Bengali Poet – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 27 May 2022 07:17:26 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Bengali Poet – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 খাদ্যরসিক ট্রাভেলারের জীবনদর্শন, মুহূর্তে বাঁচতে হাতে নিন ‘এক পৃথিবী ভালবাসা’ https://thenewsbangla.com/poet-partha-saha-first-poetry-book-one-world-love-life-philosophy-of-a-food-loving-traveler/ Fri, 27 May 2022 07:16:48 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15268 খাদ্যরসিক ট্রাভেলারের জীবনদর্শন; মুহূর্তে বাঁচতে হাতে নিন ‘এক পৃথিবী ভালবাসা’। কবি পার্থ সাহার প্রথম কবিতার বই, ‘এক পৃথিবী ভালবাসা’; প্রকাশিত হচ্ছে আগামী সোমবার বিকাল সাড়ে চারটেয়, কলকাতা প্রেস ক্লাবে। বই উদ্বোধনে থাকবেন; রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়, সুবোধ সরকার ও সুধীর দত্তের মত বিখ্যাত মানুষজন।

কবি পার্থ সাহার জন্ম; ১৫ই আগস্ট, ১৯৭৭। জন্মস্থান হুগলি জেলার একটি বর্ধিষ্ণু গ্রামে; বর্তমানে তিনি কলকাতায় থাকেন। বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন কবি; তবে নিজেকে মূর্খ ভাবতে ভালোবাসেন। আর এখানেই তাঁর মাটির কাছাকাছি থাকার মানসিকতা প্রকাশ পায়।

আদ্যন্ত বাঙালি, স্বভাবে আনমনা; আর অধিকাংশ বাঙালির মতই ‘পায়ের তলায় সর্ষে’। সুযোগ পেলেই নিজের বাইক নিয়ে বেড়িয়ে পরেন রাইডে; ভারতের আনাচে-কানাচে। তিনি খাদ্যরসিক, পৃথিবীর সব খাবার অন্তত একবার চেখে দেখাটাই স্বপ্ন। সিনেমা দেখতে ভালোবাসেন; পড়তে ভালোবাসেন বই। বন্ধুদের সাথে আড্ডা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো আর প্রকৃতির সঙ্গে মেশা; তাঁর কাছে স্বর্গবাস।

আরও পড়ুনঃ ইতিহাসে প্রথমবার ভারতের কোন ভাষায় লেখা উপন্যাস পেল বুকার পুরস্কার

কবি পার্থ সাহার কবিতা লেখা; সেই ছোটবেলা থেকেই। কিন্তু কখনও নিজের কবিতা ছাপার কথা ভাবেননি; সোশ্যাল মিডিয়ায় কবিতা পোস্ট করে অনেকের নজরে আসেন। তাঁর কবিতাকে মলাটবন্দী করার ভাবনা বন্ধুদের, তাঁর নয়। মুহূর্তে বাস করতে চান কবি; ঘড়ির কাঁটার মত এই মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষণ উপভোগ করতে চান। কবির ভাষায়, “এসেছি ক্ষনিকের জন্য; ফিরে যাবো চেতনার কাছে, দিনের শেষে। যতদূর পারি জীবনটা উপভোগ করতে চাই”।

তাই তো কবিতারা তাঁকে ঘিরে থাকে, বহুদিন থেকেই। কখনো কোন পত্রিকায় পাঠানো হয়নি; ছাপার জন্য। এবার বন্ধুদের উদ্যোগে; ছাপার অক্ষরে আসতে চলেছে তাঁর প্রথম কবিতার বই। প্রকাশক ‘প্রতিভাস’।

কবিতা লেখার নিয়মিত অভ্যাস হয়েছে; বন্ধুদের জন্যই। ফেসবুকে কবিতা দেওয়ার পরে; বন্ধুদের প্রশংসা ও উৎসাহে; কাছে আসা পংক্তিদের, স্তবকদের; ধরে রাখা মুঠোফোনের নোটসে। নিছক পাগলামি থেকেই; তাঁর কবিতার জন্ম হয়য়। সেটাই এখন ‘এক পৃথিবী ভালবাসা’ হয়ে; পৃথিবীতে আত্মপ্রকাশ পেতে চলেছে।

“রাত্রি ঘনায়, চাঁদের নেকড়ে নেমে আসে কাঁধে
তোমার না আসা ঘুম আলগোছে; শুয়ে আছে ছাদে
অন্তমিল খোঁজা জীবন তো এলোমেলো বায়
আমার মুঠোফোনে, আমার কবিতা খাতায়”।

