CEO West Bengal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 20 Apr 2019 09:45:35 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg CEO West Bengal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 শুধু কোচবিহারে ছাপ্পা ও সন্ত্রাস আটকাতে না পেরে লজ্জায় বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/vivek-dube-election-commission-in-shame-unable-to-prevent-rigging-in-cooach-behar/ Thu, 11 Apr 2019 08:22:54 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10600 প্রতিশ্রুতি কি শুধু রাজনৈতিক নেতারা দেন? প্রতিশ্রুতি দেয় নির্বাচন কমিশনও। বাংলার সাধারণ মানুষকে প্রচুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসার আরিজ আফতাব। বাংলার ভোটারদের অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রাজ্যের ভোটে নিযুক্ত বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবেও। কিন্তু মিল একটাই। রাজনৈতিক নেতারাও প্রতিশ্রুতি রাখেন না। আর বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশনও বাংলার মানুষকে দেওয়া কথা রাখতে পারলেন না। শুধু কোচবিহারে ছাপ্পা ও সন্ত্রাস আটকাতে না পেরে লজ্জায় বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন।

LIVE: সারাদিন কি হচ্ছে বাংলার ভোটে, দেখে নিন প্রথম দফার ভোটের সব ঘটনা

রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে চরম সন্ত্রাসের পরিস্থিতি দেখেও শিক্ষা নেয় নি ভারতের নির্বাচন কমিশন। আর সেই রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা করেই ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় চরম সন্ত্রাস দেখতে পেল কোচবিহার এর বিভিন্ন এলাকা। যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই সেখানেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাজনৈতিক দলের গুণ্ডারা। বিশেষ করে তৃণমূলের দাদাগিরি দেখতে পেয়েছে গোটা কোচবিহার। একের পর এক ছবি উঠে এসেছে সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায়। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিরোধীরা।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস

কোচবিহার কেন্দ্র নিয়ে বাড়তি নজর ছিল কমিশনের। ৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রায় পুরোটাই রয়েছে কোচবিহারে। কোচবিহারে ২০১০টি বুথের মধ্যে ১০৬০টি বুথে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাকি ৯৫০টি বুথে রয়েছে রাজ্যের সশস্ত্রবাহিনী। আর বৃহস্পতিবার ভোটের দিন সারাদিন কোচবিহারে থাকার কথা ছিল বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবের। কোচবিহারে থেকেই ভোট মনিটরিং করবেন তিনি, এমনটাই কথা ছিল।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভবিষ্যতের ভূতকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা দেবে মমতা সরকার

কিন্তু দেখা গেল ঠিক উল্টো ছবি। বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে কলকাতায় ফিরে গেলেন সকালেই। আর যেখানে যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই সেই সেই বুথেই দেখা গেল চরম সন্ত্রাস। ঠিক পঞ্চায়েত ভোটের মতই তৃণমূলের ফের সন্ত্রাস দেখছে রাজ্য। তাও শুধুমাত্র দুটো লোকসভার ভোটে। কোচবিহারে যেখানে যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই, সেখানেই তৃণমূল সন্ত্রাস চালিয়েছে বলেই অভিযোগ সাধারণ মানুষ থেকে বিরোধী দলগুলির।

আরও পড়ুনঃ ভোটের ‘দাওয়াই’ দেওয়ার বেনজির হুমকি রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

কোচবিহারের শিতলকুচির অনেক বুথেই বিরোধী প্রার্থীর পোলিং এজেন্টকে ঢুকতেই দেওয়া হয় নি বলেই অভিযোগ। শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস এজেন্টদেরই দেখা যাচ্ছে। এমনকি বুথে যেতে বাধা দেওয়া হয় ভোটারদেরও। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনেই চলে হুমকি। ভোটের আগে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি ছিল বিরোধীদের। কিন্তু কোচবিহারে ৯৫০টি বুথে রয়েছে রাজ্য পুলিশ। আর সেই সব বুথের অধিকাংশতেই চলছে চরম রিগিং।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভবিষ্যতের ভূতকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা দেবে মমতা সরকার

রাজ্য পুলিশ থাকা অধিকাংশ বুথেই চলছে চরম দাদাগিরি, গুন্ডাগিরি এমনটাই অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। মাথাভাঙা ও দিনহাটার অধিকাংশ বুথেই চলছে ভোটারদের বাধা দেওয়ার কাজ। অনেক বুথেই বিরোধী এজেন্টদের বসতেই দেওয়া হয় নি বলেই নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি, বাম ও কংগ্রেস। পঞ্চায়েত ভোট এর কথা বিরোধীদের কাছে বারবার শুনেও কান দেয় নি কমিশন। তার খেসারত প্রথম দফার একটা লোকসভাতেই চোকাতে হল কমিশনকে।

