Chief Minister Arvind Kejriwal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 16 Apr 2019 05:54:05 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Chief Minister Arvind Kejriwal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 কেজরীর অনুরোধে কংগ্রেসের তরফে আসন ছাড়ার প্রস্তাব আপকে https://thenewsbangla.com/rahul-gandhi-proposes-4-seats-for-arvind-kejriwals-aap/ Tue, 16 Apr 2019 05:54:05 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10887 বিজেপিকে রুখতে বহুদিন ধরেই সারা দেশ জুড়েই মহাজোটের বার্তা দিয়েছে বিভিন্ন বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দল। কিন্তু জোটে আগ্রহী দল গুলোও জোটের মধ্যে গিয়ে নিজেদের দলীয় স্বার্থ ক্ষুন্ন করতে চাইছেন না। এই সমস্যার ভুক্তভোগী দিল্লির ক্ষমতাসীন দল আম আদমি পার্টি। বহুদিন ধরে জোট সমস্যায় আটকে থাকার পর জোটের জটের রাস্তা খোলার চেষ্টা করল কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরে মেহবুবার গাড়ি লক্ষ্য করে পাথরবাজদের হামলা

জোট ছাড়া কার্যত বিজেপিকে ঠেকানো অসম্ভব, তা বহুবারই নিজের কথাবার্তায় পরিষ্কার করে দিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো কেজরীওয়াল। প্রায় ২ মাস ধরে কংগ্রেসের সাথে জোটের চেষ্টা চালানোর পরেও কোনও সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুনঃ উর্মিলার সভায় মোদীর হয়ে শ্লোগান দিয়ে কংগ্রেসের হাতে প্রহৃত বিজেপি সমর্থকরা

দিল্লি বিধানসভার ৭ টি আসনের মধ্যে ১টি আসন কংগ্রেসের জন্য ছাড়তে রাজি হয়েছিল কেজরীওয়াল৷ অসম্মানজনক প্রস্তাবে কংগ্রেস রাজি হয়নি। দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতও জোট প্রস্তাবে রাজি ছিলেন না। অবশেষে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগে জোট রাস্তা খুলতে উদ্যোগী হলেন রাহুল গান্ধী।

আরও পড়ুনঃ মোদীর হেলিকপ্টারে কালো বাক্স রহস্য, নির্বাচন কমিশনে কংগ্রেস

আম আদমি পার্টির জন্য ৪টি আসন ছাড়তে রাজি হল কংগ্রেস। সোমবার একটি ট্যুইটে রাহুল গান্ধী আসন বন্টনের কথা উল্লেখ করে জানান, জোটের রাস্তা এখনও খোলা, কিন্তু সময় চলে যাচ্ছে। জোট হলে বিজেপিকে হারানো সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুনঃ কংগ্রেস সমর্থকদের হাতে খুন ৭৫ বছরের বৃদ্ধ মোদী সমর্থক

যদিও আম আদমি পার্টির তরফে এই সমঝোতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। কারন, পাঞ্জাব বা হরিয়ানাতেও আম আদমি কংগ্রেসের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে বিজেপিকে হারানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে, কিন্তু ওই সকল রাজ্যে কংগ্রেস আম আদমি পার্টিকে জায়গা ছাড়তে রাজি নয়।

আরও পড়ুনঃ ভিন্ন জাতে বিয়ে করার শাস্তি, স্বামীকে কাঁধে তুলে স্ত্রীকে ঘুরতে হল গোটা গ্রাম

জোট আলোচনার জন্য আগেই রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে দলীয় কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেখানে জোটের সম্ভাবনার কথা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছিলেন দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত। কিছুদিন আগে অন্ধ্রপ্রদেশে চন্দ্রবাবু নাইডুর আমন্ত্রনে একটি জনসভায় কেজরীওয়াল বলেছিলেন, শীলা দীক্ষিতের কথার কোনও গুরুত্ব নেই। রাহুলের সাথে কেজরীওয়ালের কথা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছিলেন৷

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ভোট প্রচারে বাংলাদেশী নায়ক, সমালোচনায় সরব বিরোধীরা

যদিও রাহুল গান্ধী এর আগে দিল্লিতে একা লড়ার পক্ষে ছিলেন। আম আদমি পার্টির তরফে একাধিকবার কংগ্রেসের সাথে জোট করার প্রস্তাব দেওয়া হলেও সেই প্রস্তাবকে তখন বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ ইচ্ছে থাকলে সহজেই পরিবার নিয়ে আপনিও যেতে পারেন মহাকাশ ভ্রমণে

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে দিল্লি বিধানসভার ভোটে কংগ্রেসকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে আপ। প্রাথমিকভাবে আপের সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় কংগ্রেসকে সাথে নিয়ে সরকার চালাতে হয়। এরপর মাত্র ৪৯ দিনের মাথায় সরকার ভেঙ্গে দেন কেজরীওয়াল।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে ভোট দিতে চাকুরী ছেড়ে ভারতে এলেন এই প্রবাসী ভারতীয়

এরপর ২০১৫ সালে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দিল্লি বিধানসভার ৭০টির মধ্যে ৬৭টি আসন দখল করে ক্ষমতায় আসে আম আদমি পার্টি। কংগ্রেস একটিও সিট পায়নি। এদিকে ২০১৪ লোকসভা ভোটে আপ ভালো সংখ্যক ভোট পেলেও আপ বা কংগ্রেস কেউই কোনো আসন জিততে পারেনি।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ভোটে নির্বাচন কমিশনের চিন্তার কারণ শ্যাডো জোন, এল হ্যাম রেডিও

