BJP Government – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 23 May 2019 19:10:19 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg BJP Government – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বাংলায় তৃণমূলের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে বিজেপি https://thenewsbangla.com/bjp-is-near-to-tmc-bjp-government-of-bengal-in-2021-assembly-election/ Thu, 23 May 2019 08:37:52 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13186 ৪২ এ ৪২ হল না মমতার। শুধু তাই নয়; ১৮ টা আসন জিতে তৃণমূলের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে বিজেপি। আগামী ২০২১ সালেই কি বাংলায় বিজেপি সরকার। প্রশ্ন কিন্তু উঠছে। পদত্যাগ করেছেন চন্দ্রবাবু নাইডু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কি এই ফলের পর পদত্যাগ করবেন? উঠছে প্রশ্ন।

একনজরে দেখে নেওয়া যাক; শেষ পর্যন্ত কি রেজাল্ট বাংলায়। ৪২ আসনের মধ্যে বিজেপি পেল ১৮ টি আসন। যা ভাবতে পারেননি বিজেপি কর্মীরাও। টুইট করে ফল স্বীকার করে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনিও কি পদত্যাগ করবেন? উঠে গেছে প্রশ্ন।

১) কোচবিহার: বিজেপির নিশীথ প্রামাণিক জয়ী। তৃণমূলের পরেশচন্দ্র অধিকারী পরাজিত।
২) আলিপুরদুয়ার: বিজেপি প্রার্থী জন বারলা জয়ী।
৩) জলপাইগুড়ি: বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায় জয়ী।
৪) দার্জিলিং: বিজেপি প্রার্থী রাজু সিং বিস্ত জয়ী।
৫) রায়গঞ্জ: বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরি জয়ী। পরাজিত কংগ্রেসের দীপা দাসমুন্সী। পরাজিত গতবারের জয়ী সিপিএমের মহম্মদ সেলিম। পিছিয়ে তৃণমূলের কানহাইয়ালাল আগরওয়াল।
৬) বালুরঘাট: জিতলেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ পরাজিত।

৭) মালদহ উত্তর: তৃণমূল প্রার্থী মৌসম বেনজির নূর হেরে গেলেন। জিতলেন বিজেপির খগেন মুরমু।
৮) মালদহ দক্ষিণ: জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী আবু হাসেম খান চৌধুরী। হেরে গেলেন বিজেপি প্রার্থী শ্রীরুপা।
৯) জঙ্গিপুর: তৃণমূলের খলিলুর রহমান জয়ী। কংগ্রেস এর অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় পরাজিত।
১০) মুর্শিদাবাদ: তৃণমূল প্রার্থী আবু তাহের জয়ী।
১১) বহরমপুর: কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী জয়ী। তৃণমূলের অপূর্ব পরাজিত।
১২) কৃষ্ণনগর: বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবে হেরে গেলেন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র জয়ী।

১৩) বর্ধমান পূর্ব: তৃণমূল প্রার্থী সুনীল মণ্ডল জয়ী।
১৪) বর্ধমান-দুর্গাপুর: বিজেপি প্রার্থী সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া জয়ী।
১৫) রানাঘাট: বিজেপি প্রার্থী জগ্ননাথ সরকার জয়ী।
১৬) আসানসোল: বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় জয়ী
১৭) বোলপুর: তৃণমূল প্রার্থী অসিত মাল জয়ী।
১৮) বীরভূম: তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় জয়ী।

১৯) বনগাঁ: বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর জয়ী। তৃণমূলের মমতাবালা ঠাকুর পরাজিত।
২০) ব্যারাকপুর: তৃণমূল প্রার্থী দীনেশ ত্রিবেদি পরাজিত। জয়ী বিজেপির অর্জুন সিং।
২১) হাওড়া: তৃণমূল প্রার্থী প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায় জয়ী।
২২) উলুবেড়িয়া: তৃণমূল কংগ্রেস সাজদা আহমেদ জয়ী।
২৩) শ্রীরামপুর: পরাজিত বিজেপি প্রার্থী। তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জয়ী।
২৪) হুগলি: বিজেপির লকেট চ্যাটার্জি জয়ী। পরাজিত তৃণমূলের রত্না দে নাগ।

