Central Force – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 16 Jun 2022 12:31:50 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Central Force – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ‘অ’শান্তি নিয়ন্ত্রণে বাংলার রাস্তায় ভারতীয় সেনা’, মামলায় রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট https://thenewsbangla.com/indian-army-on-bengal-streets-to-control-unrest-calcutta-high-court-verdict/ Thu, 16 Jun 2022 12:31:14 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15503 ‘অ’শান্তি নিয়ন্ত্রণে বাংলার রাস্তায় ভারতীয় সেনা’; মামলায় রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ‘অশান্তি নিয়ন্ত্রণে ভারতীয় সেনা ডাকা হবে কিনা; সেই সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্যই’। পরিস্কার জানিয়ে দিল; কলকাতা হাইকোর্ট। হিং’সা নিয়ন্ত্রণে সেনা নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্বভার; রাজ্যের উপরই ছাড়ল কলকাতা হাইকোর্ট। বহিষ্কৃত বিজেপি নেতা নূপুর শর্মার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে; বাংলার বেশ কিছু জেলায় অ’শান্তির আঁচ ছড়িয়েছিল। সেই অশান্তি নিয়ন্ত্রণে সেনা ডাকা হবে কি না; তা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক মামলা দায়ের হয়। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় রায় দিল; প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের বেঞ্চ।

অশান্তি নিয়ন্ত্রণে রাজ্যের ভূমিকা সঠিক কি না, সিট গঠন, সেনা ডাকা-সহ একাধিক ইস্যুতে; মোট ৫টি মামলা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। বুধবার সেই মামলার শুনানি হলেও; রায়দান স্থগিত রাখা হয়েছিল। এদিন রায়দান করল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। পশ্চিমবঙ্গে যে অশান্তি ছড়িয়েছে এবং সেই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিগত ও সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে; আদালতে তা স্বীকার করে নিয়েছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার এমনটাই দাবি করেছেন; মামলাকারী আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত।

আরও পড়ুনঃ পরেশ, গুণধর, বীরেন্দ্র, দুর্নীতি করে নেতার মেয়েদের চাকরি হয়েছে, কাঁদছে ‘বাংলার মেয়েরা’

বৃহস্পতিবার আদালত নির্দেশ দেয়, যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে; প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে রাজ্য সরকারকে। এদিন হাইকোর্ট জানাল, যে কোনও ধরনের অশান্তি এবং অপ্রীতিকর ঘটনা আটকাবার জন্য; রাজ্যকে আগে থেকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা করতে হবে। বাস্তব পরিস্থিতির মূল্যায়ণ করে, রাজ্য যদি মনে করে যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে; তাহলে প্রয়োজনে সেনা ডাকতে পারে। অর্থাৎ সেনা ডাকা হবে কি না; সেই সিদ্ধান্ত নেবে একমাত্র রাজ্য সরকারই।

আরও পড়ুনঃ ‘তৃণমূল-বাম সেটিং’, প্রাথমিক টেট দুর্নীতি, চাকরি গেল সিপিএম নেতার মেয়েরও

একইসঙ্গে বিচারপতি-দের নির্দেশ, সম্পত্তি এবং প্রাণহানি ঠেকাতে; প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে রাজ্য। একইসঙ্গে রাজ্য সরকার দ্রুততার সঙ্গে; অশান্তির ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করবে। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে এই জনস্বার্থ মামলাগুলির শুনানি চলছিল। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী রাজ্য কী কী পদক্ষেপ করল; আগামী ২৭ জুনের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করে জানাতে হবে। পাশাপাশি, ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের; ক্ষতিপূরণের বন্দোবস্তও করতে হবে।

]]>
কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে বাংলায় শেষ দফার ভোট, রাজ্য পুলিশে ভরসা শেষ https://thenewsbangla.com/seventh-phase-lok-sabha-polls-of-bengal-surrounded-by-central-force/ Fri, 17 May 2019 05:09:57 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13002 রবিবার লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফার ভোট। ১৯মে সপ্তম দফায় ভোটগ্রহণ হবে দমদম, বারাসত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, কলকাতা দক্ষিণ ও কলকাতা উত্তর লোকসভা আসনে। কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ভোট হবে শেষ দফায়।

রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই দার্জিলিং, ইসলামপুর, হবিবপুর, কান্দি, নওদা এবং ভাটপাড়ায় উপনির্বাচন হবে। মুর্শিদাবাদের কান্দি ও নওদা বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন ভোট ২০ মে। এই দুটি কেন্দ্র বাদ দিয়ে; বাকি চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে ১৯ মে।

আরও পড়ুনঃ বেকারদের ড্রাইভিং, চুল কাটার ট্রেনিং নেওয়ার পরামর্শ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যে সপ্তম তথা শেষ দফার ভোটে; ৭১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এর মধ্যে ৩৪ কোম্পানি; কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে স্ট্রং রুমে। শুধু কলকাতাতেই ১৪৭ কোম্পানি বাহিনী থাকছে। ১০০ শতাংশ বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। একনজরে কোথায় কত বাহিনী থাকছে; দেখে নিন

