Bikash Ranjan Bhattacharya – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 28 Jun 2022 14:39:57 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Bikash Ranjan Bhattacharya – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ‘হাজার-হাজার চাকরি রেডি আছে’, বাংলায় কর্মসংস্থান নিয়ে বিরাট বার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতার https://thenewsbangla.com/thousands-govt-jobs-ready-cm-mamata-banerjee-announce-west-bengal-employment/ Tue, 28 Jun 2022 14:38:08 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15751 ‘হাজার-হাজার চাকরি রেডি আছে’; বাংলায় কর্মসংস্থান নিয়ে বিরাট বার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। “আদালত বললেই চাকরি হবে; আমার ১৭ হাজার চাকরি তৈরি আছে”; মঙ্গলবার আসানসোলের কর্মীসভায় এমনই বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। সোমবারের মতো এদিনও আসানসোলে তৃণমূল নেত্রীর সভার মাঝেই; তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন কিছু চাকরিপ্রার্থী। এতেই বেজায় ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি বলেন, “আমার হাতে ১৭ হাজার চাকরি তৈরি আছে; আদালত অনুমতি দিলেই আমি করে দেব”।

সোমবার পূর্ব বর্ধমানের সভাতেও বেশ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী; প্ল্যাকার্ড হাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন। বক্তৃতা শেষ করে, তাঁদের সঙ্গে কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন ফের সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আসানসোলেও। মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়ের বক্তৃতার মাঝেই; একজন চাকরিপ্রার্থী তাঁর উদ্দেশ্যে কিছু বলার চেষ্টা করেন। এরপরই ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি-সিপিএম রোজ এটা করছে”। পরে ওই চাকরিপ্রার্থীকে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ সারদার আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর জন্য, বড়সড় উদ্যোগ নিল কলকাতা হাইকোর্ট

মঙ্গলবার আসানসোলে দাঁড়িয়ে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন; “আমি নয়, আদালতে আপনারা গেছেন। আমাদের না বলে, যাঁরা কোর্টে কেস করেছেন; আপনাদের হয়ে সিপিএমের আইনজীবী দাঁড়িয়েছেন। বিকাশবাবুদের বলুন, বিকাশবাবু আপনার তো পয়সার অভাব নেই; আপনি কেস করে আমাদের ছেলেমেয়েদের চাকরি বন্ধ করে দিলেন। আপনার তো টাকার অভাব নেই। আপনি যেমন আমাদের চাকরি বন্ধ করেছেন; আপনি আবার আমাদের চাকরি চালু করুন”।

আরও পড়ুনঃ সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রাইভেট টিউশানি বন্ধে কড়া রাজ্য

পাল্টা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রীকে বলব দুর্নীতি একটু কম করুন; যাদের টাকা নিয়েছেন, তাঁদের টাকা ফেরত দিন আর মেধার ভিত্তিতে চাকরি দিন। আর আপনার যদি অসুবিধা হয় তাহলে ছেড়ে দিন; আমি করে দিচ্ছি”। বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আরও বলেছেন, “আপনাকে আর কিছু করতে হবে না; আদালত স্বচ্ছ নিয়োগ করে দেবে”।

সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, “মুখ্যমন্ত্রী এত অসত্য বলেন, কিছু বলার নেই; ১৭ হাজার চাকরি কোর্ট কোথায় বন্ধ করেছে? যে চাকরিগুলি ইন্টারভিউ ছাড়া; দুর্নীতি করে দেওয়া হয়েছে; সেগুলিই বাতিল হচ্ছে। দুর্নীতি করে যাঁদের চাকরি দিয়েছেন; সেটা বন্ধ করে যোগ্যদের চাকরি দিতেই তো আদালত বলেছে”।

]]>
‘তৃণমূল-বাম সেটিং’, প্রাথমিক টেট দুর্নীতি, চাকরি গেল সিপিএম নেতার মেয়েরও https://thenewsbangla.com/tmc-left-setting-primary-tet-scam-cpm-leader-daughter-dismissed-from-primary-teacher-job/ Thu, 16 Jun 2022 07:10:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15491 ‘তৃণমূল-বাম সেটিং’, প্রাথমিক টেট দুর্নীতিতে চাকরি গেল; ‘দাপুটে’ সিপিএম নেতার মেয়েরও। দুর্নীতির বাজারে, ক্ষমতা চলে গেলেও কি; বাগিয়ে নিয়েছে সিপিএম? উঠে গেল প্রশ্ন। ২০১৪র প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায়, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে; ২৬৯ জন প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। আর সেই তালিকায় অদ্ভুত-ভাবে রয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের একসময়ের দাপুটে সিপিএম নেতার মেয়ের নাম। কীভাবে চাকরি? তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক বিতর্ক। প্রকাশ্যে তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দলন; আর তলায় তলায় নিজেরাও সেই দুর্নীতিতে যুক্ত; অভিযোগ এমনটাই।