]]>
বিখ্যাত বাঙালি কবির প্রয়ান দিবসে শ্রদ্ধা https://thenewsbangla.com/remembering-shakti-chattopadhyay-on-his-death-anniversary/ Sat, 23 Mar 2019 17:16:28 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9148 শক্তি চট্টোপাধ্যায় (জন্ম: নভেম্বর ২৫, ১৯৩৪ – মৃত্যু: মার্চ ২৩, ১৯৯৫) ছিলেন ভারতীয় বাঙালি কবি, ওপন্যাসিক, লেখক ও অনুবাদক, যিনি জীবনানন্দ-উত্তর যুগের বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান আধুনিক কবি হিসেবে বিবেচিত। বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে তিনি বিশেষভাবে পরিচিত এবং আলোচিত ছিলেন। ষাটের দশকে যে চারজন কবিকে হাংরি আন্দোলনের জনক মনে করা হয় তাদের মধ্যে শক্তি চট্টোপাধ্যায় অন্যতম।

১৯৮২ সালে প্রকাশিত তার যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো কাব্যগ্রন্থ ইংরেজি এবং মৈথিলী বাষায় অনুদিত হয়েছে। ১৯৮৩ সালে কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৪ সালে তিনি পূর্ণেন্দু পত্রী পরিচালিত ছেঁড়া তমসুখ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

আরও পড়ুনঃ প্রেমিকাকে নিজের করে পেতে কি কি করতে হয় পুরুষকে

শক্তি চট্টোপাধ্যায় ২৫ নভেম্বর ১৯৩৪ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের (বর্তমানে ভারত) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলার জয়নগরে এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার মা কমলা দেবী এবং বাবা বামানাথ চট্টোপাধ্যায়, যিনি কলকাতার দ্য কাশিমবাজার স্কুল অব ড্রামায় পড়তেন। চার বছর বয়সে শক্তির বাবা মারা যায় এবং পিতামহ তার দেখাশোনা শুরু করেন।

১৯৪৮ সালে শক্তি কলকাতার বাগবাজারে আসেন এবং মহারাজা কাশিম বাজার পলিটেকনিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হন। সেখানে তিনি বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক দ্বারা মার্কসবাদের পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৪৯ সালে তিনি প্রগতি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করেন এবং “প্রগতি” নামে একটি হাতে-লেখা পত্রিকা প্রকাশ করতে শুরু করেন, যা খুব শীঘ্রই পরবর্তীতে মুদ্রিত রূপ নেয় এবং পুনরায় নাম বদনিয়ে “বহ্নিশিখা” রাখা হয়।

আরও পড়ুনঃ বিশ্বজুড়ে বাড়ছে নারীদের স্তন ক্যানসার, ভয়াবহ এই রোগের প্রধান ৮টি লক্ষণ

১৯৫১ সালে তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং সিটি কলেজে ভর্তি হন তার এক মামার কাছে, যিনি ছিলেন একজন ব্যবসায়ী এবং তার তখনকার অভিভাবক, যিনি শক্তির হিসাবরক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

একই বছর তিনি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিআই) সদস্য হন। ১৯৫৩ সালে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক বানিজ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন, যদিও তিনি বাণিজ্য অধ্যয়ন ছেড়ে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক অধ্যয়নের জন্যে প্রেসিডেন্সি কলেজ (বর্তমানে প্রেসিডেন্সি কলেজ, কলকাতা) ভর্তি হন, কিন্তু পরীক্ষায় উপস্থিত হননি।

১৯৫৬ সালে, শক্তিকে তার মামার বাড়ি ছেড়ে আসতে হয়েছিল এবং তিনি তার মা ও ভাইয়ের সঙ্গে আল্টাডাঙ্গায় একটি বস্তিতে চলে যান। সে সময়ে তিনি সম্পূর্ণরূপে তার ভাইয়ের স্বল্প আয়ের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। দারিদ্রের কারণে শক্তি স্নাতক পাঠ অর্ধসমাপ্ত রেখে প্রেসিডেন্সি কলেজ ত্যাগ করেন এবং সাহিত্যকে জীবিকা করার উদ্দেশ্যে উপন্যাস লেখা আরম্ভ করেন।

