Chief Minister – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 26 May 2022 13:55:51 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Chief Minister – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 রাজ্যপাল আর নয়, বাংলার বিশ্ববিদ্যালগুলির আচার্য হবেন মুখ্যমন্ত্রী https://thenewsbangla.com/chief-minister-will-be-the-chancellor-of-the-state-universities-instead-of-the-governor-approved-mamata-banerjee-cabinet/ Thu, 26 May 2022 13:55:18 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15243 রাজ্যপাল আর নয়, বিশ্ববিদ্যালগুলির আচার্য হবেন মুখ্যমন্ত্রী; অনুমোদন মমতার মন্ত্রিসভার। পদাধিকার বলে, রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হলেন; রাজ্যের রাজ্যপাল। বহুদিন থেকেই এই নিয়ম চলে আসছে। এবার রাজ্যের সমস্ত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদ থেকে; রাজ্যপালকে সরাতে চায় রাজ্য সরকার। সেই পদে মুখ্যমন্ত্রীকে আনতে চাওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীই হবেন সব বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য; এই নিয়ে প্রস্তাবও পাশ হয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে।

শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, “রাজ্যের সমস্ত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের; আচার্য হবেন মুখ্যমন্ত্রী। আজকে রাজ্যের মন্ত্রিসভা সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে”। বৃহস্পতিবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে, সংক্ষিপ্ত এক সাংবাদিক বৈঠকে ব্রাত্য বসু বলেন; “আজকে রাজ্যপালের জায়গায় মুখ্যমন্ত্রীকে; রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য নিয়োগের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। এরপর বিষয়টি বিল আকারে, বিধানসভায় পেশ করা হবে; তার পর আইনের আকার নেবে এই প্রস্তাব।

আরও পড়ুনঃ ট্যাংরার ট্রাক ভর্তি লোকের শাস্তি হয়নি, বেঁচে ফিরে নতুন জন্ম দিচ্ছেন পরিবহ মুখোপাধ্যায়

রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের জেরে রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দ্ব; নতুন শিখরে পৌঁছল বলেই মনে করছেন অনেকে। সংশোধিত আইনটি কার্যকর হলে, রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের; আচার্য বা চ্যান্সেলর পদে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। অর্থাৎ রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্র-কে, রাজভবনের ঘেরাটোপ থেকে; বের করে আনতে তৎপর হল রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুনঃ ঘটা করে শিল্প সম্মেলনই সার, শিল্পে দেশের মধ্যে ‘পিছিয়ে বাংলা’

তবে আইনজ্ঞরা বলছেন; বিষয়টি অতটা সহজ নয়। রাজ্যপালকে সরাতে বিধানসভায় বিল পাশ করিয়ে; সেই বিল পাঠাতে হবে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছেই। আর তাতে রাজ্যপাল সই না করলে; অর্ডিনান্স জারি করতে হবে সরকারকে। কিন্তু ২ দফার বেশি জারি করা যাবে না, একই অর্ডিন্যান্স। ততদিনে ধনখড়ের রাজ্যপাল হিসাবে, মেয়াদও ফুরিয়ে যাবে; তারপর এই বিলের প্রাসঙ্গিকতা নাও থাকতে পারে।

রাজ্য মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের কথা জেনে, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন; “মুখ্যমন্ত্রী ভাবছেন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলেই যদি এত টাকা থাকে, তাহলে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে; না জানি কত টাকা রয়েছে। তাই তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েছেন; কলঙ্কের এটুকুই বা আর বাকি থাকে কেন”? বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন; “একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ এই সরকার; নজর ঘোরানোর জন্য এমন পদক্ষেপ। সাংবিধানিক পদকে এঁরা মানেন না”।

]]>
মমতা নিজেই রাজ্যে বিজেপিকে আমন্ত্রণ করেছেন, বিস্ফোরক সুজন https://thenewsbangla.com/mamata-herself-invite-the-bjp-in-the-state-explosive-remarks-by-sujan/ Thu, 27 Jun 2019 12:44:20 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14572 মুখ্যমন্ত্রী নিজে রাজ্যে বিজেপি আমন্ত্রণ করেছেন, বিস্ফোরক সুজন। রাজ্যে বাড়তে থাকা সাম্প্রদায়িক হিংসা মোকাবিলায়; তৃণমূল সরকার যে একা অক্ষম তা বুঝে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার বিধানসভায় বাম ও কংগ্রেসের ‘হাত ধরা’র আহ্ববান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তারপরেই মমতাকে আক্রমণ করে; একথাই বললেন বামনেতা সুজন চক্রবর্তী।

মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন; “তৃণমূলের সাথে হাত ধরার কোন কারণ বা প্রবৃত্তি আমাদের নেই। তৃণমূল ডুবন্ত একটা নৌকো”। মুখ্যমন্ত্রীকে ‘দিবাস্বপ্ন’ দেখতেও মানা করলেন এই সিপিএম নেতা।

আরও পড়ুনঃ জনতার অসন্তোষে আক্রান্ত শাহরুখকে, মমতার ক্ষতিপূরণ কি নাম ধর্ম দেখে, প্রশ্ন বিজেপির

