Bengal Politics – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 22 Jun 2022 11:58:12 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Bengal Politics – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 অভিমানের প্রাচীর ও রাজনৈতিক সন্ন্যাস ভেঙে ফের মমতার দলে শোভন সঙ্গে বৈশাখী https://thenewsbangla.com/sovan-baishakhi-in-nabanna-breaking-the-pride-wall-and-political-monasticism-sovan-baishakhi-in-mamata-tmc-again/ Wed, 22 Jun 2022 11:57:08 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15648 অভিমানের প্রাচীর ও রাজনৈতিক সন্ন্যাস ভেঙে; ফের মমতার দলে শোভন সঙ্গে বৈশাখী। তৃণমূলে শোভন-বৈশাখীর প্রত্যাবর্তন; এখন কি শুধুই সময়ের অপেক্ষা? বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে শোভন-বৈশাখীর বৈঠক ঘিরে জোর জল্পনা। “অভিমানের প্রাচীর ভেঙেছে; রাজনীতি নিয়েও কথা হয়েছে”; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে মন্তব্য বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

সবাইকে কিছুটা চমকে দিয়েই, হঠাৎই নবান্নে শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, বুধবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে; বৈঠকের কথা ছিল তাঁদের। তবে কি ফের তৃণমূলে ফিরতে চলেছেন; কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী? রাজনৈতিক মহলে তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

আরও পড়ুনঃ “সামাজিক শিক্ষাগুরু বলেই মমতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে”, ঘোষণা চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যর

২০১৮ সাল থেকেই, শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়-কে নিয়ে; সরগরম বাংলার রাজ্য রাজনীতি। ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে শোভন এবং রত্নার দ্বন্দ্বও; প্রকাশ্যে আসে ওইসময়ই। সূত্রের খবর, সেই সময় শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিজের কাজ নিয়ে; সতর্কও করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা-শোভন সম্পর্কের অবনতির মাঝেই, কলকাতার মেয়রের পদ ও তারপর রাজ্যের মন্ত্রিত্ব পদ থেকে; ইস্তফা দেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ “গরু ছাগলে খেয়েছে ২২ লাখ টাকার গাছ”, তৃণমূল পঞ্চায়েতের দাবি শুনে হাসছে জনগণ

২০১৯ সালে ভাইফোঁটার দিন, আচমকাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে; গিয়েছিলেন শোভন-বৈশাখী। তা নিয়ে সেই সময় জোর চর্চা শুরু হয়; দুজনের তৃণমূলে ফেরার জল্পনাও মাথাচাড়া দেয়। তবে সেসব জল্পনাকে মিথ্যে প্রমাণ করে; রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে বিজেপিতে যোগ দেন শোভন-বৈশাখী। যদিও গেরুয়া শিবিরে বেশিদিন মন টেকেনি তাঁদের; শুরু থেকেই গেরুয়া শিবিরের নেতাদের সঙ্গে ঝামেলা মতান্তর লেগেই ছিল। এরপরে বিজেপি ছাড়েন দুজনেই।

বর্তমানে রাজনীতির সঙ্গে কোনও যোগাযোগই নেই; কোন দলেই নেই তাঁরা। এদিন নবান্ন থেকে বেরনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর শোভন বলেন; “২০১৮ সালের ২২ নভেম্বর আমি এখান থেকে চলে এসেছিলাম কিন্তু; এই নয় যে দিদির সঙ্গে আমাদের দেখা হয়নি। আমাদের মধ্যে যে ভালোবাসা-আবেগ রয়েছে; সেই অভিব্যক্তি ব্যক্ত করেছি। মমতাদির ইচ্ছে, চিন্তা-ভাবনা বাস্তবায়িত করাই; আমার কর্তব্য। মমতাদির কাছে আসব, একটু চা খাব; তাঁর নির্দেশ পালন করব। এটাই তো স্বাভাবিক”।