আরও পড়ুনঃ বিদ্যাসাগর মূর্তি ভাঙার তদন্তে বিশেষ তদন্ত দল গঠন মমতার

কলকাতা ১৪৭ কোম্পানি; বারাসাত ৫৫ কম্পানি; ব্যারাকপুর ৪৮ কোম্পানি; বারুইপুর ১০২ কোম্পানি; বসিরহাট ৭১ কোম্পানি; বিধাননগর ২৭ কোম্পানি; ডায়মন্ডহারবার ৮১ কোম্পানি; সুন্দরবন ৮০ কোম্পানি; ভাটপাড়া ৬ কোম্পানি; দার্জিলিং ১৬ কোম্পানি; মালদা ১১ কোম্পানি; হবিবপুর ১০ কোম্পানি ও মুর্শিদাবাদ ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী; থাকছে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ পুলিশি গাফিলতিতে দেড় মাস ধরে অকেজো বিদ্যাসাগর কলেজের সিসিটিভি

একনজরে নন সিপিএফ মেজার থাকবে এইরকম, দমদম ৯৯০; বারাসাত ১০২৯; বসিরহাট ৯৪৩; জয়নগর ১২৩০; মথুরাপুর ১২৪০; ডায়মন্ডহারবার ১২৭৫; যাদবপুর ১৪১০; কলকাতা দক্ষিণ ১১৮১; কলকাতা উত্তর ৯৩৪। আর মোট কুইক রেসপন্স টিম থাকবে ৪৪৪টি।

আরও পড়ুনঃ ডায়মন্ডহারবারের বিষ্ণুপুর থানা এলাকা থেকে মানুষকে পালাতে হল কেন

একনজরে বুথের সংখ্যা জেনে নিন, দমদম ১৭৬১; বারাসাত ১৯১৫; বসিরহাট ১৮৬১; জয়নগর ১৮১০; মথুরাপুর ১৮৪৮; ডায়মন্ডহারবার ১০১২; যাদবপুর ২০৪২; কলকাতা দক্ষিণ ২০৩১; কলকাতা উত্তর ১৮৬২। এদিকে শেষ দফার ভোটে মোট ভোটার সংখ্যা ১,৪৯,৬৩,০৬৪ জন।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে; ১০০ শতাংশ বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। লোকসভা ভোটের পাশাপাশি; বিধানসভা উপ নির্বাচনেও থাকছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিশেষ করে ভাটপাড়া ও দার্জিলিং বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে; কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন।

]]>
পড়তে হবে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, এড়াতে হবে মাটিতে পুঁতে রাখা ল্যান্ডমাইন https://thenewsbangla.com/central-force-have-to-wear-bulletproof-jacket-avoid-landmine-on-sixth-phase-polls/ Fri, 10 May 2019 12:44:20 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12674 পড়তে হবে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট; এড়াতে হবে IED বা ইম্প্রসিভ এক্সপ্লসিভ ডিভাইজ। জঙ্গলমহলে বাড়তি সতর্ক থাকার নির্দেশ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। ভোটের পরে মাওবাদীদের গেরিলা আক্রমনে; মহারাষ্ট্রের গড়চিরৌলিতে এক চালক সহ ১৬ জন জওয়ান শহিদ হন। IED বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলা চালানো হয়; সেনা জওয়ানদের গাড়িতে।

পরের দিনই ছত্তিশগড়ের সুকমায়; মাওবাদীরা গ্রামে ঢুকে পুলিশের গুপ্তচর সন্দেহে দুজনকে খুন করে। এইসব ঘটনার পর; আর ঝুঁকি নিতে রাজি নয় নির্বাচন কমিশন। আর তাই জঙ্গলমহলে ডিউটি করতে যাওয়া; কেন্দ্রীয় বাহিনী সদস্যদের দেওয়া হল বিশেষ নির্দেশ। ইতিমধ্যেই কোম্পানি কমান্ডারদের কাছে সেই নির্দেশিকা পৌঁছেছে। প্রতিটি জওয়ানকে সেই নির্দেশিকা বুঝিয়ে দিতে বলা হয়েছে।

প্রতিবারের মতো এবারও; নির্বাচন বয়কটের ডাক দিয়েছে মাওবাদীরা। অতীত বলছে ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্রের মতো বেশ কিছু জায়গায়; নির্বাচনের সময় নাশকতা চালিয়েছে তারা। তাই এবার এই রাজ্যের জঙ্গলমহলে বাড়তি সতর্কতা। কমিশন সূত্রে খবর; অন্য সাতটি কেন্দ্রে ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলেও; ঝাড়গ্রামে সব বুথেই থাকবে বাহিনী।

