Central Forces – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 15 May 2019 08:38:38 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Central Forces – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 গুন্ডা বাহিনীকে ঠাণ্ডা করতে ভাঙড়ে ঢুকল বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী https://thenewsbangla.com/central-forces-route-march-at-bhangar-to-control-miscreant-before-polls/ Wed, 15 May 2019 08:38:38 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12932 রবিবার শেষ দফায় ভোটে বাংলায়; কলকাতা ও সন্নিহিত এলাকায় ভোট। ভোট যাদবপুরেও। আর তার আগেই, বুধবার সকালেই ভাঙড়ে ঢুকল ১৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল সকাল রূট মার্চ ভাঙড়ের বিভিন্ন এলাকা সহ; পাওয়ার গ্রীড এলাকায়।

বহিরাগত দুষ্কৃতীরা জড় হয়েছে ভাঙড়ে; এমনটাই খবর নির্বাচন কমিশনের কাছে। তাই রবিবার ভোটের অনেক আগেই; ভাঙড়ে ঢুকল বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। এদিন পাওয়ার গ্রীড এলাকায় রুট মাচের পাশাপাশি; সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন; আধা সামরিক বাহিনীর অফিসাররা।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর জয়ের ভবিষ্যৎবানী করে বরখাস্ত কলেজ অধ্যাপক

আশ্বাস দেন শান্তিতে ভোট দেওয়ার ব্যাপারে। কেন্দ্রীয় বাহিনী আমজনতাকে; ভোট দেওয়ার এবং ভোট দিতে যাওয়ার সমস্যা হলে; জানানোর কথা বলেছেন ভাঙড়ের সাধারণ মানুষকে। বুধবার সকালে কাশিপুর থানার অফিসারদের সঙ্গে নিয়ে; ভাঙড়ে পাওয়ার গ্রীড এলাকা শ্যামনগর, খামারআইট, মাছি ভাঙা এলাকায়; রুট মার্চ করলেন আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানরা।

আরও পড়ুনঃ অমিত শাহ এর রোড শো ঘিরে রণক্ষেত্র কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বর

জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর; ভাঙড় বিধানসভার কাশীপুর, ভাঙড় ও কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানা মিলিয়ে; ১৮ কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হবে ভাঙড়ে। ভাঙড় ১ নং ব্লকের ৩টি ও ভাঙড় ২ নং ব্লকের ১০টি; গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা মিলিয়ে মোট বুথের সংখ্যা ২৭৭ টি।

আরও পড়ুনঃ অমিত শাহর পর যোগী আদিত্যনাথের সভায় নিষেধাজ্ঞা রাজ্যের

যার মধ্যে আবার ১১১টি বুথকে; স্পর্শকাতর বা অতি স্পর্শকাতর হিসাবে ধরা হয়েছে। ৫টি মহিলা পরিচালিত বুথ ও ২৫টি ওয়েব কাস্টিং বুথও থাকছে। মোট ১৬০টি ভোট গ্রহন কেন্দ্র ও ১০ টি কুইক রেসপন্স টিম মিলিয়ে; প্রায় আঠারশো সেনা জওয়ান; ভোটের দিন ভাঙড়ে মোতায়েন থাকবেন। এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ অমিত শাহ এর রোড শো ঘিরে গেরুয়া সমুদ্রে ভাসল উত্তর ও মধ্য কলকাতা

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর; ভাঙড়ে মোট ২ লক্ষ ৫১ হাজার ৯৫৬ জন ভোটার আছেন। যাঁদের মধ্যে ৩২৩৭ জন ভোটার বিশেষ ভাবে সক্ষম। সবমিলিয়ে আড়াই লক্ষ ভোটার; যাতে সুষ্ট ও অবাধ মতদান করতে পারেন তাঁর জন্য; বিতর্কিত ভাঙড়ে অভাবনীয় উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন।

]]>
কেশপুরে চলল গুলি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে আহত তৃণমূল নেতা https://thenewsbangla.com/firing-at-keshpur-tmc-leader-injured-by-bullets-fired-by-central-forces/ Sun, 12 May 2019 06:34:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12787 কেশপুরে চলল গুলি। ৪ রাউন্ড গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। বখতিয়ার খান নামে এক তৃণমূল কর্মী গুলিবিদ্ধ; হয়েছেন বলে জানা গেছে। ভারতী ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালে গুলি চালায় নিরাপত্তারক্ষী। ভারতীর নির্দেশেই গুলি চালিয়েছে তাঁর নিরাপত্তা রক্ষী; অভিযোগ তৃণমূলের।

প্রার্থীকে আক্রমণ করতে আসা দুষ্কৃতিদের পায়ের দিকে তাক করে গুলি চালিয়েছে তাঁর নিরাপত্তা বাহিনী; দাবী বিজেপি কর্মীদের। যদিও গুলি চালাবার অভিযোগ অস্বীকার ভারতীর। তাঁর দাবী; নিরাপত্তারক্ষীরা কোন গুলি চালায়নি। এদিকে আহত তৃণমূল কর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি কড়া হয়েছে; তাঁর কব্জির কাছে গুলি লেগেছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ সাতসকালে ভোটের বুথে কেঁদে ফেললেন ভারতী, উড়ে গেল পায়ের নখ

ঘাটালের দোগাছিয়ায় ভারতী ঘোষকে; ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে যায় কিছুক্ষণ আগেই। বিজেপি প্রার্থী বুথে পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ; ইটবৃষ্টি তৃণমূল কর্মীদের। ইটের ঘায়ে মাথা ফাটে ভারতী ঘোষের নিরাপত্তারক্ষীর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ পুলিশের। ভারতী ঘোষের গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। এরপরেই ভারতীর নিরাপত্তারক্ষীরা ৪ বার গুলি চালায় বলেই অভিযোগ।

