Bengal Intellectuals – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 28 Jun 2019 12:40:03 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Bengal Intellectuals – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বিজেপি ও বুদ্ধিজীবীদের পর এবার অশান্ত ভাটপাড়ায় তৃণমূল পরিষদীয় দল https://thenewsbangla.com/tmc-assembly-team-in-troubled-bhatpara-after-bjp-bengal-intellectuals/ Fri, 28 Jun 2019 12:40:03 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14641 শুক্রবার ভাটপাড়ার অশান্ত পরিবেশ; ঘুরে দেখল তৃণমূলের একটি পরিষদীয় দল। পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে; ওই পরিষদীয় দলে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, তাপস রায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, সুজিত বসুরা। দুপুর নাগাদ বিধানসভা থেকে একযোগে; ভাটপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন তৃণমূল বিধায়কেরা। দুপুর তিনটে নাগাদ তাঁরা ভাটপাড়ায় পৌঁছান; তারপর উপদ্রুত এলাকাগুলি পরিদর্শন করেন।

দুপুর তিনটে নাগাদ তৃণমূল পরিষদীয় দল; ভাটপাড়ায় পৌঁছান। তারপর তাঁরা এলাকাগুলি পরিদর্শন করেন। এলাকায় শান্তি মিছিল করে তৃণমূল। বারাকপুরে সিপির সঙ্গেও দেখা করে পরিষদীয় দল। এর আগেই বিজেপির একটি সংসদীয় দল; ভাটপাড়া পরিদর্শন করে।

আরও পড়ুনঃ আসগর শেখকে জয় শ্রী রাম বলিয়ে গ্রেফতার আপসি মিঞা

সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই; লাগাতার রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে; উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া, জগদ্দল, কাঁকিনাড়া এলাকা। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এসে; ব্যারাকপুর লোকসভায় দীনেশ ত্রিবেদীকে হারিয়ে সংসদে গিয়েছেন অর্জুন সিং। তাঁর ছেড়ে আসা ভাটপাড়া বিধানসভার উপনির্বাচনে; তৃণমূল নেতা মদন মিত্রকে হারিয়ে; ছেলে পবনকেও জিতিয়ে এনেছেন অর্জুন।

আরও পড়ুনঃ আরও পড়ুনঃ বছরে কত টাকা কাটমানি তোলেন তৃণমূল নেতারা, হিসাব দেখে চমকে যাবেন মুকেশ আম্বানিও

এরপর থেকেই দফায় দফায় সংঘর্ষে; দিনের পর দিন উত্তাল হয়ে রয়েছে ওই শিল্পাঞ্চল। দুই পক্ষের একাধিক রাজনৈতিক কর্মীর প্রাণ গিয়েছে। বোমাবাজির মধ্যে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন; সাধারণ মানুষও। গোলমালের জেরে একটানা কয়েকদিন; ওই এলাকায় বন্ধ ছিল ইন্টারনেট পরিষেবাও।

আরও পড়ুনঃ ফের কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল সভাপতির বিরুদ্ধে; অভিযোগ এবার খোদ দলীয় নেতার

ভাটপাড়া পরিদর্শন করে সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন; “ওই এলাকায় বিজেপি পরিকল্পিতভাবে গোলমাল জিইয়ে রাখতে চাইছে। আপাতত পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়েছে। আমরা ফিরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিস্থিতি সম্পর্কে রিপোর্ট দেব”। এই এলাকাতেই কিছুদিন আগে; মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেন একদল বিজেপি কর্মী। সেই স্লোগান শুনে উত্তেজিত হয়ে; গাড়ি থেকে নেমে পড়েছিলেন মমতা।

তৃণমূল নেতাদের সফর প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ অর্জুনের কটাক্ষ; “ওঁদের সরকারের পুলিশ; বিজেপি কর্মীদের বুকে গুলি চালাচ্ছে। ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিলে মার খেতে হচ্ছে। তৃণমুূলের দুষ্কৃতীরা প্রতিদিন বোমাবাজি করছে। এই অবস্থায় সুব্রতবাবুরা অশান্তি বাড়াতেই এসেছিলেন”।