শুধু ঝাড়গ্রাম লোকসভায়; মোতায়েন করা হচ্ছে ১১৪ কম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। অতীতে বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার জঙ্গলমহল এলাকায় মাও সক্রিয়তা থাকলেও; কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ওই দুই জেলাকে মাও মুক্ত ঘোষণা করেছে। তবে ঝাড়গ্রাম এখনো মাওবাদীদের রেড করিডর। সেই সূত্রেই বাহিনীর জওয়ানদের উদ্দেশ্যে; দেওয়া হয়েছে বিশেষ নির্দেশিকা।

নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে বলা হয়েছে; কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা কালভার্ট এবং যেসব জায়গায় IED প্ল্যান্ট করা যেতে পারে; সেই সব জায়গায় ভালো করে তল্লাশি চালানোর পর; সেই পথে এগোবে। ভালো করে পরীক্ষা করার আগে কোনভাবেই যেন ঝুঁকি না নেওয়া হয়।

নির্বাচনের ডিউটি করার সময়; অবশ্যই বুলেট প্রুফ জ্যাকেট এবং হেলমেট পরতে হবে। অতীতে দেখা গেছে ভোট কর্মীরা; ভোট শেষে ফেরার সময় আক্রমণের শিকার হয়েছেন। ভোট শেষে ফেরার পথে; সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যে কোন ক্ষেত্রে অ্যাকশন নেওয়া হলে দ্রুত রিটার্নিং অফিসার; কন্ট্রোল রুম এবং সিনিয়ার পুলিশ অফিসারদের জানাতে হবে। কুইক রেসপন্স টিম এবং কুইক অ্যাকশান টিমের সদস্যদের; যে কোন ধরনের অভিযোগ উঠলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

]]>
তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ও সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফেলে পেটাল কেন্দ্রীয় বাহিনী https://thenewsbangla.com/prasun-banerjee-tmc-mp-candidate-was-beaten-down-by-central-force/ Mon, 06 May 2019 12:36:26 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12488 ফুটবলার জীবনে অনেক ভয়ানক ট্যাকেলের সম্মুখীন হয়েছেন; বিখ্যাত ফুটবলার প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সাংসদ হবার পর ভোটের বুথে গিয়ে পুলিশের লাঠির ঘা খেতে হবে; তা মনে হয় স্বপ্নেও ভাবেননি এই ফুটবলার সাংসদ। আর সেটাই ঘটল সোমবার। গায়ে দাগ নিয়ে আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর মত; কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ ফণীর ক্ষয়ক্ষতির জন্য রাজ্যকে টাকা দিতে চেয়েছিলাম, নিলেন না মমতা, জানালেন মোদী

নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে; রাজ্যের তরফে অভিযোগ আগে থেকেই ছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে বিজেপির হয়ে কাজ করছে এবং বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটারদের ভয় দেখিয়ে; বিজেপিকে ভোট দিতে প্ররোচিত করছে বলেও অভিযোগ ছিল। আর এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর আক্রমনের শিকার হলেন তৃণমূল প্রার্থী ও সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ গাড়ি ভাঙচুর, ছাপ্পা ভোটের অভিযোগে হুগলীর জেলাশাসক দফতরে ধর্নায় লকেট

শুধুমাত্র আক্রমণ নয়; কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে বেধড়ক মার খেলেন হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার পঞ্চম দফার নির্বাচনে শিবপুরের বালটিকুরী এলাকার একটি বুথে তৃণমূল প্রার্থী ও তাঁর আপ্তসহায়ক ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়কেও বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় জয় শ্রী রাম বললেই জেলে পুরছেন মমতা, ঝাড়গ্রামে অভিযোগ মোদীর

বালটিকুরীর একটি বুথে তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়; ঢোকা মাত্রই জটলা শুরু হয়। তৃণমূল সমর্থকদের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। ফলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। তখনই ভিড়কে সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে। এমনটাই অভিযোগ করেছে বিজেপি।

আর তাতে রেহাই পাননি খোদ তৃণমূল প্রার্থী। বেধড়ক মারা হয় তাকে। পুরো ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর দোষ চাপিয়ে ঘটনাটি সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তৃণমূল। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

]]>
শুধু বুথ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এলাকা ঘিরে সোমবার হবে পঞ্চম দফার ভোট https://thenewsbangla.com/central-force-surrounded-in-booths-lok-sabha-area-in-fifth-phase-polls/ Sun, 05 May 2019 17:27:05 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12424 সোমবার ৬ই মে; পঞ্চম দফার ভোট। মোট সাতটি লোকসভা কেন্দ্রে; ভোটে ১০০ শতাংশ বুথে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পঞ্চম দফার সব বুথেই আছে কেন্দ্রীয় বাহিনী; তাই সব বুথ-ই স্পর্শকাতর জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ ভাবেই; জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। ব্যারাকপুরে বুথের পাশাপাশি; গোটা লোকসভা এলাকাতেও থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

