Bengal BJP – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 02 Jul 2022 13:34:30 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Bengal BJP – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বিজেপি লোকসভায় কটা আসন জিতলে, কান ধরে ওঠবস করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন ফিরহাদ হাকিম https://thenewsbangla.com/tmc-leader-firhad-hakim-challenges-bengal-bjp-president-sukanta-majumdar/ Sat, 02 Jul 2022 13:18:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15778 কান ধরে ওঠবস করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন ফিরহাদ হাকিম। ‘কান ধরে ওঠবস করবেন’! চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কিন্তু এই ধরনের অদ্ভুত চ্যালেঞ্জ কেন করলেন; রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম? আসলে লোকসভা ভোট নিয়ে বিজেপিকে এই ধরনের; চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন তিনি। ‘আগামী ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ২৫টি আসন পাবে’; বলে দাবি করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সুকান্তের সেই দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে, কলকাতার মেয়র বলেন; “লোকসভা ভোটে বাংলায় বিজেপি যদি ২৫ আসন পায়; আমি তাহলে কান ধরে ওঠবোস করব”। আগামী লোকসভা ভোটে; বিজেপি শূন্য পাবে বলেও দাবি করেন তিনি।

বাংলা বিধানসভা নির্বাচনের সময়, বিজেপির জনপ্রিয় শ্লোগান ছিল; “আব কি বার, দোশো পার”। কিন্তু বিধানসভার নির্বাচনের রেজাল্টের পরে; বাংলা নিয়ে বিজেপির মোহ ভঙ্গ হয়েছিল। একশোর গণ্ডিও পার করতে পারেনি বিজেপি। এবারে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে, বিজেপি বাংলা থেকে অন্তত ২৫টি আসন পাবে বলে; দলীয় কর্মীদের উৎসাহিত করছেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই প্রসঙ্গেই সুকান্ত মজুমদারকে তোপ দেগে ফিরহাদের মন্তব্য; “বিজেপি যদি ২৫টি আসন না পায়; তাহলে রাজনীতি ছাড়তে হবে সুকান্তকে”।

আরও পড়ুনঃ বিতর্কিত মন্তব্যের জের, নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে ‘লুকআউট নোটিশ’ জারি কলকাতা পুলিশের

শনিবার কলকাতা পুরসভায় ‘টক টু মেয়র’ অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠানেই ফিরহাদের বলেন; এবার বিজেপি শূন্য পাবে; লিখে রাখুন। আগেরবার ধুয়ো তুলে কিছু আসন পেলেও; এবার বিজেপি একটা আসনও পাবে না বলে দাবি ফিরহাদ হাকিমের। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে রেকর্ড ১৮টি আসন; বাংলা থেকে জেতে গেরুয়া শিবির।

আরও পড়ুনঃ মা’ওবা’দীদের নামে হু’মকি চিঠি দিয়ে, টাকা আদায় ‘খোদ’ রাজ্য পুলিশের

এদিন ফিরহাদের দাবি; “মানুষ বিজেপিকে আর বিশ্বাস করে না”। এরপরই ফিরহাদের চ্যালেঞ্জ, “সুকান্তবাবু লিখে দিক বিজেপি যদি ২৫ আসন না পায়; তাহলে উনি কী করবেন। লিখে দিক, উনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। কান ধরে ওঠবোস করবেন। আমি তো বলছি, বিজেপি বাংলায় ২৫টি আসন পেলে; কান ধরে ওঠবোস করব”। এর আগেও তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও অনুব্রত মণ্ডল; এইরকম ভোটের চ্যালেঞ্জ নিয়ে হেরে গিয়েছিলেন; কিন্তু দাবি অনুযায়ী কথা রাখেননি।

]]>
“তৃণমূল নেতাদের পিছনে পেট্রোল ঢেলে দিন, দেখুন কেমন দৌড়ায়”, ফের বিতর্কে দিলীপ https://thenewsbangla.com/dilip-ghosh-controversial-comment-about-tmc-leaders-in-bankura/ Wed, 11 May 2022 14:24:45 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15055 “তৃণমূল নেতাদের পিছনে পেট্রোল ঢেলে দিন; দেখুন কেমন দৌড়ায়”, ফের বিতর্কে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। শাসক দলের উদ্দেশে ফের কুরুচিকর মন্তব্য; বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি ও সাংসদ দিলীপ ঘোষের। বুধবার বাঁকুড়ার মাচানতলায়, এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে; তৃণমূল নেতাদের পিছনে পেট্রল ঢেলে দেওয়ার নিদান দিলেন দিলীপ ঘোষ। দৃষ্টান্ত দিয়ে তিনি ছেলেবেলায় কুকুরের পিছনে; পেট্রল ঢেলে দেওয়ার কথাও বলেন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে; ফের বিদ্বেষমূলক রাজনীতির অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা, দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছে।

বুধবার ভয় মুক্ত বাংলা, হিংসা মুক্ত রাজনীতির দাবি তুলে; বাঁকুড়ার হিন্দু হাইস্কুল ময়দান থেকে পদযাত্রা করে বাঁকুড়ার মাচানতলায় আকাশ মুক্তমঞ্চে সভা করেন দিলীপ ঘোষ। এই সভা থেকে আলুর দাম বৃদ্ধির জন্যে; রাজ্য সরকারকে দায়ী করেন দিলীপ ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় তৃণমূলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরসূরি কে, পরিস্কার জানিয়ে দিলেন অভিষেক