]]>
মমতার হুঁশিয়ারির উপেক্ষা করে ডাক্তারদের পাশে বাংলার বুদ্ধিজীবীরা https://thenewsbangla.com/bengal-intellectuals-oppose-mamata-banerjee-warning-stand-with-doctor/ Fri, 14 Jun 2019 07:39:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=13802 অবশেষে জুনিয়ার ডাক্তারদের পাশে এসে দাঁড়ালেন বাংলার বুদ্ধিজীবীরা। শুক্রবার অপর্ণা সেন, কৌশিক সেন, দেবজ্যতি মিশ্র সহ রাজ্যের বুদ্ধিজীবীরা; এন আর এস হাসপাতালে এসে জুনিয়ার ডাক্তারদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। জুনিয়ার ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন করে; বিক্ষোভ মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন তাঁরা।

প্রতিবাদ মঞ্চ থেকে অপর্ণা সেন মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা দেন; তিনি যেন একবার নিজে এসে জুনিয়ার ডাক্তারদের সাথে কথা বলেন। ডাক্তারদের সাথে যে ঘটনা ঘটেছে সেটা মোটেই কোন ছোট ঘটনা নয়; বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আন্দোলনকারী ডাক্তারদের দাবি মেনে নেবার জন্য; মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন অপর্ণা সেন।

আরও পড়ুন এন আর এস কাণ্ডের নিন্দায় শুক্রবার কর্মবিরতি দিল্লির এইমসের ডাক্তারদের

বুদ্ধিজীবীদের মতে মুখ্যমন্ত্রী এসে ডাক্তারদের পাশে দাঁড়ালেই; রাজ্য জুড়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার এই অরাজক পরিস্থিতি সামলানো সম্ভব। আন্দোলনকারী জুনিয়ার ডাক্তারদের পাশে দাঁড়িয়ে; অপর্ণা সেন গতকালের মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থানের কড়া নিন্দা করেন।

ডাক্তারদের হুঁশিয়ারির নিন্দা করে অপর্ণা সেন বলেন; “জুনিয়ার ডাক্তারদের অভিবাবক তো মুখ্যমন্ত্রী; তাহলে তিনি কেন এভাবে এসমা জারি করার হুমকি দিলেন। এটা চরম স্বৈরাচারীতার লক্ষন। মুখ্যমন্ত্রীর উচিত অবিলম্বে এই পরিস্থিতির সমাধান করা; ডাক্তারদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা দেওয়া”।

আরও পড়ুন মুখ পুড়ল বাংলার, হাসপাতাল কাণ্ডে নিন্দায় সরব দেশ ও বিশ্বের চিকিৎসক মহল

শুধু অপর্ণা সেনই নন, কৌশিক সেনও এসে দাঁড়িয়েছেন; এন আর এস এর জুনিয়ার ডাক্তারদের পাশে। ডাক্তারদের সুরক্ষার দাবিতে; এই আন্দলনকে সমর্থন জানিয়েছেন তিনিও। শুধু এনারাই নয়, সাংসদ দীপক অধিকারী (দেব) টুইট করেছেন; “যারা আমাদের প্রাণ বাঁচান; তাঁরা কেন বারবার মার খাবেন, তাদের সুরক্ষার দায় আমাদের”। তিনি ডাক্তারদের কাছেও অনুরোধ করেন রোগীদের পাশে যেন তাঁরা দাঁড়ান।

এদিকে শুক্রবার সকাল থেকেই ডাক্তারদের কর্মবিরতির পাশে শুরু হয়েছে সিনিয়ার ডাক্তারদের ইস্তফাপর্ব। রাজ্য জুড়ে আজও ডাক্তারদের গন ইস্তফা জমা পরছে। প্রায় ৮২ জন ডাক্তারের ইস্তফা জমা পরেছে শুক্রবার সকালে।