তিনি বলেন; “ধর্মকে ভিত্তি করে বাংলায় কেউ বেশিদিন রাজনীতি করতে পারেনি। বিজেপি খুব বিপদজনক একটি দল। ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার করেছে তারা। বিজেপি তার দাপট বাড়াচ্ছে বাংলায়”। দখলের রাজনীতিকে আটকানোর ক্ষমতা তৃণমূলের নেই; কারণ তারাই এই তোলাবাজির রাজনীতি শুরু করেছেন বলে দাবী সুজনের।

আরও পড়ুনঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ রক্ষার দায় বামেদের নেই

সাম্প্রতিককালে সাম্প্রদায়িক হিংসায়; মাদ্রাসের শিক্ষক নিগ্রহকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এই ঘটনা বাংলায় বিরল। সুজনবাবু বলেন, প্রশাসন সম্পূর্ণ ব্যর্থ। রাজ্যে বিজেপি বৃদ্ধির দায় কে নেবে; সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ মি টু আন্দোলনে আবারও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

পরে অবশ্য তৃণমূল নেতারা বলেন; মুখ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক জোট করার কথা বলেননি। যেভাবে জাতীয় স্তরে ২৩টি রাজনৈতিক দল লড়াই করছে; সেইভাবেই লড়াইটা চালিয়ে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মমতা।

আরও পড়ুনঃ Breaking News; ভারত সরকারের চাপে নীরব মোদীর ২৮৩ কোটি টাকার সুইস ব্যাঙ্ক আকাউন্ট বন্ধ হল

বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান জানান; সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে বাম কংগ্রেস শুরুর থেকেই লড়াই করে এসেছে। এদিন আব্দুল মান্নান বলেন; “গোধরা কাণ্ডের পরেও বিজেপির সঙ্গে ছিলেন মমতা”। অন্যদিকে রাজ্যের বিজেপি নেতা মুকুল রায় বলেন; “রাজ্যের তৃণমূল পরিষদ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সম্মুখীন। বিরল প্রজাতিতে পরিণত হবে এই দল”।

মুখ্যমন্ত্রীর জোট বাধার ডাককে; হাওয়ায় উড়িয়ে দিলেন বাংলার বামপন্থীরা। বামনেতা মহম্মদ সেলিম পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন বামেদের অবস্থান। ডুবন্ত তৃণমূল দলের হাল ধরার দায় বামেরা নেবে না; সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়ে দিলেন তিনি।

]]>
মুখ্যমন্ত্রী জুনিয়ার ডাক্তার বৈঠক নিয়ে নবান্নের চিঠি পাননি আন্দোলনকারীরা https://thenewsbangla.com/chief-minister-junior-doctor-meeting-nabanna-protesters-did-not-get-letter/ Mon, 17 Jun 2019 06:19:14 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13938 মুখ্যমন্ত্রী জুনিয়ার ডাক্তার বৈঠক নিয়ে; নবান্নের চিঠি পাননি দাবি আন্দোলনকারীরা। রবিবার সন্ধ্যায় নবান্ন থেকে জানান হয় যে; রাজ্যের চিকিৎসা অব্যবস্থা নিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের দাবি মেনে; বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের ১৪ টি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ২৮ জন প্রতিনিধিকে; সোমবার দুপুর ৩ টের সময় নবান্নে ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

কিন্তু সোমবার সকালে নিজেদের জিবি বৈঠক সেরে জুনিয়র ডাক্তাররা পরিষ্কার জানিয়ে দেন যে; তারা নবান্ন বা মুখ্যমন্ত্রীর তরফে কোন চিঠি পাননি। মুখ্যমন্ত্রী জুনিয়ার ডাক্তার বৈঠক নিয়ে; নবান্নের তরফে কোন চিঠি পাননি দাবি আন্দোলনকারীদের। ফলে এই বৈঠক এখনও বিশ বাঁও জলে।

আরও পড়ুনঃ নবান্নেই জুনিয়র ডাক্তারদের সোমবার বৈঠকে ডাকলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

ফের নবান্নেই জুনিয়র ডাক্তারদের; সোমবার বৈঠকে ডাকলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের ১৪টি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ২৮জন প্রতিনিধিকে; সোমবার দুপুর ৩টের সময় নবান্নে ডাকলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানান হয়, রবিবার রাতেই এই প্রস্তাব; পৌঁছে দেওয়া হয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের কাছে। তাঁরা কি মানবেন মমতার এই সিদ্ধান্ত? মানলে কালই সমাধান হবে; বাংলায় চিকিৎসা সংকট এর। এটাই ছিল প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় চিকিৎসা সংকট, বৈঠকের জায়গা ঠিক করতে মমতাকেই দায়িত্ব ডাক্তারদের

পর পর দুদিন মুখ্যমন্ত্রীর ডাকা বৈঠকে; হাজির হননি আন্দোনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়; নবান্নে কোনও আলোচনা হবে না। এনআরএসেই আসতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে৷ কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার সেখানে যেতে নারাজ। নবান্নে বৈঠক হবে কিনা; সেটা ছিল প্রশ্ন। তবে তার আগে, বৈঠকের চিঠিই পাননি; বলে নতুন বিতর্ক তুললেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা।

আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে রিপোর্ট তলব করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

মমতার ফের নবান্ন বৈঠকের প্রস্তাব; জুনিয়র ডাক্তাররা মেনে নেন কিনা সেটাই এখন দেখার। কারণ নবান্নে বৈঠক হবে নে; এটা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন জুনিয়ার ডাক্তাররা। ফের সেই নবান্নেই বৈঠক ডাকলেন মমতা। আর সেই খবর এখনও পাননি ডাক্তাররা। পেলেও আবার কি না বলেই দেবেন? সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