২৫) আরামবাগ: তৃণমূল প্রার্থী অপরুপা পোদ্দার জয়ী।
২৬) তমলুক: তৃণমূল প্রার্থী দিবেন্দু অধিকারী জয়ী।
২৭) কাঁথি: তৃণমূল প্রার্থী শিশির অধিকারী জয়ী।
২৮) ঘাটাল: পরাজিত বিজেপির ভারতী ঘোষ। তৃণমূল প্রার্থী দেব জয়ী।
২৯) মেদিনীপুর: জয়ী বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল প্রার্থী মানস ভুঁইয়া পরাজিত।
৩০) ঝাড়গ্রাম: তৃণমূল প্রার্থী পরাজিত। বিজেপি প্রার্থী কুনার হেমব্রম জয়ী।

৩১) পুরুলিয়া: বিজেপি প্রার্থী জ্যোতির্ময় সিং মাহাত জয়ী।
৩২) বাঁকুড়া: জয়ী বিজেপির সুভাষ সরকার। তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায় পরাজিত।
৩৩) বিষ্ণুপুর: বিজেপির সৌমিত্র খাঁ জয়ী। তৃণমূল প্রার্থী পরাজিত।
৩৪) দমদম: তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায় জয়ী।
৩৫) বারাসাত: তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদার জয়ী।
৩৬) বসিরহাট: তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহান জয়ী।

৩৭) জয়নগর: তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা মণ্ডল জয়ী।
৩৮) মথুরাপুর: তৃণমূল প্রার্থী চৌধুরি মোহন জাটুয়া জয়ী।
৩৯) ডায়মন্ড হারবার: তৃণমূল প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জয়ী।
৪০) যাদবপুর: তৃণমূল প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী জয়ী
৪১) কলকাতা উত্তর: তৃণমূল প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জয়ী
৪২) কলকাতা দক্ষিণ: তৃণমূল প্রার্থী মালা রায় জয়ী

তৃণমূল কংগ্রেস জিতল ২২ টি আসনে। বিজেপি জিতল ১৮ টি আসনে। কংগ্রেস জিতল ২ টি আসনে।

]]>
নভেম্বরেই বাংলায় বিজেপি সরকার, ভোটের পরেই ১২০ বিধায়ক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে https://thenewsbangla.com/bjp-government-in-bengal-in-november-120-mla-will-left-tmc-joins-bjp/ Thu, 25 Apr 2019 07:34:03 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11597 নভেম্বরেই বাংলায় বিজেপি সরকার। ভোটের পরেই ১২০ বিধায়ক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে। তৃতীয় দফার ভোটের পর বিস্ফোরক দাবী বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের। লোকসভা ভোটে যে যে বিধানসভায় বিজেপি লিড পাবে সেখানকার বিধায়করা তৃণমূল থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগদান করবেন বলেই দাবী মুকুল রায়ের। মুকুল রায়ের এই ঘোষণার পরে শোরগোল পরে গেছে বাংলার রাজনীতিতে। হারার ভয়ে মাথা খারাপ হয়ে গেছে মুকুল রায়ের, পাল্টা দাবী তৃণমূলের।

তৃতীয় দফার ভোটের শেষে মুকুল রায় দাবী করেন ভোট হওয়া ১০ টি আসনের মধ্যে ৭ টিই জিতবে বিজেপি। এরপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে মুকুল রায় লিখিত ভাবে জানিয়ে দেন যে, ১১০ থেকে ১২০ জন তৃণমূল বিধায়ক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। ভোটের পরেই দলবদল করতে পারেন তারা। ভোটের মধ্যেই মুকুলের এই ঘোষণায় হইচই রাজ্য জুড়ে। জোর চর্চা রাজনৈতিক মহলে।

মুকুল রায় পরিষ্কার লিখেছেন লোকসভা ভোটে যে যে বিধানসভায় বিজেপি লিড পাবে, সেই বিধানসভার বিধায়ক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন। ঠিক কি লিখেছেন মুকুল রায়, দেখে নিন।

নভেম্বরেই তৃণমূলকে হঠিয়ে বাংলায় বিজেপি সরকার/The News বাংলা
নভেম্বরেই তৃণমূলকে হঠিয়ে বাংলায় বিজেপি সরকার/The News বাংলা