বৃহস্পতিবার, এসএসকেএম হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও; শুক্রবারও বন্ধ রাজ্যের সব হাসপাতালের আউটডোর। জুনিয়ার ডাক্তারদের পাশে দাঁড়িয়ে বাংলার বুদ্ধিজীবীরা বলেন; যতদিন না এই পরিস্থিতি মিটবে ততদিন তাঁরা কোন সরকারি অনুষ্ঠানে যোগদান দেবেন না বা কোন রকম সরকারি পুরস্কার গ্রহন করবেন না।

]]>
লোকসভা ভোটে তৃণমূল ও বিজেপিকে পরাজিত করার ডাক বাংলার বুদ্ধিজীবীদের https://thenewsbangla.com/bengal-intellectuals-signed-statement-to-defeat-trinamool-bjp-in-lok-sabha-polls/ Wed, 10 Apr 2019 15:40:43 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10502 গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার স্বার্থে, দেশজুড়ে ধর্মান্ধতা, ঘৃণা এবং অসহিষ্ণুতাকে মদত দেওয়া রাষ্ট্রশক্তি বিজেপিকে উৎখাত করার ডাক দিয়েছেন ভারতবর্ষের বিশিষ্ট চিত্রপরিচালক, চিত্রশিল্পী, সাহিত্যিক এবং চিন্তাবিদরা। এদের মধ্যে আছেন গিরিশ কারনাড, নাসিরুদ্দিন শাহ, অমল পালেকরের মতো মানুষ। এবার সেই চিন্তাভাবনায় শরিক হয়ে বাংলায় তৃণমূল ও বিজেপিকে একসঙ্গে পরাজিত করার ডাক বাংলার বুদ্ধিজীবীদের।

আরও পড়ুনঃ মমতা আরএসএস কোর কমিটির সদস্য, জানিয়ে দিলেন অধীর

“আমরা এই আহ্বানকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি”। এই বলেই বিবৃতিতে সই করেছেন বাংলার বুদ্ধিজীবীরা। লেখক, বুদ্ধিজীবী, নাট্যকারদের এই ডাকে সাড়া দিয়ে এবার বাংলায় লোকসভা ভোটে তৃণমূল ও বিজেপিকে একসঙ্গে পরাজিত করার ডাক দিলেন বাংলার বুদ্ধিজীবীরা।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মিমির বিজ্ঞাপনে মুখ ঢাকল যাদবপুর

পশ্চিমবঙ্গে সাম্প্রদায়িক ধ্যান-ধারণার দ্রুত বিস্তার, রাজ্যজুড়ে প্রতিযোগিতামূলক সাম্প্রদায়িকতা, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে বাধাদান, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে নির্লজ্জ পেশিশক্তির প্রয়োগে বাধাদান ইত্যাদি বিষয়ে শাসক তৃণমূল দলের ভূমিকাও অত্যন্ত নিন্দনীয়। অন্যদিকে দেশজুড়ে অরাজকতা, সাম্প্রদায়িক আক্রমণ, বেকারত্বের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য বিজেপিকেও একটা ভোটও নয় বলেই জানিয়েছেন তাঁরা।

আরও পড়ুনঃ চিত্র পরিচালক, লেখক ও বিজ্ঞানীদের পর এবার ৬০০ নাট্যকর্মী ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে

আমরা তাই এই রাজ্যের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত করার স্বার্থে ফ্যাসিবাদী বিজেপি এবং স্বৈরাচারী তৃণমূলকে আসন্ন ১৭তম লোকসভা নির্বাচনে পরাজিত করার আহ্বান জানাচ্ছি। এই বলেই বিবৃতিতে সই করেছেন বাংলার বুদ্ধিজীবীরা। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, কে কে সই করেছেন এই বিবৃতিতে।

আরও পড়ুনঃ ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন দেশের ২০০ জন লেখক
আরও পড়ুনঃ চিত্র পরিচালক ও লেখকদের পর ঘৃণার রাজনীতি নিয়ে সরব দেশের সেরা বিজ্ঞানীরা