শক্তি চট্টোপাধ্যায় বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থাকলেও কোনো পেশায় দীর্ঘস্থায়ী ছিলেন না। একসময় তিনি দোকানের সহকারী হিসেবে সাক্সবি ফার্মা লিমিটেডে কাজ করেছেনন এবং পরে ভবানীপুর টিউটোরিয়াল হোমে (হ্যারিসন রোড শাখায়) শিক্ষকতা করেন।

ব্যবসা করার চেষ্টাও করেছিলেন। এবং ব্যর্থ হওয়ার পর একটি মোটর কোম্পানিতে জুনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে যোগ দেন। তিনি ১৯৭০ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় কাজ করেছেন।

শক্তি চট্টোপাধ্যায়, মীনাক্ষী চট্টোপাধ্যায়কে বিয়ে করেছিলেন, যিনি একজন ভারতীয় লেখক। ১৯৬৫ সালে আড্ডার মধ্য দিয়ে তাদের প্রথম সাক্ষাত ঘটে। তাদের মেয়ে তিতি চট্টোপাধ্যায়।

প্রারম্ভিক রচনা (১৯৫০-এর দশক-) :
মার্চ ১৯৫৬ সালে, শক্তির কবিতা “যম” বুদ্ধদেব বসু প্রকাশিত কবিতা সাহিত্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এরপর তিনি কৃত্তিবাস এবং অন্যান্য পত্রিকার জন্য লিখতে শুরু করেন।

বুদ্ধদেব বসুও তাকে নবপ্রতিষ্ঠিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য কোর্সে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানান। শক্তি কোর্সে যোগদান করলেও সম্পূর্ণ করেন নি। ১৯৫৮ সালে শক্তি সিপিআইয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক বন্ধ করে দেন।

প্রথম উপন্যাস লেখেন কুয়োতলা। কিন্তু কলেজ – জীবনের বন্ধু সমীর রায়চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর বনাঞ্চল – কুটির চাইবাসায় আড়াই বছর থাকার সময়ে শক্তি চট্টোপাধ্যায় একজন সফল লিরিকাল কবিতে পরিণত হন।

একই দিনে বেশ কয়েকটি কবিতা লিখে ফেলার অভ্যাস গড়ে ফেলেন তিনি। শক্তি নিজের কবিতাকে বলতেন পদ্য। ভারবি প্রকাশনায় কাজ করার সূত্রে তার শ্রেষ্ঠ কবিতার সিরিজ বের হয়। পঞ্চাশের দশকে কবিদের মুখপত্র কৃত্তিবাস পত্রিকার অন্যতম কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। তার উপন্যাস অবনী বাড়ি আছো? দাঁড়াবার জায়গা ইত্যাদি প্রকাশিত হয়। রূপচাঁদ পক্ষী ছদ্মনামে অনেক ফিচার লিখেছেন।

১৯৬০-এর দশক :
তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘হে প্রেম, হে নৈশব্দ’ ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয় দেবকুমার বসুর চেষ্টায়।

হাংরি আন্দোলন :
১৯৬১ সালের নভেম্বরে ইশতাহার প্রকাশের মাধ্যমে যে চারজন কবিকে হাংরি আন্দোলন – এর জনক মনে করা হয় তাঁদের মধ্যে শক্তি চট্টোপাধ্যায় অন্যতম । অন্য তিনজন হলেন সমীর রায়চৌধুরী, দেবী রায় এবং মলয় রায়চৌধুরী। শেষোক্ত তিনজনের সঙ্গে সাহিত্যিক মতান্তরের জন্য ১৯৬৩ সালে তিনি হাংরি আন্দোলন ত্যাগ করে কৃত্তিবাস গোষ্ঠীতে যোগ দেন।

তিনি প্রায় ৫০টি হাংরি বুলেটিন প্রকাশ করেছিলেন। পরবর্তীকালে কৃত্তিবাসের কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের নাম সাহিত্যিক মহলে একত্রে উচ্চারিত হতো, যদিও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় হাংরি আন্দোলন এর ঘোর বিরোধী ছিলেন এবং কৃত্তিবাস পত্রিকায় ১৯৬৬ সালে সেই মনোভাব প্রকাশ করে সম্পাদকীয় লিখেছিলেন।

“অবনী বাড়ি আছো” – কবিতা, কাব্যগ্রন্থ: ধর্মে আছো জিরাফেও আছো (১৯৬৫)
১৯৭৫ তিনি আনন্দ পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৮৩ সালে, তার যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো (১৯৮২) কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি একাধিক পুরস্কারে পেয়েছে।

আরও পড়ুনঃ টিভি চ্যানেল দেখা নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে কেবল অপারেটররা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>