Bengal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 16 Jun 2022 14:38:51 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Bengal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বাংলায় আবির্ভূত নতুন দেবতা, চাপমুক্তির প্রত্যাশায় এবার ‘টেনশন দেব’ এর পুজো https://thenewsbangla.com/tension-god-a-new-deity-appeared-in-bengal-worship-god-relieving-stress/ Thu, 16 Jun 2022 14:38:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15516 বাংলায় দেবতার তালিকায় এবার নতুন সংযোজন; টেনশন দেব। বাংলায় আবির্ভূত নতুন দেবতা; চাপমুক্তির প্রত্যাশায় হল ‘টেনশন দেব’ এর পুজো। গুটি বসন্তের হাত থেকে রক্ষা পেতে; আদিকালে শুরু হয়েছিল শীতলা পুজো। পড়াশোনার জন্য আছে সরস্বতী ঠাকুর; ধন-সম্পদ বৃদ্ধি করতে লক্ষ্মী-গণেশ; বিপন্মুক্ত হতে কালী, তারা মা বা বজরংবলি। কিন্তু টেনশন থেকে চাপ থেকে মুক্তি দেবার; কোন দেবতা ছিলেন না। এবার টেনশন থেকে মুক্তি পেতে; পুজো করা হল টেনশন দেবতার।

রীতিমতো পুরোহিত দিয়ে টেনশন দেবতার; পুজো করা হয়। এবারই প্রথম নয়, বছরের পর বছর ধরে এমনই ঘটনা ঘটছে; কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের নিজতরফ গ্রামে। টেনশন থেকে মুক্তি পেতেই, গ্রামের বেকার শিক্ষিত যুবকেরা রাস্তার ধারে; টেনশন দেবতার আরাধনা করে আসছেন। টেনশন দূর করার পাশাপাশি; কর্মসংস্থানেরও মানত করেন দেবতার কাছে। অবিশ্বাস্য লাগলেও; ঘটনা কিন্তু সত্যি।

বাংলায় নতুন দেবতা, টেনশন দেব
বাংলায় নতুন দেবতা, টেনশন দেব

শুধু যুবকেরা নয়, গ্রামের মহিলারাও ভক্তি-শ্রদ্ধা সহকারে; টেনশন দেবতার পুজো করেন। পুজোর প্রসাদের মধ্যে কলা, সন্দেশ, নারকেল ইত্যাদি সবই থাকে। উচ্চশিক্ষা লাভ করেও কপালে চাকরি জুটছে না; নেই কোনও কর্মসংস্থান। বেকারত্বের জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন অনেকেই; সব মিলিয়ে টেনশন তাদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তির আশায়; টেনশন দেবতার পুজো করেন একদল যুবক।

আরও পড়ুনঃ ‘লজ্জায় বাংলা’, মধ্যশিক্ষায় তল্লাশি, পর্ষদ সভাপতিকে বাড়ি থেকে তুলে আনল সিবিআই

পুরোহিত ডেকে রাস্তার ধারে তারা টেনশন দেবতার আরাধনা করে; নিজেদের টেনশন দূর করে চাকরি সহ কর্মসংস্থানের মানত করলেন দেবতার কাছে। পুরোহিতও টানা মন্ত্র পড়ে গেলেন। কিন্তু দেবতার রূপ কেমন হবে? যুবকরা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে; নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি পাথরের উপর রং করে চোখ মুখ এঁকে সেটিকে দেবতার রূপ দিয়ে নতুন দেব সৃষ্টি করেন।

টেনশন দেবতাকে রাস্তার পাশে একটি গাছের নীচে বসিয়ে; বেদি বানিয়ে পুজো হয়। অবশ্য শুধু বেকার যুবকরাই নন, গ্রামের বড়, ছোট সকলেই; টেনশনে পড়লে এই দেবতার কাছে প্রার্থনা করে যাচ্ছেন। টেনশন দেবতার অন্যতম উদ্ভাবক অজয় কর বলেন; “টেনশন দেবতার কাছে এসে কিছু প্রার্থনা করলে ফল পাওয়া যায়; টেনশন থেকেও যেন অনেকটাই মুক্তি পাওয়া যায়”।

]]>
ভোট প্রচারে হিংসা, বাংলায় ভোট প্রচার ১ দিন কমিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/election-campaign-in-bengal-decreased-1-day-by-election-commission/ Wed, 15 May 2019 14:24:33 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12946 লজ্জা। বাংলার লজ্জা। গোটা ভারতের কাছে মুখ কালো হল বাংলার। নির্বাচনী প্রচারে হিংসার জন্য; বাংলায় ভোট প্রচার একদিন কমিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার শেষ প্রচার ছিল শেষ দফার জন্য। কিন্তু গোটা ভারতের মধ্যে একমাত্র বাংলায় ভোটের প্রচার কালকেই শেষ; বলে ঘোষণা করে দিল নির্বাচন কমিশন।

ভোটের শেষ দফার ঠিক আগে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন; নির্বাচনী প্রচারে বারবার অশান্তির জন্য পশ্চিমবঙ্গের উপরে নেমে এল কমিশনের খাঁড়া; শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত প্রার্থীরা তাঁদের প্রচার করতে পারত; কিন্তু কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরে কাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাজ্যের সব দলের প্রার্থীদের প্রচার শেষ করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর প্রযুক্তি ব্যবহারকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসির ঝড়