]]>
হাসপাতাল কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে তলব রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর https://thenewsbangla.com/chief-minister-mamata-banerjee-called-by-governor-keshari-nath-tripathi/ Fri, 14 Jun 2019 17:36:39 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13857 মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজভবনে তলব করলেন; রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। তবে মমতা যাবেন কিনা; তা এখনও স্পষ্ট নয়। রাজ্যপাল সাংবাদিকদের বলেন; “মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি। সাড়া পাইনি। তিনি এলে কথা হবে”। আহত পরিবহ মুখোপাধ্যায়কে শুক্রবার দেখতে যান রাজ্যপাল।

এদিন এনআরএস হাসপাতালে আন্দোলনকারী; জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে ছদফা দাবি পেশ করা হয়। তারা জানান; “মুখ্যমন্ত্রীকে এনআরএস হাসপাতালে এসেই; ক্ষমা চাইতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন; আমরা পদবী দেখে চিকিত্সা করি। মুখ্যমন্ত্রীকে সেই বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে। তারপর আলোচনা”।

আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে এসেই ক্ষমা চাইতে হবে, সাফ জানিয়ে দিল জুনিয়ার ডাক্তাররা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এন আর এস হাসপাতালে এসেই ক্ষমা চাইতে হবে; সাফ জানিয়ে দিল জুনিয়ার ডাক্তাররা। শুক্রবার সন্ধ্যার পর নবান্ন থেকে এন আর এস হাসপাতালের; আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের ডেকে পাঠান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ডাক পত্রপাঠ ফিরিয়ে দিলেন ডাক্তাররা।

নবান্নে কয়েকজন সিনিয়ার ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনা করার পর; মুখ্যমন্ত্রী মমতা নবান্নে ডেকে পাঠান আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের। তাঁর বার্তা নিয়ে সন্ধ্যার পর নবান্ন থেকে এন আর এস হাসপাতালে যান; রাজ্যের শিক্ষা স্বাস্থ্য অধিকর্তা প্রদীপ মিত্র। কিন্তু তাঁর মুখের উপর পরিষ্কার না বলে দিলেন এন আর এস হাসপাতালের জুনিয়ার ডাক্তাররা।

এই ইস্যুতে ইস্তাফা দিলেন এসএসকেএম হাসপাতালে ২০০ জন; এনআরএস হাসপাতালে ১০৭ জন; আরজিকর হাসপাতালে ১০৮ জন; উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১১৯ জন; ন্যাশান্যাল মেডিক্যাল কলেজে ৩৫ জন; মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ৫০ জন; মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ৩৬ জন; বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ২৪ জন; কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে ২৮ জন, এখনও পর্যন্ত তাদের ইস্তফাপত্র রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

এছাড়াও রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতাল থেকে; একের পর ডাক্তারের পদত্যাগপত্র পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরে। শুক্রবার সন্ধ্যায় যা অবস্থা; শনিবার থেকেই বাংলার সব সরকারি হাসপাতালে তালা ঝুলবে; বলেই মনে করা হচ্ছে। আর এরপরেই উদ্যোগ নেন রাজ্যপাল।

মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেও যোগাযোগ করতে পারেননি রাজ্যপাল; এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিলেন না জুনিয়ার ডাক্তাররা। অন্যদিকে রাজ্যপালের ডাকেও কি সাড়া দিলেন না মুখ্যমন্ত্রী?

]]>
মুখ্যমন্ত্রী মমতার চমক, জুনিয়ারদের হুঁশিয়ারি সিনিয়াদের অনুরোধ https://thenewsbangla.com/chief-minister-mamata-banerjee-gave-open-letter-to-senior-doctors-of-wb/ Thu, 13 Jun 2019 11:24:52 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13752 জুনিয়র ডাক্তারদের হুঁশিয়ারি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়; ভয় দেখিয়ে ও পুলিশ দিয়ে ডাক্তারদের আন্দোলন তুলতে মরিয়া মমতা। ভোটের সময় বা ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই; মেজাজ হারাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। ফের বৃহস্পতিবার এসএসকেএমে মেজাজ হারালেন মমতা। কিন্তু সেই মমতাই সিনিয়ার ডাক্তারদের চিঠি দিয়ে; কাজে ফেরার অনুরোধ করলেন।

জুনিয়ার ডাক্তারদের হুমকি দেবার পরেই; শুরু হয়েছে রাজ্য জুড়ে ডাক্তারদের গণ পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া। এই অবস্থায় সিনিয়র ডাক্তারদের উদ্দেশ্যে; একটি খোলা চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি সিনিয়র ডাক্তারদের কাছে; চিকিৎসা শুরু করার অনুরোধ জানান।

চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করেন; দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা করার। সিনিয়র ডাক্তারদের কাছে; রোগীদের যত্ন নেবার অনুরোধ করেছেন তিনি। চিঠিতে মমতা লেখেন, দরিদ্র রুগীরা প্রত্যন্ত জায়গা থেকে চিকিৎসা নিতে আসে; ডাক্তাররা সেই সব রোগীদের যেন না ফেরান।

তিনি আরও লেখেন; হাসপাতালে শান্তি বজায় রাখা প্রয়োজন। নিজের হাতে লেখা চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন; রোগীদের চিকিৎসা করলে তিনি সম্মানিত বোধ করবেন। ডাক্তাররা বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতার চমক; জুনিয়ারদের হুঁশিয়ারি ও সিনিয়াদের অনুরোধ।