সৌমিত্র খাঁ, অনুপম হাজরার পর ইতিমধ্যেই দল ছেড়েছেন অর্জুন সিং এর মত দাপুটে নেতা। সব্যসাচী দত্ত ও অন্যান্য নেতাদের নিয়েও প্রতিদিন চলছে চর্চা। আর এর মধ্যেই মুকুল রায়ের এই বিস্ফোরক ঘোষণা টলিয়ে দিয়েছে তৃণমূলের অন্দরেই। শুরু হয়েছে ফিসফিসানি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেছেন, “যারা যেতে চায় তারা যাক”।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের প্রচারে বাংলাদেশী বিতর্ক, প্রধানমন্ত্রীর প্রচারে কানাডিয়ান কেন

মুকুল রায়ের ফেসবুক পোস্টের পরেই শোরগোল পরে গেছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে। কোন কোন বিধায়ক যোগ রেখে চলেছেন মুকুল রায়ের সঙ্গে? ভোটে বিজেপি ভাল ফল করলে সত্যি কি ১১০ থেকে ১২০ জন তৃণমূল বিধায়ক দল ছেড়ে বিজেপি যোগ দেবেন? যে যে বিধানসভায় বিজেপি এগিয়ে থাকবে, সত্যি কি সেখানকার বিধায়করা তৃণমূলে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন? অনেক প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।

আরও পড়ুনঃ হাওড়া থেকে উদ্ধার নিখোঁজ নোডাল অফিসার অর্ণব রায়

লোকসভা ভোটে হারার আশঙ্কায় এখন থেকেই মাথা খারাপ হয়ে গেছে মুকুল রায়ের, তাই দিবা স্বপ্ন দেখছে, পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে এত তাড়াতাড়ি সরানো যায় না, সেটাই ভুলে গেছেন মুকুল রায়, জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

তবে এই একই আলোচনা এখন ট্রেনে, বাসে ও পাড়ার চায়ের ঠেকে। মুকুলের এক মন্তব্য নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলকে। ভোটের মধ্যেও কিভাবে সমস্ত আলো নিজের দিকে টেনে নিতে হয় সেটা ভালই জানেন মুকুল রায়, বলছে বাংলার রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ ভোটের ৫ দিন আগে প্রকাশ্যে দিনের আলোয় তৃনমুলের অস্ত্র ও বাইক মিছিল বীরভূমে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
পাকিস্তানে ঢুকে দুই সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে ফির একবার মোদী সরকার https://thenewsbangla.com/narendra-modi-government-will-return-to-power-after-two-surgical-strikes/ Tue, 26 Feb 2019 14:15:43 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7188 দুটো সার্জিক্যাল স্ট্রাইকই ফের ক্ষমতায় আনতে চলেছে নরেন্দ্র মোদীকে, এমনটাই বলছেন রাজনৈতিক মহল। পাকিস্তানের সীমানা পেরিয়ে পাক অধ্যুষিত কাশ্মীরে প্রথম সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর ভারতের আমজনতার সমর্থন পেয়েছে মোদী সরকার। আর এবার পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংসের নির্দেশ দিয়ে ভোটের ঠিক আগে মানুষের মন জিতলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মঙ্গলবারের সাহসী বিমান হামলা আরও একবার ক্ষমতায় আনতে চলেছে নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপিকে।

আরও পড়ুনঃ সেনার সঙ্গে রাত জেগে পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গি খতমের নেতৃত্বে চৌকিদার

বছরের শুরু থেকেই বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে ‘ফির একবার মোদী সরকার’ এর তথ্য। টাইমস মেগা সমীক্ষায় উঠে এসেছে, লোকসভা ভোটে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকারকেই ফের মসনদে দেখতে চেয়েছেন ৮৩.০৩% মানুষ। মোদীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারকেই ক্ষমতায় দেখতে চেয়েছেন অধিকাংশ মানুষ। প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদীর পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে তাঁর পক্ষে ভোট পড়েছে ৮.৩৩%।

আরও পড়ুনঃ বাজপেয়ীর মত ভুল করেননি, পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করলেন মোদী

