Central Forces in Bengal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sun, 05 May 2019 17:30:28 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Central Forces in Bengal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 শুধু বুথ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এলাকা ঘিরে সোমবার হবে পঞ্চম দফার ভোট https://thenewsbangla.com/central-force-surrounded-in-booths-lok-sabha-area-in-fifth-phase-polls/ Sun, 05 May 2019 17:27:05 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12424 সোমবার ৬ই মে; পঞ্চম দফার ভোট। মোট সাতটি লোকসভা কেন্দ্রে; ভোটে ১০০ শতাংশ বুথে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পঞ্চম দফার সব বুথেই আছে কেন্দ্রীয় বাহিনী; তাই সব বুথ-ই স্পর্শকাতর জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ ভাবেই; জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। ব্যারাকপুরে বুথের পাশাপাশি; গোটা লোকসভা এলাকাতেও থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

সোমবার, পঞ্চম দফা নির্বাচনে প্রত্যেক থানা পিছু দুটি করে কুইক রেসপন্স টিম থাকছে। কেবলমাত্র ব্যারাকপুর এর জন্য; আলাদা করে আরও দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছে। ওই দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী; কুইক রেসপন্স টিমের কাজ করবে। সেই ক্ষেত্রে ব্যারাকপুর এর জন্য আরও কুড়িটি কুইক রেসপন্স টিম থাকছে। তাই সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা ৫২৮ থেকে বেড়ে ৫৩০ কোম্পানি হল; নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর এমনটাই খবর।

আরও পড়ুনঃ পঞ্চম দফা ভোটের আগে মোদী মমতা নিয়ে বিস্ফোরক বুদ্ধদেব

রাজ্যের ৭ লোকসভায় সোমবার ভোট। একনজরে দেখে নেওয়া যাক; সোমবার কোথায় কত অফিসার থাকছে।
বনগাঁ; মাইক্রো অবজারভার ১০৫; ভিডিও ক্যামেরা ৫৩; সিসিটিভি ১২৫; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ৫৮৩
ব্যারাকপুর; মাইক্রো অবজারভার ১১; ভিডিও ক্যামেরা ২৫; সিসিটিভি ১৫৭; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ৪৯৫
হাওড়া; মাইক্রো অবজারভার ৪২০; ভিডিও ক্যামেরা ১১৪; সিসিটিভি ৬৩৮; ওয়েব কাস্টিং ৩০১; মোট ১৪৭৩

আরও পড়ুনঃ মাওবাদী দমনে ব্যর্থ মোদী, মেদিনীপুরের সভা থেকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

উলুবেড়িয়া; মাইক্রো অবজারভার ৩৩০; ভিডিও ক্যামেরা ১৩৪; সিসিটিভি ৮১৭; ওয়েব কাস্টিং ২৬৯; মোট ১৫৫৩
শ্রীরামপুর; মাইক্রো অবজারভার ৩৯১; ভিডিও ক্যামেরা ১০৬; সিসিটিভি ৩১৮; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১১৭৮
হুগলি; মাইক্রো অবজারভার ৩১০; ভিডিও ক্যামেরা ২০; সিসিটিভি ১০০; ওয়েব কাস্টিং ২৭০; মোট ৭০০
আরামবাগ; মাইক্রো অবজারভার ৪১১; ভিডিও ক্যামেরা ৫০; সিসিটিভি ২২৭; ওয়েব কাস্টিং ২১৪; মোট ৯৫৩

আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্র ও ছত্তিসগড়ের মত ভোটে মাওবাদী হামলার আশঙ্কা বাংলায়

আগামীকাল মোট বুথের সংখ্যা; দেখে নিন এক নজরে;
বনগাঁ ১৮৯৯; ব্যারাকপুর ১৫৬৭; হাওড়া ১৮৬৮; উলুবেড়িয়া ১৮২৬; শ্রীরামপুর ২০৩৩; হুগলি ২০৩৯; আরামবাগ ২০৫৮; মোট ১৩২৯০। উত্তর ২৪ পরগণা ও হুগলীর দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

]]>
বুথের মধ্যেই গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে https://thenewsbangla.com/complain-against-the-central-force-to-fire-bullet-inside-the-vote-booth/ Mon, 29 Apr 2019 11:12:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11949 কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে এবার গুরুতর অভিযোগ উঠল। দুবরাজপুরের কানদিঘির ২৮৪/২৫৯ নং বুথের মধ্যেই গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। ভোটকেন্দ্রের ছাদে সেই গুলির চিহ্ন স্পষ্ট দেখতে পাওয়া গেছে। ঘটনার পরপরই ওই ভোটকেন্দ্রে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি চালানোর ঘটনাকে বিরোধীদের চক্রান্ত বলে জানান তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনী এই কাজের অত্যন্ত নিন্দা করেন তৃণমূল প্রশাসন।