স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথম নির্বাচন কমিশন ৩২৪ ধারা প্রয়োগ করল; এই ধারা আনুসারে প্রার্থীদের প্রচার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হল নির্বাচন কমিশনের আদেশে; সংবিধানের ৩২৪ ধারা স্বাধীনতার পর প্রথম প্রয়োগ হল পশ্চিমবঙ্গের উপরে।

নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে এই রাজ্য আর ভোট প্রচার চালানোর উপযুক্ত নেই; প্রায় প্রতিটা প্রচারে অশান্তি হামলা বা মারামারি লেগেই আছে; গতকাল অমিত শা এর র‍্যালিকে কেন্দ্র করে বিদ্যাসাগর কলেজে যে তাণ্ডব চলে তাঁর পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর জয়ের ভবিষ্যৎবানী করে বরখাস্ত কলেজ অধ্যাপক

সাধারণ নিয়ম আনুসারে প্রার্থীরা শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত প্রচার করতে পারত; কিন্তু ৩২৪ ধারার ফলে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত দলকে নির্দেশ দেওয়া হল তারা যেন তাঁদের যাবতীয় ভোট প্রচার বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যেই শেষ করে ফেলে।

এদিন আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে; এডিজি সিআইডির দায়িত্ব থেকে তুলে নেওয়া হল রাজীব কুমারকে; কাল থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট করতে হবে রাজীব কুমারকে।

আরও পড়ুনঃ মমতাকে সাদ্দাম হুসেনের সাথে তুলনা করলেন বিবেক ওবেরয়

এদিন নির্বাচন কমিশন রাজীব কুমারকে তাঁর দিল্লি পাঠিয়ে দেন; নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে বলা হয়েছে রাজ্যের সাম্প্রতিক অশান্তির জেরেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে কমিশন; সব মিলিয়ে সারা ভারতের কাছে লজ্জার মুখ হয়ে দাঁড়াল পশ্চিমবঙ্গ।

]]>
ষষ্ঠ দফায় ১০০ শতাংশ বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ কমিশন https://thenewsbangla.com/central-forces-not-in-100-percent-booths-in-sixth-phase-poll-in-bengal/ Sat, 11 May 2019 14:38:38 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12746 ৭৪৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনিতেও হল না। আর তাই, রবিবার বাংলার ১০০ শতাংশ বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর; প্রায় ৯৪ শতাংশ বুথে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর; রাজ্যের মাওবাদী এলাকায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে; তাই অন্যান্য সব জায়গায় ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে না। আর এই নিয়ে উদ্বেগ বিরোধী দলগুলির।

ষষ্ঠ দফা নির্বাচনে মোট ৭৪৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী বুথে মোতায়েন করা হবে; আগেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মোট ৭৭০ কোম্পানি কাজ করছে ষষ্ঠ দফার ভোটে।

আরও পড়ুনঃ অন্তঃসত্ত্বা মহিলার ছদ্মবেশে আত্মঘাতী হামলা হতে পারে হিন্দু বা বৌদ্ধ মন্দিরে

একনজরে দেখে নেওয়া যাক; কোন জেলায় কত কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে। বাহিনী বিন্যাস হয়েছে; ঠিক এই ভাবেই। বাঁকুড়া ১৪৫ কোম্পানি; ঝাড়গ্রাম ১১৪ কোম্পানি; পশ্চিম মেদিনীপুর ১৭৪ কোম্পানি; পূর্ব বর্ধমান ১১ কোম্পানি; পূর্ব মেদিনীপুর ১৯০ কোম্পানি; পুরুলিয়া ১০৯ কোম্পানি।

ষষ্ঠ দফা নির্বাচনে কোথায় কত অফিসার থাকছে; দেখে নিন একনজরে। এবারের ভোটে মাওবাদী এলাকায়; বিশেষ নজর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

তমলুক এ মাইক্রো অবজারভার ৫৬০; ভিডিও ক্যামেরা ১৭৫; সিসিটিভি ৩৫; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১০৭০।
কাঁথি তে মাইক্রো অবজারভার ৫৬০; ভিডিও ক্যামেরা ১৭৫; সিসিটিভি ৩৫; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১০৭০।
ঘাটাল এ মাইক্রো অবজারভার ৭২২; ভিডিও ক্যামেরা ২৫; সিসিটিভি ৭১২; ওয়েব কাস্টিং ২৯৯; মোট ১৭৫৮।
ঝাড়গ্রাম এ মাইক্রো অবজারভার ৪৬০; ভিডিও ক্যামেরা ৫৭; সিসিটিভি ২৫৮; ওয়েব কাস্টিং ২৬৯; মোট ১০৪৪।

মেদিনীপুর এ মাইক্রো অবজারভার ৬৪৭; ভিডিও ক্যামেরা ২৫; সিসিটিভি ৪৭২; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১৪৪৪।
পুরুলিয়া তে মাইক্রো অবজারভার ৩৮০; ভিডিও ক্যামেরা ১০৩; সিসিটিভি ৬৬; ওয়েব কাস্টিং ২৮০; মোট ৮২৯।
বাঁকুড়া তে মাইক্রো অবজারভার ৪০০; ভিডিও ক্যামেরা ২১০; সিসিটিভি ১০৫; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১০১৫।
বিষ্ণুপুর এ মাইক্রো অবজারভার ৪১৭; ভিডিও ক্যামেরা ২৪৬; সিসিটিভি ১৩৮; ওয়েব কাস্টিং ৩০০; মোট ১১০১;