আরও পড়ুনঃ মমতার ফোনের পরই ৫ টি বুথে পুনরায় নির্বাচন চাইলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের পুলিশের উপর নির্ভর করে ডুবল নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস চলছে অধিকাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী হীন বুথে। এমনটাই ভুরি ভুরি অভিযোগ জমা পরেছে নির্বাচন কমিশন এর কাছে। তবে রাজ্য ও রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা করে এইভাবে ডুবতে হবে তা ভাবেনইনি বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন। শুধু কোচবিহারে ছাপ্পা ও সন্ত্রাস আটকাতে না পেরে লজ্জায় বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা নয় কোচবিহার থেকে ভোট মনিটরিং করবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে
আরও পড়ুনঃ আশ্চর্য কাণ্ড, ভোট শুরু হতেই কোচবিহার থেকে কলকাতায় ফিরলেন বিবেক দুবে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
রিগিং বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ৬টি বিশেষ অ্যাপস আনল নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/election-commission-of-india-brings-six-special-apps-to-stop-rigging-in-vote-booths/ Wed, 10 Apr 2019 06:14:14 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10427 রিগিং বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ৬টি বিশেষ অ্যাপ আনল নির্বাচন কমিশন। প্রচার থেকে বুথে সব ঝামেলায় এবার থাকছে ৬টি বিশেষ অ্যাপস। একনজরে দেখে নিন, কি কি বিশেষ অ্যাপস আনল নির্বাচন কমিশন

আরও পড়ুনঃ ভোট বুথে গুন্ডাগিরি ও রিগিং রুখতে নির্বাচন কমিশন আনল বিশেষ অ্যাপ

১) সুবিধা অ্যাপঃ
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে যে কোন রাজনৈতিক দল যদি কোন মিটিং মিছিল বা কোন সভার অনুমতি চায় তাহলে আর এবার কাউকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দ্বারস্থ হতে হবে না। সে কারণে নির্বাচন কমিশন তৈরি করেছিল নতুন আরেকটি অ্যাপ যার নাম দেয়া হয়েছিল সুবিধা। নিজেদের কার্যক্রমের ৫ দিনের আগে এই অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করলেই মিলবে কমিশনের তরফে অনুমতি। যে অনুমতি কে নিয়ে যে কোন রাজনৈতিক দল কোন মিটিং মিছিল বা রাজনৈতিক সভা করতে পারবে।

আরও পড়ুনঃ রাহুলের নির্বাচনী কেন্দ্র ওয়ানাড ভারতে নাকি পাকিস্তানে, সন্দেহ প্রকাশ অমিতের

রিগিং বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ৬টি বিশেষ অ্যাপস আনল নির্বাচন কমিশন/The News বাংলা
রিগিং বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ৬টি বিশেষ অ্যাপস আনল নির্বাচন কমিশন/The News বাংলা

২) সিভিজিল অ্যাপঃ
তবে সব থেকে আকর্ষক হয়েছে ২০১৯ সালের সিভিজিল অ্যাপ। গোটা দেশের মানুষ যে কোন প্রান্ত থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মাধ্যমে এই অ্যাপটিকে ডাউনলোড করে নিজের নাম ঠিকানা সহ স্টিল বা ভিডিও ফটোগ্রাফি করে সরাসরি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাতে পারবে। যে অভিযোগ জানানোর পর ১০০ মিনিট এর মধ্যে কমিশন সমাধান করবে তার সমস্যার।

আরও পড়ুনঃ মহাজোটের ভরসা আলী হলে বাকিদের ভরসা বজরঙ বলী, মন্তব্য আদিত্যনাথের

৩) ভোটার হেল্প লাইন অ্যাপ‌ঃ
তবে কেবল অভাব-অভিযোগ নয় সমগ্র ভোটারদের জন্য খোলা হয়েছিল ভোটার হেল্প লাইন অ্যাপ‌। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে একজন ভোটার সবকিছু জানতে পারবে এই ভোটার হেল্প লাইন অ্যাপ এর মাধ্যমে। নিজের নাম ভোটার লিস্টে কত নম্বরে আছে বা নিজের বুথ কোন জায়গায় সব কিছুই জানা যাবে এই অ্যাপের মাধ্যমে।