সই করেছেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, তরুণ মজুমদার, অধ্যাপক অমিয় বাগচী, অর্ধেন্দু সেন, ওয়াসিম কাপুর, সব্যসাচী চক্রবর্তী, অশোক গঙ্গোপাধ্যায়, স্বরূপ দত্ত, স্বপ্নময় চক্রবর্তী, পবিত্র সরকার, অধ্যাপক শোভনলাল দত্তগুপ্ত, শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়, উর্মিমালা বসু, রাজা সেন, দীপালি ভট্টাচার্য, অরুণ মুখোপাধ্যায়, কৌশিক সেন, অনীক দত্ত, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, মায়া ঘোষ, চিত্রা সেন, অসিত বসু, বিমল চক্রবর্তী, মাসুদ আখতার।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে আটকে দিল নির্বাচন কমিশন, ভোটের আগে জোর ঝটকা

এছাড়াও সই করেছেন চন্দন সেন (নাট্যকার), অধ্যাপক রতন খাসনবিশ, অধ্যাপক বিনয় ভূষণ চৌধুরী, কালীকৃষ্ণ গুহ, ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়, রুমকি চট্টোপাধ্যায়, অধ্যাপক অশোকনাথ বসু, অধ্যাপক আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়, অধ্যাপক সিদ্ধার্থ দত্ত, চন্দন সেন (অভিনেতা), কিন্নর রায়, রেহান কৌশিক, শুভপ্রসাদ নন্দী মজুমদার, শুভেন্দু মাইতি, ভদ্রা বসু, বাদশা মৈত্র, সীমা মুখোপাধ্যায়, অধ্যাপক সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ ভোট বুথে গুন্ডাগিরি ও রিগিং রুখতে নির্বাচন কমিশন আনল বিশেষ অ্যাপ

এছাড়াও সই করেছেন দেবদূত ঘোষ, অনিন্দিতা সর্বাধিকারী, মন্দাক্রান্তা সেন, সংগ্রামজিৎ সেনগুপ্ত, মুরারি রায়চৌধুরী, সৌরভ পালোধী, তূর্ণা দাস, জয়রাজ ভট্টাচার্য, অধ্যাপক সুস্নাত দাস, অধ্যাপক শৌভিক মুখোপাধ্যায়, অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র, অরুনাভ গাঙ্গুলি, ডঃ তৃষিত রায়, ডঃ অঞ্জনলাল দত্ত, ডঃ অমিত পান, প্রাক্তন বিচারপতি নিসার খান, আনসারুদ্দিন, নিহারুল ইসলাম, চঞ্চল চক্রবর্তী, ডঃ অর্জুন দাসগুপ্ত, ডঃ সিদ্ধার্থ পুরকায়স্থ, ডঃ শ্রীরূপা দাসগুপ্ত, সার্থক রায়চৌধুরী।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা নয় কোচবিহার থেকে ভোট মনিটরিং করবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা https://thenewsbangla.com/taslima-nasrin-openes-the-mask-of-bengal-intellectuals-in-the-srijato-heckle-case-in-assam/ Tue, 15 Jan 2019 05:58:39 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5628 এবার শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের একহাত নিলেন তসলিমা নাসরিন। মঙ্গলবার সকালেই নিজের ফেসবুক পোস্টে তুলধনা করেছেন বাঙালি বুদ্ধিজীবিদের। অনেকে বলছেন এই লেখায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা নাসরিন। রাজনীতির রং দেখেই যে বাংলার বাংলার বুদ্ধিজীবিরা প্রতিবাদ করেন সেই অভিযোগই ফের করলেন এই বাংলাদেশের লেখিকা।

শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা/The News বাংলা
শ্রীজাত হেনস্থা ঘটনায় বাংলার বুদ্ধিজীবিদের মুখোশ খুললেন তসলিমা/The News বাংলা