]]>
দিদির নোংরা খেলার শিকার দিদি নিজেই, কটাক্ষ অধীরের https://thenewsbangla.com/mamata-herself-is-a-victim-of-her-own-dirty-politics-said-adhir-chowdhury/ Thu, 14 Mar 2019 10:48:06 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8404 দিদির নোংরা খেলার শিকার দিদি নিজেই, কটাক্ষ প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরির। কংগ্রেস সাংসদ জানান, মমতাও কংগ্রেস ভাঙানর নোংরা খেলায় মেতেছিলেন। সেই একই খেলার শিকার এবার মমতা নিজেই। রাজনৈতিক পাপ মমতাকেও ছাড়বে না বলেই মত অধীরের।

ভাঙন শুরু হয়েছে তৃণমূলের। লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষন ঘোষণার পর থেকেই দেশজুড়ে বিভিন্ন দল থেকে বিজেপিতে নাম লেখানোর স্রোত শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গও তার ব্যতিক্রম নয়। ইতিমধ্যেই ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশের পর সিপিএম এবং কংগ্রেস থেকে দুই জন বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

গত ১২ই মার্চ তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ অনুপম হাজরা দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন। তার কিছুদিন আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়ে বহিষ্কৃত হন বিষ্ণুপুরের তৃণমূল সাংসদ সৌমিত্র খান। এছাড়াও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি শঙ্কুদেব পান্ডাও নাম লিখিয়েছেন বিজেপিতে। কিন্তু মুকুল রায়ের তৃণমূল ছাড়ার পরেই তৃণমূলের কাছে সবচেয়ে বড় ধাক্কা দলের দীর্ঘদিনের সঙ্গী ভাটপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিংয়ের দলত্যাগ।

আরও পড়ুনঃ অর্জুনের হাত ধরে বারাকপুর লোকসভা ছিনিয়ে নিতে পারে বিজেপি

বৃহস্পতিবারই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা অর্জুন সিং। এর আগে তৃণমূলের দুই জন সাংসদ দল ছাড়লেও তাদের জনভিত্তি নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছিল। কিন্তু অর্জুন সিংয়ের সাংগঠনিক ক্ষমতা কারও অজানা নয়। অর্জুনের হাত ধরেই ভাটপাড়া ও বারাকপুর লোকসভায় হু হু করে বেড়েছিল তৃণমূলের সংগঠন। তার সাথে কমপক্ষে ৪০ থেকে ৫০ জন কাউন্সিলরেরও বিজেপিতে যোগদানের খবর ইতিমধ্যেই এসেছে।

আরও পড়ুনঃ দিল্লিতে অর্জুন, ৪০ জন তৃণমূল কাউন্সিলর নিয়ে বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা

আর তারপরেই বহরমপুরের ‘রবীনহুড’ নামে খ্যাত প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে বিজেপিকে বাহবা দিয়ে মমতাকে এক প্রকার কটাক্ষই করেছেন অধীর। তিনি লিখেছেন, “যে রাজনৈতিক নোংরা খেলায় ‘দিদি’ কংগ্রেস দল ভাঙলো, সেই একই খেলায় ‘দিদি’র দল ভাঙছে বিজেপি”।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

এরই সাথে তিনি জুড়ে দিয়ে বলেন, দিদির রাজনৈতিক খেলার শিকার দিদি নিজেই। তিনি আরও বলেন, এটা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি নয়, এটা কর্মফল। এই পাপের ফল দিদিকে ভোগ করতেই হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে বিধানসভা, পৌরসভা থেকে পঞ্চায়েতে ভোটের পরেই বিজয়ী বিরোধী দলের প্রার্থীদের লোভ বা ভয় দেখিয়ে তৃণমূলে টানার অভিযোগ বারবার করা হয়েছে কংগ্রেস ও বিজেপির তরফ থেকে। ২০১১ তে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে রাজ্যে ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসানের পরেই একের পর এক কংগ্রেস নেতাকে দলে টেনেছেন মমতা।

আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির

রাজ্যে কংগ্রেসকে প্রায় শেষ করে দিয়েছেন মমতা। অধীর ও তাঁর অনুগামীরাই এখন র‍য়ে গেছেন কংগ্রেসে। সেই কর্মফল মমতাকেও ভোগ করতে হবে বলেই জানিয়েছেন অধীর। একই রকম ভাবে তৃণমূলকেও ভাঙবে বিজেপি মত তাঁর। আর এর জন্য মমতাই দায়ি কারণ এই নোংরা খেলাটা তিনিই শুরু করেছেন এই বাংলায়।

আরও পড়ুনঃ নাবালিকাকে বিয়ে করে পুলিশের ভয়ে গা ঢাকা দিলেন কাউন্সিলর
আরও পড়ুনঃ লাস্যময়ী নুসরত ও সুন্দরী মিমিই এবার মমতার চমক
আরও পড়ুনঃ প্রচুর চমক, রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২জন প্রার্থী কে কে
আরও পড়ুনঃ মিছিল মিটিং করতে মমতার পুলিশ প্রশাসন আর আটকাতে পারবে না বিজেপিকে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বৈশাখীর হাত ধরে বিজেপিতে শোভন, জল্পনা তুঙ্গে https://thenewsbangla.com/bjp-targets-baishakhi-to-get-sovan-in-party-speculation-in-bengal-politics/ Fri, 08 Mar 2019 03:43:21 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=7799 সুন্দরী বৈশাখীর হাত ধরেই কি বিজেপিতে শোভন? জল্পনা তুঙ্গে বাংলার রাজনৈতিক মহলে। আর এই ট্রাম্প কার্ড খেলেই মমতার তৃণমূলকে একটা বড় ঝটকা দিতে চাইছেন মুকুল রায়। শোভনকে দলে টানতে পারলে আর লোকসভা ভোটে ভাল ফল করতে পারলে তৃণমূলকে ভাঙতে যে আরও সুবিধা হবে সেটাই আশা করছেন বিজেপি নেতারা।

আরও পড়ুনঃ মরে গিয়েও তৃণমূল বিজেপির হাত থেকে রেহাই পেলেন না বড়মা

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চ্যাটার্জির রাজনৈতিক ঠিকানা কি শেষ অবধি বিজেপি? বাড়ছে জল্পনা। সম্প্রতি শোভন এবং শোভনের বান্ধবী বৈশাখী সহ বিজেপির রাজ্য ও কেন্দ্রস্তরের নেতাদের বক্তব্যে সেই সম্ভাবনাই দৃঢ় হচ্ছে।

বৈশাখীর হাত ধরে বিজেপিতে শোভন, জল্পনা তুঙ্গে/The News বাংলা
বৈশাখীর হাত ধরে বিজেপিতে শোভন, জল্পনা তুঙ্গে/The News বাংলা

সম্প্রতি বিজেপির কেন্দ্রস্তরের কিছু নেতার সাথে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপিতে যোগদানের ব্যাপারে কয়েক দফা আলোচনাও হয় বলে জানা গিয়েছে। সরাসরি স্বীকার না করলেও বিজেপি নেতাদের সাথে আলোচনার বিষয়টি পুরোপুরি উড়িয়েও দেননি তিনি।

বৈশাখী বলেন, কথা হতেই পারে, তবে তার সাথে রাজনীতির সম্পর্ক নাও থাকতে পারে। তবে আগামী দিনে অনেক কিছুই দেখা যাবে এবং ভবিষ্যতে যা করবেন, একসাথেই করবেন বলে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ এই প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের অ্যাসিড আক্রান্তরা