সোমবার, পঞ্চম দফা নির্বাচনে প্রত্যেক থানা পিছু দুটি করে কুইক রেসপন্স টিম থাকছে। কেবলমাত্র ব্যারাকপুর এর জন্য; আলাদা করে আরও দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছে। ওই দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী; কুইক রেসপন্স টিমের কাজ করবে। সেই ক্ষেত্রে ব্যারাকপুর এর জন্য আরও কুড়িটি কুইক রেসপন্স টিম থাকছে। তাই সোমবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা ৫২৮ থেকে বেড়ে ৫৩০ কোম্পানি হল; নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর এমনটাই খবর।

আরও পড়ুনঃ পঞ্চম দফা ভোটের আগে মোদী মমতা নিয়ে বিস্ফোরক বুদ্ধদেব

রাজ্যের ৭ লোকসভায় সোমবার ভোট। একনজরে দেখে নেওয়া যাক; সোমবার কোথায় কত অফিসার থাকছে।
বনগাঁ; মাইক্রো অবজারভার ১০৫; ভিডিও ক্যামেরা ৫৩; সিসিটিভি ১২৫; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ৫৮৩
ব্যারাকপুর; মাইক্রো অবজারভার ১১; ভিডিও ক্যামেরা ২৫; সিসিটিভি ১৫৭; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ৪৯৫
হাওড়া; মাইক্রো অবজারভার ৪২০; ভিডিও ক্যামেরা ১১৪; সিসিটিভি ৬৩৮; ওয়েব কাস্টিং ৩০১; মোট ১৪৭৩

আরও পড়ুনঃ মাওবাদী দমনে ব্যর্থ মোদী, মেদিনীপুরের সভা থেকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

উলুবেড়িয়া; মাইক্রো অবজারভার ৩৩০; ভিডিও ক্যামেরা ১৩৪; সিসিটিভি ৮১৭; ওয়েব কাস্টিং ২৬৯; মোট ১৫৫৩
শ্রীরামপুর; মাইক্রো অবজারভার ৩৯১; ভিডিও ক্যামেরা ১০৬; সিসিটিভি ৩১৮; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১১৭৮
হুগলি; মাইক্রো অবজারভার ৩১০; ভিডিও ক্যামেরা ২০; সিসিটিভি ১০০; ওয়েব কাস্টিং ২৭০; মোট ৭০০
আরামবাগ; মাইক্রো অবজারভার ৪১১; ভিডিও ক্যামেরা ৫০; সিসিটিভি ২২৭; ওয়েব কাস্টিং ২১৪; মোট ৯৫৩

আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্র ও ছত্তিসগড়ের মত ভোটে মাওবাদী হামলার আশঙ্কা বাংলায়

আগামীকাল মোট বুথের সংখ্যা; দেখে নিন এক নজরে;
বনগাঁ ১৮৯৯; ব্যারাকপুর ১৫৬৭; হাওড়া ১৮৬৮; উলুবেড়িয়া ১৮২৬; শ্রীরামপুর ২০৩৩; হুগলি ২০৩৯; আরামবাগ ২০৫৮; মোট ১৩২৯০। উত্তর ২৪ পরগণা ও হুগলীর দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

]]>
বুথের মধ্যেই গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে https://thenewsbangla.com/complain-against-the-central-force-to-fire-bullet-inside-the-vote-booth/ Mon, 29 Apr 2019 11:12:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11949 কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে এবার গুরুতর অভিযোগ উঠল। দুবরাজপুরের কানদিঘির ২৮৪/২৫৯ নং বুথের মধ্যেই গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। ভোটকেন্দ্রের ছাদে সেই গুলির চিহ্ন স্পষ্ট দেখতে পাওয়া গেছে। ঘটনার পরপরই ওই ভোটকেন্দ্রে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি চালানোর ঘটনাকে বিরোধীদের চক্রান্ত বলে জানান তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনী এই কাজের অত্যন্ত নিন্দা করেন তৃণমূল প্রশাসন।

গুলির চিহ্ন দেখতে পাওয়া গেছে ভোটকেন্দ্রের ছাদে। জানা গিয়েছে, বুথে একসঙ্গে কিছু ভোটার ঢুকতে গেলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে জমা রাখতে বলা হয় মোবাইল। আর মোবাইল জমা রাখার প্রসঙ্গ থেকেই কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তারপরই কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে বুথের মধ্যেই গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকী সাধারণ ভোটারও বুথ লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়েন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক আমার সঙ্গে প্রতিদিন যোগাযোগ রাখেন, বললেন মোদী

খবর অনুযায়ী বুথের ভিতরে ভিড় হয়ে যাওয়ায় ফলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা খানিকক্ষণের জন্য বুথের গেট বন্ধ রাখেন। এতেই ভোটাররা রেগে গিয়ে অভিযোগ করতে শুরু করেন। বুথের গেট খুলে দেবার জন্য বাহিনীর সাথে বাকবিতণ্ডাতে জড়িয়ে পড়ে ভোটাররা। একই সাথে সেই সময় ভোটারদের মোবাইল জমা রাখা নিয়েও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাথে ঝামেলা বেঁধে যায় সাধারন ভোটারদের।

