Bengal Police – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 29 Jun 2019 09:14:12 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Bengal Police – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 পাল্টে যাওয়া পুলিশকে ফের বাগে আনতেই, কি ২২ দিনের অতিরিক্ত মাইনে মমতার https://thenewsbangla.com/mamata-gave-22-days-extra-salary-to-police-hope-changed-bengal-police/ Sat, 29 Jun 2019 09:07:08 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14684 ‘পুলিশ তুমি যতই মারো, মাইনে তোমার একশো বারো’। বাম আমলের এই প্রবাদটা; এখন বেশ পুরনো। পুলিশের মাইনে এখন অনেকটাই বেড়েছে। এবার আবার মাইনে বাড়ছে পুলিশের। বছরে ২২ দিনের অতিরিক্ত বেতন পাবেন; পুলিশ কর্মী-অফিসাররা; নবান্ন থেকে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতার। পাল্টে যাওয়া পুলিশকে ফের বাগে আনতেই কি; ২২ দিনের অতিরিক্ত মাইনের ঘোষণা মমতার? প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা।

বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী জানান, “রাজ্যের পুলিশ কর্মীরা সপ্তাহে এক দিন ছুটি পায়। বছরে ৫২ দিন অতিরিক্ত কাজ করেন পুলিশ কর্মীরা। বছরে পুলিশ কর্মীদের ১৩ মাসের বেতন দেওয়া হয়। কিন্তু, এবছর থেকে আরও ২২ দিনের অতিরিক্ত বেতন দেওয়া হবে”। ফলে, বছর শেষে ৫২ দিনেরই; অতিরিক্ত বেতন পাবেন পুলিশ কর্মীরা। আর এরপরেই উঠে গেছে প্রশ্ন। পুলিশকে ফের নিজের মুঠিতে রাখতেই; কি এই ২২ দিনের অতিরিক্ত বেতন?

আরও পড়ুনঃ মুসলিম স্কুলে খাবার ঘর, বিতর্কের জেরে সার্কুলার প্রত্যাহার করে নিলেন মমতা

লোকসভা ভোটে শেষ তিন দফায়; তৃণমূলের ছকে না গিয়ে; নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে কাজ করেছে পুলিশ। তাতেই অনেক জায়গায় নিজেদের মেশিনারি; চালাতে পারেননি তৃণমূল নেতারা। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের। পুলিশ কথা শুনছে না; মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেছেন অনান্য মন্ত্রী ও নেতারাও। তাই এবার পুলিশের বেতন বাড়ার দাওয়াই মমতার।

বেতন নিয়ে চূড়ান্ত ক্ষোভ ছিল; নিচু তলার পুলিশ কর্মীদের মধ্যে। তার উপর কাজের চাপ; দিনে দিনে বাড়তে থাকায় বিদ্রোহ বাড়ছিল। একইসঙ্গে নিচুতলার পুলিশ কর্মীদের উপর; জনরোষ, বদলি নিয়েও বাড়ছিল ক্ষোভ। ক্ষোভের আঁচ পেয়েই; বেতন বাড়ানোর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।

পুলিশ নিয়ে মহাবিড়ম্বনায় পড়েছেন মমতা। সন্দেশখালি হোক বা নৈহাটি; ভাটপাড়া হোক বা পুরুলিয়া; বারবার প্রশ্নের মুখে পড়ছে পুলিশ। মমতা একাধিক রদবদল ঘটিয়েছেন; পুলিশের বেশ কিছু পদের। তাও যেন স্বস্তি নেই। পুলিশকে নিয়ে সন্দিহান মমতা; সভামঞ্চ থেকে সমালোচনাও করেছেন পুলিশের ভূমিকার। দলিয় বৈঠকে পুলিশের উপর ভরসা না রাখার; নির্দেশও দিয়েছেন মমতা।