২৬৯ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করার পাশাপাশি, ২০১৪র প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায়; সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি, ২৬৯ জনকে প্রাথমিক শিক্ষকের পদ থেকে বরখাস্ত, বেতন বন্ধ ও বেতন ফেরতের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বরখাস্তের সেই তালিকায় রয়েছে, কালনার ‘দাপুটে’ সিপিএম নেতা ও কালনা পুরসভার দুবারের প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর; বীরেন্দ্র বসু মল্লিকের মেয়ে বৈশাখী বসু মল্লিকের নামও। আর সিপিএম নেতার মেয়ের নাম নিয়েই; শুরু হয়েছে চরম রাজনৈতিক চাপানউতোর। সূত্রের খবর, ২৬৯ জনের তালিকায় রয়েছে পূর্ব বর্ধমানের ১৭ জনের নাম; সেই তালিকার ২ নম্বরে নাম রয়েছে বীরেন্দ্র বসু মল্লিকের মেয়ে বৈশাখী বসু মল্লিকের নামও।

আরও পড়ুনঃ পিএসসি-তে নিয়োগ কয়েকহাজার, প্রকাশিত নামের তালিকা, ‘মামলার আ’শঙ্কা’

একসময়, বামপন্থী সংগঠন All Bengal Primary Teachers Association-র পূর্ব বর্ধমানের পদাধিকারীও ছিলেন; সিপিএম নেতা বীরেন্দ্র বসু মল্লিক। তাঁর স্ত্রীও; একসময় গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির দাপুটে নেত্রী ছিলেন। এদিকে বৈশাখীর স্বামীও আবার প্রাইমারি শিক্ষক; যিনি আবার ২০১৫ সালে সিপিএমের হয়ে পুরভোটেও লড়েন। তাহলে কি তৃণমূল জমানায় দুর্নীতিতে; যোগ রয়েছে সিপিএমেরও? উঠেছে প্রশ্ন। বৈশাখী বসু মল্লিকের স্বামী শুভাশিস সরকার বলেন; “এটা কোর্টের বিষয় আমি কিছু বলতে পারব না; আমার স্ত্রী এখন বাইরে আছে”।

২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে, কালনার ধাপাসপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের; শিক্ষিকা পদে যোগ দিয়েছিলেন বৈশাখী বসু মল্লিকে। আদালতের নির্দেশে তাঁরও চাকরি গেছে, বিষয়টি জানাজানি হতেই যথেষ্ট শোরগোল ছড়িয়েছে কালনা শহর জুড়ে। সিপিএম নেতার মেয়ের চাকরি পাওয়া এবং বরখাস্ত হওয়ার ঘটনাকে; অ’স্ত্র করেছে তৃণমূলও। কালনার তৃণমূল বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ বলেন; “শুধু তৃণমূলের লোকেরা চাকরি পেয়েছে বলে বিরোধীরা যে দাবি তোলে; তা যে ঠিক নয়, এই ঘটনাই তার প্রমাণ”।

“সিপিএম নেতারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাজার কাঁপাচ্ছে; অন্যদিকে দুর্নীতি করে নিজের ছেলেমেয়েদের চাকরিতে ঢুকিয়ে দিচ্ছে, তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে”; দাবি কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি গোপাল চট্টোপাধ্যায়ের। এই ঘটনার দায় নিতে নারাজ; পূর্ব বর্ধমান জেলার সিপিএম নেতৃত্ব থেকে এবিপিটিএ কর্তৃপক্ষ। কালনা শহরের এরিয়া কমিটির সম্পাদক স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন; “পার্টিতে যেই থাকুক না কেন; দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হলে সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। সে যে দুর্নীতি করত না; সেটাও প্রমাণ করার দায়িত্ব তাঁর”।

]]>
লজ্জায় ডুবল বাংলা, আদালতের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশন দখল নিল কেন্দ্রীয় বাহিনী https://thenewsbangla.com/school-service-commission-taken-over-by-central-forces-on-calcutta-high-court-order-bengal-in-shame/ Thu, 19 May 2022 03:15:35 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15121 লজ্জায় ডুবল বাংলা, আদালতের নির্দেশে; স্কুল সার্ভিস কমিশন দখল নিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। যুগান্তকারী নির্দেশ, রাতেও আদালতে শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। গতকালই রাত সাড়ে বারোটার পর থেকে স্কুল সার্ভিস কমিশন(SSC) দফতরের দখল নেওয়ার নির্দেশ CRPF কে দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কাল দুপুর ১টা পর্যন্ত কেউ SSC দফতরে ঢুকতে পারবেন না। যাতে কোন তথ্য, নথি নষ্ট না হয়; তার জন্যেও কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দিলেন জাস্টিস গঙ্গোপাধ্যায় এর সিঙ্গেল বেঞ্চ। সারাদিনের পর রাতেও নজিরবিহীন নির্দেশ বিচারপতির।