এদিকে সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহার বক্তব্যে। একপ্রকার নিশ্চিত করেই তিনি শোভনের বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, শোভনের জন্য বিজেপির দরজা খোলা, আসতে চাইলে বিজেপি ওয়েলকাম করবে। তবে কবে যোগ দেবেন, তা তিনি পরিষ্কার করে বলেন নি।

কিন্তু নারদা কান্ডে অভিযুক্ত শোভনকে কেন বিজেপি দলে টানতে ইচ্ছুক? এই ব্যাপারে রাহুল সিনহা বলেন, তৃণমূলের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। মমতাকে এক হাত নিয়ে তার বক্তব্য, “মমতা দরকারের সময় রক্ত চুষে নেন, যার বলি হয়েছে শোভন”।

আরও পড়ুনঃ ডিএ মামলায় হাইকোর্টে ফের মুখ পুড়ল রাজ্য সরকারের

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে শোভন চ্যাটার্জির বিশেষ সম্পর্কের কথা কারো অজানা নয়। বহুদিন ধরেই রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু শোভন-বৈশাখীর এই বিশেষ সম্পর্ক। তা নিয়ে দলীয় রাজনীতির জলও অনেক দূর অবধি গড়ায়।

শোভন বৈশাখী সম্পর্ক নিয়ে শোভনের একদিকে যেমন পারিবারিক বিবাদ যেমন চলছিল, তেমনি তার রেশ হানা দিয়েছিল প্রশাসনের অভ্যন্তরেও। শোভনের কান্ডে তিতিবিরক্ত মমতা এক প্রকার বাধ্য হয়েই আদরের ‘কানন’কে তিরষ্কারও করেন। শোভনকে মন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতেও বলা হয়।

আরও পড়ুনঃ মতুয়াদের বড়মার মৃত্যু রহস্যজনক, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

এরপরেই মেয়রের পদ থেকেও নিজেই ইস্তফা দেন শোভন। দলের সাথেও দুরত্ব বাড়ে কয়েকগুণ। আর এই অবস্থাকেই কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। বহুদিনের পোড় খাওয়া এবং ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি করে বড় হওয়া শোভন বিজেপিতে যোগ দিলে রাজনৈতিক ভাবে তারা লাভবান হবে বলে মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব।

তবে শোভন চ্যাটার্জি পরিস্কার জানিয়েছেন, “আমি এখনও তৃণমূল কংগ্রেসে আছি। আমি দলের সৈনিক। ভবিষ্যতে কিছু হলেও আপনারা জানতে পারবেন”। তবে শোভন চ্যাটার্জিকে দলে টানতে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কেই যে আগে বোঝানোর চেষ্টা করছে মুকুলের বিজেপি, এমনটাই বলছে বাংলার রাজনৈতিক মহল।

]]>
নেতাদের গুন্ডা পোষা না গুন্ডাদের নেতা হওয়া, প্রকাশ্যে বন্দুকবাজির কারন কি https://thenewsbangla.com/leaders-antisocials-or-antisocial-leader-what-is-the-reason-for-open-firing/ Sun, 16 Dec 2018 03:43:04 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4283 The News বাংলা, কলকাতা: জয়নগর, আদ্রা, আসানসোল, দুর্গাপুর, একের পর এক ঘটনা। বাংলায় দিনে দুপুরে রাস্তায় প্রকাশ্যে ঘুরছে বন্দুকবাজরা। কোথায় হলিউড স্টাইলে হামলা। কোথাও বা হাতে বন্দুক নিয়ে হুমকি। মুড়ি মুড়কির মত ‘বডি পরছে’। নেতাদের গুন্ডা পোষার জন্যই কি বাংলায় বন্দুক-গুলির রাজত্ব বাড়ছে? না গুন্ডাদের নেতা হওয়াই এর কারণ?