মঞ্চে তিনি বলেন, “আলু ১৫-২০ টাকা থেকে; আজ ৩৫ টাকায় পৌঁছে গেছে। আলু কি ইউক্রেন থেকে আসে; না রাশিয়া থেকে আসে? ৯০ টাকার পেট্রল যদি ১১৫ টাকা হয়; তাহলে দাম বাড়ল ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। আর আলু ১৮ টাকা থেকে ৩৬ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ ১০০ শতাংশ দাম বেড়েছে। পেট্রল কেউ খায় না; কিন্তু আলু সবাই খায়। এখন তৃণমূল নেতাদের ধরে; পিছনে একটু পেট্রল দিয়ে দিন। দেখুন তাঁরা কেমন দৌড় মারবে। আমরা ছোট বেলায় বদমায়েশি করে; কুকুরের পিছনে পেট্রল দিয়ে দিতাম”।

আরও পড়ুনঃ কাশীপুর, খেজুরির পর এবার ময়না, ফের বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু

প্রকাশ্যে বিজেপি নেতার এই কুরুচিকর মন্তব্যে প্রসঙ্গে; বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান শ্যামল সাঁতরা বলেন; “এর থেকে খারাপ বার্তা; মানুষের কাছে আর আসতে পারে না। এতেই বোঝা যায় বিজেপির সংস্কৃতি কোথায় পৌঁছেছে”। তাঁর মতে, “তৃণমূল কর্মীদের কুকুরের সঙ্গে তুলনা করার জন্য; দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত”।

দিলীপ ঘোষ এর এই বক্তব্য ঘিরে, শুরু হয়েছে; তৃণমূল বিজেপির জোর রাজনৈতিক তরজা। এর আগেও বিভিন্ন সময় দিলীপ ঘোষ এর বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে; রাজনৈতিক জলঘোলা কম হয়নি। এবার ফের তাঁর মন্তব্য নিয়ে শুরু হল বিতর্ক।

]]>
কাশীপুর, খেজুরির পর এবার ময়না, ফের বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু https://thenewsbangla.com/kashipur-khejuri-moyna-again-the-mysterious-death-of-a-bjp-worker-suvendu-protest/ Wed, 11 May 2022 06:59:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15040 কাশীপুর, খেজুরির পর এবার ময়না; ফের এক বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু। আবার এক বিজেপি কর্মীর রহস্যমৃত্যু ঘটল; পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না থানা এলাকায়। এবার ময়নাগুড়ির পিড়খালি সেতুর কাছ থেকে উদ্ধার হল; বিজেপি কর্মী কৃষ্ণ পাত্রর রক্তাক্ত দেহ। দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে; মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা করছে তদন্তকারীরা। বিজেপির দাবি, খু’ন করা হয়েছে; তাদের ওই যুবকর্মীকে।

ঠিক কী ঘটেছে ময়নায়?‌ স্থানীয় সূত্রে খবর; মৃত বিজেপি যুবকর্মীর নাম কৃষ্ণ পাত্র। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না থানার বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা কৃষ্ণ; বিজেপি কর্মী হিসেবে এলাকায় কাজ করতেন। পুরসভা নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছিলেন। মঙ্গলবার থেকে বেপাত্তা ছিলেন বিজেপি কর্মী কৃষ্ণ; আর বুধবার সকালে পিড়খালি সেতুর কাছ থেকে উদ্ধার হয় কৃষ্ণর র’ক্তাক্ত দেহ।

পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে; বিজেপি করার জন্যই কৃষ্ণ পাত্রকে খু’ন করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। কী করে তার দেহ ওখানে গেল; কারা মে’রেছে ওই বিজেপি কর্মীকে; কোথায় গিয়েছিলেন এই যুবক?‌ এইসব প্রশ্ন খতিয়ে দেখছে পূর্ব মেদিনীপুর পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ রবীন্দ্রনাথকে নোবেল দিয়ে অপমান করা হয়েছে, ঘোষণা তৃণমূল নেতার

এর আগেও কাশীপুর ও খেজুরিতে; দুই বিজেপি কর্মীর র’হস্যমৃত্যু নিয়ে চলছে বিতর্ক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাংলা সফরের দিনই; বিজেপি যুবমোর্চার নেতা অর্জুন চৌরাসিয়ার ঝু’লন্ত দেহ উদ্ধার হয় কাশীপুর রেল-কোয়ার্টারের ঘর থেকে। ঝু’লন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য দানা বাঁধে; কোনও সুইসাইড নোটও মেলেনি। তাঁকে পরিকল্পনা করে খু’ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে; বিজেপির তরফ থেকে। দেহ উদ্ধারে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে পুলিশ। তবে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে, কেন্দ্রীয় সরকারের কম্যান্ড হাসপাতালে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে; খু’নের অভিযোগ প্রমাণ হয়নি।

কাশীপুরের মতই একই ঘটনা ঘটে খেজুরিতে। বাড়ি ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে উদ্ধার হয়; বিজেপি কর্মী দেবাশিস মান্নার (২২) দেহ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি বিধানসভার বাঁশগোড়া বাজার সংলগ্ন এলাকায়; এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খু’ন নাকি আ’ত্মঘাতী?‌ উঠছে প্রশ্ন। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য; কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। “দেবাশিস মান্নাকে খু’ন করা হয়েছে”; অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর। অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন; তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি।