আরও পড়ুনঃ ধুন্ধুমার কেশপুরে তৃণমূল কর্মীদের হাতে রক্তাক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী

কেশপুরের দোগাছিয়ায় তৃণমূল কর্মীদের হাতে; রক্তাক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কেশপুরের দোগাছিয়ার একটি বুথে ছাপ্পা ভোট হচ্ছে; এমনই খবর পেয়ে সেই বুথে ছুটে যান; ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। ভারতীর সাথে ছিলেন তাঁর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীরাও।

আরও পড়ুনঃ ষষ্ঠ দফা ভোটের মধ্যেই রহস্যজনক মৃত্যু ২ রাজনৈতিক কর্মীর, বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষ

বুথে পৌঁছানো মাত্রই কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি ঘিরে; তৃণমূল কর্মীরা তুমুল ইটবৃষ্টি ও পাথরবৃষ্টি শুরু করে। ইটের ঘায়ে রক্তাক্ত হন; ভারতীকে ঘিরে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ান। সম্পূর্ণ ভাংচুর করা হয় ভারতীর গাড়ি। একটি মাদ্রাশাতে ছাপ্পা ভোট হচ্ছিল; খবর পেয়ে এলাকায় যান ভারতী; এমনটাই জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ অন্তঃসত্ত্বা মহিলার ছদ্মবেশে আত্মঘাতী হামলা হতে পারে হিন্দু বা বৌদ্ধ মন্দিরে

কেশপুরের দোগাছিয়ায় সকাল থেকেই উত্তপ্ত অবস্থা বেশ কয়েকটি বুথে। ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ সকাল থেকেই অভিযোগ করেন; কেশপুরের বিভিন্ন বুথে তার এজেন্টকে বুথে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। তবে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

]]>
ধুন্ধুমার কেশপুরে তৃণমূল কর্মীদের হাতে রক্তাক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী https://thenewsbangla.com/central-forces-blood-sheded-in-the-hands-of-tmc-workers-in-keshpur/ Sun, 12 May 2019 05:40:47 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12781 কেশপুরের তৃণমূল কর্মীদের হাতে রক্তাক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী। সিপিএম আমলে ভীত সন্ত্রস্ত কেশপুর; তৃণমূল আমলে রক্তাত্ব। কোথায় পরিবর্তন? প্রশ্ন সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলের।

কেশপুরের দোগাছিয়ায় তৃণমূল কর্মীদের হাতে; রক্তাক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কেশপুরের দোগাছিয়ার একটি বুথে ছাপ্পা ভোট হচ্ছে; এমনই খবর পেয়ে সেই বুথে ছুটে যান; ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। ভারতীর সাথে ছিলেন তাঁর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীরাও।

আরও পড়ুনঃ সাতসকালে ভোটের বুথে কেঁদে ফেললেন ভারতী, উড়ে গেল পায়ের নখ

বুথে পৌঁছানো মাত্রই কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি ঘিরে; তৃণমূল কর্মীরা তুমুল ইটবৃষ্টি ও পাথরবৃষ্টি শুরু করে। ইটের ঘায়ে রক্তাক্ত হন; ভারতীকে ঘিরে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর কয়েকজন জওয়ান। সম্পূর্ণ ভাংচুর করা হয় ভারতীর গাড়ি। একটি মাদ্রাশাতে ছাপ্পা ভোট হচ্ছিল; খবর পেয়ে এলাকায় যান ভারতী; এমনটাই জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ ষষ্ঠ দফা ভোটের মধ্যেই রহস্যজনক মৃত্যু ২ রাজনৈতিক কর্মীর, বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষ

কেশপুরের দোগাছিয়ায় সকাল থেকেই উত্তপ্ত অবস্থা বেশ কয়েকটি বুথে। ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ সকাল থেকেই অভিযোগ করেন; তার এজেন্টকে বুথে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। কেশপুরের বিভিন্ন বুথে বিজেপি এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ। তবে এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ অন্তঃসত্ত্বা মহিলার ছদ্মবেশে আত্মঘাতী হামলা হতে পারে হিন্দু বা বৌদ্ধ মন্দিরে

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে; ওই তৃণমূল সমর্থকদের বলতে শোনা যায়; অন্য দল করেন বলে ভারতীর এজেন্টকে তারা বুথে বসতে দেবেন না। ভারতীকে পুলিশের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে তৃণমূল সমর্থকরা। এক সময় ধস্তাধস্তিতে তার পায়ের নখ উপড়ে রক্তাক্ত হয়।

আরও পড়ুনঃ ষষ্ঠ দফায় ১০০ শতাংশ বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ কমিশন

শুধু ভারতী ঘোষ নয়; কেশপুরের দোগাছিয়ার ওই মাদ্রাশার কাছে গেলে সংবাদমাধ্যমের অনেক গাড়িতেও ভাঙচুর চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ওরা আমাদের কর্মী নয়; সাধারণ মানুষ ভারতীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছে; দাবী তৃণমূলের।

কেশপুরের দোগাছিয়ায় তৃণমূল কর্মীদের হাতে; আক্রান্ত হন ভারতী ঘোষের নিরাপত্তা কর্মীরা। ইট বৃষ্টি শুরু হয় সাংবাদিকদের গাড়ি লক্ষ্য করেও। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম আক্রান্ত হয়েছে কেশপুরের দোগাছিয়ায়।

