Bengal Lok Sabha Vote – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 08 Apr 2019 08:46:59 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Bengal Lok Sabha Vote – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ঘোড়া গাধা খচ্চর বিতর্কের পর গরুর গাড়িতে প্রচার, বিরোধী মতে মরার গাড়িতে তৃণমূল https://thenewsbangla.com/trinamool-campaigns-on-bullock-cart-bjp-call-cart-of-carcass/ Mon, 08 Apr 2019 08:46:59 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10283 তিনি মানেই প্রচারে অভিনবত্ব। কখনও হুড খোলা গাড়ি, কখনও খচ্চরের পিঠে চড়ে ভোট প্রচারের পর এবার গোরুর গাড়িতে। রবিবাসরীয় প্রচারে বেরিয়ে এবার সুসজ্জিত গোরুর গাড়িতে সওয়ার হয়ে বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা তাঁর নির্বাচনী এলাকায় প্রচার চালালেন। তবে এখানেও বিতর্ক। বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে মরার গাড়ি।

আরও পড়ুনঃ সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে ভোট বন্ধ করে দেবার হুমকি লকেটের

অসংখ্য দলীয় কর্মী সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে রবিবার জয়পুর ব্লকের কুচিয়াকোল গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রামে ঘোরেন বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা। তৃণমূল প্রার্থী শ্যামল সাঁতরা ভোট প্রচারে বেরোনো মানেই মানুষের ঢল।

আরও পড়ুনঃ নারদা-সারদার মূল পান্ডাকে কোলে নিয়ে ঘুরছেন মোদী, দিনভর তরজা মুকুল মমতার

প্রত্যাশিতভাবে কুচিয়াকোলও তাঁকে নিরাশ করেনি। গ্রামে ঢুকে বার বার থামাতে হয়েছে গোরুর গাড়ি। মানুষ ছুটে এসেছেন ফুলের মালা নিয়ে। চন্দনের ফোঁটা, গলায় ফুলের মালা পরিয়ে শঙ্খ ও উলুধ্বণীর মাধ্যমে তাঁকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বারাসাত কেন্দ্রের বিজেপি ভোট প্রার্থী নিজেই কোনদিন ভোট দেননি ভারতে

কয়েকদিন আগেই একটি প্রাণীর পিঠে চেপে ভোট প্রচারে বেরোন তিনি। তাঁর তরফ থেকে দাবি করা হয় সেটি ঘোড়া। বিরোধীরা বলে গাধার পিঠে চাপলেন বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা। যদিও পরে প্রমাণ হয় সেটি খচ্চর।

আরও পড়ুনঃ নবরাত্রি উপলক্ষ্যে জোরপূর্বক দুই শতাধিক মাংসের দোকান বন্ধের অভিযোগ হিন্দু সেনার বিরুদ্ধে

এদিন গরুর গাড়ি সাজিয়ে তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা প্রচার করেন। তিনি বলেন, আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সারা রাজ্যের সাথে এই এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছে তা ইতিপূর্বে কখনো হয়নি। আমাদের নেত্রীকে দেখেই মানুষ জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দেবেন।

আরও পড়ুনঃ তিন তালাকের ব্যাপারে সরকারের হস্তক্ষেপ অনুচিত, বলছেন মুসলিম মহিলারা

আর এদিনও তাঁর সাজানো গরুর গাড়িকে ঠিক যেন মরার গাড়ি বলে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে, মরার গাড়িতে বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা।

আরও পড়ুনঃ সাহস থাকলে কেরালা বা তামিলনাড়ু থেকে লড়ুন, মোদীকে চ্যালেঞ্জ শশীর

তবে তৃণমূলের তরফ থেকে এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধীতা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, হার নিশ্চিত জেনেই বিজেপি উল্টো পাল্টা বকছে। বিজেপি বলেছে, মানুষের হাসির খোরাক হচ্ছেন তৃণমূল প্রার্থী।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয়দের বাঁদরের সঙ্গে তুলনা করলেন রাহুলের গুরু পিত্রোদা

আপাতত গাধা ঘোড়া ও খচ্চর বিতর্কের পর এবার গরুর গাড়ি না মরার গাড়ি, এই বিতর্কে বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা। তবে প্রচারে যে তিনি জাঁকিয়ে বসছেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুনঃ কংগ্রেস নির্বাচনী ইস্তাহারকে প্রো জিহাদ ও অ্যান্টি ইন্ডিয়া বলে আক্রমণ কোয়েনা মিত্রের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাংলায় চার দলের লড়াই, ২০১১ র ভুল ২০১৯ এ করল না কংগ্রেস https://thenewsbangla.com/four-party-battle-in-bengal-lok-sabha-vote-congress-announce-candidates-in-bengal/ Tue, 19 Mar 2019 04:07:59 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8755 ২০১৯ লোকসভায় বাংলায় ৪ দলের লড়াই। তৃণমূল-বিজেপি-বাম-কংগ্রেস। সোমবারই ঠিক হয়ে যায় বাংলায় বাম কংগ্রেস জোট হচ্ছে না। তারপরেই রাত ১১ টায় প্রথম তিন পর্বের ১১ টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করে দিল কংগ্রেস। ২০১১ র ভুল ২০১৯ এ করল না কংগ্রেস, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