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
দিল্লি কার দখলে আজও হল না ফয়সালা https://thenewsbangla.com/delhi-government-vs-lieutenant-governor-power-struggle-judges-differ-on-key-issues/ Thu, 14 Feb 2019 10:23:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6794 ভারতের রাজধানী দিল্লি কার দখলে? দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার ও উপরাজ্যপাল মামলায়, এখনও হল না অধিকাংশ ফয়সালা। দুই বিচারপতি একমত না হওয়ায় মামলা পাঠান হয়েছে তৃতীয় বিচারপতির বেঞ্চে। তবে যে রায় দেওয়া হয়েছে, তাতে কেন্দ্রের জয় হল বলেই মনে করছে আইন মহল। রায় গণতন্ত্রের পরিপন্থী, জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার ও উপরাজ্যপাল এর বিতর্ক গত দু বছর ধরেই চরমে। জুলাইয়েই দেশের শীর্ষ আদালতের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ এই নিয়ে একটি রায় দেয়। সুপ্রিম কোর্ট রায় দিলেও, সেটা নিয়ে বেশ কিছু বিভ্রান্তি থেকে যায় বলে দাবি করে ফের আদালতের দ্বারস্থ হয় দু পক্ষই।

আপের দাবি মানুষের ভোটে জিতে এলেও তাদের কাজের সুযোগ খুবই কম। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দিল্লি পরিচালনের জন্য অতিরিক্ত ক্ষমতার দাবি করে আসছে সরকার। এর আগে জুলাই মাসে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, দিল্লি অন্য রাজ্যের মতো ক্ষমতা দাবি করতে পারে না ঠিকই কিন্তু উপ-রাজ্যপাল একা প্রশাসন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তও নিতে পারেন না। উপ রাজ্যপালের সঙ্গে দিল্লি সরকারের গোলমাল দেখা দেয় আধিকারিকদের বদলি করা নিয়ে।

বিচারপতি এ কে সিক্রি এবং বিচারপতি অশোক ভূষণ নভেম্বর মাসের ১ তারিখ এই মামলার শুনানি শেষ করেন। বৃহস্পতিবার এই নিয়ে ফের রায় দিল আদালত। তবে বেশ কিছু সিদ্ধান্তে দুই বিচারপতি একমত না হওয়ায় মামলা পাঠিয়ে দেওয়া হয় তৃতীয় বিচারপতির বেঞ্চে। দুপক্ষের এই সংঘাত বড় আকার ধারন করেছে। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন কেজরিওয়াল। এখন দিল্লির উপ রাজ্যপাল অনিল বৈজল। তাঁর আগে দায়িত্বে ছিলেন নাজীব জং। সেই তখন থেকে সংঘাতের শুরু।

তবে এবার উপ গভর্নরের সঙ্গে সংঘাত প্রশ্নে কিছুটা হলেও সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেল আম আদমি পার্টির সরকার। আদালত জানিয়ে দিল দিল্লির দুর্নীতি দমন শাখা নিয়ন্ত্রণের অধিকার কেন্দ্রীয় সরকারের, দিল্লি সরকারের নয়। তবে দুই আমলার বদলি নিয়ে বিচারপতিদের মধ্যে মতবিরোধ হয়েছে। আমলাদের ট্রান্সফার করার অধিকার কার, সেই নিয়ে একমত হতে পারেন নি বিচারপতি এ কে সিক্রি এবং বিচারপতি অশোক ভূষণ।

গত বছর জুলাইয়ে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, দিল্লি শাসন করবেন এবার উপরাজ্যপালই। শীর্ষ আদালতের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায় অনুসারে, দিল্লির কোনও ‘বস’ নেই। রাজধানীর প্রশাসনিক প্রধান হলেন উপরাজ্যপাল অনিল বৈজল। প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র আবার বলেন, “দিল্লির আসল ক্ষমতা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকারের হাতেই থাকবে”। এর ফলেই রায় নিয়ে দু পক্ষের মধ্যেই বোঝার ভুল থেকে যায়। ফলে দু পক্ষই ফের আদালতের শরণাপন্ন হয়।

সংবিধান ও আইনের অধীনে হওয়া সত্ত্বেও দিল্লি সরকারের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই ভূমি সংক্রান্ত বিষয়, আমলাতন্ত্র এবং পুলিশের ওপর। অন্যদিকে আপ সরকারের দাবি, কেন্দ্র তাদের প্রশাসনিক ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করছে। গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত সরকারকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সংবিধানের তোয়াক্কা না করে উপরাজ্যপালের ক্ষমতা বাড়িয়েছে কেন্দ্রের এনডিএ সরকার। এই নিয়ে প্রথমে মামলা হয় দিল্লি হাইকোর্টে। সেখানে আম আদমি পার্টির দাবি খারিজ হয়ে যায়। এরপর সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন করেন অরবিন্দরা। সেই মামলারই এখনও চলছে শীর্ষ আদালতে।

সুপ্রিম কোর্ট রায় দিলেও সেটা নিয়ে বেশ কিছু বিভ্রান্তি থেকে যায় বলে দাবি করে ফের আদালতের দ্বারস্থ হয় বিভিন্ন পক্ষ। এবারও সব বিষয়ে একমত হতে পারলেন না বিচারপতিরা। তৃতীয় বিচারপতি এই নিয়ে কি সিদ্ধান্ত নেন, সেটাই দেখার।

]]>