গুলির চিহ্ন দেখতে পাওয়া গেছে ভোটকেন্দ্রের ছাদে। জানা গিয়েছে, বুথে একসঙ্গে কিছু ভোটার ঢুকতে গেলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে জমা রাখতে বলা হয় মোবাইল। আর মোবাইল জমা রাখার প্রসঙ্গ থেকেই কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তারপরই কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে বুথের মধ্যেই গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকী সাধারণ ভোটারও বুথ লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়েন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক আমার সঙ্গে প্রতিদিন যোগাযোগ রাখেন, বললেন মোদী

খবর অনুযায়ী বুথের ভিতরে ভিড় হয়ে যাওয়ায় ফলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা খানিকক্ষণের জন্য বুথের গেট বন্ধ রাখেন। এতেই ভোটাররা রেগে গিয়ে অভিযোগ করতে শুরু করেন। বুথের গেট খুলে দেবার জন্য বাহিনীর সাথে বাকবিতণ্ডাতে জড়িয়ে পড়ে ভোটাররা। একই সাথে সেই সময় ভোটারদের মোবাইল জমা রাখা নিয়েও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাথে ঝামেলা বেঁধে যায় সাধারন ভোটারদের।

জানা যাচ্ছে মোবাইল জমা রাখার সময় জওয়ানদের হাত থেকে কিছু মোবাইল মাটিতে পড়ে যাবার ফলে ভোটারদের সাথে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তারপরেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লক্ষ করে ইট পাথর ছুঁড়তে ভোতাররা।এরপরেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা শূন্যে গুলি চালান বলে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ মমতার পাঠানো মাটি ও পাথর মেশান রসগোল্লা খাবেন মোদী, কেন বললেন একথা

সকাল থেকেই বীরভূম জুড়ে ভোটের সন্ত্রাস দেখা গেছে, তাঁর মধ্যে দুবরাজপুরের কানদিঘির ২৮৪/২৫৯ নং বুথের মধ্যেই গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠার ফলে কেন্দ্রীয় বাহিনী একটু চাপে পড়ে গেছে ঘটনার পরপরই ওই ভোটকেন্দ্রে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। তাঁর অভিযোগ, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনী সম্পূর্ণভাবে বিজেপির হয়ে কাজ করছে। ভোটারদের আটকে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপিকে ভোট দিতে বলা হচ্ছে।

শুধু শতাব্দী রায়ই নয়, এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান অনুব্রত মণ্ডলও। তিনিও বলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটারদের প্ররোচিত করছে বিজেপিকে ভোট দেবার জন্য। এদিন দুপুরে স্বরূপনগরের জনসভার মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই অভিযোগ করেন। তিনিও বলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী নিজেদের কাজ না করে মোদীর হয়ে প্রচার করার জন্য বাংলায় এসেছে।

আরও পড়ুনঃ মোবাইলে হুমকি দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে হাস্যকর প্রমাণ করলেন অনুব্রত মণ্ডল

যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনও গুলি চালানোর কারণ স্পষ্ট করা হয়নি। যদিও গুলি চালানোর পর আতঙ্কিত হয়ে ভোটাররা পালাতে গেলে একজন মহিলা ভোটার আহত হন বলে জানা গিয়েছে। ভোটকেন্দ্রের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালানোর ঘটনাকে মোটেই ছোট করে দেখছে না শাসক দল।

]]>
বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে না লাগিয়ে আর ফেলে রাখা যাবে না https://thenewsbangla.com/central-forces-in-bengal-can-not-be-left-without-use-in-parliament-election/ Wed, 13 Mar 2019 10:01:00 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8299 বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে না লাগিয়ে আর ফেলে রাখা যাবে না। রাজ্যে বিধানসভা ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে না লাগিয়ে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছিল রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেছিল বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএম। বিরোধীদের অভিযোগ ও সেই অভিযোগ তদন্ত করে অনেকটাই সারবত্তা পায় কমিশন। আর তাই ২০১৯ লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিক ভাবে কাজে লাগান নিয়ে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ রমজান মাসে নির্বাচনে কোনও সমস্যা নেই, ববিকে পাল্টা দিলেন ওয়েসি

শুক্রবার থেকেই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যেই কোন জেলায় কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী যাবে তা এক নির্দেশিকা মারফত জেলাশাসকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দপ্তর থেকে। যে জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী যাবে সেই জেলায় পোলিং অফিসার থেকে শুরু করে জেলাশাসক সকলকেই বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধির সম্পূর্ণ ভিডিওগ্রাফি করার জন্য।