তবে শেষ পর্যন্ত সব বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী; জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। তবে প্রায় ৯৪ শতাংশ বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার; প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ নির্বাচন কমিশন।

]]>
তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন, সোমবারের আগে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই https://thenewsbangla.com/heatwaves-going-through-on-bengal-there-is-no-possibility-of-rain/ Sat, 11 May 2019 12:33:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12739 সপ্তাহ জুড়ে চলা তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে; হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘরে বাইরে কোথাও মিলছে না স্বস্তি। দেশের ওপর দিয়ে তাপ প্রভাবের কারণেই; এই তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এক সপ্তাহের মধ্যে তাপমাত্রা; কমার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানানো হয়েছে।

দিন আর রাত বলে আলাদা করে কিছু নেই। তীব্র গরমের অসহনীয় কষ্ট; এখন রাজ্যবাসীর নিত্য সঙ্গী। পঞ্জিকার হিসেবে বলছে; এটা বৈশাখের শেষ সপ্তাহ। এরপর জ্যৈষ্ঠমাস অর্থাৎ গ্রীষ্মকে বিদায় জানাতে এখনও দেড় মাস বাকি। সোমবারের আগে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও; বলতে পারবে না আলিপুর আবহাওয়া দফতর; এমনটাই জানান হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বুদ্ধ পূর্ণিমায় বাংলায় মন্দিরে, স্কুলে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার ছক, মমতাকে জানাল কেন্দ্র

গ্রীষ্মের গরম ঠিকই রয়েছে; কিন্তু বৈশাখী ঝড় বা বৃষ্টির দেখা নেই। দিনে মাথার উপর তপ্ত সূর্য; আর রাতে ঘরের মধ্যে গরম বাতাসের ভ্যাপসা অনুভূতি। স্বস্তি নেই কোথাও। প্রত্যাশা শুধু একটু বৃষ্টির। বৃষ্টি আনতে ফণীর পর; বায়ু ঘূর্ণিঝড়ের অপেক্ষায় মানুষ।

গত এক সপ্তাহে রাজ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড়; যেখানে ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। অবশ্যই উত্তরবঙ্গ ধরে। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ২৮-২৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। অর্থাৎ রাত আর দিনের তাপমাত্রার পার্থক্য মাত্র ৭ থেকে ৮ ডিগ্রী। আর এরপর পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম ও পশ্চিম মেদিনীপুরে; তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি ছুঁয়েছে।

আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে; রাজ্যবাসীকে এই পরিস্থিতি সহ্য করতে হতে পারে; আরও বেশ কিছুদিন। তবে ফণীর পর বায়ু নামের; আরেকটি ঝড়ের অপেক্ষায় অপেক্ষারত রাজ্যবাসী। হাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে যে; এই সময়ের মধ্যে বৃষ্টির দেখা মেলার সম্ভাবনাও কম।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে; গত বছরে একই সময়ে গড় যে তাপমাত্রা ছিল; এ বছর তা গড়ে ৫ থেকে ৬ ডিগ্রী বেশি। এদিকে শুধু রাজ্য নয়; সারাদেশে দাবদাহের চিত্র একইরকম। কাঠফাটা রোদে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সব শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রা।

মানুষদের পাশাপাশি পশু পাখিদের প্রাণও হয়ে উঠেছে ওষ্ঠাগত। এই অবস্থায় গরমজনিত নানা রোগ বালাই থেকে রক্ষা পেতে শিশুদের তরল খাবার; এবং ঠাণ্ডা জায়গায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

]]>
বাংলার বিজেপির বাড়ার সম্ভাবনা, মন্তব্য করে নেতা কর্মীদের তোপের মুখে কারাট https://thenewsbangla.com/bjp-gets-more-seats-in-bengal-says-prakash-karat-party-leaders-are-angry/ Fri, 10 May 2019 05:26:50 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12648 বাংলায় বিজেপির ফল কেমন হবে; তা জানিয়ে দলীয় নেতা কর্মীদের তোপের মুখে পড়লেন সিপিএমের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান; বাংলার বিজেপির আসন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর তারপরেই শুরু হয় যাবতীয় বিতর্ক।

সংবাদমাধ্যমকে প্রকাশ কারাট জানান; বিজেপি বিরোধিতায় যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ ছিলো; কংগ্রেসের পক্ষে সেই ধরনের কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিজেপি বিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে কংগ্রেসের যে ভূমিকা হওয়া উচিৎ ছিল; তা প্রমানে কংগ্রস ব্যর্থ হয়েছে বলেই তিনি মনে করেন। আর এর ফলেই গেরুয়া শিবির ফায়দা তুলবে বলে তিনি মনে করেন।

আরও পড়ুনঃ বিষ্ণুর পর এবার কোন পুরুষকে মাতা বানালেন মমতা, ট্রোলড সোশ্যাল মিডিয়ায়

বিজেপি বিরোধী মহাজোট গড়ে তুলতে; প্রথম থেকেই বিভিন্ন বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দল তৎপর হয়েছিল। রাজ্যে বিজেপি ও তৃণমূল বিরোধী জোট গড়তে; ঐক্যমতে পৌঁছায় কংগ্রেস হাইকমান্ড ও সিপিএম নেতৃত্ব। কিন্তু আসন সমঝোতায় ঐক্যমতে পৌঁছাতে না পেরে; বাংলায় জোটের আশা শেষ হয়ে যায়। এতেও পারষ্পরিক দোষারোপের পালা চলতে থাকে।

