Central Government – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 14 Jan 2019 15:46:59 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Central Government – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বাংলায় ক্ষোভ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়াচ্ছে মোদী সরকার https://thenewsbangla.com/modi-government-is-raising-the-minimum-salary-of-central-government-employees-to-rs-21000/ Mon, 14 Jan 2019 15:34:56 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5615 ফের ক্ষোভ ও হতাশা বাড়তে চলেছে বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে। কারণ, আবার বাড়তে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের সর্বনিম্ন বেতন। লোকসভা ভোটের আগেই এই সুখবর পেতে চলেছেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের একটা বড় অংশ। দিল্লি সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী সপ্তাহে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়তে চলেছে। প্রায় ৫০ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী শীঘ্রই এই সুখবর পেতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।

২০১৬র জুনেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন ৭ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছিল ১৮ হাজার টাকা। লাগু হয় ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই। এর ফলে, সরকারি চাকরির সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঢুকেই একজন কর্মীর বেতন শুরু হয় ১৮ হাজার টাকা থেকে। সেটাই এবার বেড়ে হচ্ছে প্রায় ২১ হাজার টাকা। যদিও ২০১৬তেই এটা ২১ হাজার করার প্রস্তাব ছিল বেতন কমিশনের। এখন কর্মী ইউনিয়নগুলির দাবি ন্যূনতম বেতন ২৬ হাজার টাকা করার।

আরও পড়ুনঃ

ভয়াবহ নৃশংসতার নজির, পিটিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে ১৭টি কুকুরকে

‘ত্রিশূলে কনডম’, অসমের শিলচরে হিন্দুত্ত্ববাদী বিক্ষোভের মুখে কবি শ্রীজাত

বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন ৭ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১৮ হাজার টাকা করা হয়েছিল। এর পরেও দাবি ছিল এই সর্বনিম্ন বেতন কমপক্ষে ২৬ হাজার টাকা করা হোক। এতটা না হলেও বেতন কমিশনের প্রস্তাব মেনে সর্বনিম্ন বেতন বাড়াতে পারে কেন্দ্র। মনে করা হচ্ছে সর্বনিম্ন বেতন হবে ২১ হাজার টাকা।

জানা যাচ্ছে, এই বেতন বৃদ্ধি হবে নিচুতলার কর্মীদের ক্ষেত্রে। ম্যাট্রিক্স লেভেল ১ থেকে ৫-এর মধ্যে যাঁরা পড়েন, তাঁদের জন্যই হতে পারে এই ঘোষণা। বর্তমানে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বেসিক বেতন পাচ্ছেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা। এক সপ্তাহের মধ্যেই হয়ত এই ঘোষণা হতে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ

বাংলায় দুর্গা পুজো বন্ধ করার চক্রান্ত করছে মোদীর বিজেপি, মারাত্মক অভিযোগ মমতার

পরকীয়া প্রেমের জেরে অজয় দেবগণের ফিল্ম স্টাইলে খুন

সপ্তম বেতন কমিশনে ফিটমেন্ট ফর্মুলা মেনে সর্বনিম্ন বেতন ২.৫৭ গুণ বেড়েছে। এটা ৩ গুণ করা হবে বলে অর্থ মন্ত্রক সূত্রের খবর। উল্লেখ্য, রাজ্যসভায় এমন আশ্বাস দিয়েছিলেন খোদ অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। এবার লোকসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই সেই ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনে এই বেতন বৃদ্ধি কার্যকর হলে উপকৃত হবেন প্রায় ৫০ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং ৫৩ লক্ষ পেনশন গ্রহীতা। এঁদের মধ্যে আবার রয়েছেন প্রতিরক্ষা বাহিনীর ১৪ লক্ষ কর্মী এবং ১৮ লক্ষ পেনশন গ্রহীতা।

আরও পড়ুনঃ

জেলাশাসকের স্ত্রী কাণ্ডে অপসারিত পুলিশ অফিসার পেলেন ‘মুখ্যমন্ত্রী সাহসী পুরস্কার’

সিবিআই থেকে দমকলে বদলি, প্রতিবাদে চাকরি ছাড়লেন আইপিএস

গত বছর জুনেই পে-ব্যান্ড এবং গ্রেড পে প্রথা তুলে দিয়ে চালু হয় এক নতুন পে-ম্যাট্রিক্স। তার আগে পর্যন্ত গ্রেড পে-র ভিত্তিতে কর্মীদের পদমর্যাদার বিষয়টি স্থির করা হত। এখন থেকে তা পে-ম্যাট্রিক্সের ভিত্তিতে ঠিক করা হয়। অসামরিক ও প্রতিরক্ষা কর্মীদের জন্য পৃথক পৃথক পে-ম্যাট্রিক্স চালু করা হয়েছে। মিলিটারি নার্সিং সার্ভিসের ক্ষেত্রেও অনুসরণ করা হয় আরেকটি পে-ম্যাট্রিক্স।