আরও পড়ুনঃ গেরুয়া ভোটে থাবা বসাতে অধিকাংশ আসনেই ব্রাহ্মণ প্রার্থী ঘোষণা দলিত নেত্রী মায়াবতীর

সেই ভিডিওগ্রাফি পাঠাতে হবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দপ্তরে। এখানেই শেষ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী কোন দিন কোন এলাকায় রোডমার্চ করবে সেটাও তুলে দিতে হবে কমিশনের ওয়েবসাইটে। পাশাপাশি ভোটের দিন কোন পোলিং অফিসার কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পেলেন তা যেমন একদিকে লিখে রাখতে হবে অন্যদিকে ছবি তুলে সব তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দফতর থেকে।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

বিরোধীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিয়েই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এর দপ্তর এবং নির্বাচন কমিশনের এই কড়া নির্দেশ বলেই নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এবার নিরাপত্তায় আর কোন ফাঁকফোঁকর রাখতে চায় না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। তাই শুক্রবারই প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে আসছে ১০ কোম্পানি বিএসএফ বাহিনী। বাংলায় এসেই বিভিন্ন এলাকায় রুট মার্চ করবে তারা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চের ভিডিও করবে প্রশাসন।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

শুক্রবার থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাতে শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার পর কেটেছে মাত্র দুদিন। তার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত একপ্রকার রাজ্যকে চাপে রাখার চেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। শুক্রবারই ১০ কোম্পানি বিএসএফ আসছে রাজ্যে। তারপরেই কমিশন অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলিতে বাহিনীকে দিয়ে রুটমার্চ করাবে।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গি মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ আজহার জী’ বলে সম্বোধন করে বিতর্কে রাহুল

দিল্লি সূত্রের খবর, এবার ভোটের আগেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আর থানা বা পুলিশ সুপার তদারকি করবে না। তার বদলে কমিশনের নিজস্ব পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কন্ট্রোল করবে। অর্থাত্‍ ভোটের আগেই অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলি সহ গোটা রাজ্যই পুরোপুরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরে চলে আসবে। আর তাদের পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা। সাহায্য করবেন জেলাশাসকরা।

আরও পড়ুনঃ পুলিশে ভরসা নেই, একমাস আগেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী

কমিশনের এক আধিকারিকের মতে, এবারের ভোটে রাজ্য পুলিশকে যতটা সম্ভব কম ব্যবহারের কথাই ভাবা হয়েছে। তাই ভোটের জন্য তৈরি ফ্লাইং স্কোয়াড, কুইক রেসপন্স টিম ও সেক্টর মোবাইল ইউনিটেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই প্রথমে দায়িত্ব দেওয়া হবে। কাজের সুবিধার জন্য জিপিএস ব্যবহার করবে ফ্লাইং স্কোয়াড৷ এলাকা সর্ম্পকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সাহায্য করতেই জিপিএসের মতো অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ দিতে চায় নির্বাচন কমিশন৷

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
পুলিশে ভরসা নেই, একমাস আগেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী https://thenewsbangla.com/central-forces-in-bengal-a-month-ago-before-parliament-election-no-faith-in-state-police/ Tue, 12 Mar 2019 07:49:52 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8168 আগামী শুক্রবারই বাংলায় আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার নিরাপত্তায় আর কোন ফাঁকফোঁকর রাখতে চায় না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। তাই শুক্রবারই প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে আসছে ১০ কোম্পানি বিএসএফ বাহিনী। বাংলায় এসেই বিভিন্ন এলাকায় রুট মার্চ করবে তারা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চের ভিডিও করবে প্রশাসন।

শুক্রবার থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাতে শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার পর কেটেছে মাত্র দুদিন। তার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত একপ্রকার রাজ্যকে চাপে রাখার চেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। একেই পশ্চিমবঙ্গে ৭ দফায় ভোট করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তারপরে ভোটের এত আগে থেকেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোয় তুঙ্গে উঠেছে বিতর্ক।

আরও পড়ুনঃ রায়গঞ্জে বিজেপির হয়ে কি লড়বেন দীপা দাশমুন্সি

সোমবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন ছাড়ার সময় বলেন, বিজেপিকে সুবিধা করে দিতে পশ্চিমবঙ্গে ৭ দফায় নির্বাচন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। যদিও তিনি একথাও বলেন যে, নির্বাচন কমিশনের প্রতি তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