এদিকে মুখ্যমন্ত্রী এসএসকেএম ছেড়ে যাবার পরেই; হাসপাতালের নার্সরা কর্মবিরতির ডাক দেয়। এসএসকেএম হাসপাতালে এসে মমতা বললেন, “আন্দোলনকারী সব ডাক্তার বহিরাগত”। তারপরেই গলায় আই-কার্ড ঝুলিয়ে; মুখ্যমন্ত্রীর “ওরা কেউ জুনিয়র ডাক্তার নয়, আউটসাইডার”; মন্তব্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন জুনিয়র ডাক্তাররা। মুহুর্মুহু স্লোগান ওঠে, “উই ওয়ান্ট জাস্টিস”।

এসএসকেএমে যান; জয়েন্ট সিপি ক্রাইম প্রবীণ ত্রিপাঠি, পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা। মাইকিং করে জুনিয়র ডাক্তারদের; কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন পুলিশ কর্তারা। কিন্তু হাতে ও গলায় আই-কার্ড ঝুলিয়ে; পাল্টা প্রতিবাদে সামিল জুনিয়র ডাক্তাররা।

এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে মমতা; বেশ কিছু কড়া স্টেপ নেওয়ার কথা বলেন। কাজে যোগ না দিলে এসমা জারি করে; কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের সমস্ত জায়গায় কর্মবিরতি তুলে; ৪ ঘণ্টার মধ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে ফেরার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা হুঁশিয়ারি দেন; “৪ ঘণ্টার মধ্যে যাঁরা কাজে যোগ দেবেন না; তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেব। সরকার তাঁদের আর কোনও সাহায্য করবে না”। এই হুঁশিয়ারি দেবার পরেই; সিনিয়ার ডাক্তারদের চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী।

]]>
মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ এসএসকেএমে, ডাক্তারদের হস্টেল খালি করার নির্দেশ https://thenewsbangla.com/chief-minister-mamata-banerjee-faces-protests-by-doctors-at-sskm-hospital/ Thu, 13 Jun 2019 07:38:04 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13722 মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ এসএসকেএম হাসপাতালে; পাল্টা হস্টেল খালি করার নির্দেশ মমতার। এই মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালে। ৪ ঘণ্টার মধ্যে ডাক্তারদের আন্দোলন তুলে; কাজে যোগ দেবার নির্দেশ দিলেন মমতা। এরপরেই মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়।

এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে এদিন মমতা; বেশ কিছু কড়া স্টেপ নেওয়ার কথা বলেন। কর্মবিরতি চলাকালিন কোন রোগী মৃত্যু হলে; তার তদন্ত হবে বলে জানিয়ে দেন মমতা। কাজে যোগ না দিলে এসমা জারি করে; কড়া পদক্ষেপ জারি কড়া হবে বলেই জানান মুখ্যমন্ত্রী।

জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি তুলতে; এদিন আসরে নামেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে কর্মবিরতি ঘিরে উত্তেজনা চরমে পৌঁছয় এসএসকেএম-এ। রোগীর পরিবারের আত্মীয়রা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে; মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেন। এরপরই বেলা ১২টা ২০ নাগাদ এসএসকেএম-এ পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এনআরএস কাণ্ডে ৫ জনকে গ্রেফতারের পরেও; ধর্মঘট কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ায় জুনিয়র ডাক্তারদের উদ্দেশে তোপ দাগেন তিনি। বলেন; “৪ দিন ধরে রোগী পড়ে আছে; কয়েকজন মিলে তাণ্ডব চালাচ্ছে। আমার মন্ত্রী গিয়েছেন; পুলিস কমিশনার গিয়েছেন। যাঁরা নাটক করছে; তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যাবস্থা নেব”।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি; “যাঁরা আন্দোলন করছেন; তাঁরা কেউ জুনিয়র ডাক্তার নয়; তাঁরা আউটসাইডার। বিজেপি-সিপিআইএম উসকানি দিচ্ছে। শুধু হিন্দু-মুসলমান করা হচ্ছে”। হাসপাতালে রাজনীতি বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এসএসকেএম-এ দাঁড়িয়ে রাজ্যের সমস্ত জায়গায় কর্মবিরতি তুলে; ৪ ঘণ্টার মধ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে ফেরার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। হুঁশিয়ারি দেন; “৪ ঘণ্টার মধ্যে যাঁরা কাজে যোগ দেবেন না; তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেব। সরকার তাঁদের আর কোনও সাহায্য করবে না”।

ডাক্তারদের তোপ দেগে মমতা বলেন; “২৫ লাখ টাকা দিয়ে পড়াব, তারপর বন্ড দিয়ে পালিয়ে যাবে”? কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশের পাশাপাশি এসএসকেএম এ দাঁড়িয়ে জুনিয়ার ডাক্তারদের হস্টেল খালি করারও নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এসমা জারি করে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার হুমকি দেন মমতা।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা হাসপাতালে পৌঁছতেই; মমতা হায় হায় স্লোগান দেন রোগীর আত্মীয়রা। মমতার শাসানিতে ক্ষুব্ধ হন ডাক্তাররাও। মুখ্যমন্ত্রীর মুখে চরম হুঁশিয়ারি শুনে; অবাক হয়ে যায় রাজনৈতিক মহলও। মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের শাসানিতে রীতিমত ক্ষুব্ধ ডাক্তারদের সংগঠনগুলি।