নতুন বেতন কাঠামোয় বর্তমানের সবকটি স্তর ও পর্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পে-ম্যাট্রিক্সের প্রতিটি পর্যায়ে ন্যূনতম বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সূচককে আরও বাস্তবমুখী করে তোলা হবে বলেই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেটাই বাস্তবায়িত করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদে এক হিন্দু নারী

ভারতের কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

এর ফলে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন ১৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হবে ২১ হাজার টাকা। এর ফলে, সরকারি চাকরির সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঢুকেই একজন কর্মীর বেতন শুরু হবে ২১ হাজার টাকা থেকে। যদিও দাবি ছিল ২৬ হাজার টাকার। তবু ভোটের মুখে এটাও লাভ কেন্দ্রীয় কর্মীদের।

বেতন ও পেনশন সংশোধনের উদ্দেশ্যে পে-ম্যাট্রিক্সের সকল পর্যায়ে ২.৫৭– এই ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরটিকে কাজে লাগানো হয়। যদিও কেন্দ্রীয় ইউনিয়নগুলি এটা ৩.৬৮ করার দাবিতে আন্দোলন করছে। প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য পে-ম্যাট্রিক্সকে আরও উন্নত ও বাস্তবমুখী করে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

তবে এই বৃদ্ধির ফলেও রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের ফারাক আরও বাড়বে। ফলে স্বভাবতই ক্ষোভ ও হতাশা বাড়তে চলেছে বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে।

আরও পড়ুনঃ

নতুন বছরের শুরুতেই খারাপ খবর, বড় বড় কোম্পানিতে কর্মী ছাঁটাই

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘ভাবনার বিপ্লব’ ভাবনা কস্তুরীর হাত ধরে

মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী

মোদীর প্রকল্পে আর টাকা দেবেন না মমতা, কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক তলানিতে

একদিনে বহিষ্কৃত দুই তৃণমূল সাংসদ, দিদিকে ছেড়ে মোদীর দলে আর কে কে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মোদী সরকারের গড়িমসিতে ‘সার্কিট বেঞ্চ’ চালু হচ্ছে না অভিযোগ মন্ত্রীর https://thenewsbangla.com/circuit-bench-not-started-for-lazyness-of-modi-government-goutam-deb/ Thu, 06 Dec 2018 17:40:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3634 The News বাংলা, শিলিগুড়িঃ সার্কিট বেঞ্চ নিয়ে রাজনীতি করছে কেন্দ্র। জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের সমস্ত পরিকাঠামো প্রস্তুতের পরও মোদী সরকারের টালবাহানায় চালু করা যাচ্ছে না সার্কিট বেঞ্চর কাজ, বলে গুরুতর অভিযোগ তুললেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। আর সার্কিট বেঞ্চ নিয়ে কেন্দ্রের এই ঘৃণ্য রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হচ্ছেন জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ির আইন কর্মীরা।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা হাইকোর্টে জিতে মোদীর ‘রথ যাত্রা’ আটকালেন মমতা

সার্কিট বেঞ্চ নিয়ে রাজনীতি করছে কেন্দ্র সরকার। মোদী সরকার শুধুমাত্র রাজনীতি করার জন্য সার্কিট বেঞ্চের অনুমোদন আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ মন্ত্রীর। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি হিল কার্ট রোডে দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্য্যালয়ে আইনজীবীদের উপস্থিতিতে এক সাংবাদিক বৈঠক করে এই অভিযোগ করেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব।

মোদী সরকারের গড়িমসিতে 'সার্কিট বেঞ্চ' চালু হচ্ছে না অভিযোগ মন্ত্রীর/The News বাংলা
মোদী সরকারের গড়িমসিতে ‘সার্কিট বেঞ্চ’ চালু হচ্ছে না অভিযোগ মন্ত্রীর/The News বাংলা

তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে কলকাতা হাইকোর্টের শাখা হিসেবে জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চ তৈরির দাবি ছিল উত্তরবঙ্গবাসীর। বিগত চল্লিশ বছর ধরে রাজনৈতিক দলগুলির দীর্ঘ টালবাহানা চলেছে। অবশেষে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর শুরুর দিন থেকেই জোড় কদমে সার্কিট বেঞ্চ নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়।