প্রথম তিন দফার ১১ টি আসনের জন্য ১১ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল কংগ্রেস। সোমবার রাত ১১ টা নাগাদ কংগ্রেসের তরফে দেশের বেশ কিছু লোকসভা আসনের সঙ্গে বাংলার ১১ টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ চোখ মেরে শাড়ির আঁচল ফেলে প্রচার মুনমুনের, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

প্রতিটি আসনে তিন-চার জন প্রার্থীর নাম নিয়ে সোমবার দিল্লি গিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। দুপুরে সভাপতি রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠক হয়। সেখানেই ১১ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত করা হয়। রাত ১১ টা নাগাদ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ ভাটপাড়ায় অনাস্থা, তৃণমূল বনাম বিজেপির জমজমাট লড়াই

প্রথম তিন দফার ভোটে বাংলার ১১ জন কংগ্রেস প্রার্থী হলেন, কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে প্রিয়া রায়চৌধুরী, আলিপুরদুয়ারে মোহনলাল বসুমাতা, জলপাইগুড়িতে মণিকুমার দারনাল, দার্জিলিংয়ে শঙ্কর মালাকার, রায়গঞ্জ আসনে দীপা দাশমুন্সি, বালুরঘাটে আবদুস সাদেক সরকার, মালদহ দক্ষিণ আসনে আবু হাসেম খান চৌধুরী (ডালুবাবু), মালদহ উত্তরে ঈশা খান চৌধুরী, বহরমপুরে অধীর চৌধুরী, মুর্শিদাবাদ আসনে আবু হেনা এবং জঙ্গিপুর আসনে অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

যে ১১ টি আসনে কংগ্রেস তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে তার অনেকগুলিতেই বামফ্রন্টও প্রার্থী দিয়েছে। জোট জটের শুরুতে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী ও সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরির হস্তক্ষেপে রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসনের জট কেটেছিল ঠিকই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই দুটি আসনেও প্রার্থীদের নামে সিলমোহর দিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। এর ফলে রায়গঞ্জে দীপা দাশমুন্সির দল ছাড়ার প্রসঙ্গও আপাতত চাপা পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

বেশ কয়েকদিন ধরেই বাম-কং আলোচনা চলছিল আসন সমঝোতা নিয়ে। কিন্তু চূড়ান্ত হওয়ার আগেই গত শুক্রবার বামফ্রন্টের বৈঠকের পর রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ সহ ২৫টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। একতরফা প্রার্থী ঘোষণাকে ‘অপমান’ হিসাবেই নিয়েছিল কংগ্রেস। সে দিনই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, বাংলায় বাম-কং আসন সমঝোতা হচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

সব চেয়ে বেশি জটিলতা তৈরি হয় বীরভূম আসন নিয়ে। বামেদের প্রার্থী তালিকায় ২৫ নম্বরে বীরভূমের নির্দল প্রার্থী হিসেবে নাম ছিল রেজাউল করিমের। কিন্তু তখনও তিনি কংগ্রেসের নেতা। নিজেদের দলের লোকের নাম বাম তালিকায় দেখে ক্ষুব্ধ হন সোমেন মিত্র ও অন্যান্যরা। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রকে ক্ষোভের কথা জানান সোমেন মিত্র। এরপরই বোঝা যাচ্ছিল যে ভেস্তে যেতে চলেছে জোট।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী নিয়ে অশ্লীল ও বিতর্কিত মন্তব্য ক্ষিতির

রবিবার সন্ধ্যায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র সাংবাদিকদের জানিয়ে দেন, “মনে হচ্ছে ৪২ টি আসনেই আমাদের প্রার্থী দিতে হবে”। আদতে সেটাই হল সোমবার রাতে। বাকি আসনে কংগ্রেস কাকে কাকে প্রার্থী করে সেটাই এখন দেখার।

>আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

২০১১ তে তৃণমূলের সঙ্গে জোট করে বামকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল-কংগ্রেস জোট। জোট কংগ্রেসের পক্ষে লজ্জাজনকই হয়। কিন্তু তারপরেই তৃণমূলের কৌশলে দলটাই ভাঙতে বসে কংগ্রেসের। সব নেতাদেরই দলে ঢুকিয়ে নেয় তৃণমূল। এবার আর সেই লজ্জাজনক জোট করল না কংগ্রেস।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>