]]>
বসিরহাট দাঙ্গার জন্য বিএসএফকে দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় https://thenewsbangla.com/chief-minister-mamata-banerjee-blamed-bsf-for-bashirhat-riots/ Sat, 11 May 2019 16:15:14 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12760 বসিরহাট দাঙ্গার জন্য; বিএসএফকে দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার বসিরহাটের হাড়োয়ায় ভোট প্রচারে গিয়ে; সেই ঘটনার জন্য পরোক্ষে বিএসএফ-কেই দায়ি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ থেকে প্রায় দুই বছর আগে; উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বসিরহাটের বাদুড়িয়া। এক বালকের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে; শুরু হয় সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ। শনিবার বসিরহাটের হাড়োয়ায় ভোট প্রচারে গিয়ে; দুই বছর আগের সেই ঘটনার স্মৃতিচারন করে উস্কে দিলেন। ঘটনার জন্য দায়ি করলেন বিএসএফকেই। সীমান্ত দিয়ে বহিরাগতরা এসে দাঙ্গা বাধায় বাদুরিয়ায়; মত মমতার।

আরও পড়ুনঃ ষষ্ঠ দফায় ১০০ শতাংশ বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ কমিশন

ষষ্ঠ দফা লোকসভা নির্বাচনের আগেই; শনিবার বসিরহাটে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী; নুসরত জাহানের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই দুই বছর আগের ঘটনা তুলে আনেন তিনি। সেদিনের সেই ঘটনার জন্য দায়ী করেন বিএসএফ এবং বিজেপিকে।

আরও পড়ুনঃ বুদ্ধ পূর্ণিমায় বাংলায় মন্দিরে, স্কুলে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার ছক, মমতাকে জানাল কেন্দ্র

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বসিরহাটের বাদুড়িয়ায়; দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ঝামেলা তৈরি করা হয়েছিল বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, বিএসএফ কেন্দ্রের কথায় চলে। তাদের কন্ট্রোল করার দায়িত্ব কেন্দ্রের। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারই, তাদের নির্দেশ দিয়েছিল বহিরাগত ঢুকিয়ে অস্থির অবস্থা তৈরির জন্য; এমনই জানান মমতা।

আরও পড়ুনঃ অন্তঃসত্ত্বা মহিলার ছদ্মবেশে আত্মঘাতী হামলা হতে পারে হিন্দু বা বৌদ্ধ মন্দিরে

দুই বছর আগে, ২০১৭ সালের জুলাই মাসে; বাদুড়িয়ায় এক বালকের উস্কানিমূলক ধর্মকেন্দ্রিক পোস্ট ঘিরে শুরু হয় দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ। যার রেশ চলে অন্তত ২-৩ দিন। আগে থেকেই প্ল্যানমাফিক কেন্দ্রের বিজেপির অঙ্গুলিহেলনেই; ওই ঘটনা বিএসএফের হাত দিয়ে ঘটানো হয়েছিল বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। এর সাথে স্থানীয় কোনও সম্প্রদায়ের যোগ ছিলনা বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সেবারের মত এবারের ভোটেও বর্ডার দিয়ে বাংলাদেশ থেকে দুষ্কৃতী; যাতে ঢোকানো না হয়; সেই জন্য বিএসএফকে সতর্ক করে দেন মমতা। মমতার এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছে বঙ্গ বিজেপি। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন; এর আগেও মমতা সেনাকে অপমান করেছেন; এখন বিএসএফকে করছেন; নতুন কিছু নয়।

]]>
এই প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের অ্যাসিড আক্রান্তরা https://thenewsbangla.com/acid-victims-approach-to-chief-minister-mamata-banerjee-for-frist-time/ Thu, 07 Mar 2019 17:05:36 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7781 সুবিচার ও কর্মসংস্থান এর দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাসভবনে পৌঁছে গিয়েছিল রাজ্যের চার জেলার চার অ্যাসিড আক্রান্ত যুবক যুবতী। এই প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের অ্যাসিড আক্রান্তরা।

সুবিচার, কর্মসংস্থান ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবিতে বারুইপুরের মনীষা পৈলান, দমদমের সঞ্চয়িতা যাদব, মেদিনীপুরের সুতপা দাস ও সাগরদ্বীপের সূর্যশঙ্কর বারিক সোজা হাজির মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বাড়িতে। দেখা হয়নি আজ। তবে মিলেছে দেখা করার আশ্বাস।

অ্যাসিড হামলার পর থেকে এই চার যুবক যুবতী দীর্ঘদিন লড়ে আসছে নিজ নিজ জায়গায়। এই লড়াই দীর্ঘদিনের, এই লড়াই শরীরের সাথে মনেরও। আর এই লড়াইয়ের হয়ত কোন শেষ নেই। চলবে জীবনের শেষদিন পর্যন্ত। কিন্তু তাতে তাদের মনের জোর কোন অংশে কমে নি। লড়তে লড়তে ওরা বুঝে গেছে কোন পথে এগোলে সুবিচার পাবে ওদের শরীর ও মনের ক্ষতগুলো।