বিগত রাজ্যের কয়েকটি উপ নির্বাচনে দেখা গিয়েছে; বামেদের ভোটের সিংহভাগই চলে যাচ্ছে বিজেপিতে। তৃণমূলের হাত থেকে রক্ষা পেতে; আদর্শের তোয়াক্কা না করেই বামেরা ভিড়তে শুরু করেছে রামের দলে; তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। রাজ্যে এই মুহূর্তে তৃণমূলের বিরুদ্ধে; প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার হাওয়াও রয়েছে যথেষ্ট পরিমানে। সেক্ষেত্রে তৃণমূল বিরোধিতায় লাভের গুড়; বিজেপির ঝুলিতেই যাবে বলে প্রকাশের আশঙ্কা।

আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীর যাত্রাপথে জয় শ্রী রাম বলা সমর্থকদের সংবর্ধনা বিজেপির

সম্প্রতি ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার; রাজ্যে সিপিএমের হয়ে প্রচারে এসে বলেছিলেন; ভুলেও যেন সিপিএম সমর্থকরা বিজেপিতে নাম না লেখান। ত্রিপুরায় বিজেপি সরকার আসার পরেই; অশান্তির আবহাওয়া তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলকে আটকাতে; বিজেপির সাথে বামেদের নিচু তলার কর্মীদের যোগসাজশের খবর এসেছে।

এই বাম কর্মীদের অনেকেই তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত। সেই ঘটনা আন্দাজ করতে পেরেই; বিজেপির আসন বাড়ার সম্ভাবনার কথা বলেন প্রকাশ; যে মন্তব্যে ক্ষুব্ধ দলের কর্মীরা; এমনকি প্রকাশ কারাতের এই মন্তব্যে বেশ বিরক্ত ওপরতলার বাম নেতারাও। তবে এই নিয়ে প্রকাশ্যে প্রকাশের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন নি কেউই।

]]>
সোমবার বাংলার ৮ টি আসনে ভোট, দেখে নিন একনজরে ৮ কেন্দ্রে ভোটের কিছু তথ্য https://thenewsbangla.com/fourth-phase-poll-on-eight-seats-in-bengal-is-surrounded-by-central-force/ Sun, 28 Apr 2019 11:29:39 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11837 সোমবার বাংলার ৫ জেলার ৮ টি লোকসভা আসনে ভোট গ্রহণ। দেখে নিন একনজরে ৮ লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের কিছু তথ্য। প্রায় ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৫৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে সোমবার বাংলায় চতুর্থ দফার ভোটে। প্রায় সব বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

বহরমপুর লোকসভা আসন। মুর্শিদাবাদে এবার কংগ্রেসের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। অধীর চৌধুরী কি নিজের আসন ধরে রাখতে পারবেন? সেটাই এখন প্রশ্ন। এখানে মোট বুথ ১৮৪৪। পুরুষ ভোটার ৮৩৬০২১। মহিলা ভোটার ৭৯৪৪১৯। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪০। মোট ভোটার ১৬৩০৫১০। ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ বউয়ের খোঁজ রাখেন না, দেশের মানুষের খোঁজ কি করে রাখবেন, মোদীকে খোঁটা মমতার

কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র। নদিয়ার দুটি লোকসভা আসনেই ভোট সোমবার। এখানে মোট বুথ ১৮১২। পুরুষ ভোটার ৮৪১০০৩। মহিলা ভোটার ৭৮১৪৪৯। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪৩। মোট ভোটার ১৬২২৪৯৫। এই আসনেরও প্রায় ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্র। খুন হয়ে যাওয়া তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের স্ত্রী রুপালী বিশ্বাস এখানকার তৃণমূল প্রার্থী। এখানে মোট বুথ ১৯৭১। পুরুষ ভোটার ৯০৩৪৪০। মহিলা ভোটার ৮৫০৩২৪। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪৮। মোট ভোটার ১৭৫৩৮১২।

বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্র। মোট বুথ ১৯১৯। পুরুষ ভোটার ৮৬৬৬০২। মহিলা ভোটার ৮৪৬৪৯৮। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪৮। মোট ভোটার ১৬৯৩১৪৮।

আরও পড়ুনঃ রাজনৈতিক স্বার্থে ওবিসির সংরক্ষন নিয়েছেন মোদী, মন্তব্য মায়াবতীর

বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্র। মোট বুথ ২০০৬। পুরুষ ভোটার ৮৭৮১৪০। মহিলা ভোটার ৮৪৮৫০৪। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২৬। মোট ভোটার ১৭২৬৬৭০।

আসানসোল লোকসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে ১০০ শতাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখানে মোট বুথ ১৮৬০। পুরুষ ভোটার ৮৩৯৫৭১। মহিলা ভোটার ৭৬৭৫৮৭। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪৮। মোট ভোটার ১৬০৭২০৬।

বোলপুর লোকসভা কেন্দ্র। মোট বুথ ১৯৫৭। পুরুষ ভোটার ৮৬৮৭৮৭। মহিলা ভোটার ৮৩১২১৭। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২৬। মোট ভোটার ১৭০০০৩০।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয় না আমেরিকান, যাদবপুরে গ্রেট খালির ভোট প্রচার নিয়ে এবার জোর বিতর্ক

বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র। মোট বুথ ১৯০৮। পুরুষ ভোটার ৮৬০১১৯। মহিলা ভোটার ৮৩৪৬৭৮। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২৫। মোট ভোটার ১৬৯৪৮২২।

বীরভূম জেলাতেও ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলেই আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। তৃতীয় দফার ভোটেও বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা চোখে পড়েছে। একজনের মৃত্যুও হয়েছে। সোমবার চতুর্থ দফার ভোট কতটা শান্তিপূর্ণ হয় সেটাই এখন দেখার।

]]>
বাংলায় নিজের কেন্দ্রেই বিজেপিকে ভোট দেবার অবাক করা আবেদন কংগ্রেস প্রার্থীর https://thenewsbangla.com/congress-candidate-appealing-to-vote-for-bjp-in-his-own-seat-in-bengal/ Mon, 22 Apr 2019 14:24:08 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11413 বিজেপিকে ভোট দেবার আবেদন কংগ্রেস প্রার্থীর। তাও আবার নিজের কেন্দ্রেই। অবাক করার মত ঘটনা এই বাংলায়। মুখ ফসকে বিষ্ফোরণ ঘটালেন মালদা দক্ষিণ কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী আবু হাসেম খান চৌধুরী। রাত পোহালেই দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন। তার আগেই কংগ্রেস প্রার্থীর আবেদন শুনে তাজ্জব বনে যাচ্ছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ থেকে জনসাধারণ। তৃণমূলকে হারাতে বিজেপিকে ভোট দিতে বললেন কংগ্রেস প্রার্থী আবু হাসেম খান চৌধুরী!

দক্ষিণ মালদার একটি নির্বাচনী জনসভায় কংগ্রেস প্রার্থীকে বলতে শোনা যায়, “বিজেপিকে ভোট দিন, কিন্তু তৃণমূলকে ভোট দেবেন না”। এরপরেই শোরগোল পড়ে যায় জনসভায়। এরপর নিজের বক্তব্যের সাফাই দিতে গিয়ে তিনি বলেন, মালদায় তৃণমূল ও বিজেপি একই সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করছে। যারা সিপিএম বা কংগ্রেসকে ভোট দেবেন না, তারা যেন তৃণমূলকেও ভোট না দিয়ে সেই ভোট বিজেপিকে দেন, এমনই বক্তব্য তাঁর।

আরও পড়ুনঃ হিন্দু শরণার্থীরা নিশ্চিন্তে থাকুন, তাড়ানো হবে শুধু অনুপ্রবেশকারীদের, আশ্বাস অমিতের

আবু হাসেম খান পুত্র তথা মালদা উত্তর কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী ইশা খান বাবার বক্তব্যের সমর্থনে জানিয়েছেন। তৃণমূলের মতো আঞ্চলিক দলের জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্ব নেই, বিজেপি অথবা কংগ্রেস সরকার গড়বে বলেই জানান ইশা খান। যেহেতু বিজেপি ও তৃণমূল একই সাথে কাজ করছে, তাই তৃণমূল অথবা বিজেপিকে ভোট দেওয়া একই ব্যাপার, বলে বাবাকে সমর্থন করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মধ্যেই চরম লজ্জা, চৌকিদার চোর বলায় ক্ষমা চাইতে হল রাহুল গান্ধীকে

কংগ্রেস প্রার্থীর এই আত্মঘাতী বক্তব্য নিয়ে মন্তব্য না করলেও এই বক্তব্যকে হাতিয়ার করে বিজেপি লাভের ফসল ঘরে তুলতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে তৃণমূল এই বক্তব্যকে হাতিয়ার করে বিজেপি ও কংগ্রেসের সমঝোতার তত্ত্ব উসকে দিয়েছে। তৃণমূলকে হারাতে কংগ্রেস ও বিজেপি এক হয়েছে বলে তাদের বক্তব্য।

আরও পড়ুনঃ রাজ্য পুলিশে ভরসা নেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী

এর আগেও বিভিন্ন জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস ও বিজেপির একসাথে কাজ করার অভিযোগ তুলেছিলেন। প্রনব পুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় ও অধীর চৌধুরীকে জেতানোর জন্য কাজ করছে আরএসএস, এমন বিষ্ফোরক অভিযোগও করেছিলেন তিনি। তৃতীয় দফা ভোটের আগেই স্বয়ং কংগ্রেস প্রার্থীর এই মন্তব্য যেন অভিযোগের আগুনে ঘি যোগ করল, এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এখন ভোটাররা মালদা দক্ষিণ কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী আবু হাসেম খান চৌধুরীর কথা শোনেন কিনা সেটাই এখন দেখার। আর ভুল বুঝে তাঁকে ভোট না দিয়ে যদি বিজেপিকে ভোট দেয় আমজনতা, তাহলে ভোট প্রচারের এই আবেদন যে কতটা আত্মঘাতী হবে সেটা আগামি ২৩ তারিখেই বোঝা যাবে।