ক্ষমতায় আসবে নরেন্দ্র মোদী সরকার। এবিপি নিউজ-সি ভোটারের এক সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে বলে জানান হয়। এবিপি নিউজ চ্যানেলে সম্প্রচারিত এই সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, এনডিএ পাবে ২৭৬টি আসন। তাদের ভোট শেয়ার থাকবে ৩৮ শতাংশ। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ ১১২টি আসন পাবে বলে সমীক্ষায় পূর্বাভাস করা হয়েছে। তাদের ভোট শেয়ার হবে ২৫ শতাংশ। অন্যান্যরা ৩৬ শতাংশ ভোট শেয়ার সহ ১৫৫টি আসন হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে জঙ্গি মারল ভারতের বিমান

সম্প্রতি একটি অনলাইন সমীক্ষা করেছিল ডেইলিহান্ট ও নিয়েলসন ইন্ডিয়া। ওই সমীক্ষায় মতামত নেওয়া হয়েছিল ৫৪ লাখ মানুষের। এদের মধ্যে ছিলেন প্রবাসী ভারতীয়রাও। সমীক্ষা রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ৬৩ শতাংশ ভারতীয় জনগণের আস্থা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ওপর। পাশাপাশি ৫০ শতাংশ মানুষ চাইছেন ফের প্রধানমন্ত্রী হোন নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয় সেনার উপর নজরদারি করতে এসে গুলিতে ধ্বংস পাক গুপ্তচর ড্রোন

এদিকে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে প্রথম সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এর দিনও রাত জেগে জঙ্গি খতমের নেতৃত্বে ছিলেন মোদী।
২৬ শে ফেব্রুয়ারী ২০১৯ এও সেই নরেন্দ্র মোদীই দিলেন নেতৃত্ব। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ১ এর মত সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ২ এর সময়ও প্রধানমন্ত্রী মোদী নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকের দফতরে বসে গোটা অপারেশন ‘মনিটর’ করলেন।

আরও পড়ুনঃ ১৯ মিনিটের বিমান হানায় ধ্বংস জইশ ই মহম্মদের জঙ্গি ট্রেনিং ক্যাম্প

মঙ্গলবার ভোরে, পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়েই শুধু নয়, পাকিস্তানের অন্তত ৪০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়ে ভারতীয় বিমান বাহিনী। ভারতীয় বায়ুসেনার ১২টি মিরাজ ২০০০ বিমান আছড়ে পড়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও মূল পাক ভূখণ্ডে ৷ ১০০০ কেজি বোমা ফেলা হয় জঙ্গিঘাঁটি গুলিতে৷

আরও পড়ুনঃ ভারতের চাপে নাভিশ্বাস পাকিস্তানের ফের একটা সুযোগ ভিক্ষা

প্রায় ১০০০ কেজি বোমা ফেলে তারা। ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হয় বালাকোট, মুজাফরাবাদ ও চকোটিতে জঙ্গিশিবিরগুলি। ২০ মিনিটের মধ্যে অপারেশন শেষ করে ভারতে ফেরে বিমানগুলি। এই হামলায় জইশ-ই-মহম্মদের ঘাঁটি সহ বহু জঙ্গিশিবির গুঁড়িয়ে দিয়েছে বায়ুসেনা। পুরো ব্যাপারটা নিজে সাউথ ব্লকের ওয়ার রুমে বসে ‘মনিটর’ করলেন ‘চৌকিদার’ নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুনঃ পাক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মোদীকেই যোগ্য বলছেন দেশের মানুষ

আর এর জেরেই দেশ জুড়ে খুশির হাওয়া। গোটা দেশের মানুষ প্রায় উৎসবে মেতেছেন বলা যায়। আবির খেলে, মিষ্টি খাইয়ে রীতিমত উৎসব পালন করছেন দেশের প্রায় সব রাজ্যের মানুষ। পাকিস্তানের ঘরে ঢুকে এতদিনের একের পর এক জঙ্গি হামলার বদলা নিয়েছে ভারত। আর পিছনে সাহসী সিদ্ধান্ত সেই একটি মানুষেরই। দেশের ‘চৌকিদার’ নরেন্দ্র মোদী। আর এর ফলে ভোটের ঠিক আগে জনমানসে মোদীর ভাবমূর্তি যে আরও উজ্জ্বল হল, বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। যার ফলে, ‘ফির একবার মোদী সরকার’ এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র, বলছেন ভোট বিশেষজ্ঞরাও।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাংলায় উদ্বাস্তুদের নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করল বামফ্রন্ট https://thenewsbangla.com/left-front-started-the-movement-against-the-bjp-in-bengal-with-the-refugees/ Fri, 14 Dec 2018 13:28:40 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4186 The News বাংলা, শিলিগুড়িঃ এবার বাংলাদেশ থেকে আসা উদ্বাস্তুদের নিয়ে আন্দোলন শুরু করল বামফ্রন্ট। রাজ্যে এনআরসি-র প্রশ্নে বাস্তুহারা পরিষদের মিছিলে বিজেপি-র বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করলেন সিপিএম নেতারা।