]]>
ষষ্ঠ দফায় ১০০ শতাংশ বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ কমিশন https://thenewsbangla.com/central-forces-not-in-100-percent-booths-in-sixth-phase-poll-in-bengal/ Sat, 11 May 2019 14:38:38 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12746 ৭৪৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনিতেও হল না। আর তাই, রবিবার বাংলার ১০০ শতাংশ বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর; প্রায় ৯৪ শতাংশ বুথে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর; রাজ্যের মাওবাদী এলাকায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে; তাই অন্যান্য সব জায়গায় ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে না। আর এই নিয়ে উদ্বেগ বিরোধী দলগুলির।

ষষ্ঠ দফা নির্বাচনে মোট ৭৪৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী বুথে মোতায়েন করা হবে; আগেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মোট ৭৭০ কোম্পানি কাজ করছে ষষ্ঠ দফার ভোটে।

আরও পড়ুনঃ অন্তঃসত্ত্বা মহিলার ছদ্মবেশে আত্মঘাতী হামলা হতে পারে হিন্দু বা বৌদ্ধ মন্দিরে

একনজরে দেখে নেওয়া যাক; কোন জেলায় কত কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। বাহিনী বিন্যাস হয়েছে; ঠিক এই ভাবেই। বাঁকুড়া ১৪৫ কোম্পানি; ঝাড়গ্রাম ১১৪ কোম্পানি; পশ্চিম মেদিনীপুর ১৭৪ কোম্পানি; পূর্ব বর্ধমান ১১ কোম্পানি; পূর্ব মেদিনীপুর ১৯০ কোম্পানি; পুরুলিয়া ১০৯ কোম্পানি।

ষষ্ঠ দফা নির্বাচনে কোথায় কত অফিসার থাকছে; দেখে নিন একনজরে। এবারের ভোটে মাওবাদী এলাকায়; বিশেষ নজর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

তমলুক এ মাইক্রো অবজারভার ৫৬০; ভিডিও ক্যামেরা ১৭৫; সিসিটিভি ৩৫; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১০৭০।
কাঁথি তে মাইক্রো অবজারভার ৫৬০; ভিডিও ক্যামেরা ১৭৫; সিসিটিভি ৩৫; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১০৭০।
ঘাটাল এ মাইক্রো অবজারভার ৭২২; ভিডিও ক্যামেরা ২৫; সিসিটিভি ৭১২; ওয়েব কাস্টিং ২৯৯; মোট ১৭৫৮।
ঝাড়গ্রাম এ মাইক্রো অবজারভার ৪৬০; ভিডিও ক্যামেরা ৫৭; সিসিটিভি ২৫৮; ওয়েব কাস্টিং ২৬৯; মোট ১০৪৪।

মেদিনীপুর এ মাইক্রো অবজারভার ৬৪৭; ভিডিও ক্যামেরা ২৫; সিসিটিভি ৪৭২; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১৪৪৪।
পুরুলিয়া তে মাইক্রো অবজারভার ৩৮০; ভিডিও ক্যামেরা ১০৩; সিসিটিভি ৬৬; ওয়েব কাস্টিং ২৮০; মোট ৮২৯।
বাঁকুড়া তে মাইক্রো অবজারভার ৪০০; ভিডিও ক্যামেরা ২১০; সিসিটিভি ১০৫; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১০১৫।
বিষ্ণুপুর এ মাইক্রো অবজারভার ৪১৭; ভিডিও ক্যামেরা ২৪৬; সিসিটিভি ১৩৮; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১১০১;

তবে শেষ পর্যন্ত সব বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী; জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। তবে প্রায় ৯৪ শতাংশ বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার; প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ নির্বাচন কমিশন।

]]>
মঙ্গলবার তৃতীয় দফার ভোট, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে ভোট হবে বাংলায় https://thenewsbangla.com/third-phase-vote-on-tuesday-central-forces-will-be-surrounded-in-booths/ Mon, 22 Apr 2019 15:36:50 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11420 লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফায় রাজ্যের ৫ লোকসভা কেন্দ্রের প্রায় ৯২ শতাংশ (৯২.০৩ %) বুথেই দায়িত্বে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই উপলক্ষ্যে রাজ্যে এসেছে ৩২৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই প্রথম রাজ্যের বিরোধী দলগুলোর কথা মেনে নিল নির্বাচন কমিশন। বিরোধীদের দাবী ছিল বাংলায় সব বুথেই রাখা হোক কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রায় সব বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় আধা সেনা। বালুরঘাট, জঙ্গিপুর, মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণ ও মুর্শিদাবাদ, এই ৫ আসনে ভোট মঙ্গলবার।

কোথায় কত বাহিনী থাকছে। দেখে নিন মঙ্গলবার তৃতীয় দফা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হিসাব:-
১। বালুরঘাট ৫০ কোম্পানি
২। মালদা জেলা ১০৬ কোম্পানি
৩। মুর্শিদাবাদ ১৪০ কোম্পানি
৪। নদীয়া জেলার করিমপুর ১০ কোম্পানি
৫। উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার ৮ কোম্পানি
৬। স্ট্রং রুমে থাকছে ৬ কোম্পানি

আরও পড়ুনঃ বাংলায় নিজের কেন্দ্রেই বিজেপিকে ভোট দেবার অবাক করা আবেদন কংগ্রেস প্রার্থীর

মোট ৩১৪ কোম্পানি বাহিনী থাকবে বুথ পাহাড়ায়। ৬ কোম্পানি বাহিনী থাকবে স্ট্রং রুমে পাহাড়ায়। বাকি ৪ কোম্পানি কুইক রেসপন্স টিমে ও পরের দফার নির্বাচনের জন্য কনফিডেন্স বিল্ডিং এর কাজে লাগানো হবে।

আগামীকাল তৃতীয় দফার নির্বাচনে কোন লোকসভা কেন্দ্রে কত অবজার্ভার ও কত কি থাকছে একনজরে দেখে নেওয়া যাক