ঠিক কি লিখলেন তসলিমা নাসরিন? পড়ুনঃ

“কবি শ্রীজাতর ওপর আক্রমণ হয়েছে আসামের শিলচরে। বজরং দলের লোকেরা বিক্ষোভ দেখিয়েছে। ইটবৃষ্টিও হচ্ছিল। পুলিশ তাঁকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে চলে যায়। এরপর শ্রীজাত বাক স্বাধীনতা নিয়ে বলেছেন, এটি থাকতেই হবে রাজ্যে। হ্যাঁ নিশ্চয়ই, এটি থাকতেই হবে। আমি চাই না শ্রীজাতর বাক স্বাধীনতা কেউ হরণ করুক, অথবা আর কারো বাক স্বাধীনতা।

শ্রীজাত নিজের বাক স্বাধীনতা চান, কিন্তু অন্যের বাক স্বাধীনতা কি চান? আমার বাক স্বাধীনতা? তাঁর রাজ্যে যখন আমার বাক স্বাধীনতা ভেঙ্গে চুরমার হয়েছিল, তখন শ্রীজাত তো নয়ই, বাক স্বাধীনতার অধিকার নিয়ে যারা ভীষণ লাফায়, তাদের প্রায় কাউকেই মুখ খুলতে দেখা যায়নি।

আরও পড়ুনঃ

‘ত্রিশূলে কনডম’, অসমের শিলচরে হিন্দুত্ত্ববাদী বিক্ষোভের মুখে কবি শ্রীজাত

বাংলায় দুর্গা পুজো বন্ধ করার চক্রান্ত করছে মোদীর বিজেপি, মারাত্মক অভিযোগ মমতার

কবে যেন শ্রীজাত কোথায় বলেছেনও শুনেছি, কলকাতায় আমার না যাওয়াই উচিত। আমার চলাফেরার অধিকারও নেই। টাইমস অব ইণ্ডিয়া থেকে টাইমস লিট ফেস্টে আমাকে কলকাতায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল গত নভেম্বরে। শেষের দিকে ওরা চুপচাপ জানিয়ে দিয়েছে কলকাতায় সম্ভব নয়। ওরা হয়তো ভেবেছিল, সিপিএম তো অনেকদিন গত হয়েছে, হয়তো নতুন সরকার পুরোনো সরকারের ভুল ত্রুটি শুধরে নিয়েছে।

অনেকে বলে বিজেপি আমার পক্ষে, যেহেতু বিজেপি মুসলিম কট্টরপন্থীদের বিপক্ষে। ওদের সরল অংকটা এরকম, যেহেতু মুসলিম কট্টরপন্থীরা আমাকে মেরে ফেলতে চায়, গত পঁচিশ বছর যাবত চাইছে, আর যেহেতু বিজেপি মুসলিম কট্টরপন্থীদের বিপক্ষে, তাই বিজেপি আমার পক্ষে।

শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু। সময় থাকলে টুইটারের মন্তব্য কলাম কেউ ঘুরে আসতে পারেন, ওখানে হিন্দু কট্টরপন্থীরা আমাকে লক্ষ করে প্রতিদিনই তাদের ঘৃণা ছুঁড়ছে, আমাকে ভারত ছাড়ার জন্য বলছে, যেন বাংলাদেশ চলে যাই, যেন পাকিস্তানে বা সৌদি আরবে চলে যাই। ওরা জানে আমি নাস্তিক, আমি ইসলাম মানি না, কিন্তু আমি অন্য কোনও ধর্মই যে মানি না, এমনকী হিন্দু ধর্মও নয়, তার ওপর হিন্দুর নারী বিরোধী কুসংস্কার নিয়ে প্রায়ই সরব হই, তা ওদের মোটেও পছন্দ নয়। তাই তারা চায় না, আমি ভারতে থাকি।

আরও পড়ুনঃ

নৃশংস নার্স, সেবাই যাদের ধর্ম তারাই পিটিয়ে মারল ১৬টি বাচ্চা কুকুর

ভয়াবহ নৃশংসতার নজির, পিটিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে ১৭টি কুকুরকে