রিগিং বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ৬টি বিশেষ অ্যাপস আনল নির্বাচন কমিশন/The News বাংলা
রিগিং বন্ধ করে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে ৬টি বিশেষ অ্যাপস আনল নির্বাচন কমিশন/The News বাংলা

৪) ন্যাশনাল গ্রীভেন্স সেকশন অ্যাপঃ
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন তাদের নিজেদের সুবিধার্থে সারা দেশব্যাপী একটি অ্যাপ তৈরি করেছিল। ন্যাশনাল গ্রীভেন্স সেকশন। জাতীয় স্তরে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই অ্যাপ এ অভিযোগ জমা পড়েছে বহুমাত্রায়। যার সমাধান কমিশন করে ফেলছে মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে মহাজোটের ভরাডুবির আশঙ্কা, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

৫) অনুভব অ্যাপঃ
কমিশনের এবার মূল লক্ষ্য ছিল যারা শারীরিকভাবে অক্ষম তাদের পাশে কিভাবে দাঁড়ানো যায়। সব দিক চিন্তা ভাবনা করেই পি ডব্লিউ ডি দের জন্য একটি অ্যাপ এনেছিল কমিশন যার নাম দেওয়া হয়েছিল অনুভব। বিগত দিনে লোকসভা এবং বিধানসভা নির্বাচন গুলিতে দেখা গিয়েছে দেশের মধ্যে যারা শারীরিকভাবে অক্ষম তা চিরদিনই থেকে গেছে প্রদীপের তলায় অন্ধকারের মধ্যেই। কেউই কখনো তাদের দিকে ঘুরে তাকায়নি। অবশেষে ২০১৯ সালে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এ বছর তাদের মূল লক্ষ্য যারা শারীরিকভাবে একেবারেই অক্ষম যারা কখনো ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের গিয়ে নিজের ভোটটা দিতে পারেন না। তাদেরকেই নির্বাচন কমিশন এবার ভোট মুখী করার জন্য সব রকম ব্যবস্থা নিয়েছে। আর তা নিয়েই নির্বাচন কমিশন দেরিতে হলেও তাদের জন্য তৈরি করেছে এক বিশেষ এক যার নাম অনুভব।

৬) পোল ডে মনিটরিং অ্যাপঃ
রাজ্য মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতরের আধিকারিক ও কর্মীরা তৈরি করলেন এক বিশেষ অ্যাপ। ভোটের দিন বুথের ভেতর ও বাইরে যে কোনো রকম অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা রুখতেই এই অ্যাপ তৈরি করেছেন তাঁরা। আঙুলের এক ছোঁয়াতেই এক নিমেষে বুথের হাল হাকিকতের সম্পূর্ণ ছবি ফুটে উঠবে রাজ্য মুখ্য নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের দফতরে। বুথ স্তরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার জন্য এই অ্যাপটি আনছে রাজ্য মুখ্য নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকের দফতর।

আরও পড়ুনঃ ৩৭০ ধারা বিলোপ হলে ভারত থেকে কাশ্মীরকে বিচ্ছিন্ন করার হুঁশিয়ারি ফারুক আবদুল্লাহর

নির্বাচন কমিশনের এই গুরুত্বপূর্ণ ৬ টি অ্যাপস এর পাশাপাশি কমিশন তাদের নিজেদের কাজ করার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অনেক আগে থেকেই। তবে সেই অ্যাপসগুলির নাম নির্বাচন কমিশন কোনমতেই সাধারণ মানুষকে জানাতে চায় না তার কারণ সেই অ্যাপসগুলির মধ্যে দিয়ে নির্বাচন কমিশন চুপিসারেই তাদের নিজেদের কাজ সারতে চায়।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারে কাশ্মীরের ৩৭০ এবং ৩৫ এ নং ধারা বিলোপের প্রতিশ্রুতি

যে কাজ সারার মধ্যে দিয়ে সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট কি করে করানো যায় তা নিয়েই তৈরি হয়েছে কমিশনের নিজস্ব বেশ কিছু অ্যাপ। হাতে মাত্র আর কয়েক ঘণ্টা তার পরেই শুরু হয়ে যাবে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফা নির্বাচন। এখন দেখার বিষয় নির্বাচন কমিশনের এই মূল ছটি অ্যাপস কতটা সুবিধা দিতে পারে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলগুলোকে। এবং কতটা শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে সক্ষম হয় নির্বাচন কমিশন সেটাই এখন সব থেকে বড় প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>