]]>
পদ্ম শিবিরে তুমুল ডামাডোল, সামাল দিতে বাংলায় আসছেন অমিত শাহ https://thenewsbangla.com/amit-shah-is-coming-to-bengal-to-handle-the-absard-situation-of-bengal-bjp/ Sat, 30 Apr 2022 04:23:59 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14996 পদ্ম শিবিরে তুমুল ডামাডোল; সামাল দিতে বাংলায় আসছেন অমিত শাহ। ‘আব কি বার, ২০০ পার’, না ২০০ পার তো হয়নি; উল্টে ১০০ পেরোয়নি বিজেপি। একুশের নির্বাচনে ২০০ পারের লক্ষ্যে; জোর ধাক্কা খেতে হয়েছে। এরপরে কলকাতা পুরসভা নির্বাচনেও চূড়ান্ত ভরাডুবি। রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনে; শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। দুবার উপনির্বাচনে হারের ধারা অব্যাহত রয়েছে; শান্তিপুর, দিনহাটা এমনকী আসানসোলও হাতছাড়া হয়েছে। এরপর গোদের উপর বিষফোঁড়ার মত শুরু হয়েছে, নেতায় নেতায় ঝামেলা। চূড়ান্ত ডামাডোল বঙ্গ বিজেপিতে। আর এবার সেটা সামাল দিতেই; বাংলায় আসতে হচ্ছে; স্বয়ং অমিত শাহকে।

একুশের নির্বাচনে পরাজয়ের পর; এই প্রথম বাংলায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা গেছে, সরকারি একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং শিলিগুড়িতে একটি জনসভা করবেন তিনি। কলকাতায় রাজ্য নেতৃত্ব ও জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে; দফায় দফায় সাংগঠনিক বৈঠকও করবেন তিনি। এখন রাজ্য বিজেপিতে যে ডামাডোল অবস্থা চলছে; তা থামাতে তিনি কি ব্যবস্থা নেন সেটাই দেখার বিষয়।

ঠিক কী পরিস্থিতি বিজেপির?‌ একের পর এক ভোটে হারার পড়ে; আদি বনাম নব্য বিজেপির লড়াইয়ে সংগঠন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। বিভিন্ন শিবিরে ভাগ বঙ্গ বিজেপি। যত নেতা তত শিবির। শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার, রাহুল সিনহা, শমীক ভট্টাচার্য, সবার যেন আলাদা আলাদা শিবির। তথাগত রায় ও দিলীপ ঘোষ এর বাক্য বিনিময়। লকেট চ্যাটার্জিকে সহ্য করতে পারেন না সুকান্ত মজুমদার। আরও কত ব্যক্তিগত সমস্যা। বিধায়ক–সাংসদরা দল ছাড়তে শুরু করেছেন। এই আবহে বাংলায় আসছেন সভাপতি অমিত শাহ। তাহলে কী ড্যামেজ কন্ট্রোল করতেই বাংলায় বিজেপির চাণক্য? উঠছে প্রশ্ন।

এরমধ্যেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী; জেলা বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে লেফট হলেন। সাংগঠনিক গ্রুপ থেকে লেফট হয়েছেন; বিধায়ক অশোক দিন্দা। শুভেন্দু অধিকারীর জেলার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে লেফট হওয়া নিয়ে; আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। এমনকী নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে; বিজেপি নেতা সাহেব দাসও লেফট হয়েছেন।

অমিত শাহ কি কি ব্যবস্থা নেন; সেটাই এখন দেখার। যদিও বঙ্গ বিজেপি নেতারা ডামাডোলের কথা উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন; “অমিত শাহজি আসছেন। পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে, কলকাতায় রাজ্য নেতৃত্ব ও জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে; সাংগঠনিক বৈঠক করবেন”।

]]>
বাংলার সব ঘটনা ছেড়ে, দিল্লি গেল তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম https://thenewsbangla.com/leaving-all-the-incidents-in-bengal-tmc-fact-finding-team-went-to-delhi/ Sat, 23 Apr 2022 07:19:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14920 মাটিয়া, মালদহ, হাঁসখালি, নামখানা, বোলপুর, পিংলা, নবদ্বীপ; রাজ্য জুড়ে একের পর এক নারী, নাবালিকা গণ’ধ-র্ষণ ও নি-র্যাতনের ঘটনা ঘটেছে; কিন্তু কোথাও দেখা যায়নি তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে। দেখা গিয়েছিল হাথরসে; কিন্তু দেখা যায়নি হাঁসখালিতে। এবার দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখতে; শুক্রবার দিল্লি যায় তৃণমূলের ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম’। আর এরই চরম সমালোচনা করলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।

কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অর্পিতা ঘোষ, অপরূপা পোদ্দার, শতাব্দী রায়ের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম; জাহাঙ্গিরপুরীর বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলার উদ্দেশ্যে রাজধানী শহরে গেলেও; শেষ পর্যন্ত হিংসার ঘটনা ঘটেছিল যেখানে সেখানে ঢুকতে পারল না তৃণমূলের এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম! তৃণমূলের অভিযোগ, তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে; ‘আটকায়’ দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে; ওঠে তৃণমূলকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ! তৃণমূলের এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের; সফরের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