আমার ওপর আক্রমণ হলে, আমার বই নিষিদ্ধ হলে, আমাকে রাজ্য থেকে, এমনকী ভারত থেকে তাড়ালেও কেন প্রগতিশীল বলে খ্যাত শহরেও কোনও প্রতিবাদ হয় না, যে শহরটির জন্য আমি ইউরোপের বাস ত্যাগ করে চলে এসেছিলাম? এই প্রশ্নটির আমি অনেকদিন কোনও উত্তর পাইনি।

আমার এখন মনে হয়, কলকাতার হাতে গোনা কিছু মানুষ ছাড়া অশিক্ষিত শিক্ষিত, মূর্খ বুদ্ধিমান, অলেখক লেখক, মুসলমান হিন্দু, আস্তিক নাস্তিক বিশ্বাস করে, আমি অনাগরিক, সুতরাং আমার অত বাক স্বাধীনতা থাকার দরকার নেই, ভারত জায়গা দিয়েছে, তাতেই আমার খুশি হয়ে ভারতের গুণগান গাওয়া উচিত, দালাই লামা যেমন গান।

আমার (রিফিউজি) মুখে অত এই চাই সেই চাই মানায় না। অত নারী স্বাধীনতা নারী স্বাধীনতা করছো কেন, মুসলমান মেয়েদের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছো কর, হিন্দু মেয়েরা সম্পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করছে, ওদের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন করো না। ও তোমার কাজ নয়, অতিথি অতিথির মতো থাকো।

আরও পড়ুনঃ

জেলাশাসকের স্ত্রী কাণ্ডে অপসারিত পুলিশ অফিসার পেলেন ‘মুখ্যমন্ত্রী সাহসী পুরস্কার’

বাংলায় ক্ষোভ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়াচ্ছে মোদী সরকার

হিন্দু মেয়েদের স্বাধীনতা নিয়ে যদি সংগ্রাম করতে হয়, তাহলে হিন্দুরা করবে, তুমি কে হে মুসলমান হয়ে আমাদের জন্য কথা বলতে এসেছো? নাস্তিক বানাতে চাও, মুসলমানদের বানাও। হিন্দু ধর্ম অনেক উদার, এই ধর্ম প্রো উইমেন, দেখ না কতো দেবী পুজো করি আমরা! কলকাতায় কেন থাকতেই হবে তোমাকে, কলকাতায় তুমি জন্মেছো?

যেখানে জন্মেছো সেখানে যাওয়ার চেষ্টা কর। তাড়িয়ে দিয়েছে, তাড়িয়ে দিয়েছে, তাই বলে অত অভিযোগ করতে হবে কেন? দেশে তো আশ্রয় দিয়েছি, এটাই কি বেশি নয়? আবার বক বক কেন? অনাগরিকের বক বক নাগরিকদের সয় না, এমনকী প্রগতিশীল বলে খ্যাত নাগরিকদেরও নয়।

শত নাস্তিক হলেও আমি ওদের চোখে মুসলমান। খাতায় রিফুইজি নয়, রেসিডেন্ট স্টেটাস থাকলেও আমি ওদের চোখে রিফিউজি। সুইডেনের নাগরিক হলেও আমি ওদের চোখে বাংলাদেশি (তুচ্ছার্থে)। আমি অতিথি নই, নিজ খরচে থাকলেও, বছর বছর ট্যাক্স দিলেও ওদের চোখে আমি অতিথি। অতিথিদের ইন্টারনাল বিষয়ে নাক গলাতে হয় না, সুতরাং আমারও নাক গলানো চলবে না।

আরও পড়ুনঃ

সিবিআই থেকে দমকলে বদলি, প্রতিবাদে চাকরি ছাড়লেন আইপিএস

পরকীয়া প্রেমের জেরে অজয় দেবগণের ফিল্ম স্টাইলে খুন

আমার রংটা সাদা হলে, ধর্মটা খ্রিস্টান হলে, ভাষাটা ইংরেজি হলে, বইগুলো ইংরেজিতে হলে, বাড়ি ইউরোপে হলে অবশ্য আমার বাক স্বাধীনতার জন্য প্রগতিশীল শহরে মিছিল হতো, বুদ্ধিজীবীরাও চেঁচাতেন।