শুক্রবারই ১০ কোম্পানি বিএসএফ আসছে রাজ্যে। তারপরেই কমিশন অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলিতে বাহিনীকে দিয়ে রুটমার্চ করাবে। মাও আক্রমণ বন্ধ হলেও রুটমার্চ চলবে জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতেও। জঙ্গলমহলের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে রুটমার্চ করাবে কমিশন। দিল্লি সূত্রের খবর, এবার ভোটের আগেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আর থানা বা পুলিশ সুপার তদারকি করবে না।

আরও পড়ুনঃ এগিয়ে তৃণমূল, মঙ্গলবার বিকালেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা

তার বদলে কমিশনের নিজস্ব পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কন্ট্রোল করবে। অর্থাত্‍ ভোটের আগেই অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলি সহ গোটা রাজ্যই পুরোপুরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরে চলে আসবে। আর তাদের পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গি মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ আজহার জী’ বলে সম্বোধন করে বিতর্কে রাহুল

শনিবার থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী গোটা রাজ্যে ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে টহলদারি চালাবে। তবে কোন কোন এলাকায় টহলদারি চলবে, তা ঠিক করবেন জেলাশাসকরা ও পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা। গত বিধানসভা নির্বাচনেও ভোটের দিনের আগে থেকেই রাজ্যে টহলদারির জন্য ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে এসেছিল। এবার আরও অনেক আগে থেকেই সেই বাহিনী আসছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর। এবার প্রতি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্থান চিনকে ভয় দেখিয়ে বালাশোরে পিনাক রকেট ছুঁড়ল ভারত

বিজেপি সহ সব বিরোধী দলের পক্ষ থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে অভিযোগ করা হয়। পঞ্চায়েত ভোটের বিভিন্ন ঘটনার ভিডিও ক্লিপিংস জমা দেওয়া হয়। সেইসব অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়, ভোটের বিজ্ঞপ্তি ঘোষণা হতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে। সেইরকম ইঙ্গিত দিল্লি থেকে কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে আসে। তারপরেই শুক্রবার বাহিনী আসার খবর জানা যায়।

আরও পড়ুনঃ মমতাকে মুকুলের ভয় দেখিয়ে কি রাজ্যে মন্ত্রী হচ্ছেন অর্জুন

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে এবার ভোটগ্রহণের অনেক আগেই প্রতিটি বুথে ও এলাকার দখল নেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট সময়ে বাহিনী বুথে পৌঁছল কি না, তার ছবি তুলে সেক্টর অফিসকে তা পাঠাতে হবে কমিশনে। কোনও ভাবেই রাজ্য পুলিশকে বুথে ঘেঁষতে দেওয়া হবে না। খুব প্রয়োজনে লাঠিধারি রাজ্য পুলিশ বুথের বাইরে ভোটারদের লাইন দেখভালের দায়িত্বে থাকতে পারে।

আরও পড়ুনঃ রমজান মাসে নির্বাচনে কোনও সমস্যা নেই, ববিকে পাল্টা দিলেন ওয়েসি

বড়জোর কেন্দ্রীয় বাহিনীর দোভাষির কাজ করতে পারে তারা অতীতে অতি-স্পর্শকাতর বুথের দখল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিলেও এভাবে রাজ্যের প্রতিটি বুথেই এতদিন আগে থেকে বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ কায়েমের নজির নেই। রাজ্য পুলিশকে এভাবে বুথ থেকে ব্রাত্য করে দেওয়াও সমান বেনজির৷ রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আসলে রাজ্যের পুলিশের প্রতি অনাস্থারই প্রকাশ।

আরও পড়ুনঃ সুব্রত বক্সির বদলে কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

কমিশনের এক আধিকারিকের মতে, এবারের ভোটে রাজ্য পুলিশকে যতটা সম্ভব কম ব্যবহারের কথাই ভাবা হয়েছে। তাই ভোটের জন্য তৈরি ফ্লাইং স্কোয়াড, কুইক রেসপন্স টিম ও সেক্টর মোবাইল ইউনিটেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই প্রথমে দায়িত্ব দেওয়া হবে। কাজের সুবিধার জন্য জিপিএস ব্যবহার করবে ফ্লাইং স্কোয়াড৷ এলাকা সর্ম্পকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সাহায্য করতেই জিপিএসের মতো অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ দিতে চায় নির্বাচন কমিশন৷