শুধু মাত্র প্রেমে সাড়া না পেয়ে সঞ্চয়িতা যাদব ও মনীষা পৈলানকে অ্যাসিড ছোঁড়া হয়েছিল। সাগরদ্বীপের সূর্যশঙ্করকে অ্যাসিড ছোঁড়া হয় পারিবারিক অশান্তির জেরে। এদের মধ্যে সূর্যশঙ্কর পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী, বর্তমানে একটি স্কুলে প্যারাটিচারের চাকরি করে। সেই টাকাতেই চলছে ওদের সংসার এবং চিকিৎসার খরচ। মনীষার বাবা কাঠ মিস্ত্রি আর সঞ্চয়িতা এক এনজিও-তে ছোট একটা চাকরি করে নিজের চিকিৎসা, ঘর ভাড়া ও অসুস্থ মাকে নিয়ে দিন কাটায়।

এদের প্রত্যেকের উপর অ্যাসিড হামলাকারীরা বর্তমানে জামিনে মুক্ত। অজানা কারণে মনীষার উকিল দিনের পর দিন মামলার ডেট এর পর ডেট পিছিয়ে চলেছে। গত কয়েক বছরে তাঁর মামলা একচুলও এগোয়নি। মনীষার কথাতে, “একটা পাকাপাকি কর্মসংস্থান থাকলে নিজে পয়সা দিয়ে উকিল রেখে মামলা চালাব”। মনীষার উপর আক্রমণকারী এখনও প্রকাশ্যে ধমকি দিয়ে চলেছে। প্রশাসন সব জেনে শুনেও চুপ, অভিযোগ মনীষার।

বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে ওরা এই সব সমস্যা জানাতে চেয়েছিলেন। চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অ্যাসিড বিক্রি করা, আইন করে বন্ধ করে দিক যাতে আর কাউকে ওদের মত অ্যাসিডে শারীরিক, সামাজিক ও মানসিক ভাবে না পুড়তে হয় প্রতিদিন।

যদিও মুখ্যমন্ত্রীর সাথে দেখা হয়নি ওদের। সকাল নয়টা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত অপেক্ষা করে ফিরে আসতে হয়েছে খালি হাতেই। মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, পরের সপ্তাহে আবার যেতে। যদিও নির্দিষ্ট কোন দিনে গেলে তারা মুখ্যমন্ত্রীর দেখা পাবে তা উল্লেখ করা হয়নি।

তবুও ওরা আশাবাদী। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজেও মহিলা, তিনি নিশ্চয়ই বুঝবেন ওদের যন্ত্রণা। শুধু একবার যদি কোনভাবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছনো যায়, উনি নিশ্চয়ই একটা সমাধান এর ব্যবস্থা করবেন। স্বাধীন ও সুস্থ জীবনে আবারও ফিরতে পারবে ওরা।

আর তার জন্যই এখন অপেক্ষায় বারুইপুরের মনীষা পৈলান, দমদমের সঞ্চয়িতা যাদব, মেদিনীপুরের সুতপা দাস ও সাগরদ্বীপের সূর্যশঙ্কর বারিক। আরও একটা লড়াই তাদের সামনে। মাথা উঁচু করে মুখ না ঢাকার লড়াই।

]]>
জেলাশাসকের স্ত্রী কাণ্ডে অপসারিত পুলিশ অফিসার পেলেন ‘মুখ্যমন্ত্রী সাহসী পুরস্কার’ https://thenewsbangla.com/removed-police-officer-in-dm-wife-case-get-chief-minister-bravery-award/ Sat, 12 Jan 2019 07:36:41 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5520 EXCLUSIVE The News বাংলা: ১১২ জন পুলিশ অফিসার ও ২টি পুলিশ স্টেশন এবার পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে পুলিশ পুরস্কার। এর মধ্যে চীফ মিনিস্টার ব্রেভারি অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন সদ্য জেলাশাসক স্ত্রীর অশ্লীল ম্যাস্যাজ কাণ্ডে অপসারিত ফালাকাটা থানার আইসি সৌম্যজিত রায়। আর সেই নিয়েই পুলিশ মহলে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। শাস্তি দিয়ে যাকে সরিয়ে দেওয়া হল সেই পুলিশ অফিসার কি করে মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে সাহসি পুলিশ অফিসারের পুরস্কার পেতে পারেন, উঠছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ সিবিআই থেকে দমকলে বদলি, প্রতিবাদে চাকরি ছাড়লেন আইপিএস

নবান্ন থেকে জারি করা নির্দেশে দেখা যাচ্ছে যে, এবার ১১২ জন পুলিশ অফিসার ও ২টি পুলিশ স্টেশন এবার পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে পুলিশ পুরস্কার। তবে এই পুলিশ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে ২০১৬-১৭ সালের জন্য। ১১২ জনের মধ্যে ৫ জন অফিসার পাচ্ছেন ২০১৬ সালের জন্য শৌর্য পদক। ২০১৬ সালের জন্য ৯ জন অফিসার পাচ্ছেন নিষ্ঠা পদক।

আরও পড়ুনঃ

Exclusive: জাতীয় সংগীত এর অপেক্ষা না করেই মঞ্চ ছেড়ে বিতর্কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

এত বড় সাহস, তৃণমূলের মঞ্চে ভাষণ শেষে ‘লাল সেলাম’ বললেন কে?