বালুরঘাটঃ
মাইক্রো অবজারভার ৪০১ জন
ভিডিও ক্যামেরা ৬৯ টি
সিসিটিভি ৯৫ টি
ওয়েবকাস্টিং ১৬৭ টি
মোট ৭৩২

আরও পড়ুনঃ হিন্দু শরণার্থীরা নিশ্চিন্তে থাকুন, তাড়ানো হবে শুধু অনুপ্রবেশকারীদের, আশ্বাস অমিতের

জঙ্গিপুরঃ
মাইক্রো অবজারভার ১৭৬ জন
ভিডিও ক্যামেরা ৭৪ টি
সিসিটিভি ১৮৩ টি
ওয়েবকাস্টিং ২৬৭ টি
মোট ৭০০

আরও পড়ুনঃ ভোটের মধ্যেই চরম লজ্জা, চৌকিদার চোর বলায় ক্ষমা চাইতে হল রাহুল গান্ধীকে

মালদাঃ
মাইক্রো অবজারভার ৩১৪ জন
ভিডিও ক্যামেরা ১৫৭ টি
ওয়েবকাস্টিং ২৯৩ টি
মোট ৭৬৪

আরও পড়ুনঃ রাজ্য পুলিশে ভরসা নেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী

মুর্শিদাবাদঃ
মাইক্রো অবজারভার ২৩০ জন
ভিডিও ক্যামেরা ৯৪ টি
সিসিটিভি ১৯৫ টি
ওয়েবকাস্টিং ৩০৩ টি
মোট ৮২২

তবে যে সমস্ত বুথে রাজ্য পুলিশ থাকছে সেখানে কি হয় সেটাই এখন দেখার। প্রথম ও দ্বিতীয় ফেজে যেখানে রাজ্য পুলিশ ছিল সেখানেই ঝামেলা হয়েছে বলেই অভিযোগ ছিল বিরোধীদের।

আরও পড়ুনঃ ভোট যুদ্ধে আকাশ দখলের লড়াইয়ে কংগ্রেসকে শুইয়ে দিল বিজেপি

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
রাজ্য পুলিশে ভরসা নেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী https://thenewsbangla.com/no-trust-in-bengal-state-police-central-forces-in-all-booths-in-this-lok-sabha/ Mon, 22 Apr 2019 11:49:19 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11402 রাজ্য পুলিশে ভরসা নেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই প্রথম বাংলার কোন লোকসভা কেন্দ্রের ভোটে ১০০% বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। সোমবার আসানসোল ঘুরে দেখে পরিষ্কার জানিয়ে দেন রাজ্যের বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক। আগেই তৃতীয় দফার ভোটে ৯২ শতাংশ বুথে বাহিনী থাকবে বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু আসানসোলের ক্ষেত্রে সেটা ১০০ শতাংশ বলেই ঘোষণা করে দেওয়া হল।

সোমবার সারাদিন আসানসোল ঘোরেন রাজ্যের বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক। বিভিন্ন থানায় গিয়ে রিপোর্ট নেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলতে আসেন বিভিন্ন দলের নেতারা। সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখেন। তারপরেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দেবার সিদ্ধান্ত করেন তিনি। এর ফলে বিজেপি নেতা কর্মীদের মুখে হাসি ফুটেছে। ফের সমালোচনা করেছে তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ ভোট যুদ্ধে আকাশ দখলের লড়াইয়ে কংগ্রেসকে শুইয়ে দিল বিজেপি

লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফায় রাজ্যের ৫ লোকসভা কেন্দ্রের প্রায় ৯২ শতাংশ বুথেই দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, এমনটাই জানিয়েছিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতর। এই উপলক্ষ্যে রাজ্যে এসেছে ৩২৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই প্রথম রাজ্যের বিরোধী দলগুলোর কথা মেনে নিল নির্বাচন কমিশন। বিরোধীদের দাবী ছিল বাংলায় সব বুথেই রাখা হোক কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানান হয়েছিল, যতটা সম্ভব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।

রাজ্যে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রথম দফা ভোটের আগে থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগের দাবি উঠেছিল। বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটকর্মীরা কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। কিন্তু বেশিরভাগ কেন্দ্রেই কেন্দ্র ও রাজ্য পুলিশকে যৌথভাবে নিয়োগ করা হয়। অনেক বুথেই শুধু রাজ্য পুলিশ ছিল। সেখানে ঝামেলাও হয়েছে প্রচুর।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডের হুঁশিয়ারি দিলেন কংগ্রেস নেতা

প্রথম দফার নির্বাচনের পর কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি আরও জোরালো হয়। কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিক দুই শতাধিক বুথে ছাপ্পা ও বুথ জ্যামের অভিযোগ তোলেন। নির্বাচন কমিশনের দরবারে গিয়ে মাটিতে বসে ধর্ণা দেন মুকুল রায়। মুকুলের নেতৃত্বে দাবিতে অনড় থাকেন বিজেপির রাজ্যের প্রতিনিধিরা। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটেও সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না। ঝামেলাও হয় সেই সব বুথে।

আরও পড়ুনঃ হারবেন বুঝেই নির্বাচন কমিশনকে টার্গেট মমতার, কটাক্ষ অমিতের

যদিও চাপের মুখে দ্বিতীয় দফায় ৮০ শতাংশ বুথে নিয়োগ হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। তা সত্ত্বেও রাজ্যে ৩ লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন কেন্দ্রে সকাল থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল। ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়। ভোটের দিন ভয় দেখানো, অবরোধ, বোমাবাজি, হামলা পাল্টা হামলা, এসবই টিভির পর্দায় প্রত্যক্ষ করেছে রাজ্য সহ রাজ্যবাসী। দ্বিতীয় দফায় ভোট শুরুর পরেই এক সাংবাদিকের মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত করে দেওয়া হয়।