জানা যাচ্ছে মোবাইল জমা রাখার সময় জওয়ানদের হাত থেকে কিছু মোবাইল মাটিতে পড়ে যাবার ফলে ভোটারদের সাথে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তারপরেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লক্ষ করে ইট পাথর ছুঁড়তে ভোতাররা।এরপরেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা শূন্যে গুলি চালান বলে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ মমতার পাঠানো মাটি ও পাথর মেশান রসগোল্লা খাবেন মোদী, কেন বললেন একথা

সকাল থেকেই বীরভূম জুড়ে ভোটের সন্ত্রাস দেখা গেছে, তাঁর মধ্যে দুবরাজপুরের কানদিঘির ২৮৪/২৫৯ নং বুথের মধ্যেই গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠার ফলে কেন্দ্রীয় বাহিনী একটু চাপে পড়ে গেছে ঘটনার পরপরই ওই ভোটকেন্দ্রে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। তাঁর অভিযোগ, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনী সম্পূর্ণভাবে বিজেপির হয়ে কাজ করছে। ভোটারদের আটকে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপিকে ভোট দিতে বলা হচ্ছে।

শুধু শতাব্দী রায়ই নয়, এদিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান অনুব্রত মণ্ডলও। তিনিও বলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটারদের প্ররোচিত করছে বিজেপিকে ভোট দেবার জন্য। এদিন দুপুরে স্বরূপনগরের জনসভার মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই অভিযোগ করেন। তিনিও বলেন কেন্দ্রীয় বাহিনী নিজেদের কাজ না করে মোদীর হয়ে প্রচার করার জন্য বাংলায় এসেছে।

আরও পড়ুনঃ মোবাইলে হুমকি দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে হাস্যকর প্রমাণ করলেন অনুব্রত মণ্ডল

যদিও কেন্দ্রীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনও গুলি চালানোর কারণ স্পষ্ট করা হয়নি। যদিও গুলি চালানোর পর আতঙ্কিত হয়ে ভোটাররা পালাতে গেলে একজন মহিলা ভোটার আহত হন বলে জানা গিয়েছে। ভোটকেন্দ্রের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালানোর ঘটনাকে মোটেই ছোট করে দেখছে না শাসক দল।

]]>
সোমবার বাংলার ৮ টি আসনে ভোট, দেখে নিন একনজরে ৮ কেন্দ্রে ভোটের কিছু তথ্য https://thenewsbangla.com/fourth-phase-poll-on-eight-seats-in-bengal-is-surrounded-by-central-force/ Sun, 28 Apr 2019 11:29:39 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11837 সোমবার বাংলার ৫ জেলার ৮ টি লোকসভা আসনে ভোট গ্রহণ। দেখে নিন একনজরে ৮ লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের কিছু তথ্য। প্রায় ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৫৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে সোমবার বাংলায় চতুর্থ দফার ভোটে। প্রায় সব বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

বহরমপুর লোকসভা আসন। মুর্শিদাবাদে এবার কংগ্রেসের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। অধীর চৌধুরী কি নিজের আসন ধরে রাখতে পারবেন? সেটাই এখন প্রশ্ন। এখানে মোট বুথ ১৮৪৪। পুরুষ ভোটার ৮৩৬০২১। মহিলা ভোটার ৭৯৪৪১৯। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪০। মোট ভোটার ১৬৩০৫১০। ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ বউয়ের খোঁজ রাখেন না, দেশের মানুষের খোঁজ কি করে রাখবেন, মোদীকে খোঁটা মমতার

কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র। নদিয়ার দুটি লোকসভা আসনেই ভোট সোমবার। এখানে মোট বুথ ১৮১২। পুরুষ ভোটার ৮৪১০০৩। মহিলা ভোটার ৭৮১৪৪৯। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪৩। মোট ভোটার ১৬২২৪৯৫। এই আসনেরও প্রায় ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্র। খুন হয়ে যাওয়া তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের স্ত্রী রুপালী বিশ্বাস এখানকার তৃণমূল প্রার্থী। এখানে মোট বুথ ১৯৭১। পুরুষ ভোটার ৯০৩৪৪০। মহিলা ভোটার ৮৫০৩২৪। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪৮। মোট ভোটার ১৭৫৩৮১২।

বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্র। মোট বুথ ১৯১৯। পুরুষ ভোটার ৮৬৬৬০২। মহিলা ভোটার ৮৪৬৪৯৮। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪৮। মোট ভোটার ১৬৯৩১৪৮।

আরও পড়ুনঃ রাজনৈতিক স্বার্থে ওবিসির সংরক্ষন নিয়েছেন মোদী, মন্তব্য মায়াবতীর

বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্র। মোট বুথ ২০০৬। পুরুষ ভোটার ৮৭৮১৪০। মহিলা ভোটার ৮৪৮৫০৪। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২৬। মোট ভোটার ১৭২৬৬৭০।

আসানসোল লোকসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখানে মোট বুথ ১৮৬০। পুরুষ ভোটার ৮৩৯৫৭১। মহিলা ভোটার ৭৬৭৫৮৭। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪৮। মোট ভোটার ১৬০৭২০৬।