আমার কি দেখা হয়নি সব? শ্রীজাতর ওপর কী হয়েছে? আমার ওপর তার চেয়ে লক্ষ গুণ বেশি অত্যাচার হয়নি? কেউ কেউ বলবে, হলে হোক, তুমি তো বিদেশি। একই ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে জন্ম হলেও আমি বিদেশি। আসলে আমার কথা বার্তা পছন্দ না হলেই আমি ‘বিদেশি’। বিদেশিদের সমস্যা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না, আমরা প্রগতিশীল, আমরা বাঙালি বুদ্ধিজীবি! বটে।”

এই ভাষাতেই নিজের ক্ষোভ উগলে দিলেন তাসলিমা নাসরিন। কলকাতার বুদ্ধিজীবী তো বটেই, কটাক্ষ করেছেন রাজ্য সরকারকেও। শ্রীজাতর জন্য যারা গলা ফাটাচ্ছেন তসলিমার জন্য তাঁরা চুপ কেন? হিন্দুত্ত্ববাদীদের বিরুদ্ধে কথা বললে ক্ষতি নেই, রাজ্যের বিরুদ্ধে বা মমতার বিরুদ্ধে কথা বললেই অনেক সুযোগ সুবিধা মিলবে না। সেই কারণেই কি? প্রশ্ন কিন্তু উঠছে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদে এক হিন্দু নারী

ভারতের কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

নতুন বছরের শুরুতেই খারাপ খবর, বড় বড় কোম্পানিতে কর্মী ছাঁটাই

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘ভাবনার বিপ্লব’ ভাবনা কস্তুরীর হাত ধরে

মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী

মোদীর প্রকল্পে আর টাকা দেবেন না মমতা, কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক তলানিতে

একদিনে বহিষ্কৃত দুই তৃণমূল সাংসদ, দিদিকে ছেড়ে মোদীর দলে আর কে কে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
উগ্র হিন্দুত্ববাদী নিশানায় নাসিরউদ্দিন, নিন্দা বাংলার বুদ্ধিজীবীদের https://thenewsbangla.com/naseeruddin-shah-targeted-by-extremist-hindus-intellectuals-of-bengal-condemned/ Sat, 22 Dec 2018 15:59:48 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4650 The News বাংলা, কলকাতাঃ অভিনেতা নাসিরউদ্দিন শাহের হয়ে এবার মুখ খুললেন বাংলার বুদ্ধিজীবীরা। উগ্র হিন্দুত্ববাদী নিশানায় রাজস্থানে নাসিরউদ্দিন এর স্কুলের অনুষ্ঠান বাতিল, তীব্র নিন্দা করলেন বাংলার বুদ্ধিজীবীরা।

আরও পড়ুনঃ ভারতে অবৈধ প্রবেশের দায়ে গ্রেফতার এক আমেরিকান নাগরিক

উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের চাপে বাতিল হয়েছে বিখ্যাত অভিনেতার অনুষ্ঠান। যেভাবে উগ্র মৌলবাদী সংগঠনের চাপের কাছে নতিস্বীকার করে রাজস্থানের আজমীর শহরে স্বনামধন্য অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহের অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে, তা সংস্কৃতিজগতের পক্ষে নিদারুণ উদ্বেগের বিষয়। শনিবার এক বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা জানিয়ে একথা বলেছেন রাজ্যের বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্ট নাগরিকরা।

উগ্র হিন্দুত্ববাদী নিশানায় নাসিরউদ্দিন, নিন্দা বাংলার বুদ্ধিজীবীদের/The News বাংলা
উগ্র হিন্দুত্ববাদী নিশানায় নাসিরউদ্দিন, নিন্দা বাংলার বুদ্ধিজীবীদের/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ কলকাতা হাইকোর্টের অন্দরেই আটকে রইল বিজেপির রথ যাত্রা

অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী চক্রবর্তী, নাট্য সমালোচক শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়, পরিচালক কমলেশ্বর মুখার্জি, পরিচালক অনীক দত্ত সহ বুদ্ধিজীবীদের পক্ষে থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৬৮ বছরের অভিনেতা নাসিরুদ্দিন যে স্কুলে পড়েছিলেন, সেই সেন্ট আনসেলম সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলে শুক্রবার সাহিত্য উৎসবের সূচনা হওয়ার কথা ছিল। উৎসবের শুরুতে মূল ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল নাসিরুদ্দিনের। কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ভয় দেখিয়ে সেই অনুষ্ঠান পন্ড করেছে।

আরও পড়ুনঃ ২২ বছর পর ফের ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন

বিবৃতিতে বিশিষ্টজনেরা বলেছেন, ‘গত শতাব্দীর সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে ভারতের অভিনয়জগতে স্বতন্ত্র মর্যাদায় মন্ডিত এই বর্ষীয়ান শিল্পীকে শনিবার যেভাবে সাম্প্রদায়িক জিগির তুলে অপমান ও হেনস্থা করা হচ্ছে তা আমাদের দেশের সৃজনের ধারার সঙ্গে যুক্ত সকলের পক্ষে কলঙ্কজনক’।

উগ্র হিন্দুত্ববাদী নিশানায় নাসিরউদ্দিন, নিন্দা বাংলার বুদ্ধিজীবীদের/The News বাংলা
উগ্র হিন্দুত্ববাদী নিশানায় নাসিরউদ্দিন, নিন্দা বাংলার বুদ্ধিজীবীদের/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ শহীদ জওয়ানকে সম্মান নয়, সেনাকে পাথর ছুঁড়ে দেশদ্রোহীরাই ভারতে ‘নায়ক’

তাঁরা আরও বলেন, ‘বিভেদ ও অশান্তির বিরুদ্ধে সমাজজীবনে সুস্থতা ও প্রগতির স্বার্থে নাসিরুদ্দিনের বলিষ্ঠ কণ্ঠ বারবার দেশের মানুষকে উজ্জীবিত করেছে। আজ যারা তাঁর বিরুদ্ধে কুৎসিত ব্যক্তি আক্রমণ করছে তাদের লক্ষ্য ধর্মের নামে রাজনীতি করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি। দেশটাকে বিভেদ আর দাঙ্গার অশান্তিতে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে এরা দেশের শত্রুদের হাত শক্ত করতে চায়’।

আরও পড়ুনঃ ‘কৃষি ঋণ মকুব’, মানুষ ও মিডিয়াকে চরম বোকা বানিয়ে ছলচাতুরী কংগ্রেসের

বিবৃতিতে বিশিষ্টজনেরা আরও বলেছেন, ‘আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ ভারতবর্ষের ঐক্য ও সংহতিকে যারা সুদৃঢ় ও অব্যাহত রাখতে চান তাঁদের প্রত্যেকের অবিলম্বে এই কদর্যতার প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন। আমরা দ্যর্থহীন ভাষায় আমাদের প্রিয় সুহৃদের অবমাননার ধিক্কার জানাচ্ছি’।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: কলকাতা থেকে পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের টাকা যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতে

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী চক্রবর্তী, নাট্য সমালোচক শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়, পরিচালক কমলেশ্বর মুখার্জি, অনীক দত্ত, অভিনেতা পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, নাট্যব্যক্তিত্ব কৌশিক সেন, মেঘনাদ ভট্টাচার্য, অরুণ মুখোপাধ্যায়, অশোক মুখোপাধ্যায়, নাট্যকার চন্দন সেন, আইনজীবী বিকাশ ভট্টচার্য, অভিনেতা চন্দন সেন, বাদশা মৈত্র, দেবদূত ঘোষ, বিমল চক্রবর্তী, সীমা মুখোপাধ্যায়, অসিত বসু, কুন্তল মুখোপাধ্যায়, শুভেন্দু মাইতি, সৌরভ পালধি, তূর্ণা দাশ, সংগ্রামজিৎ সেনগুপ্ত, দিলীপ চক্রবর্তী, ভদ্রা বসু ও মন্দাক্রান্তা সেন।

]]>