এরপরেই তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের দিল্লি যাওয়া নিয়ে; সরব হয় বিজেপি নেতৃত্ব। দিলীপ ঘোষ থেকে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার থেকে শমীক ভট্টাচার্য; প্রত্যেকেই তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে কটাক্ষ করেন। শনিবার সকালে জাহাঙ্গিরপুরীতে তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠানো নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন; “রাজ্যে হিংসা বন্ধ করতে পারেন না; নাটক করতে ওখানে গেছেন। আসলে ছবি তুলতে গিয়েছিলেন; ওঁরা এটাই চান”।

শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন; “বাংলার কোথাও যেতে পারল না তৃণমূলের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম; তবে পৌঁছে গেল দিল্লিতে। দিদিমণির নাটক আর নিচ্ছে না বাংলার মানুষ”। সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যও; একই সুরে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন।

তবে বিজেপিকে একহাত নেন; তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, “উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাতের মতন রাজধানী দিল্লিতেও সাম্প্র’দায়িক উস-কানি দিচ্ছে বিজেপি। দেশের পক্ষে লজ্জা ও বিপদজনক ঘটনা এটি”। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অর্পিতা ঘোষ, অপরূপা পোদ্দার, শতাব্দী রায়ও একযোগে বিজেপিকে একহাত নেন; দিল্লির ঘটনা নিয়ে।

]]>
বাংলায় বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়নই বাতিল হয়ে গেল https://thenewsbangla.com/lok-sabha-poll-bengal-bjp-candidates-nomination-was-canceled/ Wed, 10 Apr 2019 13:44:41 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10490 রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী মুকুট মণি অধিকারীর মনোনয়নই বাতিল হল। তাঁর সরকারী চাকরিতে ইস্তফাপত্র গৃহীত হয় নি বা ওই ইস্তফাপত্র গ্রহনের কপি এসে পৌঁছায় নি। ওই আসনে বিজেপির প্রতীকের লড়বেন নদীয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক এর সভাপতি জগন্নাথ সরকার। এর ফলে জোর ঝটকা খেল বিজেপি। প্রার্থীর হয়ে দেওয়াল লিখন, প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছিল। আবার নতুন করে শুরু করতে হবে বর্তমান প্রার্থী জগন্নাথ সরকারকে। অবশ্য এটাকে নদীয়া জেলা বিজেপির তরফ থেকে ‘সাপে বর হল’ বলেই বলা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ মমতা আরএসএস কোর কমিটির সদস্য, জানিয়ে দিলেন অধীর

বিজেপি–র রানাঘাট কেন্দ্রের প্রার্থী নিয়ে নাটক অব্যাহতই ছিল মনোনয়নপত্র পেশের শেষ দিনেও। এই কেন্দ্রের জন্য দলের ঘোষিত প্রার্থী ডাঃ মুকুট মণি অধিকারীর প্রার্থিপদ নিয়ে জটিলতা ছিলই। স্ক্রুটিনির আগে সরকারি চাকরি ছাড়ার ছাড়পত্র না পেলে বাতিল হতই তাঁর প্রার্থিপদ। আর সেটাই হল। এসে পৌঁছায় নি তাঁর রিলিজ অর্ডার। ফলে বাতিল হয়ে গেল তাঁর মনোনয়ন পত্র।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রতর নকুল দানার পরিবর্তে মুড়ির মোয়ায় ভরসা লকেটের

রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী মুকুট মণি অধিকারী এদিন মনোনয়নপত্র পেশও করেন। পাশাপাশি এদিন দলের হয়ে মনোনয়নপত্র পেশ করেন দলের নদিয়া দক্ষিণের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি জগন্নাথ সরকারও। দুজন কিছুক্ষণ বসে থাকলেও কথাবার্তা বিশেষ বলেননি।
মুকুটমণি জানিয়েছেন, দলের ঘোষিত প্রার্থী হিসেবে তিনি মনোনয়নপত্র পেশ করছেন। তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে যে সমস্যা আছে, সেটা মিটে যাবে। তাঁর দল বিষয়টি দেখছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর সরকারী চাকরিতে ইস্তফাপত্র এসে পৌঁছায় নি।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা নয় কোচবিহার থেকে ভোট মনিটরিং করবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে

দলের হয়ে জগন্নাথ সরকার বা অন্য কেউ মনোনয়নপত্র পেশ করেছেন বলে তাঁর কিছু জানা নেই, বলেই এদিন জানান মুকুট মণি অধিকারী। দল এ বিষয়ে তাঁকে কিছু জানায়নি বলেই জানান তিনি। অন্যদিকে এ বিষয়ে জগন্নাথ সরকার জানিয়েছেন, দলের ঘোষিত প্রার্থী ডাঃ মুকুটমণি অধিকারী। তবে তাঁর প্রার্থিপদ নিয়ে জটিলতা আছে। সে কারণেই দলের নির্দেশে তিনিও প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।‌

আরও পড়ুনঃ পথ হারাল মমতার হেলিকপ্টার, হতে পারত বড় বিপদ

এদিন এই দুই প্রার্থীই নদীয়া জেলাশাসকের কার্যালয়ে আলাদাভাবে তাঁদের অনুগামীদের নিয়ে মিছিল করে এসে মনোনয়নপত্র পেশ করেন। কার্যালয়ে এই সময়ে প্রচুর মানুষ ঢুকে যান। তার ফলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ অতিরিক্ত বিজেপি কর্মী–সমর্থকদের জেলাশাসকের কার্যালয় থেকে বার করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে মুকুট মণি অধিকারীর বদলে জগন্নাথ সরকার প্রার্থী হওয়ায় সাপে বর হল বলেই মনে করছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে আটকে দিল নির্বাচন কমিশন, ভোটের আগে জোর ঝটকা