বোলপুর লোকসভা কেন্দ্র। মোট বুথ ১৯৫৭। পুরুষ ভোটার ৮৬৮৭৮৭। মহিলা ভোটার ৮৩১২১৭। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২৬। মোট ভোটার ১৭০০০৩০।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয় না আমেরিকান, যাদবপুরে গ্রেট খালির ভোট প্রচার নিয়ে এবার জোর বিতর্ক

বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র। মোট বুথ ১৯০৮। পুরুষ ভোটার ৮৬০১১৯। মহিলা ভোটার ৮৩৪৬৭৮। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২৫। মোট ভোটার ১৬৯৪৮২২।

বীরভূম জেলাতেও ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলেই আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। তৃতীয় দফার ভোটেও বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা চোখে পড়েছে। একজনের মৃত্যুও হয়েছে। সোমবার চতুর্থ দফার ভোট কতটা শান্তিপূর্ণ হয় সেটাই এখন দেখার।

]]>
অনুব্রতকে বাগে আনতে বীরভূম সফর করলেন বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক https://thenewsbangla.com/central-force-in-100-percent-booths-at-birbhum-says-observer-ajay-nayek/ Wed, 24 Apr 2019 14:12:58 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11561 বুধবার বীরভূমের সিউড়িতে গিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করলেন অজয় নায়েক। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শাসক-বিরোধী সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। বৈঠকের পর বিশেষ পর্যবেক্ষক জানিয়ে দিলেন, বীরভূমেও নির্বাচনে সব বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অর্থাৎ রাজ্য পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হবে না কোনও বুথের।

বুধবার প্রশাসনিক বৈঠকের পর বেরিয়ে অজয় নায়েক বলেন, “বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে ভোটের দিন কারচুপি করতে পারে শাসক দল। এছাড়াও প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের সঙ্গেও সুরক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপারে কথা বলেছি। তারপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এই জেলায় ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই নির্বাচন করা হবে”।

আরও পড়ুনঃ ভোটের ৫ দিন আগে প্রকাশ্যে দিনের আলোয় তৃনমুলের অস্ত্র ও বাইক মিছিল বীরভূমে

বিশেষ পর্যবেক্ষকের এই সিদ্ধান্তের পর বীরভূমের এক বিজেপি নেতার বক্তব্য, “প্রথম তিন দফার ভোটে ভালো কাজ করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সে সব বুথে রাজ্য পুলিশ ছিল সেখানেই কারচুপি করার চেষ্টা করেছে তৃণমূল। আমরা বারবার কমিশনের কাছে এ ব্যাপারে আবেদন করেছি। কমিশন জানিয়েছে চতুর্থ দফার ভোটে ৯৮ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে”।

অর্ণব উধাও রহস্যে আরও পড়ুনঃ ভোটের দায়িত্বে থাকা অর্ণব রায়ের উধাও হওয়া ফিরিয়ে এনেছে রাজকুমার রায়ের স্মৃতি

“তৃণমূল জানে বীরভূমের দুটি লোকসভার বিদায়ী সাংসদ শতাব্দী রায় ও অনুপম হাজরা কোনও কাজ করেননি এই জেলার জন্য। তাই এবার বীরভূম জেলার লোক বিজেপিকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনবেন। আমরা বিশেষ পর্যবেক্ষকের কাছে জানিয়েছিলাম, তৃণমূল ভোট লুঠ করার চেষ্টা করতে পারে। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি”। দাবি কংগ্রেস সিপিএম বিজেপির।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটে অনুব্রতর বীরভূম নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন

এই ব্যপারে সিউড়ি পুরসভার তৃনমূলের উপ পৌরপ্রধান বিদ্যাসাগর সাউ বলেন, “আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর জানিয়ে দিয়েছেন, যত কেন্দ্রীয় বাহিনী আসুক না কেন, বিজেপি কিছুই করতে পারবে না। কারণ মানুষ ভোট দেবেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়। আর মানুষ জানেন, তৃণমূল গত পাঁচ বছরে রাজ্যের কত উন্নয়ন করেছেন। তাই ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিলেও জয় আমাদেরই হবে”।

আরও পড়ুনঃ সাত দিন পরেও খোঁজ নেই ভোটের নোডাল অফিসার অর্ণব রায়ের, রহস্য আরও জটিল

চতুর্থ দফায় আরও বেশি অর্থাৎ ৯৮ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন। অর্থাৎ আধাসেনার পরিমাণ আরও বাড়ানো হচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের একাংশের বক্তব্য, পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও হিংসার ঘটনায় এই জেলা ছিল রাজ্যের মধ্যে অন্যতম। পাড়ুই, লাভপুর, সাঁইথিয়া, মহম্মদবাজার, ইলামবাজার, বোলপুর-সহ বীরভূমের বেশিরভাগ এলাকাতেই সংঘর্ষ হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মধ্যেই মমতার সিনেমা আটকে দিল নির্বাচন কমিশন