এই অবস্থায় অভিযোগ খতিয়ে তৃতীয় দফার নির্বাচনে প্রায় ৯২ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগ করতে সচেষ্ট ছিল নির্বাচন কমিশন। আগামীকাল ২৩শে এপ্রিল রাজ্যের তৃতীয় দফার নির্বাচন। ভোট অনুষ্ঠিত হবে বালুরঘাট, মালদহ উত্তর, মালদহ দক্ষিণ, জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদ এই ৫ লোকসভা কেন্দ্রে।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মধ্যেই চরম লজ্জা, চৌকিদার চোর বলায় ক্ষমা চাইতে হল রাহুল গান্ধীকে

আগে ঠিক হয়েছিল, ২৭৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। কিন্তু পরিস্থিতি বিচার করে এই ৫ কেন্দ্রের প্রায় ৯২ শতাংশ বুথে মোট ৩২৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগ করা হচ্ছে কমিশনের তরফে। এদিকে সোমবারই জানিয়ে দেওয়া হল আসানসোল লোকসভা ভোটে থাকবে ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী।

আরও পড়ুনঃ পুলিশের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করলেন বাবুল সুপ্রিয়

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটেও সব বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফের ঝামেলার আশঙ্কা https://thenewsbangla.com/central-forces-are-not-at-all-booths-in-bengal-fear-of-problem-again-in-vote/ Wed, 17 Apr 2019 10:36:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11024 বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটেও সব বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফের ঝামেলার আশঙ্কা করছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। এমনকি বিরোধীরা ঝামেলা পাকাতে পারে বলে আশঙ্কা রাজ্যের শাসক দলেরই। কিন্তু তা সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটেও সব বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। কোচবিহারের মতই রাজ্য পুলিশ থাকা বুথগুলিতে ফের ঝামেলার আশঙ্কা করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ বউকে সোনা পাচার করতে বিদেশে পাঠাই নি, অভিষেককে পাল্টা দিলেন সৌমিত্র

দার্জিলিং, কালিম্পং এবং কার্শিয়াং এই তিনটি জায়গায় আছে ৮৭৪ টি বুথ। এই তিনটি জায়গায় ১০০% বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। বাকি দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে ৬০% বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। রায়গঞ্জ এবং জলপাইগুড়িতে ৫৫% থেকে ৬০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। বাকি বুথে রাজ্যের সশস্ত্র বাহিনী থাকবে এমনটাই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে। রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটে থাকছে মোট ১৮৫ কোম্পানি বাহিনী।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঝাঁটা মেরে এলাকা থেকে তাড়ানোর ফতেয়া তৃণমূল বিধায়ক ও মন্ত্রীর

একনজরে দেখে নিন দ্বিতীয় দফার ভোটে বাংলায় কোন লোকসভা কেন্দ্রে কত বুথ, কত ভোটারঃ

দার্জিলিংঃ
মোট বুথ ১৬২৩ টি
বুথ প্রেমিসেস ১৩৭০ টি
পুরুষ ভোটার ৮২৮৩৩৩ জন
মহিলা ভোটার ৭৬৭২৬২ জন
তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৭৩ জন
নতুন ভোটার ৩২৮৬৭ জন

আরও পড়ুনঃ রাতের অন্ধকারে ভারতী ঘোষের বাড়িতে মমতার পুলিশ

জলপাইগুড়িঃ
মোট বুথ ১৮৬৮ টি
বুথ প্রেমিসেস ১৩৯৩ টি
মোট ভোটার ১৭২৯৮২৯ জন
পুরুষ ভোটার ৮৮৪৫৬৫ জন
মহিলা ভোটার ৮৪৫২৪৫ জন
তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৯ জন
নতুন ভোটার ৫১১২৩ জন

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ভোটে দুই দুর্গা, দুই পুরুষের লড়াইয়ে প্রচারে দাপট দেখাচ্ছেন দুই নারী

রায়গঞ্জঃ
মোট বুথ ১৫৩০ টি
বুথ প্রেমিসেস ১৩৪৫ টি
পুরুষ ভোটার ৭৩৪৭৯৪ জন
মহিলা ভোটার ৬৯২৭১৬ জন
তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৫৭ জন
মোট ভোটার ১৪২৭৫৬৭ জন
নতুন ভোটার ৭০৬২৪ জন

আরও পড়ুনঃ হাত মেলাতে গিয়ে মিমির হাত মুচড়ে দিলেন ফ্যান, যন্ত্রণায় কেঁদে ফেললেন অভিনেত্রী

তিন লোকসভা ভোটে এবারেও সব বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। কোথায় কত কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে, দেখে নিনঃ
রায়গঞ্জ এ বুথে থাকছে ৬৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। জলপাইগুড়ি তে বুথে থাকছে ৪৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। দার্জিলিং এ বুথে থাকছে ৭৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাকি ইভিএম পাহারায় ও কুইক রেসপন্স টিমে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটে থাকছে মোট ১৮৫ কোম্পানি বাহিনী।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের প্রচারে ফিরদৌস, মমতার সঙ্গে জামাত জঙ্গি যোগের অভিযোগ রাহুলের

দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগে শেষ প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দপ্তর ভিডিও কনফারেন্স করেছে তিনটি লোকসভা কেন্দ্রের প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে। মঙ্গলবারেই দার্জিলিং এর তিনটি এবং কালিম্পং এর ১১ টি বুথে ভোট কর্মীরা রওনা দিয়েছেন বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের প্রচার করায় ফেরদৌসকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের

দার্জিলিংয়ের এক, দুই এবং তিন নম্বর বুথ ও কালিম্পং এর ২২, ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮, ১৫১, ১৫৬, ১৫৯, ২০১, ২৩৯, ২৪১ নম্বর বুথের ভোট কর্মীরা মঙ্গলবারেই রওনা দিয়ে দিয়েছেন। বুধবার সকাল থেকে বাকী ভোট কর্মীরা রওনা দিয়েছেন নিজেদের সংশ্লিষ্ট বুথ এর উদ্দেশ্যে।

গোপন রিপোর্ট বলছে, যেখানে যেখানে রাজ্য পুলিশ থাকবে সেখানেই ঝামেলা হবে। সেখানেই ভোটে ছাপ্পা, রিগিং, ভোটারদের বাধাদান এইসব ঘটনা ঘটবে বলেই জানা যাচ্ছে। দেখা যাক, আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজ্য পুলিশ থাকা বুথ গুলিতে কি হয়।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের হয়ে প্রচার করে ভারতের কালো তালিকায় বাংলাদেশী অভিনেতা ফিরদৌস

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য পুলিশও থাকছে বুথে, বিরোধী শিবিরে জোর ধাক্কা https://thenewsbangla.com/wb-armed-police-with-central-forces-will-incharge-of-booths-in-bengal-first-phase-polling/ Wed, 03 Apr 2019 17:17:00 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9906 এই মুহূর্তের সবচেয়ে খবর। প্রথম দফা নির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীও থাকবে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই খবর। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য পুলিশও থাকছে বুথে, আর এটাই বিরোধী শিবিরে জোর ধাক্কা দিয়েছে। বিরোধীদের তরফে বিশেষ করে বিজেপির তরফে দাবি ছিল যে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে। সেই দাবি মানা হচ্ছে না বলেই জানা যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। প্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য পুলিশ এর সশস্ত্র বাহিনীও থাকছে ভোটের বুথে।

আরও পড়ুনঃ গাধা না ঘোড়া, দিনভর বিতর্কের পর জানা গেল খচ্চরের পিঠে ভোটপ্রার্থী

আগেই, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকরিকের দফতরের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ করে বিজেপি। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকরিকের দফতরের কয়েকটি ঘরে ঘুঘুর বাসা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ ছিল তাদের। সেইসঙ্গে রাজ্যের প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে বলেও দাবি জানিয়েছে তারা। পঞ্চায়েত ভোটে শাসক দলের চরম সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর দাবি তোলা হয়। যা মানা হচ্ছে না বলেই কমিশন সূত্রে খবর।

আরও পড়ুনঃ এক্সপায়ারি বাবুকে চ্যালেঞ্জ স্পিডব্রেকারের, বাংলায় মোদী মমতা তরজা তুঙ্গে

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকরিকের দফতরের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ আগেই করে বিজেপি। রাজ্য বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া এবং জয়প্রকাশ মজুমদার সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, “পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী না পেলে রাজ্য পুলিশ দিয়ে ভোট করানোর কথা বলেছেন নির্বাচন কমিশনের সিইও। আমরা এর বিরোধিতা করছি”। আর এই বিরোধিতা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীও থাকছে প্রথম দফার ভোটের বুথে বুথে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্থানে বিমানবাহিনীর হামলা, বাংলায় কাঁদল দিদি

বিজেপির মতে, “রাজ্যের প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে। কারণ পশ্চিমবঙ্গে প্রতিটি বুথই উত্তেজনাপ্রবণ। শিশির বাজোরিয়া বলেন, “আমরা পরিষ্কার বলছি, কোনও বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট সম্ভব নয়। শুধু তাই নয়, এলাকায় আধাসেনার নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে হবে”। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি, দফতরের কয়েকটি ঘরে ঘুঘুর বাসা তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের মদতেই এটা হয়েছে”।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় উন্নতিতে বাধা ‘স্পীডব্রেকার’ মমতা, কটাক্ষ মোদীর

এদিকে বিজেপি ও বামেদের বারবার দাবি সত্ত্বেও সেই রাজ্য পুলিশ এর সশস্ত্র বাহিনীও থাকছে ভোটের বুথে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে এমনটাই খবর। রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা আছে নির্বাচন কমিশনের, মত তৃণমূলের। ফের পক্ষপাতের অভিযোগ বিজেপি ও বামেদের।

আরও পড়ুনঃ ভোট প্রচারে হেলিকপ্টার পাচ্ছেন না মমতা, অভিযোগের তীর কেন্দ্রের দিকে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মমতা ও রাজনাথের স্বরাষ্ট্র দফতরের চরম সংঘাত https://thenewsbangla.com/mamata-rajnath-home-ministrys-extreme-clashes-with-central-forces/ Sat, 30 Mar 2019 16:51:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9542 বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে মমতা ও মোদী সরকারের চরম সংঘাত ফের প্রকাশ্যে। রাজনাথ সিং এর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরে চিঠি দিয়ে ভোটের কাজের জন্য রাজ্যে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী তুলে নেবার জন্য চিঠি দেয়। মমতার স্বরাষ্ট্র দফতর শনিবার পাল্টা চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে বাংলার জঙ্গল মহলে থেকে এক কোম্পানি বাহিনীও তোলা যাবে না। এর জেরেই শুরু হয়েছে নজিরবিহীন সংঘাত।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে পুনরায় নির্বাচিত না করলে দেশ সংকটে পড়বে, মন্তব্য হেমা মালিনীর

রাজ্যের জঙ্গল মহলে এখন রয়েছে ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। লোকসভা ভোটের জন্য সেই বাহিনীকে কাজে লাগাতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। কারণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর অনেকটাই এখন রয়েছে জম্মু কাশ্মীরে। তাই ভোট পরিচালনার জন্য বাংলার জঙ্গল মহল থেকে ওই ৩৫ কোম্পানি বাহিনীকে তুলতে চায় কেন্দ্র। আর তাছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বহুবার বলেছেন, রাজ্য মাওবাদী মুক্ত। আর এখানেই শুরু হয়েছে লড়াই। এখনও এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীও ছাড়তে চায় না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।

