BSF – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 09 May 2022 11:13:14 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg BSF – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ভারতের বিএসএফের উদ্যোগে মাকে শেষ দেখা দেখতে পেল বাংলাদেশি কন্যারা https://thenewsbangla.com/bangladeshi-girls-got-to-see-their-mother-for-the-last-time-at-the-initiative-of-bsf-of-india/ Mon, 09 May 2022 11:11:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15023 ভারতের বিএসএফের উদ্যোগে; মাকে শেষ দেখা দেখতে পেল বাংলাদেশি কন্যারা। বিএসএফের সৌজন্যেই, মৃত মাকে শেষ দেখা দেখতে পেল; বাংলাদেশে অবস্থানরত কন্যারা। ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়া জেলার সীমান্ত গ্রাম হাটখোলায়। গ্রামের বাসিন্দা নিওথালি হালসানা, বিএসএফের ৮২ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি হাটখোলার কোম্পানি কমান্ডারকে বলেন যে; তার মা আনোরা হালসানা ০৭ মে, ২০২২ তারিখে রাত ৯ টায় মারা গেছেন। তার বোনেরা সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে থাকে। বিএসএফ সাহায্য করলে; বোনেরা মায়ের শেষ দেখা দেখতে পাবে। মাকে শেষবারের মত দেখতে; বোনেদের জন্য এক ভাই অনুরোধ করেছিল বিএসএফ-কে।

নদীয়া জেলার সীমান্ত এলাকার, মাটিয়ারী গ্রামের বাসিন্দা নিওথালি হালসানা; হাটখোলার কোম্পানি কমান্ডারকে জানায় যে, তার মা আনোরা হালসানার মৃত্যু হয়েছে। তার দুই বোন ডলিয়া বিবি ও ওমেহার বিবি; বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলার, সীমান্ত গ্রাম কুতুবপুরে বাস করে। যা ভারত বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে; প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। তিনি বিএসএফকে অনুরোধ করেন যে, তার বোনেরা যদি তার মায়ের শেষ দেখা দেখতে পায় তবে তারা খুব খুশি হবে।

এরপর কোম্পানি কমান্ডার অবিলম্বে মানবিক ও আবেগগত দিকটি মাথায় রেখে; কোন বিলম্ব না করে এ বিষয়ে তার সমকক্ষ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিএসএফের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে; বিজিবি-ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির কথা বিবেচনা করে এগিয়ে আসে। উভয় দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী, পারস্পরিক সহযোগিতার কথা মাথায় রেখে; মানবতাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশে বসবাসকারী বোনদের, ০৮ মে ২০২২ তারিখে; সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে এগারোটা পর্যন্ত; আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে জিরো লাইনে তাদের মায়ের শেষ দর্শনের ব্যবস্থা করে। এভাবেই মায়ের শেষ দেখা কন্যাদের পক্ষে সম্ভব হয়।

কন্যারা যখন মায়ের শেষ দেখা দেখতে পান; তখন সেখানকার পরিবেশ হয়ে উঠেছিল খুবই শোকাকুল। মাকে শেষবার দেখে, মৃতের কন্যারা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এই উদ্যোগের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন; “আপনাদের মানবিকতার কারণে; আমরা মায়ের শেষ দর্শন পেয়েছি”।

“বিএসএফ সর্বদা সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধের যত্ন নেয়”; ঘটনার পর জানিয়েছেন কমান্ডিং অফিসার এসপিসিং। তিনি আরও বলেন, “সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী অসৎ উদ্দেশ্য যুক্তদের বিরুদ্ধে থাকলেও; মানবতা এবং মানবিক মূল্যবোধের ক্ষেত্রে সর্বদাই প্রস্তুত থাকে”।

]]>
বসিরহাট দাঙ্গার জন্য বিএসএফকে দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় https://thenewsbangla.com/chief-minister-mamata-banerjee-blamed-bsf-for-bashirhat-riots/ Sat, 11 May 2019 16:15:14 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12760 বসিরহাট দাঙ্গার জন্য; বিএসএফকে দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার বসিরহাটের হাড়োয়ায় ভোট প্রচারে গিয়ে; সেই ঘটনার জন্য পরোক্ষে বিএসএফ-কেই দায়ি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজ থেকে প্রায় দুই বছর আগে; উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল বসিরহাটের বাদুড়িয়া। এক বালকের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে; শুরু হয় সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ। শনিবার বসিরহাটের হাড়োয়ায় ভোট প্রচারে গিয়ে; দুই বছর আগের সেই ঘটনার স্মৃতিচারন করে উস্কে দিলেন। ঘটনার জন্য দায়ি করলেন বিএসএফকেই। সীমান্ত দিয়ে বহিরাগতরা এসে দাঙ্গা বাধায় বাদুরিয়ায়; মত মমতার।