আরও পড়ুনঃ ভোট যুদ্ধে আকাশ দখলের লড়াইয়ে কংগ্রেসকে শুইয়ে দিল বিজেপি

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
দ্বিতীয় দফা ভোটে আরও ২৫ কোম্পানি সশস্ত্র বাহিনী আসছে বাংলায় https://thenewsbangla.com/second-phase-election-25-companies-armed-forces-coming-into-bengal/ Fri, 12 Apr 2019 05:59:36 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10668 দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের জন্য আরও ২৫ কোম্পানি সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী আসছে উত্তরপূর্ব রাজ্য থেকে। এই ২৫ কোম্পানির মধ্যে ১০ কোম্পানি মেঘালয় আর্মড পুলিশ। ৫ কোম্পানি নাগাল্যান্ড আর্মড পুলিশ। ৮ কোম্পানি সিকিম আর্মড পুলিশ। ও ২ কোম্পানি ত্রিপুরা আর্মড পুলিশ। এছাড়াও দ্বিতীয় দফার ভোটে আরও ২ জন পুলিশ অবজার্ভার নিয়োগ করা হল নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ সেনার পোশাকে বুথে রাজ্য পুলিশ কর্মী, গাদা বন্দুক নিয়েই ধরা পরে গেলেন

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের জন্য আরও ২৫ কোম্পানি সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী আসছে বাংলায়। উত্তর-পূর্বের রাজ্য থেকে আসছে এই ২৫ কোম্পানি সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। মেঘালয় থেকে আসছে ১০ কোম্পানি সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। ৫ কোম্পানি আসছে নাগাল্যান্ড থেকে, ৮ কোম্পানি আসছে সিকিম থেকে এবং ২ কোম্পানি ত্রিপুরার সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী আসছে রাজ্যের দ্বিতীয় দফা ভোটের নিরাপত্তার কাজের জন্য।

আরও পড়ুনঃ রণক্ষেত্র কোচবিহার জেলাশাসক দফতর, বিজেপি প্রার্থীর অবস্থান তুলতে বিশাল পুলিশ

ইতিমধ্যেই জঙ্গলমহল থেকে প্রথম দফার নির্বাচনের জন্য গিয়েছে ২৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, তাঁরাও থাকছে দ্বিতীয় দফার ভোটে। রাজ্যে প্রথমে এসেছিল ১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী যা আছে এখন কোচবিহারে। পরে আসে আরও ১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের ঠিক আগেই আসে ৩০ কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর ভোটের আগের দিন আসে ৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

আরও পড়ুনঃ শুধু কোচবিহারে ছাপ্পা ও সন্ত্রাস আটকাতে না পেরে লজ্জায় বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন

আগে থেকেই প্রথম দফার ভোটের জন্য আছে ৮৩ কোম্পানি বাহিনী। তাই মোট ৮৩+২৫=১০৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় ও সশস্ত্র বাহিনী এবং দার্জিলিং এ থাকা ৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের নিরাপত্তার জন্য। ফলে বলা যায় মোট ১১৪ কোম্পানি বাহিনী দিয়ে ভোট হবে দ্বিতীয় দফায়।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস

পাশাপাশি থাকবে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ। এখনও পর্যন্ত রায়গঞ্জ এর জন্য আলাদা পুলিশ অবজার্ভার ও দার্জিলিং-জলপাইগুড়ির জন্য একজন আলাদা পুলিশ অবজার্ভার নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি যারা প্রথম পর্যায়ের জন্য ছিলেন, থাকছেন তাঁরাও। থাকছেন বিশেষ পুলিশ অবজার্ভার বিবেক দুবেও।

আরও পড়ুনঃ ভোটের ‘দাওয়াই’ দেওয়ার বেনজির হুমকি রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

তবে দুটি লোকসভা কেন্দ্রেই বিশেষ করে কোচবিহার লোক সভা কেন্দ্রের ভোটে যেভাবে রাজ্য পুলিশ থাকা বুথে হিংসা ও ভোটারদের বাধাদানের মত ঘটনা ঘটেছে, তাতে রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা থাকবে কিনা সেটাও এখন দেখার। আর এই ১১৪ কোম্পানি বাহিনী দিয়ে কি আর দ্বিতীয় পর্যায়ের সব বুথে ভোট করা যাবে? সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা নয় কোচবিহার থেকে ভোট মনিটরিং করবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে
আরও পড়ুনঃ আশ্চর্য কাণ্ড, ভোট শুরু হতেই কোচবিহার থেকে কলকাতায় ফিরলেন বিবেক দুবে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
২৩ আসনেই জয় নিশ্চিত, বাংলা দখলের লক্ষ্যে অবিচল অমিত শাহ https://thenewsbangla.com/amit-shah-bjp-president-is-determined-to-win-23-seats-out-of-42-in-bengal/ Sat, 30 Mar 2019 07:56:20 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9504 ২৩ আসনেই জয় নিশ্চিত, বাংলা দখলের লক্ষ্যে অবিচল অমিত শাহ। বাংলায় ২৩ আসনে জয় নিশ্চিত বলেই ঘোষণা বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের। “বিজেপির দিবাস্বপ্ন”, বলে উড়িয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী গৌতম দেব। আর এই কত আসনে কে জিতবে সেই নিয়েই জমজমাট বাংলার ভোটের লড়াই।

আরও পড়ুনঃ মদ বিক্রিতে ১০ হাজার কোটি টাকার সর্বকালিন রেকর্ড গড়ল মা মাটি মানুষের সরকার

