Bengal Assembly – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 09 Aug 2022 09:40:12 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Bengal Assembly – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 “মুকুল রায় হাল ছাড়লেও, পিএসি চেয়ারম্যান পদ নিয়ে তৃণমূলের ‘বদমায়েশি’ থামছে না” https://thenewsbangla.com/mukul-roy-resigns-as-psc-chairman-tmc-select-raiganj-mla-krishna-kalyani-new-psc-chairman/ Wed, 29 Jun 2022 05:55:28 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15759 “মুকুল রায় হাল ছাড়লেও; পিএসি চেয়ারম্যান পদ নিয়ে তৃণমূলের ‘বদমায়েশি’ থামছে না”; অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর। মুকুল রায় পদত্যাগ করলেও বিতর্ক অব্যহত; ফের ভোটের পর তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিজেপি বিধায়ক-কেই পিএসি চেয়ারম্যান করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান পদে মুকুল রায়ের ইস্তফা গ্রহণের দিনেই; রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর নাম চূড়ান্ত করল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা, এমনটাই সূত্রের খবর। তবে সরকারিভাবে মঙ্গলবার কৃষ্ণর নাম; রাজ্য বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেননি।

ঠিক কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়ের মতই অবস্থা; রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর। দুজনেই বিজেপির টিকিটে; রাজ্য বিধানসভা ভোটে যেতেন। কিন্তু ভোটে জেতার পরেই; বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। তাঁরা এখন তৃণমূল নেতা; কিন্তু অফিসিয়ালি বিধানসভায় তাঁরা বিজেপি বিধায়ক। কোন নিয়ম না থাকলেও; সাধারণত বিধানসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান হন বিরোধী দলের বিধায়করা। অলিখিত ভাবে এটাই চলে আসছে। আর এই নিয়মকেই এবার হাস্যকর বানিয়ে দিয়েছে; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ কলেজে অনলাইনে ভর্তি নয়, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য, ফের দুর্নীতির আশঙ্কায় শিক্ষাবিদরা

গেরুয়া শিবির আদলাতের শরণাপন্ন হতেই; পিএসি চেয়ারম্যান পদ থেকে মুকুল রায় ইস্তফা দেন। ফের নতুন করে পিএসি প্রার্থী নিয়ে; বিজেপি শিবিরে তৎপরতা শুরু হয়েছিল। কিন্তু বিজেপির বিধায়কদের উপর অনাস্থা প্রকাশ করে, বিজেপির টিকিটে জিতেও তৃণমূল শিবিরে যোগ দেওয়া; বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর নাম চূড়ান্ত করে ফের গেরুয়া শিবিরকে চাপে ফেলল বিধানসভা।

আরও পড়ুনঃ ‘হাজার-হাজার চাকরি রেডি আছে’, বাংলায় কর্মসংস্থান নিয়ে বিরাট বার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতার

বিজেপি নেতাদের সঙ্গে মতভেদ হওয়ায়; ২০২১ সালের ১ অক্টোবর বিজেপি ছাড়েন বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। ২৬ দিন বাদে ২০২১ সালের ২৭ অক্টোবর; তৃণমূল শিবিরে যোগ দেন রায়গঞ্জের বিধায়ক। যদিও সরকারিভাবে এখনও তিনি বিজেপির বিধায়ক।

সংবিধানে কোথাও নির্দিষ্ট করে বলা নেই যে; বিরোধী শিবিরের বিধায়ককেই লোকসভা বা বিধানসভায় পিএসি চেয়ারম্যান পদ দিতে হবে। কোথাও লেখা নেই, এই পদ শাসকদল নিজেদের কাউকে দিতে পারবে না। তবে যেহেতু বিরোধীদের এই পদ ছাড়া হয়; তাই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পরে বিজেপি থেকে তৃণমূল ফেরত বিধায়কদেরই চেয়ারম্যান করছে তৃণমূল।