আরও পড়ুনঃ ষষ্ঠ দফায় ১০০ শতাংশ বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ কমিশন

ষষ্ঠ দফা লোকসভা নির্বাচনের আগেই; শনিবার বসিরহাটে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী; নুসরত জাহানের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই দুই বছর আগের ঘটনা তুলে আনেন তিনি। সেদিনের সেই ঘটনার জন্য দায়ী করেন বিএসএফ এবং বিজেপিকে।

আরও পড়ুনঃ বুদ্ধ পূর্ণিমায় বাংলায় মন্দিরে, স্কুলে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার ছক, মমতাকে জানাল কেন্দ্র

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বসিরহাটের বাদুড়িয়ায়; দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ঝামেলা তৈরি করা হয়েছিল বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, বিএসএফ কেন্দ্রের কথায় চলে। তাদের কন্ট্রোল করার দায়িত্ব কেন্দ্রের। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারই, তাদের নির্দেশ দিয়েছিল বহিরাগত ঢুকিয়ে অস্থির অবস্থা তৈরির জন্য; এমনই জানান মমতা।

আরও পড়ুনঃ অন্তঃসত্ত্বা মহিলার ছদ্মবেশে আত্মঘাতী হামলা হতে পারে হিন্দু বা বৌদ্ধ মন্দিরে

দুই বছর আগে, ২০১৭ সালের জুলাই মাসে; বাদুড়িয়ায় এক বালকের উস্কানিমূলক ধর্মকেন্দ্রিক পোস্ট ঘিরে শুরু হয় দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষ। যার রেশ চলে অন্তত ২-৩ দিন। আগে থেকেই প্ল্যানমাফিক কেন্দ্রের বিজেপির অঙ্গুলিহেলনেই; ওই ঘটনা বিএসএফের হাত দিয়ে ঘটানো হয়েছিল বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। এর সাথে স্থানীয় কোনও সম্প্রদায়ের যোগ ছিলনা বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সেবারের মত এবারের ভোটেও বর্ডার দিয়ে বাংলাদেশ থেকে দুষ্কৃতী; যাতে ঢোকানো না হয়; সেই জন্য বিএসএফকে সতর্ক করে দেন মমতা। মমতার এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছে বঙ্গ বিজেপি। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন; এর আগেও মমতা সেনাকে অপমান করেছেন; এখন বিএসএফকে করছেন; নতুন কিছু নয়।

]]>
পুলিশে ভরসা নেই, একমাস আগেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী https://thenewsbangla.com/central-forces-in-bengal-a-month-ago-before-parliament-election-no-faith-in-state-police/ Tue, 12 Mar 2019 07:49:52 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8168 আগামী শুক্রবারই বাংলায় আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার নিরাপত্তায় আর কোন ফাঁকফোঁকর রাখতে চায় না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। তাই শুক্রবারই প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে আসছে ১০ কোম্পানি বিএসএফ বাহিনী। বাংলায় এসেই বিভিন্ন এলাকায় রুট মার্চ করবে তারা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চের ভিডিও করবে প্রশাসন।

শুক্রবার থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাতে শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার পর কেটেছে মাত্র দুদিন। তার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত একপ্রকার রাজ্যকে চাপে রাখার চেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। একেই পশ্চিমবঙ্গে ৭ দফায় ভোট করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তারপরে ভোটের এত আগে থেকেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোয় তুঙ্গে উঠেছে বিতর্ক।

আরও পড়ুনঃ রায়গঞ্জে বিজেপির হয়ে কি লড়বেন দীপা দাশমুন্সি

সোমবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন ছাড়ার সময় বলেন, বিজেপিকে সুবিধা করে দিতে পশ্চিমবঙ্গে ৭ দফায় নির্বাচন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। যদিও তিনি একথাও বলেন যে, নির্বাচন কমিশনের প্রতি তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