২৩ আসনে আসবে জয়, আর তারই মন্ত্রনা দিলেন অমিত শাহ। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পূর্ব ভারতে বিশেষ করে ৪২ লোকসভা আসন বিশিষ্ট বাংলাকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। এর মধ্যে বাংলা থেকেই ২৩টি, মানে রাজ্যের প্রধান শাসক দল হিসেবে তুলে ধরার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত অমিত শাহের।

আরও পড়ুনঃ সেনার খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা তেজ বাহাদুর বারাণসীতে প্রার্থী মোদীর বিরুদ্ধে

বাংলা দখলের লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গে ২১টি নির্বাচনী জনসভার চিন্তাভাবনা করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। মোদী, অমিত শাহ সহ অন্যান্য বিজেপির হেভিওয়েট নেতারা প্রচার চালাবেন ২৩ টি আসনের লক্ষ্যে। শুক্রবার জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রে প্রথম নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা দিয়ে ২৩ আসন জেতার ঘোষণা করে দেন অমিত শাহ।

আরও পড়ুনঃ কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে মোদীর নীতি আয়োগ তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন রাহুল

এদিন আগাগোড়াই রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনবিরোধী পদক্ষেপের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বাংলায় গণতন্ত্র নেই, এখানে জনগন নিজের ভোট নিজে দিতে পারেন না, এখানে জনগনকে ভয় দেখিয়ে শাসক দলের প্রতীকে ভোট দিতে বাধ্য করা হয়। তিনি বলেন, বাংলায় ভোটের সময় শুধু বোমের শব্দ শোনা যায়, যার ফল পঞ্চায়েতে বহু মানুষের মৃত্যু।

আরও পড়ুনঃ মোদীর ব্রিগেড সভার অনুমতি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দিল সেনা

তৃণমূলকে “তৃণমূল তোলাবাজি ট্যাক্স” বলে কটাক্ষ করেন তিনি। বাংলা চলছে সিন্ডিকেটের ওপর বলেও তিনি অভিযোগ করেন। রাজ্যে কোন শিল্প নেই, কর্মসংস্থান নেই, এমনকি চাকুরি পেতে হলেও মোটা অংকের টাকা দিয়ে অনৈতিকভাবে চাকুরিতে ঢুকতে হয় বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুনঃ মোদীর মিশন শক্তির ঘোষণায় নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘন হয়নি, জানিয়ে দিল কমিশন

রাজ্য ক্রমেই অনুপ্রবেশকারীদের হাতে চলে যাচ্ছে বলে তিনি বিষ্ফোরক অভিযোগ আনেন। মুখ্যমন্ত্রী বাংলায় তোষনের রাজনীতি প্রথম থেকে করে আসছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। রাজ্যে ক্ষমতায় এলে রাজ্যে বসবাসকারী অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে বিতাড়িত করার হুঁশিয়ারি দেন অমিত শাহ।

আরও পড়ুনঃ ৬ বারের জয়ী সিপিএম সাংসদের বাড়িতে অর্জুন, শুরু জল্পনা

এবার লোকসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োজিত থাকবে, ফলে সকলেই নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন বলে তিনি জনসাধারণকে আশ্বস্ত করেন। এভাবেই দলীয় কর্মী থেকে সমর্থকদের জেতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে ২৩ আসন দখলের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার দিক নির্দেশনা দিয়ে গেলেন অমিত শাহ।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিপুল উত্থান পদ্মের, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

তবে অমিত শাহ এর ২৩ আসনে জেতার স্বপ্ন ‘দিবাস্বপ্ন’ বলেই জানিয়ে দেন তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। তিনি জানিয়ে দেন বিজেপি এবার বাংলায় একটি আসনও পাবে না। তবে বিজেপির তরফ থেকে বলে হয়েছে, ভয় পেয়েছে তৃণমূল, তাই উল্টো পাল্টা বকছে।

আরও পড়ুনঃ পাক জঙ্গিদের সাহায্যকারি দেশের বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজতে ৮ সদ্যসের গোয়েন্দা দল

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাংলায় আবার নক্ষত্র পতন, চলে গেলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক https://thenewsbangla.com/famous-litterateur-passed-away-at-kolkata-the-star-again-fell-in-bengal/ Thu, 03 Jan 2019 08:26:20 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5175 The News বাংলা, কলকাতা: আবার নক্ষত্র পতন বাংলায়। এবার চলে গেলেন সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিত। বৃহস্পতিবার সকালে, যাদবপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ৭৯ বছর বয়স হয়েছিল এই বিখ্যাত সাহিত্যিকের। কয়েকদিন আগেই মারা যান মৃণাল সেন। শোকের পরিবেশ কাটতে না কাটতেই আবার দুঃসংবাদ।

আরও পড়ুন: বছর শেষে আবার ইন্দ্রপতন, প্রয়াত চিত্র পরিচালক মৃনাল সেন

এক ঈর্ষণীয় পরিমিতিবোধে উজ্জ্বল ছিল তাঁর রচনারীতি। সমসময়, ভাষা নিয়ে তাঁর গভীর ভাবনা ছিল। দিব্যেন্দু পালিত বাংলা সাহিত্যে এক স্বতন্ত্র নাম। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এই সাহিত্যিক।

