। সেই মামলায় নেপালিদের নামেও মামলা হয়। তাতে নেপালিদের সমস্ত মামলা খারিজ করা হলেও আদিবাসীদের নামের মামলা এখনও পর্যন্ত তুলে নেওয়া হয় নি।

The News বাংলা

সে ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীকে জানালে, কার কার নামে মামলা আছে সেই সমস্ত নামের তালিকা ও কাগজপত্র চেয়ে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবং সেই নিয়ে ইতিবাচক সাড়াও মিলেছে বলে জানান বিরসা তিরকী। তিনি আরও জানান, তাদের ২০টি দাবীর মধ্যে ৯০ শতাংশ দাবী পুরন করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। উভয় বৈঠকেই ইতিবাচক সাড়া মিলেছে বলে জানান উভয়পক্ষের পদাধিকারিকরা।

আরও পড়ুন: মেয়াদ বৃদ্ধি রাজ্য পে কমিশনের হতাশ রাজ্য সরকারি কর্মীরা

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এদিনের এই বৈঠকে নমশুদ্র বিকাশ পরিষদের মোট ২৫ জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন, তাদের মধ্যে অসম থেকে ১৩ জন তাদের প্রতিনিধি ছিলেন। অন্যদিকে আদিবাসী উন্নয়ন পর্ষদের ১৬ জন প্রতিনিধি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী চন্দ্রীমা ভট্টাচার্য, ইন্দ্রনীল সেন, গৌতম দেব, অরূপ বিশ্বাস, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ সহ দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির জেলাশাসক ও অন্যান্য সরকারী আধিকারিকরা।

]]>