রাতারাতি পরিবর্তন হয়েছে, স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর সিবিআই-তে হাজিরার দিনেই, আচমকা ইস্তফা দেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। মাত্র চারমাস হল, তাঁকে এই পদে আনা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে এসএসসির চেয়ারম্যানের; পদত্যাগের কারণ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এই পদত্যাগের পরেই আইএএস শুভ্র চক্রবর্তীকে; এসএসসির নতুন চেয়ারম্যান করা হয় রাজ্য সরকারের তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রীর মেয়ে, দুর্নীতির জালে জর্জরিত রাজ্য প্রশাসন

আর এরপরেই এসএসসি মামলায় নাটকীয় মোড়; মাঝরাতেই খোলে কলকাতা হাইকোর্ট। চাকরি দুর্নীতির নিয়োগ নথি নষ্টের আশঙ্কায়; হাইকোর্টে মামলা করেন মামলাকারী চাকরিপ্রার্থী-দের আইনজীবীরা। অবিলম্বে সিআরপিএফ বসিয়ে; চাকরির সমস্ত নথি সংরক্ষণের দাবি তোলে মামলাকারিরা। মামলাকারী-দের দাবি ছিল; অবিলম্বে স্কুল সার্ভিস কমিশনের অফিসে কেন্দ্রীয়-বাহিনী মোতায়েন করা হোক; না হলে সব নথি উধাও হয়ে যাবে। যে মামলার আর্জি গৃহীতও হয়।

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে রাতেই শুরু হয় শুনানি; কলকাতা হাইকোর্টে নজিরবিহীন-ভাবে রাতেই খোলে কোর্ট। জরুরি ভিত্তিতে রাত সাড়ে দশটা নাগাদ; শুরু হয়েছে শুনানি। নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা; আর সেই নির্দেশই দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। SSC অফিস সেই মুহূর্ত থেকেই; কেন্দ্রীয় বাহিনীর হেফাজতে।

গতকাল রাত থেকেই এসএসসি দফতরকে; সিআরপিএফ নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলার নির্দেশ দেন। দফতরের সিসিটিভি ফুটেজও; আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেন তিনি। কলকাতা হাইকোর্টের ইতিহাসে, এই ঘটনা নজিরবিহীন বলেই দাবি সবার। হাইকোর্টের নির্দেশ, বৃহস্পতিবার দুপুর একটা পর্যন্ত; কোনও আধিকারিক বা কর্মী, কমিশনের অফিসে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। নির্দেশের পর বিচারপতির চেম্বার থেকেই; সিআরপিএফের অফিসে ফোন করা হয়।

]]>
বিধায়ক খুনে রাম নেতাকে বাঁচাতে আসরে বাম নেতা https://thenewsbangla.com/bikash-ranjan-bhattacharya-left-leader-fights-to-save-bjps-mukul-roy-from-murder-case/ Tue, 12 Feb 2019 14:29:38 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6741 রামকে বাঁচাতে আসরে বাম। রাম নেতার জেল যাওয়া ঠেকাতে আদালতে দাঁড়ালেন বাম নেতা। ঘটনা এটাই। তৃণমূল বিধায়ক খুনে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের আগাম জামিনের মামলা লড়ছেন সিপিএম নেতা ও আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য্য। চলতি সপ্তাহে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা। এই নিয়ে তুমুল সমালোচনা শুরু করেছে তৃণমূল এর তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ পরীক্ষা শুরুর আগেই হোয়াটস অ্যাপে ফাঁস মাধ্যমিক প্ৰশ্নপত্র

গত শনিবার রাতে সরস্বতী পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়ে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিত বিশ্বাস। তৃণমূল বিধায়ক খুনের ঘটনায় সরাসরি বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় নদিয়া তৃণমূলের পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুনঃ ডানলপে ভয়াবহ আগুন, লেলিহান আগুনের গ্রাসে সব

এছাড়াও আরও ৩জনের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ জানায় তৃণমূল নেতৃত্ব। মুকুল রায় ও অন্যান্য বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে করা হয় এফআইআর। তৃণমূল বিধায়ক খুনের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআর-এর প্রেক্ষিতে গ্রেফতারি আটকাতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিজেপি নেতা মুকুল রায়।