তবে, পুলিশের সঙ্গে সংযোগ ছুটে গেলে; তার ফল কী হতে পারে মমতা ভালই জানেন। তাই পুলিশের মন ফিরে পেতেই; বেতন দাওয়াই চালু করলেন তিনি। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের। তবে পুলিশমহল মমতা সরকারের এই উদ্যোগে খুশি।

]]>
বহিরাগত দুষ্কৃতীদের অবাধ তাণ্ডব, ব্যর্থ রাজ্য প্রশাসন, গুলির লড়াইয়ে মৃত ২ https://thenewsbangla.com/outsider-miscreants-at-bhatpara-bengal-police-administration-failed-2-dead/ Thu, 20 Jun 2019 10:32:50 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14170 বহিরাগত দুষ্কৃতীদের অবাধ তাণ্ডব; সম্পূর্ণ ব্যর্থ রাজ্য পুলিশ প্রশাসন; গুলির লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত মৃত ২। ভোটের পর বৃহস্পতিবার ফের রণক্ষেত্র ভাটপাড়া; গুলির লড়াইয়ে মৃত দুই; শুন্যে পুলিশের ১৫ থেকে ২০ রাউণ্ড গুলি।

ভাটপাড়ার সাংসদ ও বিজেপি নেতা অর্জুন সিং; এই ঘটনার জন্য তৃণমূলের বহিরাগতদের দিকে আঙুল তুলেছেন। অন্যদিকে তৃণমূল নেতা মদন মিত্র; এই ঘটনার পিছনে বিজেপির বহিরাগতদের দিকেই আঙুল তুলেছেন। বহিরাগত তথ্য স্বীকার করে নিয়েছেন; রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

নতুন থানা উদ্বোধনের আগেই; ফের রণক্ষেত্র হয়ে উঠল ভাটপাড়া। ভাটপাড়া ফাঁড়ির ২০০ গজের মধ্যেই; চলছে বোমাবাজি। চলছে গুলির লড়াই। ইতিমধ্যেই গুলিবিদ্ধ হয়ে; দুজনের মৃত্যুৃর খবর মিলেছে। মৃতদের নাম রামবাবু সাউ ও সন্তোষ সাউ।

বৃহস্পতিবার ভাটপাড়ায় নতুন থানা; উদ্বোধন হওয়ার কথা। থানা উদ্বোধন করার কথা রাজ্যের ডিজি বীরেন্দ্রর। ভাটপাড়ায় এতদিন পুলিশ ফাঁড়ি ছিল। জগদ্দল থানার অন্তর্গত ছিল সেই ফাঁড়ি। কিন্তু ভোট পরবর্তী হিংসায় একমাস ধরেই উত্তপ্ত ভাটপাড়া। শান্তি ফেরানোর চেষ্টায়; বারবার ব্যর্থ হতে হচ্ছে প্রশাসনকে।

এলাকায় শান্তি ফেরাতে ভাটপাড়ায়; নতুন একটি থানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভাটপাড়া ফাঁড়িটিই বদলে হচ্ছে থানা। নতুন থানার ওসি হচ্ছেন রাজর্ষি দত্ত। থানা উদ্বোধন করতে ডিজি বীরেন্দ্রর আসার আগেই; নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাটপাড়া। নতুন থানার নাকের ডগায় শুরু হয় বোমাবাজি ও গুলি বৃষ্টি।

দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে; এই মুহূর্তে রণক্ষেত্র ভাটপাড়া। দুষ্কৃতীদের বাগে আনতে; শূন্যে ১৫-২০ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে পুলিশ। ভাটপাড়ায় কার্যত লাগামহীন সন্ত্রাস চালাচ্ছে দুষ্কৃতীরা।। তবে পুলিশ না দুষ্কৃতী; কোন পক্ষের ছোঁড়া গুলিতে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে; তা নিয়ে ধোঁয়াশা দেখা দিয়েছে। অর্জুন সিংয়ের অভিযোগ; পুলিশের গুলিতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে; অস্বীকার করেছে পুলিশ।