]]>
মানুষের জন্য নয়, শুধু রাজ্যপালকে বিভিন্ন জায়গা থেকে সরাতেই একের পর এক বিল মমতার https://thenewsbangla.com/remove-governor-from-different-places-one-bill-after-another-by-mamata-banerjee-govt/ Thu, 23 Jun 2022 08:09:31 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15685 “মানুষের জন্য নয়, শুধু রাজ্যপালকে বিভিন্ন জায়গা থেকে সরাতেই; একের পর এক বোল মমতার”, অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। এবার রাজ্যের ল্যান্ড রিফর্ম ট্রাইব্যুনালের নিয়োগ কর্তার পদ থেকেও; রাজ্যপালকে সরানোর প্রস্তুতি শুরু করল মা মাটি মানুষের সরকার। রাজ্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদের পর; এবার ল্যান্ড রিফর্ম ট্রাইব্যুনালের নিয়োগ কর্তার পদ থেকেও রাজ্যপালকে সরাতে বিল আনছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। আর এই নিয়ে সরব বিরোধী বিজেপি; ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

জুন মাসের শুরুতেই, রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীকে; রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে এই সিদ্ধান্ত; বিধানসভায় এই মর্মে বিল আসবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। সেই অনুযায়ী ১৩ই জুন সোমবার, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বাদল অধিবেশনে; মুখ্যমন্ত্রীকে রাজ্যের ৩১টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য করতে পেশ হয় বিল। প্রায় ২ ঘণ্টা বিতর্কের পর; ভোটভুটিতে প্রত্যাশিতভাবেই পাশ হয়ে যায় বিলটি।

পরের দিন ১৪ই জুন মঙ্গলবার, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে রাজ্যপালের জায়গায়; উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীকে ভিজিটর পদে বসাতে বিধানসভায় বিল পাস হয়। বিধানসভায় বিল পেশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু; এই বিলে বলা হয়েছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটর হবেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী। বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত যে কোনও তথ্য বা নথি চাইতে পারবেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ বেমালুম উধাও হয়ে যান শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়-কে ইঞ্জেকশন দেওয়া নার্স রাজদুলারী টিকু

১৬ই জুন প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে; মুখ্যমন্ত্রীকে বসানো সংক্রান্ত বিলও পাস হয়েছে বিধানসভায়। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়েরও আচার্য হবেন মুখ্যমন্ত্রী; এই বিল আনার সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে মন্ত্রিসভায়। অর্থাৎ রাজ্যের বিভিন্ন সংস্থা থেকেই, রাজ্যপালকে সরানোর জন্য একের পর এক বিল আনছে; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার।

এতদিন, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে; ল্যান্ড রিফর্ম ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান এবং জুডিশিয়াল মেম্বারদের নিয়োগ করতেন রাজ্যপাল। এবার, রাজ্যপালের সেই ক্ষমতা খর্ব করার প্রক্রিয়া শুরু হল; এরজন্যও আসছে নতুন এক বিল। এরপরেই রাজ্য সরকারকে একহাত নেন শুভেন্দু অধিকারী; বলেন, “মানুষের জন্য নয়, শুধু রাজ্যপালকে বিভিন্ন জায়গা থেকে সরাতেই; একের পর এক বিল মমতার”। “রাজ্যপাল থেকেও বিজেপির হয়ে কাজ করছে; তাই কি গায়ে লাগছে”; বক্তব্য তৃণমূল নেতাদের।

]]>
লজ্জার অন্ধকারে ডুবল বাংলা, দেশকে চমকে দিয়ে রাজ্যের বিধানসভায় প্রতিদিন ‘ছাপ্পা ভোট’ https://thenewsbangla.com/bengal-in-darkness-of-shame-chappa-vote-every-day-in-bengal-assembly-surprising-india/ Fri, 17 Jun 2022 04:15:22 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15524 লজ্জার অন্ধকারে ডুবল বাংলা; দেশকে চমকে দিয়ে রাজ্যের বিধানসভায় প্রতিদিন ‘ছাপ্পা ভোট’। এও সম্ভব? হ্যাঁ, আমাদের বাংলায় সব সম্ভব; অসম্ভব বলে কিছুই নেই। রাজ্যের আইনসভাতেও, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে; চলে ‘ছাপ্পা ভোট’। তাও আবার একদিন নয়; পরপর দুদিন। একদিন বিজেপি ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ করে; তো পরের দিন তৃণমূল ‘ছাপ্পা ভোটের’ অভিযোগ করে। তৃণমূল বিধায়ক ও স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিদিন বলছেন; “ক্লারিক্যাল মিস্টেক”। গোটা দেশ হাসছে; বাংলার অবস্থা দেখে।