আরও পড়ুনঃ মোদীর ব্রিগেড সভার অনুমতি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দিল সেনা

বাম আমলে ২০০৯ সালের ১৭ জুন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক পশ্চিমবঙ্গে অপারেশন গ্রিন হান্ট শুরু করে। মাওবাদীদের কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে সেটাই ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রথম উপস্থিতি। তারপরে কেটে গেছে দশটি বছর। সরকার বদলেছে, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলেছে। চারিদিকে প্রচারে ছয়লাপ ‘জঙ্গলমহল হাসছে। উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে জঙ্গলমহল’। তা হলে অসুবিধাটা কোথায়, কেন রাজ্য সরকারের আপত্তি জঙ্গলমহল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে? এবং এটা একবার নয়, বারবার ঘটে চলেছে। প্রশ্ন কেন্দ্রের।

আরও পড়ুনঃ মোদীর মিশন শক্তির ঘোষণায় নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘন হয়নি, জানিয়ে দিল কমিশন

স্বাভাবিকভাবে অনেকবারই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং প্রশ্ন তুলেছেন, এই অংশ থেকেও কেন্দ্রীয় বাহিনী কেন প্রত্যাহার করা হবে না? রে-রে করে উঠেছে রাজ্য সরকার। জঙ্গলমহল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহারে বারবার আপত্তি জানানো হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে। কিসের প্রয়োজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর? প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে কেন আপত্তি তুলছে রাজ্য সরকার? বারবার এই প্রশ্ন করেছে কেন্দ্র সরকার।

আরও পড়ুনঃ ২৩ মে নয়, ভোটের ফল পিছতে পারে আরও ৬ দিন জানাল নির্বাচন কমিশন

একটা রাজ্য মাওবাদমুক্ত, এই তকমা যদি পাওয়া যায়, তা হলে সেটা তো সরকারের চূড়ান্ত সাফল্য! সরকার এই সুযোগ হাতছাড়া করছে কেন? কারণ হিসাবে আলোচনায় আসছে দুটি বিষয়। হয় মাওবাদীদের কোনও গোপন গতিবিধি সরকারের নজরে রয়েছে, অথবা মাওবাদকে কেন্দ্র করে যে বিশাল কেন্দ্রীয় আর্থিক সহায়তা পাওয়া যায়, তার অপব্যবহার করার একটি প্রচেষ্টা রাজ্য সরকারের তরফ থেকে রয়েছে। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ মদ বিক্রিতে ১০ হাজার কোটি টাকার সর্বকালিন রেকর্ড গড়ল মা মাটি মানুষের সরকার

ভোট-রাজনীতি নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যে আবার কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত শুরু হয়েছে। এবারও রাজ্যের মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকা থেকে অবশিষ্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহারের সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে। তবে জম্মু কাশ্মীরে অনেক কোম্পানি বাহিনী পাঠাতে বাধ্য হওয়ায় এবার আর বাংলা থেকে বাহিনী নেওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে।

আরও পড়ুনঃ শিলিগুড়িতে সভা নিয়ে কাটল জটিলতা, ৩রা এপ্রিলই হচ্ছে মোদীর জনসভা

অতি মাওবাদীপ্রবণ এলাকার কেন্দ্রীয় তালিকা থেকে আগেই বাদ গিয়েছে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও বীরভূম জেলা। এ বার ‘সিকিওরিটি রিলেটেড এক্সপেন্ডিচার’ বা এসআরই তালিকা থেকেও সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির বাদ দেওয়া হবে। প্রশাসনিক ব্যাখ্যায় এসআরই-র অর্থ, মাওবাদীদের দৌরাত্ম্য না-থাকলেও বাড়তি সতর্কতার জন্য সংশ্লিষ্ট তালিকাভুক্ত এলাকাগুলির নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের অতিরিক্ত নজরদারি।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মধ্যেই নারদ মামলায় তৃণমূল নেতাদের চার্জশিট দেবে সিবিআই, খুশি পদ্ম শিবিরে

রাজ্যের সংশ্লিষ্ট জেলাগুলি একবার এসআরই তালিকার বাইরে চলে গেলে সেখানে নিজেদের বাহিনী আর না-ও রাখতে পারে কেন্দ্র। কিন্তু রাজ্য মনে করছে, এই মুহূর্তে তেমন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত হবে না। সেটাই চিঠি দিয়ে ফের জানিয়ে দেওয়া হল।

আরও পড়ুনঃ দাঙ্গায় মদত দেওয়ার অভিযোগে হার্দিকের নির্বাচনে লড়তে নিষেধাজ্ঞা গুজরাট হাইকোর্টের

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, মার্চের প্রথম সপ্তাহে মাওবাদী সমস্যাপ্রবণ রাজ্যগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব। বৈঠকের অন্যতম আলোচ্য ছিল মাওবাদী অধ্যুষিত জেলার তালিকা পরিমার্জন। মাওবাদী দৌরাত্ম্য কোন জেলায় কতটা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হয় ওই বৈঠকে। যে-সব জেলায় আর মাওবাদী তৎপরতার প্রমাণ মিলছে না, সেগুলিকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

আরও পড়ুনঃ ২৩ আসনেই জয় নিশ্চিত, বাংলা দখলের লক্ষ্যে অবিচল অমিত শাহ

এই রাজ্যের সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে দীর্ঘদিন কোনও মাওবাদী উপদ্রব হয়নি। তাই তালিকা থেকে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বীরভূমকে পুরোপুরি বাদ দিতে চাইছে কেন্দ্র। কিন্তু রাজ্যের যুক্তি আলাদা। প্রশাসন মনে করছে, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর অনেক ‘নিরাপদ’।