এই ঘটনায় এলাকার মানুষ; পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছে। গোটা এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দোকানপাট সমস্ত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ভাটপাড়ায় এভাবে সন্ত্রাস, অশান্তির পিছনে বহিরাগতদের হাত রয়েছে; বলেই দাবি করছেন স্থানিয় বাসিন্দারাও।

তাঁদের অভিযোগ; পুলিস যথোপযুক্ত কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ধরপাকড় চলছে ঠিকই; কিন্তু তাতে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব কমছে না। এই ঘটনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ রাজ্য পুলিশ প্রশাসন; মত রাজনৈতিক মহলের।

]]>
EXCLUSIVE: পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে পুলিশের সতর্কবার্তা https://thenewsbangla.com/bengal-police-fears-militant-attacks-alert-public-with-paper-advertisement/ Fri, 14 Jun 2019 12:29:42 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13797 The News বাংলা EXCLUSIVE: ভয়ঙ্কর ঘটনা; পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা ও পুলিশের সতর্কতা। রীতিমত কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে; মানুষকে সতর্ক করল পুলিশ। কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে; রীতিমত অর্ডার ছাপিয়ে মানুষকে এই ধরণের সতর্কতা করা বাংলায় বিরল বলেই জানাচ্ছেন; প্রাক্তন পুলিশ কর্তারা।

কে বা কারা দিল এই বিজ্ঞাপন? হাওড়া পুলিশ কমিশনার গৌরব শর্মা; কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে অর্ডার প্রকাশ করেছেন। সেখানেই হাওড়ায় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করে; বেশ কিছু নির্দেশ জারি করা হয়েছে। ১০ই জুন থেকে আগামী ৮ই আগস্ট পর্যন্ত; এই আদেশ জারি থাকবে।

কি বলা হয়েছে এই অর্ডারে? বাংলার বিখ্যাত বাংলা ও ইংরেজি দৈনিক খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে; এই অর্ডার প্রকাশ করেছেন হাওড়ার পুলিশ কমিশনার গৌরব শর্মা। সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে; হাওড়া শহরের সমস্ত থানা সংলগ্ন এলাকায় জঙ্গি হামলা বা দুষ্কৃতী হামলার আশঙ্কা রয়েছে।

পুলিশ কমিশনার গৌরব শর্মার প্রকাশিত অর্ডারে; মানুষকে জঙ্গি ও দুষ্কৃতীদের থেকে সতর্ক করেছেন। বলা হয়েছে, জঙ্গিরা বা দুষ্কৃতীরা হাওড়ার যেকোন বাড়ি বা এলাকায় লুকিয়ে থাকতে পারে। এদের হাতে মানুষের জীবনহানি ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে এই অর্ডারে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। হাওড়ার শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে বলেও আশঙ্কা।

হাওড়ায় বাড়ি ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা; নেওয়ার কথা বলা হয়েছে ঐ অর্ডারে। বাড়ি ভাড়া বা কোন কাজে বা অন্য কোন ক্ষেত্রে নতুন করে লাইসেন্স ইস্যু করার ক্ষেত্রে; চরম সতর্কতা অবলম্বন করার কথা বলা হয়েছে। বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে; আগে বাড়ি ভাড়া নিতে আসা মানুষদের ডিটেলস কাছের থানায় জমা করতে হবে।

১০ই জুন থেকে আগামী ৮ই আগস্ট পর্যন্ত; হাওড়া শহরে কার্যত ১৪৪ জারি করা হল। বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে চরম সতর্কতা জারি করা হল। বাড়ি ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে এই নিয়ম কেউ ভাঙলে; ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

প্রত্যেকে ব্যক্তিগতভাবে এই অর্ডার পাঠান অসম্ভব; তাই পুলিশ কমিশনারের তরফে কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে; অর্ডার ছাপিয়ে মানুষকে সতর্ক করা হল। The News বাংলাকে হাওড়া পুলিশ কমিশনার গৌরব শর্মা জানিয়েছেন; কিছু নির্দিষ্ট গোয়েন্দা রিপোর্ট পেয়েই; এই অর্ডার খবরের কাগজে প্রকাশ করা হয়েছে।