রাজ্য বিধানসভায় বিল নিয়ে ভোটাভুটিতে ফের বিভ্রাট। বিধানসভা অধিবেশনে না থাকা দুই বিজেপি বিধায়ক; শুভেন্দু অধিকারী ও মিহির গোস্বামীর নামেও পড়ল ভোট! রিগিং কারচুপির অভিযোগ তুলে; তদন্তের দাবি তুলেছে তৃণমূল। পাল্টা ছাপ্পা ভোটের অভিযোগে সরব; বিজেপি বিধায়করাও। “হয়ত টেকনিক্যাল ভুল”; বললেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ “আমি নমাজ পড়ি না, ইফতারে গেলেও আপত্তি”, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে বিজেপিকে ঠুকলেন মমতা

বৃহস্পতিবার বিধানসভায়, পশ্চিমবঙ্গ কৃষি সংশোধনী বিল পাসের জন্য ভোটাভুটি হয়য়। ভোটের পর দেখা যায়, বৈদ্যুতিন মেশিনে ভোট পড়েছে; মোট ১৭৫ টি। তার মধ্যে সরকারের পক্ষে পরেছে ১২০টি এবং বিজেপির পক্ষে ৫২টি। কিন্তু দুই বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন; ভোট দেননি এক জন। ভোটের ফলাফল দেখে বিজেপি দাবি করে; বিধানসভায় তাদের ৫৩ জন বিধায়ক উপস্থিত রয়েছেন। সেক্ষেত্রে বিজেপির পক্ষে ৫২টি ভোট হয় কী করে?

আরও পড়ুনঃ পরেশ, গুণধর, বীরেন্দ্র, দুর্নীতি করে নেতার মেয়েদের চাকরি হয়েছে, কাঁদছে ‘বাংলার মেয়েরা’

এরপরই স্পিকার পুরো ফলাফল চেয়ে পাঠান; বিধানসভার সচিবালয়ের কাছ থেকে। এরপর স্পিকার বিজেপি সদস্যদের নাম ধরে ডাকতে থাকেন, তখনই দেখা যায়; শুভেন্দু অধিকারী এবং মিহির গোস্বামীর নামেও ভোট পড়েছে। অথচ দুই বিজেপি বিধায়কই; হাজির ছিলেন না বিধানসভা অধিবেশনে। এরপরেই তৃণমূল ও বিজেপি একে অপরের বিরুদ্ধে; ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তোলে। উত্তপ্ত হয় রাজ্য বিধানসভা।

গত সোমবার, আচার্য বিলের ভোট গণনার দিনও; বিধানসভায় ভোটের ফল দেখে বিতর্ক ওঠে। বিজেপির ১৭টা ভোট চলে যায় তৃণমূলের ঘরে; তাই নিয়ে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। যদিও অধ্যক্ষ জানিয়েছিলেন; বিধানসভার এক আধিকারিকের ভুলে এটা হয়েছে। বিজেপি বিধায়কদের প্রতিবাদের পরে; সেই ভুল সংশোধন করা হয়।