এছাড়াও বিজেপি–র অতিপরিচিত আরও দু–জন নেতাও এদিন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এঁরা হলেন মানবেন্দ্র রায় এবং সুজিত বিশ্বাস। মানবেন্দ্র রায় এর আগে ২০১৫ সালে কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপি–র প্রার্থী হয়েছিলেন। এই দুই প্রার্থী কিছু বলতে চাননি। তবে জানা গেছে, এঁদের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দলের প্রতীক সংবলিত নথি দেওয়া হয়নি। সেক্ষেত্রে এঁরা প্রার্থিপদ প্রত্যাহার না করলে, নির্দল হিসেবে পরিগণিত হবেন।‌

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মিমির বিজ্ঞাপনে মুখ ঢাকল যাদবপুর
আরও পড়ুনঃ ভোট বুথে গুন্ডাগিরি ও রিগিং রুখতে নির্বাচন কমিশন আনল বিশেষ অ্যাপ

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য পুলিশও থাকছে বুথে, বিরোধী শিবিরে জোর ধাক্কা https://thenewsbangla.com/wb-armed-police-with-central-forces-will-incharge-of-booths-in-bengal-first-phase-polling/ Wed, 03 Apr 2019 17:17:00 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9906 এই মুহূর্তের সবচেয়ে খবর। প্রথম দফা নির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীও থাকবে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই খবর। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য পুলিশও থাকছে বুথে, আর এটাই বিরোধী শিবিরে জোর ধাক্কা দিয়েছে। বিরোধীদের তরফে বিশেষ করে বিজেপির তরফে দাবি ছিল যে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে। সেই দাবি মানা হচ্ছে না বলেই জানা যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। প্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য পুলিশ এর সশস্ত্র বাহিনীও থাকছে ভোটের বুথে।

আরও পড়ুনঃ গাধা না ঘোড়া, দিনভর বিতর্কের পর জানা গেল খচ্চরের পিঠে ভোটপ্রার্থী

আগেই, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকরিকের দফতরের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ করে বিজেপি। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকরিকের দফতরের কয়েকটি ঘরে ঘুঘুর বাসা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ ছিল তাদের। সেইসঙ্গে রাজ্যের প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে বলেও দাবি জানিয়েছে তারা। পঞ্চায়েত ভোটে শাসক দলের চরম সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর দাবি তোলা হয়। যা মানা হচ্ছে না বলেই কমিশন সূত্রে খবর।

আরও পড়ুনঃ এক্সপায়ারি বাবুকে চ্যালেঞ্জ স্পিডব্রেকারের, বাংলায় মোদী মমতা তরজা তুঙ্গে

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকরিকের দফতরের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ আগেই করে বিজেপি। রাজ্য বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া এবং জয়প্রকাশ মজুমদার সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, “পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী না পেলে রাজ্য পুলিশ দিয়ে ভোট করানোর কথা বলেছেন নির্বাচন কমিশনের সিইও। আমরা এর বিরোধিতা করছি”। আর এই বিরোধিতা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীও থাকছে প্রথম দফার ভোটের বুথে বুথে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্থানে বিমানবাহিনীর হামলা, বাংলায় কাঁদল দিদি

বিজেপির মতে, “রাজ্যের প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে হবে। কারণ পশ্চিমবঙ্গে প্রতিটি বুথই উত্তেজনাপ্রবণ। শিশির বাজোরিয়া বলেন, “আমরা পরিষ্কার বলছি, কোনও বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট সম্ভব নয়। শুধু তাই নয়, এলাকায় আধাসেনার নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে হবে”। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি, দফতরের কয়েকটি ঘরে ঘুঘুর বাসা তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের মদতেই এটা হয়েছে”।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় উন্নতিতে বাধা ‘স্পীডব্রেকার’ মমতা, কটাক্ষ মোদীর

এদিকে বিজেপি ও বামেদের বারবার দাবি সত্ত্বেও সেই রাজ্য পুলিশ এর সশস্ত্র বাহিনীও থাকছে ভোটের বুথে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে এমনটাই খবর। রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা আছে নির্বাচন কমিশনের, মত তৃণমূলের। ফের পক্ষপাতের অভিযোগ বিজেপি ও বামেদের।

আরও পড়ুনঃ ভোট প্রচারে হেলিকপ্টার পাচ্ছেন না মমতা, অভিযোগের তীর কেন্দ্রের দিকে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিপুল উত্থান পদ্মের, ইঙ্গিত সমীক্ষায় https://thenewsbangla.com/bengal-lok-sabha-elections-a-huge-rise-of-bjp-is-indicating-in-the-survey/ Sat, 30 Mar 2019 03:36:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9483 লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় ধেয়ে আসছে গেরুয়া ঝড়, এমনই ইঙ্গিত বেসরকারি সংস্থা এসি নিয়েলসনের। শুক্রবার প্রকাশিত হয় এসি নিয়েলসনের পশ্চিমবঙ্গের প্রাক নির্বাচনী পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষার ফলাফল।