]]>
EXCLUSIVE: বাংলার কোন আদালতে অনুমতি ছাড়া ঢুকতে পারবে না পুলিশ https://thenewsbangla.com/bengal-police-can-not-enter-in-any-court-without-proper-court-permission/ Sun, 26 May 2019 08:13:41 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13326 ফের চরম লজ্জায়; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর পুলিশ দফতর। হাওড়া আদালতের ঘটনায়; আইনজীবীদের কাছে হার হল পুলিশের। হাওড়ার ঘটনায়; পুলিশের বিরুদ্ধে চরম লজ্জাজনক নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্য পুলিশের উদ্দ্যেশ্যে কড়া বার্তা দিল হাইকোর্ট।

আরও পড়ুনঃ ধরতে পারলেই গ্রেফতার, রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি

হাওড়া আদালত সংক্রান্ত বিষয়ে; পুলিশ ও আইনজীবীদের মামলায় লজ্জার হার রাজ্য পুলিশের। কি কি রায় দিল বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার ও বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায় এর বেঞ্চ? দেখে নিন একনজরে; কি কি নির্দেশ পাওয়ার পর; রাজ্যের সব আদালত থেকে কর্মবিরতি তুলছেন আইনজীবীরা।

ফের মেয়াদ বৃদ্ধি রাজ্য বেতন কমিশনের, হতাশ রাজ্য সরকারি কর্মীরা

আরও পড়ুনঃ রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের লজ্জাজনক রায়ঃ
১. এক সদস্যের তদন্ত কমিটি ৩ মাসের মধ্যে; এই ঘটনা নিয়ে আদালতে রিপোর্ট দেবে।
২. অন্ধ্রপ্রদেশ আদালত থেকে অবসরপ্রাপ্ত মুখ্য বিচারপতি কল্যাণজ্যোতি সেনগুপ্ত; এই ঘটনার তদন্ত করে আগস্টের ২৬ তারিখের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দেবেন।
৩. আগস্টের ২৬ তারিখে হাওড়া আদালত সংক্রান্ত মামলার রায় দেবেন; বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার ও বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায় এর বেঞ্চ।

৪. হাওড়ার পুলিশ কমিশনার আইপিএস বিশাল গর্গ; আইপিএস ডিসিপি ভিএস অনন্ত নাগ; অতিরিক্ত ডিসিপি ভাবনা গুপ্তা; হাওড়া থানার আইসি ইন্সপেক্টর রাজশ্রী দত্ত; সাব ইন্সপেক্টর অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়; সাব ইন্সপেক্টর বিপিন তামাং; আর হাওড়া জেলাতে কাজ করতে পারবেন না বলেই অভূতপূর্ব রায় দিয়েছে; কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার ও বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায় এর বেঞ্চ।
৫. যদিও আইনজীবীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এফআইআর বলবৎ থাকল; বলেই জানিয়েছে আদালত।
৬. কলকাতা হাইকোর্ট বা রাজ্যের ও জেলার কোন আদালতে; আদালতের অনুমতি ছাড়া; কোন পুলিশ কর্তা বা পুলিশ কর্মী প্রবেশ করতে পারবে না। উপযুক্ত অনুমতি বা সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া; পুলিশের কেউ রাজ্যের কোন আদালতে প্রবেশ করতে পারবে না।

হাওড়া আদালতের ঘটনায় নিজেই উদ্যোগ নিয়ে; মামলা দায়ের করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুনানি শেষে, বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার ও বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায় এর বেঞ্চ; রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে এই লজ্জাজনক রায় দেন। রাজ্যের সব আদালতে অনুমতি ছাড়া; পুলিশের ঢোকাই বন্ধ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