একটা সময় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ওঠা বামেদের প্রিয় স্লোগান ছিল, ‘কংগ্রেসের কালো হাত ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও’। এবার বিজেপির বিরুদ্ধে সেই স্লোগান শোনা গেল শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা মেয়র অশোক ভট্টাচার্যের কন্ঠে। অসমের এনআরসির ছায়া যাতে পশ্চিমবঙ্গে না পড়ে সে কারনে সম্মিলিত কেন্দ্রীয় বাস্তুহারা পরিষদকে পুনরায় জাগিয়ে শুক্রবার এক মিছিলের ডাক দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ রাহুলের হার রাফায়েলে সুপ্রিম কোর্টে জয় নরেন্দ্র মোদীর

মিছিলে বাগডোগড়া, নক্সালবাড়ি, ফাঁসিদেওয়া ও শিলিগুড়ির প্রচুর ইউসিআরসি কর্মীরা সমবেত হয়। সেখানে একটি সভা করা হয়। সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অশোক ভট্টাচার্য বিজেপি-কে উদ্দেশ্য করে এই স্লোগান দেন।

তার আরও বক্তব্য, দেশ স্বাধীন হবার পর প্রচুর মানুষ ওপার বাংলা থেকে ও পাকিস্তান থেকে এ দেশে এসেছে। তাদের বাসস্থান ও নাগরিকত্ব দেওয়ার দায়িত্ব ছিল তৎকালিন কেন্দ্র ও রাজ্যের ক্ষমতাসীন কংগ্রেস সরকারের। কিন্তু তারা তাদের দায়িত্ব পালন করে নি বলে মেয়র অভিযোগ করেন।

আরও পড়ুনঃ ‘ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা’ ঘোষণা বিচারপতির

পাশাপাশি তিনি কেন্দ্র ও রাজ্যের কাছে প্রশ্ন তোলেন, যদি পাকিস্তান থেকে আগত উদ্বাস্তুদের পঞ্জাব সরকার ও কেন্দ্র সরকার নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে তাহলে পশ্চিমবঙ্গে দেওয়া হল না কেন? তিনি সম্প্রতি অসমে এনআরসি চালু হওয়ার তীব্র প্রতিবাদ করে বলেন, বিজেপি হুমকি দিচ্ছে এ রাজ্যেও তারা ক্ষমতায় এলে এখানেও এনআরসি চালু করবে।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল সরকার ঠিক করবে বিজেপি রথ যাত্রার দিন

তিনি বিজেপি-কে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিজেপি যদি এ রাজ্যে এনআরসি চালু করার চেষ্টা করে তাহলে ওদের হাত গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনোমতেই এ ধরনের আইন মানব না। বাংলায় এনআরসি চালু করতে এলে ওদের হাত গুড়িয়ে দেব’। তিনি দাবি করেন, প্রতিটি উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন ও নাগরিকত্বের অধিকার দিতে হবে। কোনোমতেই উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া যাবে না।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় এনআরসি চালু হলে রাজ্য ছাড়ার আশঙ্কায় আন্দোলন

দার্জিলিং জেলা বাম আহ্বায়ক জীবেশ সরকার বলেন, ‘এখন পুর্ব বাংলার মানুষ শুধু উদ্বাস্তু নয়। প্রতিদিন গরীব মানুষরা উদ্বাস্তু হচ্ছে। তিনি এশিয়ান হাইওয়ের উদাহরন দিয়ে বলেন, এশিয়ান হাইওয়ে হওয়ার সময় রাস্তার দুধারে বসবাসকারী মানুষদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। এরাও এখন উদ্বাস্তু।