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন
আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় https://thenewsbangla.com/even-after-panchayet-election-violence-less-central-forces-in-bengal-for-lok-sabha-vote/ Tue, 29 Jan 2019 15:59:16 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6176 বঙ্গ বিজেপির চিন্তা বাড়াল কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন। পঞ্চায়েত ভোটে ব্যপক হিংসা ও রক্তপাতের পরেও লোকসভা ভোটে কম সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে বাংলায়। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই খবর। খবর পেতেই জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে। সিপিএম ও কংগ্রেসের তরফেও এই খবরে চিন্তা প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মমতার স্বরাষ্ট্র সচিবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের এক রোহিঙ্গার

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে যে সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসেছিল, ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে তার থেকে অনেক কম সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে রাজ্যে। এমনটাই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে। যদিও ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেই কম সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার কারণে বিভিন্ন জায়গায় ব্যপক রিগিংয়ের অভিযোগের পাশাপাশি বিরোধীদের বিরুদ্ধে শাসক দলের চরম সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছিল।

পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়/The News বাংলা
পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়/The News বাংলা

তারপরও কমিশন সূত্রে এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে কম সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে। তবে কমিশনের তরফে এখনও পর্যন্ত জানানো হয়নি যে রাজ্যে কত দফায় এবারের লোকসভা নির্বাচনকে সম্পন্ন করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ ২৬ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল না কলকাতা হাইকোর্ট

মঙ্গলবার দুদিন ব্যাপী রিটার্নিং অফিসারদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং পরীক্ষা শেষ হবার পর রাজ্য পুলিশের এডিজি আইন শৃঙ্খলা, বিধান নগরের পুলিশ কমিশনার এবং কয়েকজন জেলাশাসককে নিয়ে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। বৈঠকের পর নির্বাচন কমিশন, রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন এর ফুল বেঞ্চ এর সামনে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশ করার জন্য।

আরও পড়ুনঃ নিয়ম মেনে ভারতের জাতীয় পতাকা তুলে রাখা যায় রাতেও

রিপোর্টে থাকবে রাজ্যে বর্তমানে কত সংখ্যক ফোর্স রয়েছে এবং তাকে কিভাবে ব্যবহার করা যায় লোকসভা নির্বাচনে। সেই তথ্য দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাছে, এমনটাই খবর কমিশন সূত্রে। অন্যদিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সব জেলার পুলিশ সুপারদেরও আজ কিছু বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়।

পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়/The News বাংলা
পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায়/The News বাংলা

বুধবার রাত ৯টায় শহর কলকাতায় এসে নামবেন চীফ ইলেকশন কমিশনার সুনীল অরোরার নেতৃত্বে কেন্দ্র নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। বিমানবন্দর থেকে তাঁরা সোজা চলে আসবেন ধর্মতলা লাগোয়া একটি বেসরকারি হোটেলে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯.৩০ থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত রাজ্যের সব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলকে ১০ মিনিট করে সময় দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ জওহরলাল নেহেরুর গলায় মালা দিয়ে ৬০ বছর পরেও একঘরে ‘নেহেরুর বউ’

বেলা সাড়ে ১১টা থেকে প্রথম পর্বে ১২টি জেলার জেলাশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন। এরপর দ্বিপ্রহরিক আহার এর পরে বেলা আড়াইটা থেকে দ্বিতীয় দফায় বাকি ১১টি জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন।

আরও পড়ুনঃ আম দরবারে প্রকাশ্যে মহিলার ওড়না ধরে টান কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রীর

বৈঠক শেষ হয়ে যাওয়ার পর এক্সাইজ কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করবেন নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা। শুক্রবার রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে সকাল ৯.৩০ থেকে প্রথমে নির্বাচন কমিশন বৈঠক করবে ডিজি, স্বরাষ্ট্র সচিব ও মুখ্য সচিবের সঙ্গে। তারপর বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলন করে কমিশনের ফুল বেঞ্চ ফিরে যাবেন দিল্লিতে।

তবে ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনকে সফল ও নিরাপদ ভাবে সম্পন্ন করতে কমিশন কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই এখন সকলের কাছে আগ্রহের বিষয়। তবে প্রথমেই পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার পরেও লোকসভা ভোটে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় আসার খবরে হতাশ রাজ্যের বিরোধী দলগুলি।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ

জয় হিন্দ, ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের সোনার অক্ষরে লেখা ইতিহাস

কাঠফাটা রোদে পড়ুয়াদের অসুস্থ করে ছায়ায় বসে রেকর্ড গড়ার নেশা মন্ত্রীর

মাঠ দিল না রাজ্য, মোদীর সভা ও হেলিকপ্টারের জন্য ফসল ত্যাগ শিক্ষকের

কালামের নামে ছাত্রদের তৈরি হালকা উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়ে নজির ভারতের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>