]]>
বাড়ল আরও ফোর্স, পুলিশ নয় সব বুথেই বাহিনী দিয়ে ভোট করাবে নির্বাচন কমিশন https://thenewsbangla.com/central-force-increased-no-bengal-police-in-booths-of-fourth-phase-poll/ Thu, 25 Apr 2019 15:43:40 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11632 আরও বাড়ল ফোর্স। চতুর্থ দফায় ৫৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে বাংলায় ভোট করাবে নির্বাচন কমিশন। ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে ভোট হবে চতুর্থ দফায়। জানালেন রাজ্যের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে। এর আগেই বীরভূম জেলায় ও আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে ১০০ শতাংশ বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানো হবে বলেই ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক।

তবে চতুর্থ দফায় আসানসোল ও বীরভূম ছাড়াও আছে বহরমপুর, সঙ্গে আছে নদিয়ার দুটি আসন রাণাঘাট ও কৃষ্ণনগর, আছে বর্ধমানের দুটি লোকসভা, বর্ধমান পূর্ব ও বর্ধমান দুর্গাপুর। আগামী ২৯ শে এপ্রিল মোট ৮ টি আসনে ভোট। আর এই ৮ টি আসন একটা বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। তৃতীয় দফায় ৩২৪ কোম্পানি বাহিনী ছিল। সেটাই এবার হচ্ছে ৫৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটে অনুব্রতর বীরভূম নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর পশ্চিমবঙ্গে চতুর্থ দফা থেকেই কমিশনের কাছে রীতিমতো এক বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট করানো। ইতিমধ্যেই রাজ্যে নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক জানিয়েছেন, আসানসোলে ১০০ শতাংশ বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে জানিয়েছেন বীরভূমেও ১০০ শতাংশ বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

কিন্তু বৃহস্পতিবার বিবেক দুবে জানিয়ে দিলেন, ৫৮০ কোম্পানি বাহিনী দিয়ে ভোট হবে চতুর্থ দফায়। ১০০ শতাংশ বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কোনরকমেই রাজ্য পুলিশকে বুথে রাখা হবে না। তৃতীয় দফার ভোট থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আরও কড়া নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ রাজ্য পুলিশে ভরসা নেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী

বৃহস্পতিবার রাজ্যে নিযুক্ত বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে জানিয়েছেন চতুর্থ দফা নির্বাচনে ১০০% বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তার জন্য থাকছে ৫৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিরোধীদের অভিযোগ এর পরিপ্রেক্ষিতেই কেবলমাত্র যে এই সিদ্ধান্ত, তা নয় বলেই নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে। সূত্রের খবর, বিগত দিনের রাজ্য নির্বাচনগুলিতে চতুর্থ দফার এই জেলাগুলিতে যে সন্ত্রাস হয়েছিল তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য আছে কমিশনের কাছে।

সেই কারণে নির্বাচন কমিশন দুর্গা পুজোর আগে থেকেই লোকসভা নির্বাচনের কর্মকাণ্ড এবং প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল। যার ফলস্বরূপ কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া তৃতীয় দফা নির্বাচন মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ ভাবেই হয়েছে। তবে তৃতীয় ধাপ পেরিয়ে গেলেও এখন নির্বাচন কমিশনের কপালে ভাঁজ পড়েছে বাকি দফাগুলির নির্বাচন সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করানো নিয়ে।

আরও পড়ুনঃ বাড়ি নেই, গাড়ি নেই, বাংলার অন্যতম গরিব প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