সমীক্ষায় পরিষ্কার, অন্যান্যদের ভোটব্যাংকে এমনকি শাসক দল তৃণমূলের ভোট শতাংশেও ভাগ বসাতে চলেছে বিজেপি। এরই সঙ্গে রাজ্যের একমাত্র প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে আসছে বিজেপি। তবে বিরোধী ভোট কাটাকাটিতে অনেক আসনেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল জিতে যাচ্ছে বলেই সমীক্ষায় বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মোদীর ব্রিগেড সভার অনুমতি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দিল সেনা

সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের ৪২ টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩১ টি আসন যেতে পারে তৃণমূলের দখলে, ৮ টি যেতে পারে বিজেপির দখলে এবং ৩টি যেতে পারে কংগ্রেসের দখলে। তাদের প্রাপ্ত সম্ভাব্য ভোট শতাংশ যথাক্রমে ৩৭%, ২৬% ও ৯%। উল্লেখযোগ্যভাবে ২৪% ভোট পেয়েও একটিও আসন দখল করতে পারছে না সিপিএম। সমীক্ষায় এমনটাই বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ৬ বারের জয়ী সিপিএম সাংসদের বাড়িতে অর্জুন, শুরু জল্পনা

এর আগের রাজ্যের সমস্ত উপনির্বাচনে দেখা গিয়েছে, শাসক দল তৃণমূলের ভোট শতাংশ মোটামুটি একই রয়েছে, কিন্তু সিপিএমের ভোট শতাংশ যতটা কমছে, ঠিক ততটাই বেড়েছে বিজেপির ভোট৷ কিন্তু এই প্রথম বহু আসনেই এবং সামগ্রিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটব্যাংকেও থাবা বসাতে চলেছে বিজেপি, বলা হয়েছে এসি নিয়েলসনের পশ্চিমবঙ্গের প্রাক নির্বাচনী পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষার ফলাফলে।

আরও পড়ুনঃ মোদীর মিশন শক্তির ঘোষণায় নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘন হয়নি, জানিয়ে দিল কমিশন

উল্লেখ্য, ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ৩৯.০৫% ভোট। নিয়েলসন সমীক্ষা অনুযায়ী এবার তৃণমূলের ভোট কমে হচ্ছে ৩৭%। তৃণমূলের সম্ভাব্য আসন সংখ্যাও গতবারের ৩৪ থেকে কমে হচ্ছে ৩১ টি। এদিকে বিজেপির ভোট শতাংশ গতবারের ১৬.৮০% থেকে একলাফে বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২৬%। তারা গতবারের ২ টি আসন থেকে এবার জিততে পারে ৮ টি আসন।

আরও পড়ুনঃ ইসরো চেয়ারম্যানকে খুনের হুমকি, সন্দেহের তীর জইশ ই মহম্মদ জঙ্গি গোষ্ঠীর দিকে

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপি পেয়েছিল ২ টি আসন, আসানসোল ও দার্জিলিং। সমীক্ষার আভাস, এবারেও এই দুটি আসন ধরে রাখতে পারবে বিজেপি। এরই সাথে বিজেপি দখল করতে চলেছে আলিপুরদুয়ার, রায়গঞ্জ, বালুরঘাট, কৃষ্ণনগর, বনগাঁ ও ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র। ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে সদ্য তৃণমূল ত্যাগি অর্জুন সিং বেশ বড় ব্যবধানেই জিতবেন বলা হয়েছে সমীক্ষায়।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মধ্যেই নারদ মামলায় তৃণমূল নেতাদের চার্জশিট দেবে সিবিআই, খুশি পদ্ম শিবিরে

এর বাইরেও বেশ কিছু আসনে তৃণমূল ও বিজেপির হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা। সমীক্ষা অনুযায়ী, বাঁকুড়া ও শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলছে বিজেপি। এই দুই কেন্দ্রে যথাক্রমে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ ভোরবেলায় লাঠিচার্জ করে মাদ্রাসা সার্ভিস উত্তীর্ণদের মেরে ওঠাল পুলিশ

বাঁকুড়া ও শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের সম্ভাব্য প্রাপ্ত ভোট শতাংশ হতে পারে, যথাক্রমে ৩৪% ও ৩২%। এই দুই কেন্দ্রে বিজেপির সম্ভাব্য প্রাপ্ত ভোট শতাংশ যথাক্রমে ৩২% ও ৩১%। ফলে ভোট কাটাকাটির হিসেবে এই কেন্দ্রগুলোতেও অনেক পরিবর্তন হতে পারে। প্রচারের উপরেউনেক কিছু নির্ভর করছে বলেই জানান হয়েছে সমীক্ষায়।

আরও পড়ুনঃ খোদার কসম মোদীকে জেলে ঢোকাবো, এনসি নেতা জাভেদ রানার মন্তব্যে উত্তাল দেশ

সমীক্ষায় প্রকাশ, ২৪% ভোট পেয়েও সিপিএম একটিও আসন পাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে তৃণমূল বিরোধী ভোট বিজেপির দিকেই যাবার সম্ভাবনা প্রবল। বিগত প্রায় সমস্ত উপনির্বাচনে দেখা গিয়েছে, একসময়ের সিপিএমের ভোটাররা বিজেপির দিকেই ঝুঁকছেন বেশি পরিমানে। এক কথায়, বাংলায় বিজেপির যে উত্থান যে ঝড়ের বেগে ঘটতে চলেছে, তা প্রায় পরিষ্কার। তবে বাংলায় বিরোধী ভোট ভাগাভাগি হওয়ায় সুবিধা পাচ্ছে তৃণমূল, ইঙ্গিত সমীক্ষায়।