পঞ্চায়েত ভোটে বাংলায় গুন্ডারাজ দেখেছে আমজনতা। শাসক দল ও বিরোধী দলগুলির সংঘর্ষ দেখেছে বাংলা। কিন্তু এখন তো ভোট নেই। লোকসভা ভোট অনেক দূরে। রাজ্যে বিরোধী দলগুলোর সংগঠন এখনও শাসক দলের সমকক্ষ হয়ে উঠতে পারে নি। তাই বিরোধী হাত থেকে এলাকা দখলের গল্পও আসছে না। তাহলে প্রতিদিন এই রক্তপাত, বন্দুকের দাপাদাপি কেন? প্রকাশ্যে বন্দুকবাজি কেন?

নেতাদের গুন্ডা পোষা না গুন্ডাদের নেতা হওয়া, প্রকাশ্যে বন্দুকবাজির কারন কি/The News বাংলা
নেতাদের গুন্ডা পোষা না গুন্ডাদের নেতা হওয়া, প্রকাশ্যে বন্দুকবাজির কারন কি/The News বাংলা

জয়নগর এর ঘটনায় পুলিশি তদন্তে দুই গোষ্ঠীর বিবাদ সামনে এসেছে। উঠে এসেছে তৃণমূল জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি সারফুদ্দিন খানের নাম। যিনি হামলায় মারা গেছেন। কোন সমর্থক মরলেই মৃতদেহ নিয়ে মিছিল করা তৃণমূল এক্ষেত্রে একেবারে চুপ। লজ্জায় কি মুখ ঢাকল দল?

কে এই সারফুদ্দিন? জয়নগরের তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বনাথ দাসের সঙ্গী সারফুদ্দিন খানের নামে থানায় খুনের মামলা সহ একাধিক মামলা। কেন এমন গুন্ডা বাহিনী নিয়ে ঘুরতে হয় বিধায়ককে? প্রশ্ন উঠছে। সারফুদ্দিন খানের মত ব্যক্তি জয় হিন্দ বাহিনীর সভাপতি কি করে হন!

আরও পড়ুনঃ বিজেপির ‘রথ যাত্রা’র অনুমতি দিল না মমতা প্রশাসন

অন্যদিকে, তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বনাথ দাসের সঙ্গী সারফুদ্দিন খানকে খুন করার অভিযোগে নাম উঠে এসেছে আব্দুল কাহার মোল্লা ওরফে বাবুয়ার নাম। অভিযোগ, সে আবার আরেক তৃণমূল নেতা গৌর সরকারের সঙ্গী। তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বনাথ দাস আর তৃণমূল নেতা গৌর সরকারের লড়াইকেই কি প্রকাশ্যে আনল এই বোমা গুলি চালানোর ঘটনা। প্রশ্ন উঠছে।

আরও পড়ুনঃ ‘ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করুক মোদী ও মমতা’ ঘোষণা বিচারপতির

জয়নগর এর ঘটনার মধ্যেই পুরুলিয়ার আদ্রাতে দিনে দুপুরে প্রকাশ্য রাস্তায় খুন হয়ে গেলেন আর এক যুব নেতা। রেল গেটের কাছে প্রকাশ্যে বন্দুকবাজরা এসে ফিল্মি কায়দায় গুলি চালিয়ে খুন করল জোড়া ফুলের যুবনেতা হামিদ আনসারিকে। তৃণমূলের তরফ থেকে বিজেপি র দিকে আঙ্গুল তোলা হয়েছে। বিজেপির তরফ থেকে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের দিকে।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ২৫ টাকা কেজি পেঁয়াজ, নাসিকে দাম না পেয়ে আত্মহত্যা

তবে স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এর সঙ্গে রাজনীতির কোন সম্পর্কই নেই। না তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না বিরোধী হাত, কোনটাই খুনের কারন নয়। তৃণমূল যুবনেতা হামিদ আনসারি আদ্রা রেলের ‘ঠিকাদার সিন্ডিকেট’ চালাতেন বলেই অভিযোগ। তার বিরুদ্ধেও আগে খুনের মামলা ছিল যদিও পরে তা তুলে নেওয়া হয়। আর এই রেলের সিন্ডিকেট বিবাদই তার খুনের কারণ বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সিন্ডিকেট নেতা এখন শাসক দলের নেতা!