যার মধ্যে রয়েছে বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, আসানসোল এবং উত্তর কলকাতা। এই জেলাগুলোয় ভোট করানো যে রীতিমত কমিশনের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে চলেছে তা এককথায় স্বীকার করে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তার কারণ অতীতের যে রেকর্ড সেই রেকর্ড কিন্তু ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে একটা বড় ছাপ ফেলতে পারে তা বুঝতে পেরেই আগেভাগে সবদিক থেকে ঘর গোছাতে এখন তৎপর হয়ে উঠেছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় সুরাপ্রেমিদের চিন্তা বাড়াল নির্বাচন কমিশন, নতুন লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকান বন্ধ

রাজ্যের প্রথম তিনটি দফা ভোটের পর আর কোনো খামতি রাখতে চাইছে না কমিশন পরের দফাগুলি থেকে। এখন দেখার বিষয় মুর্শিদাবাদের পর বাকি দফাগুলোতে কমিশন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট করাতে সক্ষম হয় নাকি ডোমকলের মত ভোটার খুনের ঘটনা ঘটতেই থাকবে। তবে ৫৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারলে চতুর্থ দফার ভোটে যে আরও শান্তিপূর্ণ ভাবেই ভোট হবে সেটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
পুলিশের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করলেন বাবুল সুপ্রিয় https://thenewsbangla.com/babul-supriyo-bjp-leader-complained-against-bengal-police-of-molestation/ Mon, 22 Apr 2019 03:55:08 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11359 আসানসোলে এবার পুলিশের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করলেন বাবুল সুপ্রিয়। আসানসোলের বর্তমান সাংসদ, কেন্দ্রের মন্ত্রী ও ফের বিজেপি প্রার্থী বাবুলের অভিযোগে শোরগোল পরে গেছে গোটা রাজ্য রাজনীতিতে। তাঁর দলের এক নেতার স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি করেছে পুলিশ, এমনটাই অভিযোগ বাবুলের।

রামনবমীকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরেন বিজেপি ও তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। আসানসোলে বিজেপি ও তৃণমূলের ওই সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে বিজেপি নেতা রাজু যাদবের বাড়িতে জিজ্ঞসাবাদ করতে যায় আসানসোলের বরাকর থানার পুলিশ। ওই সময় বাড়িতে ছিলেন না বিজেপি নেতা রাজু যাদব। আর সেই সময়ই জিজ্ঞাসাবাদের নামে রাজু যাদবের স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি করেছে পুলিশ, এমনটাই অভিযোগ করেছেন বাবুল।

বাবুলের অভিযোগ, বরাকর থানার পুলিশ যখন রাজুর বাড়িতে যায় তখন কোন মহিলা পুলিশ কর্মী ছিলেন না। পুরুষ পুলিশ কর্মীরা রাজু যাদবের গায়ে হাত দেন, হাত ধরে টানাটানি করেন। তাঁকে গালাগাল দেওয়া হয়। অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করা হয় রাজুর স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে। এমনকি এই ঘটনার ভিডিও করা হয়, যা বাবুলের হাতেও এসেছে বলে জানিয়েছেন বাবুল নিজেই।

আরও পড়ুনঃ মুকুলের হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে কি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন মমতার দুই বিধায়ক

ইতিমধ্যেই, জেলার নির্বাচনী প্রধান হিসাবে আসানসোলের জেলাশাসক শশাঙ্ক শেঠির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন বাবুল সুপ্রিয়। আসানসোলের জেলাশাসক পুলিশের কাছে এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন বলেও জানা গেছে। ঘটনার প্রতিবাদে, বরাকর থানার সামনে ধর্নাও দেন বাবুল।

বাবুলের অভিযোগ, রাজু যাদবের বাড়িতে জিজ্ঞসাবাদ করতে বিনা ইউনিফর্মেই যায় আসানসোলের বরাকর থানার পুলিশ। এর মধ্যে বিনা ইউনিফর্মে বরাকর থানার আই সি রবীন্দ্রনাথ দলুইকে চিনতে পেরেছেন রাজু যাদবের স্ত্রী। তিনিও অশ্লীল কথা বলেন বলেই অভিযোগ বাবুলের।