আরও পড়ুন: বাঘ খুঁজতে ব্যর্থ হাতি, উত্তরের জঙ্গল সাফারিতে উড়বে ড্রোন

১৯৩৯ এর ৫ই মার্চ বিহারের ভাগলপুর শহরে জন্মগ্রহণ করেন দিব্যেন্দু পালিত। তিনি তুলনামূলক সাহিত্যের ছাত্র ছিলেন। সেই বিষয়েই তিনি এমএ করেন। ১৯৫৫ সাল থেকে গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ ইত্যাদি লিখতে শুরু করেন।

১৯৫৫ সালেই আনন্দবাজার পত্রিকার রবিবাসরীয় পাতায় তাঁর প্রথম গল্পটি প্রকাশিত হয়। গল্পের নাম ছিল ছন্দপতন। উপন্যাস, গল্প, কবিতা প্রবন্ধ ইত্যাদি লিখছেন। বাংলা ও হিন্দি চলচিত্র, দূরদর্শন ও বেতারে রূপায়িত হয়েছে অনেকগুলি কাহিনি। তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থের নাম শীত গ্রীষ্মের স্মৃতি।

আরও পড়ুন: টানা ২ দিন ধরে সন্ধান নেই ‘শচীনের’, বিপদ চিন্তায় প্রশাসন

১৯৫৮ সালে পিতৃবিয়োগের পর কলকাতায় চলে আসেন তিনি। শুরু তাঁর জীবন সংগ্রাম। সেই সংগ্রামের জীবন, তাঁর সাহিত্য রচনার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে পরবর্তীকালে। কর্মজীবন শুরু হয় সাংবাদিক হিসাবে। হিন্দুস্তান স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় সাব এডিটর হিসাবে।

১৯৬৫ সালে যোগ দেন বিপণন ও বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত পেশায়। সেই সূত্রে দীর্ঘকাল যুক্ত ছিলেন ক্ল্যারিয়ন ম্যাকান অ্যাডভার্টাইজিং সার্ভিসেস, আনন্দবাজার সংস্থা এবং দ্য স্টেটসম্যানে।

আরও পড়ুন: ‘রাম’কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে ‘হাতে’ নিয়ে বাংলায় তুলকালাম

তাঁর উপন্যাসের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সহযোদ্ধা (১৯৮৪), অন্তর্ধান (১৯৮৮), গৃহবন্দি (১৯৯০) প্রভৃতি। গল্পের মধ্যে রয়েছে মুখগুলি, শুক্রে শনি, বৃক্ষ ও অমানুষ প্রভৃতি। দিব্যেন্দুর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে রাজার বাড়ি অনেক দূর (১৯৭০), আহত অর্জুন (১৯৭৩), কিছু স্মৃতি কিছু অপমান, সিন্ধুবারোয়াঁ, ভেবেছিলাম, মধ্যরাত, প্রণয়চিহ্ন, মুন্নির সঙ্গে কিছুক্ষণ ইত্যাদি।

আরও পড়ুন: কংগ্রেস ছেড়ে মমতার ‘মহানায়িকা’ এবার মোদীর বক্স অফিসে

তাঁর লেখা গল্প নিয়ে, উপন্যাস নিয়ে একাধিক সিরিয়াল ও চলচ্চিত্র হয়েছে। ‘ঘরবাড়ি’ উপন্যাস নিয়ে বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর ‘গৃহযুদ্ধ’। ‘অন্তর্ধান’ উপন্যাস নিয়ে একই নামে তপন সিংহের ছবি যাদের মধ্যে স্মরণীয়। নির্মাল্য আচার্যের সঙ্গে চলচ্চিত্র সংক্রান্ত একটি গ্রন্থও (‘শতবর্ষে চলচ্চিত্র’) সম্পাদনা করেছেন তিনি।

দিব্যেন্দু পালিত তাঁর সাহিত্যকীর্তির জন্য বহু পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৮৪ সালে তাঁর প্রথম পুরস্কার লাভ। পেলেন আনন্দ পুরস্কার। দু বছর পরে পেলেন ভুয়ালকা পুরস্কার। এর পর ১৯৯০ সালে পান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বঙ্কিম স্মৃতি পুরস্কার এবং ১৯৯৮-তে পেলেন সর্বভারতীয় স্বীকৃতি। এল সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।

আরও পড়ুন: পরিচালক মৃণাল সেনের ফিল্ম পরিচালনার কিছু ‘মণি মুক্ত’

একনজরে পুরস্কার:
আনন্দ পুরস্কার (১৯৮৪), বঙ্কিমচন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯০), সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার (১৯৯৮)।

কিছু সুপরিচিত গ্রন্থ:
অচেনা আবেগ, অনুভব, অনুসরণ, অন্তর্ধান, অমৃত হরিণ, একদিন সারাদিন, ঢেউ, যখন বৃষ্টি, সঙ্গ ও প্রসঙ্গ, রজত জয়ন্তী, সংঘাত, সতর্কবার্তা, সিনেমায় যেমন হয়, হঠাৎ একদিন,হিন্দু।

সাহিত্যিক দিব্যেন্দু পালিত এর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার সাহিত্য জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হাসপাতালে ও বাড়িতে সাহিত্যিককে শেষ দেখা দেখতে ভিড় করেছে বাংলা সাহিত্য জগত ও তাঁর অসংখ্য গুণমুগ্ধ পাঠক। কয়েকদিন আগেই মারা যান মৃণাল সেন। শোকের পরিবেশ কাটতে না কাটতেই, বাংলায় আবার নক্ষত্র পতন। আগামীকাল সাহিত্যিকের শেষকৃত্য।

]]>