শুক্রবারই ১০ কোম্পানি বিএসএফ আসছে রাজ্যে। তারপরেই কমিশন অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলিতে বাহিনীকে দিয়ে রুটমার্চ করাবে। মাও আক্রমণ বন্ধ হলেও রুটমার্চ চলবে জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতেও। জঙ্গলমহলের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে রুটমার্চ করাবে কমিশন। দিল্লি সূত্রের খবর, এবার ভোটের আগেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আর থানা বা পুলিশ সুপার তদারকি করবে না।

আরও পড়ুনঃ এগিয়ে তৃণমূল, মঙ্গলবার বিকালেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা

তার বদলে কমিশনের নিজস্ব পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কন্ট্রোল করবে। অর্থাত্‍ ভোটের আগেই অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলি সহ গোটা রাজ্যই পুরোপুরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরে চলে আসবে। আর তাদের পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গি মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ আজহার জী’ বলে সম্বোধন করে বিতর্কে রাহুল

শনিবার থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী গোটা রাজ্যে ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে টহলদারি চালাবে। তবে কোন কোন এলাকায় টহলদারি চলবে, তা ঠিক করবেন জেলাশাসকরা ও পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা। গত বিধানসভা নির্বাচনেও ভোটের দিনের আগে থেকেই রাজ্যে টহলদারির জন্য ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে এসেছিল। এবার আরও অনেক আগে থেকেই সেই বাহিনী আসছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর। এবার প্রতি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্থান চিনকে ভয় দেখিয়ে বালাশোরে পিনাক রকেট ছুঁড়ল ভারত

বিজেপি সহ সব বিরোধী দলের পক্ষ থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে অভিযোগ করা হয়। পঞ্চায়েত ভোটের বিভিন্ন ঘটনার ভিডিও ক্লিপিংস জমা দেওয়া হয়। সেইসব অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়, ভোটের বিজ্ঞপ্তি ঘোষণা হতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে। সেইরকম ইঙ্গিত দিল্লি থেকে কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে আসে। তারপরেই শুক্রবার বাহিনী আসার খবর জানা যায়।

আরও পড়ুনঃ মমতাকে মুকুলের ভয় দেখিয়ে কি রাজ্যে মন্ত্রী হচ্ছেন অর্জুন

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে এবার ভোটগ্রহণের অনেক আগেই প্রতিটি বুথে ও এলাকার দখল নেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট সময়ে বাহিনী বুথে পৌঁছল কি না, তার ছবি তুলে সেক্টর অফিসকে তা পাঠাতে হবে কমিশনে। কোনও ভাবেই রাজ্য পুলিশকে বুথে ঘেঁষতে দেওয়া হবে না। খুব প্রয়োজনে লাঠিধারি রাজ্য পুলিশ বুথের বাইরে ভোটারদের লাইন দেখভালের দায়িত্বে থাকতে পারে।

আরও পড়ুনঃ রমজান মাসে নির্বাচনে কোনও সমস্যা নেই, ববিকে পাল্টা দিলেন ওয়েসি

বড়জোর কেন্দ্রীয় বাহিনীর দোভাষির কাজ করতে পারে তারা অতীতে অতি-স্পর্শকাতর বুথের দখল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিলেও এভাবে রাজ্যের প্রতিটি বুথেই এতদিন আগে থেকে বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ কায়েমের নজির নেই। রাজ্য পুলিশকে এভাবে বুথ থেকে ব্রাত্য করে দেওয়াও সমান বেনজির৷ রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আসলে রাজ্যের পুলিশের প্রতি অনাস্থারই প্রকাশ।

আরও পড়ুনঃ সুব্রত বক্সির বদলে কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

কমিশনের এক আধিকারিকের মতে, এবারের ভোটে রাজ্য পুলিশকে যতটা সম্ভব কম ব্যবহারের কথাই ভাবা হয়েছে। তাই ভোটের জন্য তৈরি ফ্লাইং স্কোয়াড, কুইক রেসপন্স টিম ও সেক্টর মোবাইল ইউনিটেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই প্রথমে দায়িত্ব দেওয়া হবে। কাজের সুবিধার জন্য জিপিএস ব্যবহার করবে ফ্লাইং স্কোয়াড৷ এলাকা সর্ম্পকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সাহায্য করতেই জিপিএসের মতো অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ দিতে চায় নির্বাচন কমিশন৷

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন
আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>