দেখে নিন কোন কোন অফিসার পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে শৌর্য পদক ও কোন কোন অফিসার পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে নিষ্ঠা পদক।

জেলাশাসকের স্ত্রী কাণ্ডে অপসারিত পুলিশ অফিসার পেলেন 'মুখ্যমন্ত্রী সাহসী পুরস্কার'/The News বাংলা
জেলাশাসকের স্ত্রী কাণ্ডে অপসারিত পুলিশ অফিসার পেলেন ‘মুখ্যমন্ত্রী সাহসী পুরস্কার’/The News বাংলা

২০১৬ সালের জন্য ৩১ জন অফিসার পাচ্ছেন প্রশংসা পদক। দেখে নিন কোন কোন অফিসার পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে প্রশংসা পদক।

জেলাশাসকের স্ত্রী কাণ্ডে অপসারিত পুলিশ অফিসার পেলেন 'মুখ্যমন্ত্রী সাহসী পুরস্কার'/The News বাংলা
জেলাশাসকের স্ত্রী কাণ্ডে অপসারিত পুলিশ অফিসার পেলেন ‘মুখ্যমন্ত্রী সাহসী পুরস্কার’/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ

বাংলায় দুর্গা পুজো বন্ধ করার চক্রান্ত করছে মোদীর বিজেপি, মারাত্মক অভিযোগ মমতার

আয়কর দফতরের নোটিশ, মাথায় হাত কলকাতার পুজো উদ্যোক্তাদের

২০১৬ সালের জন্য ৫৫ জন অফিসার পাচ্ছেন সেবা পদক। দেখে নিন কোন কোন অফিসার পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে সেবা পদক। ২০১৬ সালের জন্য ৪ জন অফিসার পাচ্ছেন সেরা তদন্তকারী অফিসারের পুরস্কার। দেখে নিন কোন কোন অফিসার পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে পাচ্ছেন সেরা তদন্তকারী অফিসারের পুরস্কার। ২০১৭ সালের জন্য ৫ জন অফিসার পাচ্ছেন শৌর্য পদক। দেখে নিন কোন কোন অফিসার পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে শৌর্য পদক।

জেলাশাসকের স্ত্রী কাণ্ডে অপসারিত পুলিশ অফিসার পেলেন 'মুখ্যমন্ত্রী সাহসী পুরস্কার'/The News বাংলা
জেলাশাসকের স্ত্রী কাণ্ডে অপসারিত পুলিশ অফিসার পেলেন ‘মুখ্যমন্ত্রী সাহসী পুরস্কার’/The News বাংলা

২০১৭ সালের জন্য মাত্র ৩ জন অফিসার পাচ্ছেন চীফ মিনিস্টার ব্রেভারি অ্যাওয়ার্ড। এর মধ্যেই আছেন সদ্য জেলাশাসক স্ত্রীর অশ্লীল ম্যাস্যাজ কাণ্ডে অপসারিত ফালাকাটা থানার আইসি সৌম্যজিত রায়। আর সেই নিয়েই পুলিশ মহলে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। শাস্তি দিয়ে যাকে সরিয়ে দেওয়া হল সেই পুলিশ অফিসার কি করে মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে সাহসি পুলিশ অফিসারের পুরস্কার পেতে পারেন, উঠছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ

ভারতের কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘ভাবনার বিপ্লব’ ভাবনা কস্তুরীর হাত ধরে

তবে দার্জিলিং এ অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে পরিস্থিতি ঠাণ্ডা করতে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েও কাজ করেছিলেন পুলিশ অফিসার সৌম্যজিত রায়। বিমল গুরুং ও তার দলবলের বিরুদ্ধে পাহাড়ে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করার জন্যই তাঁকে চীফ মিনিস্টার ব্রেভারি অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হল বলেই জানান হয়েছে নবান্ন থেকে। সৌম্যজিত রায় ছাড়াও দার্জিলিং এ কাজ করে আইপিএস ও দাজিলিং এর পুলিশ সুপার আখিলেশ চতুর্বেদী ও সদর পুলিশ থানার এসআই অভিজিত বিশ্বাসও পাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে চীফ মিনিস্টার ব্রেভারি অ্যাওয়ার্ডস।

এছাড়াও হাওড়া জিআরপি কে জেলায় আইন শৃঙ্খলা ভাল ভাবে বজায় রাখার জন্য ও কালিয়াগঞ্জ থানাকে সেরা থানার পুরষ্কার দেওয়া হবে।

আরও পড়ুনঃ

একদিনে বহিষ্কৃত দুই তৃণমূল সাংসদ, দিদিকে ছেড়ে মোদীর দলে আর কে কে

মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী

মোদীর প্রকল্পে আর টাকা দেবেন না মমতা, কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক তলানিতে

অশ্লীল গালাগাল দেবার জন্যই যুবককে নিজেদের ব্যক্তিগত গ্রুপে যোগ করেন নন্দিনী

প্রকাশ্যে গ্রুপ চ্যাট রেকর্ডিং, জেলাশাসকের স্ত্রীর ভাষাও সমান অশ্লীল

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
নতুন বছরে বাংলার কৃষকদের জন্য ‘কল্পতরু’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা https://thenewsbangla.com/chief-minister-mamata-banerjee-announce-two-project-for-bengal-farmers-in-the-new-year/ Mon, 31 Dec 2018 11:26:24 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5022 The News বাংলা, কলকাতাঃ নতুন বছরে বাংলার কৃষকদের জন্য কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বছর শুরুর আগেই বাংলার কৃষকদের জন্য ২টি নতুন প্রকল্প ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন বছরে এই প্রকল্প দুটির সাহায্য পাবেন কৃষক ও খেত মজুররা। কৃষক ও খেতমজুর পরিবারের কেউ মারা গেলে সরকার আর্থিক সাহায্য করবে এবং কৃষি কাজের জন্য সরকার টাকা দেবে।