আরও পড়ুনঃ সেনার খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা তেজ বাহাদুর বারাণসীতে প্রার্থী মোদীর বিরুদ্ধে

কিন্তু পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম (পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে ভেঙে তৈরি নতুন জেলা) ও বাঁকুড়াকে ‘এসআরই’ তালিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিত হবে না। প্রশাসনের অনেকের যুক্তি, অনেক দিন ধরেই জেলাগুলি শান্ত আছে। কিন্তু এসআরই তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে বাহিনী প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু করে দেবে কেন্দ্র। তখনই পড়শি রাজ্য থেকে মাওবাদীরা বাংলায় ঢুকে নতুন করে সংগঠন গড়তে পারে।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিপুল উত্থান পদ্মের, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

ছত্তীসগঢ় এর সুকমায় ভয়াবহ মাওবাদী হামলা হয়ে চলেছে এখনও। এই পরিস্থিতিতে বাংলার জঙ্গল মহল থেকে বাহিনী প্রত্যাহার করলে ফের বাংলায় মাওবাদ মাথা চারা দেবে বলেই মত রাজ্যের। তবে এবার কাশ্মীর সমস্যার জন্য অন্য কোন উপায় নেই কেন্দ্রের। এই লড়াই শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন বা পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্টে গড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ পাক জঙ্গিদের সাহায্যকারি দেশের বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজতে ৮ সদ্যসের গোয়েন্দা দল

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে না লাগিয়ে আর ফেলে রাখা যাবে না https://thenewsbangla.com/central-forces-in-bengal-can-not-be-left-without-use-in-parliament-election/ Wed, 13 Mar 2019 10:01:00 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8299 বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে না লাগিয়ে আর ফেলে রাখা যাবে না। রাজ্যে বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে না লাগিয়ে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছিল রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেছিল বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএম। বিরোধীদের অভিযোগ ও সেই অভিযোগ তদন্ত করে অনেকটাই সারবত্তা পায় কমিশন। আর তাই ২০১৯ লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিক ভাবে কাজে লাগান নিয়ে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ রমজান মাসে নির্বাচনে কোনও সমস্যা নেই, ববিকে পাল্টা দিলেন ওয়েসি

শুক্রবার থেকেই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যেই কোন জেলায় কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী যাবে তা এক নির্দেশিকা মারফত জেলাশাসকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দপ্তর থেকে। যে জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী যাবে সেই জেলায় পোলিং অফিসার থেকে শুরু করে জেলাশাসক সকলকেই বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধির সম্পূর্ণ ভিডিওগ্রাফি করার জন্য।

আরও পড়ুনঃ গেরুয়া ভোটে থাবা বসাতে অধিকাংশ আসনেই ব্রাহ্মণ প্রার্থী ঘোষণা দলিত নেত্রী মায়াবতীর

সেই ভিডিওগ্রাফি পাঠাতে হবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দপ্তরে। এখানেই শেষ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী কোন দিন কোন এলাকায় রোডমার্চ করবে সেটাও তুলে দিতে হবে কমিশনের ওয়েবসাইটে। পাশাপাশি ভোটের দিন কোন পোলিং অফিসার কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পেলেন তা যেমন একদিকে লিখে রাখতে হবে অন্যদিকে ছবি তুলে সব তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দফতর থেকে।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

বিরোধীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়েই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দপ্তর এবং নির্বাচন কমিশনের এই কড়া নির্দেশ বলেই নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এবার নিরাপত্তায় আর কোন ফাঁকফোঁকর রাখতে চায় না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। তাই শুক্রবারই প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে আসছে ১০ কোম্পানি বিএসএফ বাহিনী। বাংলায় এসেই বিভিন্ন এলাকায় রুট মার্চ করবে তারা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চের ভিডিও করবে প্রশাসন।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

শুক্রবার থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাতে শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার পর কেটেছে মাত্র দুদিন। তার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত একপ্রকার রাজ্যকে চাপে রাখার চেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। শুক্রবারই ১০ কোম্পানি বিএসএফ আসছে রাজ্যে। তারপরেই কমিশন অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলিতে বাহিনীকে দিয়ে রুটমার্চ করাবে।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গি মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ আজহার জী’ বলে সম্বোধন করে বিতর্কে রাহুল

দিল্লি সূত্রের খবর, এবার ভোটের আগেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আর থানা বা পুলিশ সুপার তদারকি করবে না। তার বদলে কমিশনের নিজস্ব পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কন্ট্রোল করবে। অর্থাত্‍ ভোটের আগেই অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলি সহ গোটা রাজ্যই পুরোপুরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরে চলে আসবে। আর তাদের পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা। সাহায্য করবেন জেলাশাসকরা।

আরও পড়ুনঃ পুলিশে ভরসা নেই, একমাস আগেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী

কমিশনের এক আধিকারিকের মতে, এবারের ভোটে রাজ্য পুলিশকে যতটা সম্ভব কম ব্যবহারের কথাই ভাবা হয়েছে। তাই ভোটের জন্য তৈরি ফ্লাইং স্কোয়াড, কুইক রেসপন্স টিম ও সেক্টর মোবাইল ইউনিটেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই প্রথমে দায়িত্ব দেওয়া হবে। কাজের সুবিধার জন্য জিপিএস ব্যবহার করবে ফ্লাইং স্কোয়াড৷ এলাকা সর্ম্পকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সাহায্য করতেই জিপিএসের মতো অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ দিতে চায় নির্বাচন কমিশন৷

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>