আরও পড়ুনঃ ‘বাংলায় রথ যাত্রা হবেই’ মমতাকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

দুর্গাপুরে আবার নিজের বাড়িতে সাতসকালে গুলি খাওয়া থেকে বাঁচলেন তৃণমূলের মেয়র পারিষদ স্বাস্থ্য রাখি তিওয়ারি। তবে এখানে বন্দুকবাজ তাঁকে মারতে আসে নি। এসেছিল তাঁর স্বামী রাকুকে মারতে। বিবাদ কেবল ব্যবসা নিয়ে। অভিযোগ মেয়র পরিষদের স্ত্রী হওয়ায় অঞ্চলে রাজত্ব করতেন রাকু। ক্ষমতার জোরে সমস্ত কেবল পয়েন্ট দখল করে নিয়েছেন নেত্রীর স্বামী।

জানা গেছে, মেয়র পরিষদের স্বামীকে খুন করতে আসা শশাঙ্ক প্রধানও সেই তৃণমূলেরই সমর্থক। কিন্তু আসল কথা হল, দুর্গাপুরে সকালে প্রকাশ্যে বন্দুক নিয়ে রাস্তায় ঘুরছে দুষ্কৃতী! বাংলায় হচ্ছে টা কি?! প্রশাসন কতটা অদক্ষ হলে এইভাবে প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে ঘুরতে পারে দুষ্কৃতীরা? প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। তবে মানুষের অভিযোগ, রাজনৈতিক দলগুলির বিশেষ করে শাসক দলের ছত্রছায়ায় থাকার জন্যই প্রকাশ্যে বন্দুক নিয়েও ঘুরতে ভয় পায় না দুষ্কৃতীরা।

আরও পড়ুনঃ জনগণকে ‘গাধা’ বানিয়ে ‘শিক্ষাগুরু নেহেরু’র যোগ্য ছাত্র সব রাজনীতিবিদ

রাজ্য পঞ্চায়েত ভোটে বোমা গুলির লড়াই দেখেছিল বাংলা। আর এখন প্রকাশ্য রাস্তায় বন্দুক হাতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বন্দুকবাজরা। নেতাদের গুন্ডা নিয়ে ঘোরা বন্ধ না হলে এই ঘটনা আরও ঘটবে। আর ‘ব্যক্তিগত প্রোফাইল’ না দেখেই দলের উঁচু পোস্টে ক্রিমিনালদের বসালে এমনই দুষ্কৃতীদের স্বর্গ রাজ্য হয়ে উঠবে বাংলা। তবে ক্ষমতায় আসার পর এলাকায় দাদাগিরি ও ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ এখন খুবই স্বাভাবিক।

শাসক দলের বন্দুকবাজদের দাপাদাপি প্রকাশ্যে এলেও একই দোষে দুষ্ট সব রাজনৈতিক দলই। নেতাদের ছত্রছায়ায় বেড়ে উঠছে গুন্ডা দল। কোথাও গুণ্ডারাই রাজনীতির দলের মাথা! দৃষ্টিকটু ভাবে বাংলায় রাজনীতির অবমুল্যায়ন হয়েছে। রাজনীতির নামে খুব খারাপ দিন আসছে বাংলায়। আশঙ্কার প্রমাদ গুনছেন বাংলার আমজনতা।