নির্বাচন কমিশনের কাছে সে সবের রিপোর্ট রয়েছে। আর তাই লোকসভার আগে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইলেন না কমিশনের। বীরভূমের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১০০ শতাংশ বুথে মোতায়েন করা হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঝাঁটা মেরে এলাকা থেকে তাড়ানোর ফতেয়া তৃণমূল বিধায়ক ও মন্ত্রীর https://thenewsbangla.com/tmc-mla-ratna-ghosh-kar-urges-workers-to-chase-and-attack-central-forces/ Wed, 17 Apr 2019 05:42:00 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10984 কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঝাঁটা পেটা করে এলাকা থেকে তাড়ানোর নির্দেশ তৃণমূল বিধায়কের। আর ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে হইচই। তৃণমূলের নেত্রী তথা রাজ্যের মন্ত্রী তাঁদের মহিলা সদস্যদের সেনাকে ঝাঁটা পেটা করার নিদান দিয়েছেন। ভিডিও নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ রাতের অন্ধকারে ভারতী ঘোষের বাড়িতে মমতার পুলিশ

নদীয়া জেলার তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মন্ত্রী রত্না ঘোষ করের গলায় যেন আর এক মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সুর। এর আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাত মুচড়ে দেবার কথা বলে বিতর্কে এসেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। এবার আর এক ধাপ এগিয়ে কর্মিসভায় দলীয় কর্মীদের চাকদহের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী রত্না ঘোষ কর বললেন, “ঝাঁটা হাতে তাড়া করে সেন্ট্রাল ফোর্সকে এলাকা ছাড়া করে দেবেন”। আর এরপরেই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের প্রচার করায় ফেরদৌসকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের

ঠিক কি বলেছেন নদীয়ার চাকদহের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী রত্না ঘোষ করঃ

“যুদ্ধ জিততে গেলে গণতন্ত্রের কথা মাথায় রাখলে হবে না। যে ভাবেই হোক জিততে হবে”, দলের নেতা কর্মীদের এই ভাষাতেই ভোকাল ত্নিক দিলেন চাকদহের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী রত্না ঘোষ কর। কেন্দ্রীয়বাহিনী বাড়াবাড়ি করলে কী করতে হবে, সেই দাওয়াইও এদিন দিয়ে দেন রত্না। “যেখানে বাড়াবাড়ি করবে, আমি মহিলা সংগঠনের নেতৃত্বকে বলব, ঝাঁটা হাতে তাড়া করে সেন্ট্রাল ফোর্সকে এলাকা ছাড়া করে দেবেন”।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ভোটে দুই দুর্গা, দুই পুরুষের লড়াইয়ে প্রচারে দাপট দেখাচ্ছেন দুই নারী

একটি ভিডিও ফুটেজ সামনে এনে দিয়েছে রত্নার এই বিস্ফোরক মন্তব্য। যেখানে তিনি বলছেন, “যুদ্ধ জিততে গেলে ন্যায়-অন্যায়, গণতন্ত্র-ফনতন্ত্র বলে কিছু নেই। যুদ্ধে জিততে হবে। আর তার জন্য যে পদ্ধতি নিতে হয় তাই নিতে হবে”। এখানেই থামেননি মমতা মা মাটি মানুষ সরকারের মন্ত্রী রত্না ঘোষ কর।

আরও পড়ুনঃ দেশকে চমকে দিয়ে লোকসভা নির্বাচনে রূপান্তরকামী রাধা

তিনি আরও বলেন,”২০১৬তে আমদের কর্মীরা সেন্ট্রাল ফোর্সের তাড়া খেয়েছিল। রক্তাক্ত হয়েছিল আমাদের কর্মীরা। এবারের চ্যালেঞ্জ আরও বেশি। কোনও চিন্তা নেই। আমি ভোটের দিন অঞ্চলে অঞ্চলে বুথে বুথে যাব। কোনও সেন্ট্রাল ফোর্স আমরা তোয়াক্কা করি না। যেখানে বাড়াবাড়ি করবে, আমি মহিলা সংগঠনের নেতৃত্বকে বলব ঝাঁটা হাতে তাড়া করে সেন্ট্রাল ফোর্সকে এলাকা ছাড়া করে দেবেন”।

আরও পড়ুনঃ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারতীয় ক্রিকেটারদের দাবি ‘কলা আর বউ’

কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এর আগেও বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তৃণমূল নেতা নেত্রীরা। ২০১৩-র পঞ্চায়েত ভোটে বীরভূম জেলা সভাপতি তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল বলেছিলেন, “কোনও নির্দল প্রর্থীকে ভোট নয়। সব ভোট জোড়া ফুলে। যদি কোনও পুলিশ আটকাতে আসে, পুলিশের গাড়িতে বোম মারুন। আমি বলছি বোম মারতে”।

আরও পড়ুনঃ বিজেপিকে হারাতে মুসলিমদের একজোট হবার আহ্বান সিধুর, ভোটবাজারে ধর্মে সুড়সুড়ি