আরও পড়ুনঃ ‘পর্যটক প্রধানমন্ত্রী’ নরেন্দ্র মোদীকে স্বাগত জানালেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে নির্দিষ্ট জমিতেই শুরু হয় সার্কিট বেঞ্চ নির্মাণ এর কাজ। এদিন মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে মিলে হাইকোর্টের নির্দেশ মতোই রেকর্ড রুম, আইনজীবীদের বসার জায়গা, কোর্টরুমগুলিকে তৈরি করা হয়েছে। এমনকি সার্কিট বেঞ্চ ডিজিটাইজ হবে সে কারনে হাইকোর্টের আদলে ল্যাব তৈরি করা হয়েছে।

মোদী সরকারের গড়িমসিতে 'সার্কিট বেঞ্চ' চালু হচ্ছে না অভিযোগ মন্ত্রীর/The News বাংলা
মোদী সরকারের গড়িমসিতে ‘সার্কিট বেঞ্চ’ চালু হচ্ছে না অভিযোগ মন্ত্রীর/The News বাংলা

হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য্য সহ কয়েকজন বিচারপতি ও আইনমন্ত্রী এসে পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে যুদ্ধকালিন প্রস্তুতির সঙ্গে সম্পন্ন হয় সার্কিট বেঞ্চের কাজ। কয়েক দফায় হাইকোর্টের জনা কয়েক বিচারপতি জলপাইগুড়ি এসে সার্কিট বেঞ্চের সমস্ত পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন।

আরও পড়ুনঃ ‘জগন্নাথের রথযাত্রা নয়, বিজেপির ফূর্তি করার রথযাত্রা’ শুভেন্দু অধিকারী

এদিন মন্ত্রী বলেন, বিরোধী কংগ্রেস, সিপিএম, বিজেপি দলগুলি কলকাতা হাইকোর্টে গিয়ে মামলা রুজু করে। উত্তরবঙ্গে সার্কিট বেঞ্চ তৈরির কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে তারা। তবে চলতি বছরের আগস্ট মাসের ৩০ তারিখ রাষ্ট্রের উপসচিব এই সার্কিট বেঞ্চের প্রক্রিয়া শুরুর কথা জানান কলকাতা হাইকোর্টকে।

মোদী সরকারের গড়িমসিতে 'সার্কিট বেঞ্চ' চালু হচ্ছে না অভিযোগ মন্ত্রীর/The News বাংলা
মোদী সরকারের গড়িমসিতে ‘সার্কিট বেঞ্চ’ চালু হচ্ছে না অভিযোগ মন্ত্রীর/The News বাংলা

কলকাতা হাইকোর্ট সেই অনুযায়ী সার্কিট বেঞ্চ চালুর বিষয় জানিয়ে দেয়। তবে এরজন্য কেন্দ্রীয় সরকারের আইনি বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন। সেই অনুমোদন আর দিচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার। সার্কিট বেঞ্চের পরিকাঠামো, কর্মী নিয়োগ পরীক্ষা ও নির্বাচন হয়ে যাবার পরও কেন্দ্র সার্কিট বেঞ্চের অনুমোদন আটকে রেখছে বলে জানান মন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ আন্দোলনের এক যুগ পূর্তিতে সিঙ্গুরে শহীদ মিনার গড়বেন মমতা

এদিন মন্ত্রী বলেন অনুমোদন দেওয়া অল্প সময়ের কাজ, একদিনেই তা করা যায়। কিন্ত দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকার দিনের পর দিন তা আটকে রাখছে। অসাংবিধানিক ভাবে সার্কিট বেঞ্চের অনুমোদন আটকে রেখেছে মোদী সরকার। শুধু মাত্র রাষ্ট্রপতির অনুমোদন ও সার্কিট বেঞ্চ চালু করার জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখের জন্য পুরো বিষয়টা ঝুলে রয়েছে।

মোদী সরকারের গড়িমসিতে 'সার্কিট বেঞ্চ' চালু হচ্ছে না অভিযোগ মন্ত্রীর/The News বাংলা
মোদী সরকারের গড়িমসিতে ‘সার্কিট বেঞ্চ’ চালু হচ্ছে না অভিযোগ মন্ত্রীর/The News বাংলা

বৃহস্পতিবার থেকে ধর্ণায় বসেছেন জলপাইগুড়ি সমস্ত আইন বিষয়ক কর্মীরা। শুক্রবার থেকে শিলিগুড়ি আদালতেও শীঘ্র সার্কিট বেঞ্চ তৈরির দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ করবেন শিলিগুড়ি আইনজীবী ও আইনি কর্মীরা। তবে মন্ত্রী আশ্বাস দেন কোর্টের সমস্ত কাজ অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন শীঘ্র জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ চালু করা না হলে পরিকাঠামো বিকল হয়ে পড়বে।

]]>