আরও পড়ুনঃ পাক জঙ্গিদের সাহায্যকারি দেশের বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজতে ৮ সদ্যসের গোয়েন্দা দল

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
আরও ১০, বাংলায় ৪২ আসনের মধ্যে ৪০টি আসনে প্রার্থী ঠিক করল বিজেপি https://thenewsbangla.com/bjp-announced-another-10-total-40-out-of-42-candidates-in-bengal-lok-sabha-seats/ Tue, 26 Mar 2019 16:01:46 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9315 বাংলায় মোট ৪০ টি আসনের প্রার্থী ঠিক হয়ে গেল বিজেপির। প্রথমে ২৮টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল। তারপর জঙ্গিপুর ও দার্জিলিং এর প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল। মঙ্গলবারই পশ্চিমবঙ্গে আরও দশ কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ পায়ে নয় বুকে গুলি চালান, বিতর্কিত বিজেপির সায়ন্তন

জল্পনা সত্যি করে মতুয়া ঠাকুরবাড়ি থেকে শান্তনু ঠাকুরকে বনগাঁ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করল বিজেপি। এছাড়াও জয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করা হল উলুবেড়িয়া থেকে। সাংবাদিক রন্তিদেব সেনগুপ্তকে প্রার্থী করা হয়েছে হাওড়া থেকে। তবে পুরুলিয়া ও বর্ধমান দুর্গাপুর আসনে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ অভিষেকের স্ত্রীর সোনা কাণ্ড নিয়ে ক্লিনচিট দিল নির্বাচন কমিশন

মঙ্গলবারের পর এরাজ্য থেকে মোট ৪০ জন প্রার্থী ঘোষণা করা হল বিজেপির তরফে। এখনও বাকি আর ২টি আসন। বর্ধমান দুর্গাপুর ও পুরুলিয়া আসন। এভাবে এত ভাগে প্রার্থী ঘোষণা করায় কিছুটা হতাশ কর্মীরাও।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ১০০ বিধায়ক, অর্জুনের মন্তব্যে জল্পনা চরমে

একনজরে আবার দেখে নিন কোন আসন থেকে কে প্রার্থীঃ

৩১। হাওড়া: রন্তিদেব সেনগুপ্ত
৩২। বাঁকুড়া: সুভাষ সরকার
৩৩। বোলপুর: রামপ্রসাদ দাস
৩৪। বহরমপুর: কৃষ্ণ জোয়ারদার আর্য
৩৫। রাণাঘাট: মুকুটমণি অধিকারী
৩৬। ডায়মন্ড হারবার: নীলাঞ্জন রায়
৩৭। উলুবেড়িয়া: জয় বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৮। মুর্শিদাবাদ: হুমায়ুন কবির
৩৯। বনগাঁ: শান্তনু ঠাকুর
৪০। কাঁথি: দেবাশিস সামন্ত

আরও পড়ুনঃ জলপাইগুড়ি লোকসভায় বিজেপির দুজন প্রার্থী, শোরগোল বাংলায়

১০টি লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। প্রথম এবং দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে বিজেপি। মঙ্গলবার আরও ১০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল গেরুয়া শিবির৷ পশ্চিমবঙ্গের ৩০টি আসনের প্রার্থী কিছুদিন আগেই চূড়ান্ত করেছে বিজেপি। একনজরে দেখে নিন পুরো তালিকা।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা রিপোর্টে গত ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদদের পারফরম্যান্স লজ্জাজনক

বাংলায় বিজেপির ৪০ আসনে প্রার্থী কারা? জেনে নিন একনজরেঃ

১। কোচবিহারঃ নিশীথ প্রামাণিক
২। কৃষ্ণনগরঃ কল্যাণ চৌবে
৩। কলকাতা দক্ষিণঃ চন্দ্র বসু
৪। কলকাতা উত্তরঃ রাহুল সিনহা
৫। যাদবপুরঃ অনুপম হাজরা
৬। আলিপুরদুয়ারঃ জন বার্লা
৭। জলপাইগুড়িঃ জয়ন্ত রায়
৮। রায়গঞ্জঃ দেবশ্রী চৌধুরী
৯। মালদা উত্তরঃ খগেন মুর্মু
১০। মালদা দক্ষিণঃ শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী

আরও পড়ুনঃ জেএনইউ উপাচার্যর বাড়িতে শতাধিক বামপন্থী ছাত্রদের হামলা, স্ত্রীকে চরম হেনস্থা

১১। দমদমঃ শমীক ভট্টাচার্য
১২। বসিরহাটঃ সায়ন্তন বসু
১৩। বালুরঘাটঃ সুকান্ত মজুমদার
১৪। বারাসতঃ মৃণালকান্তি দেবনাথ
১৫। হুগলিঃ লকেট চট্টোপাধ্যায়
১৬। মেদিনীপুরঃ দিলীপ ঘোষ
১৭। আসানসোলঃ বাবুল সুপ্রিয়
১৮। ঘাটালঃ ভারতী ঘোষ
১৯। বীরভূমঃ দুধকুমার মণ্ডল
২০। আরামবাগঃ তপন রায়