আরও পড়ুন: বিধায়কের গাড়িতে বোমা গুলির ‘শুট আউট’ এর তদন্তে সিআইডি

প্রতিটি কলোনীতে বসবাসকারীদের নিঃশর্ত জমির দলিল প্রদান সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মুল্য বৃদ্ধি রোধ করা ও অসমের উদ্বাস্তুদের ওপর নাগরিক পঞ্জিকরনের নামে তান্ডব বন্ধ করার দাবী জানিয়ে সম্মিলিত কেন্দ্রীয় বাস্তুহারা পরিষদের ডাকে শুক্রবার এক মহা মিছিলের ডাক দেওয়া হয়।

এদিন কয়েক হাজার কলোনিবাসি এই মিছিলে সামিল হয়। মিছিলটি শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্ক থেকে শুরু করে এয়ারভিউ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। তবে বাংলার বাকি জনতা বাংলাদেশী উদ্বাস্তুদের নিয়ে সিপিএমের এই আন্দলনকে কতটা সমর্থন করবেন সেটাই দেখার।

]]>
যৌন হেনস্থার অভিযোগে এবার প্রশ্নের মুখে নরেন্দ্র মোদী সরকার https://thenewsbangla.com/narendra-modi-government-face-questions-of-sexual-harassment-case-of-m-j-akbar/ Wed, 10 Oct 2018 03:46:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=972 নিজস্ব সংবাদদাতা: সোশ্যাল মিডিয়ার মি টু (#Me Too) স্লোগান এবার আছড়ে পড়ল নরেন্দ্র মোদী মন্ত্রীসভাতেও। যৌন হেনস্তার অভিযোগের ঘটনায় এবার নাম জড়াল ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবরেরও। তবে মন্ত্রী থাকাকালীন নয়, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো সেই সময়ের, যখন তিনি ছিলেন একজন সফল সম্পাদক ও সাংবাদিক। অভিযোগ যাঁরা করেছেন, সাংবাদিক হিসেবে তাঁরাও বেশ পরিচিত মুখ।

বিদেশ প্রতিমন্ত্রী আকবরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চান নি বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের এক অনুষ্ঠানে একাধিক মহিলা সাংবাদিক এই বিষয়ে সুষমাকে প্রশ্ন করেন। তাঁরা জানতে চান, যৌন হেনস্তার গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। আপনি নারী এবং মন্ত্রণালয়ের প্রধান। এসব অভিযোগের কি কোনো তদন্ত হবে?

সুষমা প্রশ্ন শুনলেও কোনো মন্তব্য না করে নীরবে হেঁটে চলে যান। সুষমার দুই প্রতিমন্ত্রীর একজন হলেন এম যে আকবর ও অন্যজন দেশের প্রাক্তন সেনাপ্রধান ভি কে সিং। আকবর এই মুহূর্তে বিদেশে। বুধবারই তাঁর দেশে ফেরার কথা।

হ্যাশট্যাগ মি টু (#MeeToo), সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্দোলনের শুরুটা হয় মার্কিন মুলুকে। গত এক বছর ধরে মার্কিন মুলুকের সফল চলচ্চিত্র প্রযোজক হার্ভে ওয়েইনস্টেনের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগের ঝড় বয়ে যাচ্ছে যা ‘#মি টু’ নামে পরিচিত।

একের পর এক অভিনেত্রী ও অন্যান্য মহিলারা এই প্রযোজকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনেছেন, যেগুলো আদালতের বিচারাধীন। তারই রেশ ধরে ভারতেও শুরু হয়েছে এই ‘মি টু’ আন্দোলন।

সমস্ত পেশার মতোই সংবাদজগতেও এই ধরণের ঘটনা নতুন নয়। গোটা বিশ্বেই শিক্ষানবিশ ও নতুন আসা মহিলা সাংবাদিকদের যৌন হেনস্থার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় বলেই অভিযোগ। তবে খুব কম মহিলাই কোন ঘটনা প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন।

ভারতে এই ঘটনা এখন একে একে প্রকাশ্যে আসছে। হিন্দি সিনেমার বাঙালি অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত, সম্প্রতি অভিনেতা নানা পাটেকার ও নৃত্য পরিচালক গণেশ আচার্যের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনেন। যেটা নাকি ঘটেছিল প্রায় ১০ বছর আগে। সেই থেকে একে একে শুরু হয়েছে অভিযোগের পালা।