আরও পড়ুনঃ ফের লজ্জার অন্ধকারে সিবিআই, চরম অপমানের শাস্তি সিবিআই প্রধানকে

মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছেন মুকুল রায়। সম্ভবত চলতি সপ্তাহেই মুকুলের আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি হবে কলকাতা হাইকোর্টে। জানা যাচ্ছে, সেখানেই মুকুল রায়ের হয়ে সওয়াল করবেন সিপিএম নেতা ও হাইকোর্টের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য।

আরও পড়ুনঃ হোটেলে ভয়াবহ আগুন, জীবন্ত দগ্ধ ১৫, লাফ মেরে মৃত আরও ২

মামলার বয়ান অনুযায়ী ২০১৭ সালের নভেম্বরে মুকুল রায় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। তারপর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন থানাগুলিতে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে ২৫টির বেশী মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই সমস্ত মামলাগুলোর মধ্যে কলকাতা হাইকোর্ট রেলের চাকরির প্রতারণা মামলায় ১২টি মামলা খারিজ করে দেয়। পরবর্তী পর্যায়ে মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে আরও ৭টি মামলা দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুনঃ মমতার ধর্ণায় বসা পুলিশ অফিসারদের কড়া শাস্তি দিতে চলেছে মোদী সরকার

মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে হাঁসখালি থানায় তৃণমূল নেতা সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের দায়ে ৩০২, ১২০ বি, ষড়যন্ত্র এর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে যার মধ্যে একজন ফেরার এবং কার্তিক মন্ডল ও সুজিত মন্ডল নামে দুই অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের বিরদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তাঁকে বারবার ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, বলে জানান মুকুল রায়ের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য ও শুভাশীষ দাশগুপ্ত।

আরও পড়ুনঃ মমতার বাংলায় ১ লাখ চাকরির প্রতিশ্রুতি দিলেন মুকেশ আম্বানি

গত শনিবার রাতে সরস্বতী পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়ে খুন হন কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিত বিশ্বাস। সত্যজিতের মৃত্যুর পরই তৃণমূল জেলা সভাপতি গৌরিশঙ্কর দত্ত দাবি করেন, “এই হত্যাকাণ্ডের মূল চক্রী মুকুল রায়”। তারপরেই মুকুল রায় সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়। খুনের ঘটনার সঙ্গে তাঁর জড়িত থাকা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মুকুল রায়। তিনি দাবি করেন গোষ্ঠী কোন্দলেই খুন হয়েছেন সত্যজিৎ।

আরও পড়ুনঃ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এর বড় ঘোষণা, লোকসভা ভোটের আগে মধ্যবিত্তের মুখে হাসি

যদিও, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, “তৃণমূলের অন্তরদ্বন্দেই এই খুন”। সিবিআই তদন্তের দাবিও জানান তিনি। এই বাকযুদ্ধের মধ্যেই মুকুল রায়-সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। এফআইআর হওয়ার পরেই মঙ্গলবার মুকুল রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন। মুকুল রায় আগাম জামিন পাবেন কি পাবেন না, তা জানা যাবে চলতি সপ্তাহেই। আর সেখানেই তাঁর হয়ে সওয়াল জবাব করবেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, এমনটাই জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ রাহুলকে সরিয়ে লোকসভা ভোটে মোদী বিরোধী মুখ প্রিয়াঙ্কাই

এদিকে সোমবার হাঁসখালিতে মৃত বিধায়কের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুকুল রায়ের নাম না করেন তিনি বলেন, “যদি কেউ ভাবে দিল্লির নেতাদের পাজামা ধরে ঝুলে পার পেয়ে যাবে, তাহলে তার মনে রাখা দরকার, এরাজ্যের পুলিশমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলার ধরে শ্রীঘরে ঢোকাব”।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে হত্যা মামলা থেকে মুক্তি নরেন্দ্র মোদীর

গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, লোকসভা নির্বাচনের আগে মুকুল রায়কে কোণঠাসা করতেই এই পদক্ষেপ করেছে শাসকদল। এদিকে মুকুলের হয়ে আদালতে বিকাশের দাঁড়ানোর খবর চাউর হতেই রাম বাম একসঙ্গে কাজ করার তৃণমূলের অভিযোগ ফের সামনে এল। তৃণমূলের তরফ থেকে বলা হয়েছে এই ঘটনায় প্রমাণ হল, তাঁদের অভিযোগই ঠিক যে, বাংলায় রাম বাম তলায় তলায় আঁতাত রয়েছে।

বিজেপি ও বামেদের তরফ থেকে বলা হয়েছে আইনজীবী হিসাবে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য যে কারোর হয়েই দাঁড়াতেই পারেন। তবে মুকুল রায় ও বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য এর তরফে এই নিয়ে কোন মন্তব্য জানা যায়নি।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>