আরও পড়ুনঃ শোভন বাদ, তৃণমূলের ভোটের দায়িত্বে রত্না চট্টোপাধ্যায়

২১। জয়নগরঃ অশোক কাণ্ডারী
২২। শ্রীরামপুরঃ দেবজিৎ সরকার
২৩। বারাকপুরঃ অর্জুন সিং
২৪। মথুরাপুরঃ শ্যামাপ্রসাদ হালদার
২৫। বিষ্ণুপুরঃ সৌমিত্র খাঁ
২৬। তমলুকঃ সিদ্ধার্থ নস্কর
২৭। ঝাড়গ্রামঃ কুন্নুর হেমব্রম
২৮। বর্ধমান পূর্বঃ পরেশ দাস
২৯ঃ জঙ্গিপুরঃ মাফুজা খাতুন
৩০ঃ দার্জিলিং- রাজু বিস্ত

আরও পড়ুনঃ যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাই শুনবে স্কুল সার্ভিস কেলেঙ্কারির ঘটনা

৩১। হাওড়া: রন্তিদেব সেনগুপ্ত
৩২। বাঁকুড়া: সুভাষ সরকার
৩৩। বোলপুর: রামপ্রসাদ দাস
৩৪। বহরমপুর: কৃষ্ণ জোয়ারদার আর্য
৩৫। রাণাঘাট: মুকুটমণি অধিকারী
৩৬। ডায়মন্ড হারবার: নীলাঞ্জন রায়
৩৭। উলুবেড়িয়া: জয় বন্দ্যোপাধ্যায়
৩৮। মুর্শিদাবাদ: হুমায়ুন কবির
৩৯। বনগাঁ: শান্তনু ঠাকুর
৪০। কাঁথি: দেবাশিস সামন্ত

বাকি পুরুলিয়া ও বর্ধমান দুর্গাপুর আসনে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি। এই দুই আসনে কবে প্রার্থী ঘোষণা করে সেটাই এখন দেখার। এর মধ্যে পুরুলিয়া আসনটি এবার জেতার আশা করছে বিজেপি। আর বর্ধমান দুর্গাপুর আসনে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া প্রাক্তন বাম নেতা আইনুল হককে দাঁড় করাতে পারে বিজেপি, এমনটাই জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ভোট প্রচারে বাংলায় মোদী, ব্রিগেড থেকেই দেবেন ভোট জেতার মন্ত্র https://thenewsbangla.com/narendra-modi-in-brigade-for-campaigning-for-bengal-bjp-candidates-in-lok-sabha/ Sat, 23 Mar 2019 09:46:01 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9091 সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৩রা এপ্রিল বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওইদিন ব্রিগেডে বিজেপির জনসভা থেকেই বাংলায় বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বার্তা দেবেন মোদী। শনিবার এমনটাই জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ আইএমএফ রিপোর্টে দ্রুততম অর্থনৈতিক বৃদ্ধির তালিকায় ভারত

এর আগে বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও আন্দোলনের সময় মোদীর বাংলা সফর ও ব্রিগেড সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও আন্দোলনের অনুমতি না পাওয়ায় সে যাত্রায় আর ব্রিগেড সমাবেশ সম্ভব হয়নি। এবার ভোটের মুখেই রাজ্যে আসছেন মোদী।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

মোদীর আসার ও ব্রিগেডে সভা করার দিকে তাকিয়ে বঙ্গ বিজেপি। কারণ তাদের একমাত্র ভরসা সেই মোদীই। এমনিতেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এ উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা বাংলায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

আরও পড়ুনঃ বারাণসী থেকে লড়বেন মোদী, গান্ধীনগরে আডবানির পরিবর্তে অমিত শাহ

বৃহস্পতিবার রাত ৮ টায় প্রকাশিত হয় রাজ্য বিজেপির ২৮ জনের প্রথম প্রার্থী তালিকা। আর তারপরেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এ উত্তাল হয়ে ওঠে কোচবিহার, মালদা, বসিরহাট সহ অনেক এলাকাই। কোচবিহারে দলিয় দফতর ভাঙচুর হয়। সেই ক্ষোভ পুরোপুরি সামাল দিতে শেষ ভরসা সেই নরেন্দ্র মোদীই।

আরও পড়ুনঃ ভোটের গানে বিপাকে বাবুল, কমিশনের হাতে টুইট অস্ত্র

একটা ব্রিগেড পরিবর্তন করতে পারে বাংলার ভোটের মহল। মনে করছেন বঙ্গ বিজেপির নেতা কর্মীরা। আর সেই দিকেই এখন তাকিয়ে বাংলা বিজেপির নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা। ব্রিগেড থেকে নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের কি বার্তা দেন সেটার জন্যই অপেক্ষা বিজেপির।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা রিপোর্টে গত ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদদের পারফরম্যান্স লজ্জাজনক

অন্যদিকে পুলওয়ামা কাণ্ডের পর এই ঘটনার জন্য মোদীকেই দায়ি করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি কর্মীরা শুনতে চান ব্রিগেড থেকে কি বার্তা মমতার উদ্দ্যেশ্যে দেন মোদী। মমতা ও মহাজোটকে কিভাবে বাংলার মাটিতে আক্রমণ করেন মোদী, সেটাও দেখার। ব্রিগেডের পরই বিজেপির প্রচারে জোয়ার আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>