আরও পড়ুনঃ মমতাকে বুঝতে আমারও ভুল হয়েছিল, মানুষের তো হবেই, বললেন মোদী

যদিও বরাকর থানার তরফ থেকে বাবুলের সব অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জানান হয়েছে, ভোটের প্রচারে সুবিধার জন্য বাবুল এই অভিযোগ আনছেন, শ্লীলতাহানির কোন ঘটনাই ঘটে নি। আসানসোলের ডেপুটি কমিশনার(পূর্ব) অনামিত্র দাস জানিয়েছেন, জেলাশাসকের নির্দেশ পেয়েই এই ঘটনার একটি তদন্ত শুরু হয়েছে। বাবুলের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে আসানসোল পুলিশ।

তবে ঘটনা যাই হোক, পুলিশের বিরুদ্ধে একেবারে দলের নেতার স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে হইচই ফেলে দিয়েছেন বাবুল। পুলিশের তদন্তে কি উঠে আসে সেটাই এখন দেখার। তবে এখানেই থেমে না থেকে এই ঘটনা নিয়ে, নির্বাচন কমিশন সহ রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের সব ঘটনা জানিয়ে অভিযোগ করছেন আসানসোলের বর্তমান সাংসদ, কেন্দ্রের মন্ত্রী ও ফের আসানসোলের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়।

আরও পড়ুনঃ নোডাল অফিসার স্বামীর উধাও হওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগলেন স্ত্রী অনিশা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
‘পুলিশ হত্যা মামলা’তেও বাংলার পুলিশের মুখে চুনকালি https://thenewsbangla.com/it-is-shameful-for-bengal-police-in-police-murder-case/ Mon, 19 Nov 2018 17:19:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2697 The News বাংলা, বীরভূম: এর চেয়ে লজ্জা বোধহয় আর কিছু ছিল না। দীর্ঘ চার বছর পর রায় ঘোষণা। এসআই অমিত চক্রবর্তী খুনের মামলায় প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস পেয়ে গেলেন ১৮ জন অভিযুক্তই। পুলিশের ভূমিকায় রীতিমতো ক্ষুদ্ধ আদালত। নিজেদের সহকর্মীর হত্যা তদন্তেও লজ্জায় ডুবল বাংলার পুলিশ।

২০১৪ সালের ৩ জুন দুবরাজপুরের আউলিয়া গোপালপুর গ্রামে তৃণমূল-সিপিএম ওই সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমার আঘাতে মারাত্মক জখম হন বীরভূমের দুবরাজপুর থানার টাউনবাবু অমিত চক্রবর্তী।

ওই পুলিশ আধিকারিককে ভরতি করা হয় দুর্গাপুরের মিশন হাসপাতালে। ৫৫ দিন ধরে কার্যত যমে-মানুষের টানাটানি চলে। ২৮ জুলাই মারা যান এসআই অমিত চক্রবর্তী।

The News বাংলা
The News বাংলা

বীরভূমের দুবরাজপুর থানার এসআই ছিলেন অমিত চক্রবর্তী। একশো দিনের প্রকল্পের কাজকে কেন্দ্র করে সিপিএম ও তৃণমূলের সংঘর্ষ শুরু হয় যশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আউলিয়া গোপালপুর গ্রামে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশবাহিনী নিয়ে গ্রামে যান এসআই অমিত চক্রবর্তী। তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা মারা হয়।

৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। অভিযুক্ত ছিলেন শাসকদলের যশপুরের অঞ্চল সভাপতি তথা দুবরাজপুর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আলিম শেখ সহ এলাকার প্রায় ৩০ জন শাসকদলের কর্মী-সমর্থকের। চার্জশিটে নাম ছিল তিনজন সিপিএম কর্মীরও। গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ২১ জনকে।