অভিযোগের তালিকা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন। ছাড় পান নি প্রবীণ অভিনেতা অলোকনাথও। তাঁর বিরুদ্ধেও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ শুধু ফিল্ম জগতেই সীমাবদ্ধ নেই। অভিনয় জগতের গণ্ডি পেরিয়ে তাতে জড়িয়ে গেছেন লেখক ও সাংবাদিকরাও। আকবরের নাম আসার সঙ্গে সঙ্গে এবার জড়িয়ে পড়লেন মন্ত্রী ও রাজনীতিবিদরাও।

আকবরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ প্রথম এনেছিলেন সাংবাদিক প্রিয়া রামানি। যদিও এক বছর আগে লেখা সেই প্রতিবেদনে তিনি আকবরের নাম করেন নি। কিন্তু সম্প্রতি এক ট্যুইটে তিনি পুরোনো ঘটনা মনে করিয়ে সরাসরি আকবরের নাম নেন।

তার পর থেকে একাধিক মহিলা সাংবাদিক আকবরকে নিয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে থাকেন। কীভাবে হোটেলের ঘরে ইন্টারভিউর নামে মহিলা সাংবাদিকদের আকবর ডেকে পাঠাতেন, মদ খাওয়াতেন, ঘনিষ্ঠভাবে কাছে বসতে বাধ্য করতেন, অশালীন আচরণ করতেন, মহিলা সাংবাদিকেরা তার বিবরণ দিয়েছেন।

পরিচয় প্রকাশ না করা এক সাংবাদিক লিখেছেন তাঁকে হোটেলে ডাকার কাহিনি। ‘সম্পাদক মশাই’ তাঁকে জোর করে মদ খাওয়ালেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। সেই মহিলা লিখেছেন, একটা সময় জোর করে আকবারকে ঠেলে দিয়ে, দরজা খুলে তিনি হোটেল থেকে বেরিয়ে আসেন।

আকবরের বিরুদ্ধে এই অভিযোগগুলো প্রধানত সেই সময়ের যখন তিনি কলকাতায় ‘সানডে’ ম্যাগাজিন ও ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর সম্পাদনা করছেন। এর পর তিনি ‘এশিয়ান এজ’ ও ‘দ্য সানডে গার্ডিয়ান’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন। সাংবাদিকতা ছেড়ে আকবর প্রথমে যোগ দেন কংগ্রেসে। সাংসদও হন। পরে বিজেপিতে যোগদান ও মন্ত্রিত্ব লাভ।

আকবরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ নিয়ে সরকারিভাবে কেউ মুখ খোলেন নি। নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে তনুশ্রী দত্ত অভিযোগ করার পর কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণমন্ত্রী মানেকা গান্ধী শুধু বলেছিলেন, ‘অভিযোগ উড়িয়ে না দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন’।

বিদেশ প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবরের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন নির্যাতনের অভিযোগকে ঘিরে সরকারের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে বিরোধীরা। ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবি তুলেছে কংগ্রেস।

কংগ্রেস মুখপাত্র প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী এই প্রসঙ্গে মোদী সরকারের মৌন থাকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘নিজে মহিলা হওয়া সত্ত্বেও কী করে সুষমা স্বরাজ চুপ করে রয়েছেন? এম জে আকবরই বা চুপ রয়েছেন কেন? এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী জবাব দিন। যাঁরা বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও নিয়ে সরব, তাঁরা এই ইস্যুতে মৌনতা ভাঙুন’।

যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১০ বছর বা ২০ বছর আগের অভিযোগের কি তদন্ত হবে ? কি প্রমাণই বা পাওয়া যাবে ? কেউ মিথ্যা অভিযোগ করলেও কি তা বিশ্বাস করে নিতে হবে ?

লোকসভা ভোটের আগে সুদূর মার্কিন মুলুকের ‘মি টু’ আন্দোলন যে এইভাবে ভারতে ঢুকে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে বিপদে ফেলে দেবে আঁচ করেন নি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও। এম জে আকবরের ঘটনা কেন্দ্রীয় সরকার কি ভাবে সামলায় সেটাই এখন দেখার।

]]>