এরপরেও তৃণমূলের দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডল, সেনাকে ‘মোদীর দালাল’ বলে আখ্যা দিয়েছিলে। কোচবিহারের তৃণমূল জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, ভোটের আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাত মুচড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আর এবার ঝাঁটা মেরে এলাকা থেকে তাড়ানোর নির্দেশ দিলেন তৃণমূলের আর এক মন্ত্রী রত্না ঘোষ কর।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের প্রচারে ফিরদৌস, মমতার সঙ্গে জামাত জঙ্গি যোগের অভিযোগ রাহুলের

রত্নার বক্তব্য ও ভিডিও নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি। তবে ফোনে পাওয়া যায় নি মন্ত্রী রত্না ঘোষ করকে। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের অনুব্রত মণ্ডল ও বিজেপির সায়ন্তন বসু ও বাবুল সুপ্রিয়কে বিভিন্ন বিষয়ের জন্য শোকজ নোটিস ধরিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখন এই ভিডিও দেখা পর ও বিজেপির অভিযোগ পাবার পর রাজ্যের মন্ত্রী রত্নার ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ নেয় কমিশন, সেটাই এখন দেখার।

আরও পড়ুনঃ কোটি কোটি কালো টাকা উদ্ধারের পর ভোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন
আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের হয়ে প্রচার করে ভারতের কালো তালিকায় বাংলাদেশী অভিনেতা ফিরদৌস

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মমতার দাবি না মেনে জঙ্গলমহল থেকে ৩০ কোম্পানি বাহিনী তুলছে নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/election-commission-is-taking-30-companies-central-force-from-bengal-jungle-mahal/ Thu, 04 Apr 2019 06:27:43 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9926 মানা হল না বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি। মমতার দাবি না মেনে জঙ্গলমহল থেকে ৩০ কোম্পানি বাহিনী তুলছে নির্বাচন কমিশন। জঙ্গলমহল থেকে ৩০ কোম্পানি বাহিনী তুলেই প্রথম দফার ভোট। মোট ৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সেনা দিয়েই প্রথম দফার ভোট করাবে কমিশন।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে রাজ্যে ৩০ শতাংশেরও কম স্পর্শকাতর বুথ

জঙ্গলমহলে থাকা ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাজ্যে প্রথম দফা নির্বাচনে আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর সঙ্গে থাকছে রাজ্যে আসা প্রথম দফার ১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর প্রথম দফা নির্বাচনে এই ৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ভোট করানো হবে।

আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য পুলিশও থাকছে বুথে, বিরোধী শিবিরে জোর ধাক্কা

তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীও থাকবে প্রথম দফার নির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথে। কোচবিহারে বুথের সংখ্যা ২০১০ টি। আলিপুরদুয়ারে বুথের সংখ্যা ১৮৩৪ টি। প্রথম দফা নির্বাচনে মোট বুথের সংখ্যা ৩৮৪৪ টি। এই মোট বুথ এর মধ্যে ৪০% বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী অর্থাৎ ১৫৩৮ টি বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী এমনটাই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে।

আরও পড়ুনঃ বিবেক দুবেকে তৃণমূলের এজেন্ট বলে কটাক্ষ মুকুল রায়ের

কোচবিহারে মোট ভোটারের সংখ্যা ১৮,১০,৬৫৮ জন, আলিপুরদুয়ারে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬,৪৩,৬১৬ জন। কুচবিহার ও আলিপুরদুয়ার এই দুই জায়গার মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটার সংখ্যা ২৯ জন। এখন দেখার বিষয় এটাই যে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনিল আরোরা জানিয়েছিলেন ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী কিন্তু নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীও থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে প্রথম দফা নির্বাচনের প্রত্যেকটি বুথেই।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্থানে বিমানবাহিনীর হামলা, বাংলায় কাঁদল দিদি

আর এই জায়গা থেকেই কমিশনের বিপক্ষে ফের সরব হতে চলেছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে তাদের যে অভিযোগ ছিল সেই অভিযোগকে গুরুত্ব না দিয়ে নির্বাচন কমিশন রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ দিয়ে ভোট করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়াকে নতুন রাজনৈতিক টানাপোড়েনের গন্ধ পাচ্ছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের।

আরও পড়ুনঃ এক্সপায়ারি বাবুকে চ্যালেঞ্জ স্পিডব্রেকারের, বাংলায় মোদী মমতা তরজা তুঙ্গে

তাহলে কি তৃণমূল-বিজেপি কোন গোপন আঁতাত হয়েছে ভোটের আগেই। বাম ও কংগ্রেসের তরফে এই দাবি অনেক আগেই তোলা হয়েছে। বিজেপির তরফেও সব নেতাই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। এবার সেই দাবি আরও জোরাল হবে। অন্যদিকে জঙ্গল মহল থেকে বাহিনী সরিয়ে এবার মমতার তোপের মুখেও পড়তে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য রাজ্য সরকারের সাহায্য চাইলেন কমিশনের পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>