আরও পড়ুনঃ শেখ হাসিনাকে প্রথম অভিনন্দন জানালেন নরেন্দ্র মোদী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

নতুন বছরের জোড়া উপহার। দু দুটি প্রকল্প বাংলার কৃষক ও খেত মজুরদের জন্য। ২০১৯ সাল শুরুর ঠিক আগেই ‘কৃষক বন্ধু’ নামে একটি প্রকল্প চালু করলেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার নবান্নে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৮ থেকে ৬০ বছরের কোন কৃষক ও খেত মজুরের মৃত্যু হলে ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। ২ লক্ষ্য টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছেন মমতা। টাকা দেবে রাজ্য সরকারের কৃষি দফতর।

আরও পড়ুনঃ অবিশ্বাস্য জয়, ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৮৮ আসনে জিতে ফের ক্ষমতায় শেখ হাসিনা

চাষের জন্য একর প্রতি ৫ হাজার টাকা দেবে রাজ্য সরকার। এই টাকা চাষের কাজে ব্যবহার করতে পারবে কৃষকরা। ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচন জিতেই কংগ্রেস সরকার কৃষি ঋণ মকুবের ঘোষণা করেছিল। তবে সেই নিয়ে বিতর্কও কম হচ্ছে না। মমতাও রাজ্যের কৃষকদের জন্য উপহার এনে দিলেন তবে কোন শর্ত ছাড়াই।

আরও পড়ুন: ১১ বছর পর দার্জিলিং কালিম্পঙে তুষারপাতে বেড়ানোর আনন্দ দ্বিগুন

‘১৮ বছর থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত কোনও কৃষক ও খেত মজুর মারা গেলে সরকার ২ লাখ টাকা দেবে পরিবারকে। অসুস্থ হয়ে, দুর্ঘটনায় বা যে কোনও ভাবে মারা গেলেও এই টাকা পাওয়া যাবে কৃষি দফতরের মাধ্যমে’, জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: ভূমিকম্পে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়বে সল্টলেক নিউটাউনের বাড়িঘর

একই সঙ্গে তিনি জানান, ‘প্রতি বছর কোনও একটি ফসলের চাষের জন্য একর প্রতি দুই কিস্তিতে আড়াই হাজার টাকা করে মোট ৫০০০ টাকা পাবেন কৃষক। এক একরের কম জমির জন্যও টাকা পাওয়া যাবে। রবি ও খরিফ চাষের জন্য এই টাকা পাবেন কৃষকেরা’।

আরও পড়ুন: জেলেই সুমন চট্টোপাধ্যায়, সিবিআই নজরে বাংলার আরও তিন সাংবাদিক

এদিন নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, আগেই তাঁর সরকার কৃষি জমিতে খাজনা মকুব করে দিয়েছেন। মিউটেশন ফি দেওয়া থেকেও ছাড় দেওয়া হয়েছে কৃষকদের। সম্প্রতি অনলাইনে মিউটেশন করারও ব্যবস্থাও করেছে তৃণমূল সরকার।

আরও পড়ুন: হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে কৃষক আন্দোলনে ইতিহাস বাংলার বামেদের

বাংলায় ৭২ লক্ষ কৃষক ও খেত মজুর এই প্রকল্পের ফলে উপকৃত হবেন বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানুয়ারি থেকেই চালু হয়ে যাবে এই প্রকল্প। ফেব্রুয়ারি থেকে কৃষকরা আবেদন করতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: ৫৫ নম্বরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে ৫৯ দিয়ে এসএসসি-র নতুন কীর্তি

আগেই বাজেটের সময় মমতা জানিয়েছিলেন, এবার রাজ্যের ১ লক্ষ কৃষককে পেনশন দেবে রাজ্য সরকার। আর পেনশনের টাকাও বাড়ানো হচ্ছে। এক লক্ষ কৃষক এবার এক হাজার টাকা করে পেনশন পাবেন। সেইসঙ্গে গৃহনির্মাণের স্ট্যাম্প ডিউটিতেও ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এক শতাংশ স্ট্যাম্প ডিউটি হ্রাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবার।

আরও পড়ুনঃ ‘বিজেপির বন্ধু অধীর চৌধুরী মুর্শিদাবাদের বর্তমান মীরজাফর’

চা শিল্পেও কৃষি আয়কর তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এই সিদ্ধান্তের ফলে ২৫ লক্ষ চা শ্রমিক উপকৃত হবেন। চা পাতা উৎপাদনের উপর শিক্ষা সেস ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানের উপর সেসও সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ প্লাস্টিক পলিপ্যাক থার্মোকল দূষণ মুক্ত করার অসাধারণ লড়াই

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সব প্রকল্পের পর ও কৃষকদের জন্য বিভিন্ন ঘোষণার পর, নতুন বছর থেকেই এর সুবিধা পাবেন কৃষকরা। লোকসভা ভোটের দিকে তাকিয়েই জনমোহিনী নীতি নিচ্ছে সরকার, অভিযোগ বিজেপি সহ বিরোধীদের। মা মাটি মানুষের সরকার, সবসময় কৃষকদরদী সরকার, বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের।

]]>