পড়ুন হাড় হিম করা অদ্ভুত সত্য গল্প

পড়ুন প্রথম পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

পড়ুন দ্বিতীয় পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

পড়ুন তৃতীয় ও শেষ পর্বঃ পৃথিবী এগোলেও তান্ত্রিকের কালো জাদু টোনায় ডুবে আফ্রিকা

]]>
রথযাত্রা উপলক্ষে বাংলায় মোদীর জনসভায় লোকসভার দামামা https://thenewsbangla.com/bjp-rath-yatra-occasion-pm-modis-rally-in-bengal-to-start-the-parliament-election-campaign/ Fri, 30 Nov 2018 07:48:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3333 The News বাংলা, কলকাতাঃ বিজেপির রথযাত্রা উপলক্ষে বাংলার ৫ জায়গায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এর মাধ্যমেই বাংলায় লোকসভা ভোটের বাজনা বাজিয়ে দেবে বিজেপি, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

পরপর ব্রিগেডে জনসভা বাম ও তৃণমূলের। আর তার আগেই রাজ্যের ৫ জায়গায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভা করে আগেই বাজিমাত করতে চাইছে বিজেপি। এখনও পর্যন্ত যা খবর, রথ যাত্রা উপলক্ষে মোট ৫ জেলায় মোদীর জনসভা করবে বিজেপি। দুর্গাপুর, মালদহ, শ্রীরামপুর, কৃষ্ণনগর এই ৪ জায়গায় নরেন্দ্র মোদীর জনসভা ঠিক হয়ে গেছে। বাকি আরও একটি জায়গায় জনসভা করার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুনঃ মায়ের পর এবার মোদীর বাবাকে নিশানা করে কুমন্তব্য কংগ্রেসের

২৪ শে ডিসেম্বর দুর্গাপুর, ২৮ শে ডিসেম্বর মালদহ, ৫ ই জানুয়ারী শ্রীরামপুর, ১১ ই জানুয়ারী কৃষ্ণনগর এই ৪ জায়গায় নরেন্দ্র মোদীর জনসভা ঠিক হয়ে গেছে বলেই রাজ্য বিজেপি সূত্রে জানা গেছে। বাকি একটি জায়গা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে। সেটা পুরুলিয়াতেও হতে পারে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ আজমল কাসভের একে ৪৭ এর বুলেটের সামনে দুই নার্স

আরও পড়ুনঃ ‘কাসভের বেটি’, জঙ্গি চিনিয়ে দেবার ‘পুরষ্কার’ পাচ্ছে দেবিকা

যেসব লোকসভা আসনে বিজেপি জেতার সবচেয়ে বেশি আশা করছে, সেই জায়গাগুলোকেই প্রধানমন্ত্রীর জনসভা করার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। সেই কারনেই, দুর্গাপুর, মালদহ, শ্রীরামপুর, কৃষ্ণনগর এই ৪ জায়গায় নরেন্দ্র মোদীর জনসভা ঠিক হয়ে গেছে বলেই রাজ্য বিজেপি সূত্রে জানা গেছে।

নরেন্দ্র মোদী পুজো দেবেন তারাপীঠে/ The News বাংলা
নরেন্দ্র মোদী পুজো দেবেন তারাপীঠে/ The News বাংলা

বাকি একটি জায়গা পুরুলিয়াতেও হতে পারে বলে জানা গেছে। কারণ পঞ্চায়েতের ফল অনুযায়ী পুরুলিয়া লোকসভা বিজেপি দখল করতে পারবে বলেই মনে করছে।

আরও পড়ুনঃ একে ৪৭ এর গুলি বুকে নিয়েও কাসভকে ছাড়েন নি তুকারাম

জানা গেছে, ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারী, দু সপ্তাহের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে ৫ বার বাংলায় আসবেন ও বাংলার ৫ জায়গায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এর মাধ্যমেই বাংলায় লোকসভা ভোটের দামামা বাজিয়ে দেবে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এর মধ্যে তারাপীঠে মায়ের পুজো দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। মায়ের পুজো দিয়েই বাংলায় লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করবেন নরেন্দ্র মোদী। সবমিলিয়ে রথযাত্রা ও তারপর মোদীর লোকসভা ভোটের প্রচারকে কেন্দ্র করে সাজ সাজ আবহাওয়া রাজ্য বিজেপিতে।

]]>