আরও পড়ুনঃ হাসপাতাল চত্বরে রাতভর ডিজে-নাচা-গানা নীরব পুলিশ

বিচার চলাকালীন মারা যান ২ জন অভিযুক্ত। জামিনে ছাড়া পান আরও ১জন। মামলার রায় ঘোষণা হওয়া পর্যন্ত জেলে ছিলেন ১৮ জন। শুক্রবার প্রমাণের অভাবে ১৯ জন অভিযুক্তকেই বেকসুর খালাস দিল সিউড়ি আদালত।

সোমবার, সিউড়ি আদালতের প্রথম অতিরিক্ত দায়রা বিচারক সোমেশচন্দ্র পালের মন্তব্য, ‘ঘটনার সঠিক তদন্ত হয়নি। দায়সারাভাবে তদন্ত করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও তথ্য-প্রমাণ পেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা।

মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন প্রথম অতিরিক্ত দায়রা বিচারক সোমেশচন্দ্র পাল। এদিকে রায় ঘোষণার পর আদালতে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহত পুলিশকর্মীর স্ত্রী পুতুল চক্রবর্তী। নিজে পুলিশ কর্মী হয়েও পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফলতির অভিযোগ তুলেছেন তিনিও।

আরও পড়ুনঃ বাংলার প্রায় দর্শক শূন্য আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

সিউড়ি আদালতে চার বছর ধরে এসআই অমিত চক্রবর্তী খুনের মামলার শুনানি চলছিল। এই মামলাটি প্রথম থেকে ছিল নাটকীয়তায় ভরা। আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন ২০ জন। তাঁদের মধ্যে ১৮ জনই পুলিশকর্মী।

সাক্ষ্য দিতে গিয়ে পুলিশ আধিকারিকরা কখনও অভিযুক্তদের চিনতে পেরেছেন, আবার কখনও পারেননি। এমনকী, একবার শুনানিতে সাক্ষীদের তালিকায় নিহত এসআই অমিত চক্রবর্তীর নামও উল্লেখ করেছিলেন তদন্তকারী অফিসার!

দুবরাজপুরের SI অমিত চক্রবর্তী হত্যা মামলায় নাটকীয় ভোলবদল হয় বেশ কয়েকবার। একবার আদালতে অভিযুক্তদের চিনতে পারেন নি মামলার প্রধান সাক্ষী দুই পুলিস কর্মী। এজলাসে দাঁড়িয়ে SI আদিত্য চন্দ্র মণ্ডল এবং ASI রণজিৎ বাউরি বলেছিলেন, অভিযুক্তদের তাঁরা চেনেন না।

আরও পড়ুনঃ গরু চুরি করতে এসে দড়ির ফাঁদে আটক বাঘমামা

এমন কি সকলকে অবাক করে, অভিযুক্তদের চিনতে অস্বীকার করেন মামলার অভিযোগকারী দুবরাজপুর থানার তৎকালীন OC ত্রিদিব প্রামাণিক। এমনকি, আলিম-সহ চার্জশিটে থাকা ৩৬ জনকে ‘নিরপরাধ’ বলে দাবি করে তাঁদের নাম ওই মামলা থেকে বাদ দেওয়ার আর্জি আদালতে জানান পাবলিক প্রসিকিউটর রণজিৎবাবু।

তাঁর দাবি ছিল, তিনি নিজে তদন্ত করে দেখে তাঁদের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত না থাকার প্রমাণ পেয়েছেন। ওই আর্জির কথা জানাজানি হতেই প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েন রণজিৎবাবু। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, শাসকদলের লোকেদের মদত করতেই পুলিশ হত্যার মতো ঘটনায় জড়িতদের ‘ছাড়’ দেওয়ানোর চেষ্টা করেছেন তিনি।

এই সব কারণেই সব অভিযুক্তই বেকসুর খালাস পেয়ে গেলেন। রাজ্য পুলিশের কাছে সোমবার একটা কালো দিন হিসাবেই লেখা থাকবে। পুলিশের উপর থেকে সাধারণ মানুষের ভরসা একেবারেই উঠে যাবে এই ঘটনার পর।

]]>