]]>
রাজ্যপাল বাতিল, প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যও মুখ্যমন্ত্রী মমতা https://thenewsbangla.com/governor-canceled-acharya-cm-mamata-banerjee-west-bengal-university-of-animal-fishery-sciences/ Thu, 16 Jun 2022 08:08:32 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15496 রাজ্যপাল বাতিল, প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যও এবার; মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যও এবার মুখ্যমন্ত্রী; বিল পাস হয়ে গেল রাজ্য বিধানসভায়। প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়েও আচার্য পদে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানো সংক্রান্ত বিলটি; এবার সই করতে পাঠানো হবে রাজ্যপালের কাছে। এই নিয়ে ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের জায়গায়; বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিবাদে এদিনও বিধানসভা থেকে; ওয়াকআউট করলেন বিজেপি বিধায়করা।

ধনকড়ের জায়গায় মমতাকে বসানোর আরও একটি বিল পাস; রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তন আনার রাস্তায়; আরও এক ধাপ এগোল মা মাটি মানুষের সরকার। রাজ্যপাল নন, রাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যর আসনে বসানো হোক মুখ্যমন্ত্রীকে; এই মর্মে সোমবার বিল পাস হয়েছে বিধানসভায়। বুধবার পাস হল প্রাণি ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ে আচার্য পদেও; মুখ্যমন্ত্রীকে বসানো সংক্রান্ত বিল। এই নিয়ে ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের জায়গায়; মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বসানো নিয়ে সংশোধনী বিল পাস হল বিধানসভায়।

আরও পড়ুনঃ ‘তৃণমূল-বাম সেটিং’, প্রাথমিক টেট দুর্নীতি, চাকরি গেল সিপিএম নেতার মেয়েরও

এই বিলের ওপর আলোচনার সময়, রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনায় করে, গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা প্রশ্ন তোলেন; “যাঁর হাতে এতগুলো দফতর, সেইসব দফতর সামলানোরই সময় নেই; এতগুলি বিশ্ববিদ্যালয় সামলাবেন কী করে”? বিজেপির অভিযোগ, “রাজ্যের শিক্ষায় দুর্নীতি সবচেয়ে বেশি; সেই দুর্নীতিকে আরও বাড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে। রাজ্যপাল দুর্নীতি নিয়ে কথা বলেন বলেই; তৃণমূলের এত সমস্যা”।

তৃণমূল বিধায়করা পাল্টা অভিযোগ করেন; রাজ্যপাল রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চলেন; বছরে একবার যান সমাবর্তনে। বাকি কোনও কিছুতে যুক্ত থাকেন না; মুখ্যমন্ত্রী অনেক দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন; তাই এটাই এখন দরকার”। রাজ্যের প্রাণিসম্পদ বিকাশমন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন; “প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন বিভাগ আগে কী অবস্থায় ছিল; আর এখন মুখ্যমন্ত্রী মমতার হাত ধরে কী হয়েছে, সেটা দেখতে হবে?

আরও পড়ুনঃ পিএসসি-তে নিয়োগ কয়েকহাজার, প্রকাশিত নামের তালিকা, ‘মামলার আ’শঙ্কা’

এরপর ভোটাভুটিতে অংশ না নিয়ে; বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা। পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশোধনী বিলটি আলোচনার পরে, ভোটের সময় গতকালের মতো আজকেও; ভোটাভুটিতে গো-হারা হারবেন বলে অংশ নেয়নি”। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য; “জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলস ডিগ্রি নিয়ে তিনি হবেন আচার্য? আমরা মানি না। কেন ডক্টরেট ডিগ্রি; লিখতে পারেন না উনি”?

বিধানসভায় পাস হওয়ার পর; বিল যাবে রাজ্যপালের কাছে। রাজ্যপাল সই করলে; বিল পরিণত হবে আইনে। বিধানসভায় বিল পাস হওয়ার পর; এখন রাজ্যপাল কী করেন, সেদিকেই নজর সব মহলের। শুভেন্দু অধিকারী এই নিয়ে বলেছেন, “আমরা রাজ্যপালকে অনুরোধ করব বিলটি কেন্দ্রকে পাঠান; কোনওদিন এই বিল আর পাস হবে না। যেমন বঙ্গ বিল কোনওদিন পাস হবে না; যেমন বিধান পরিষদের অবস্থা হয়েছে”।

]]>
তৃণমূল নেতাকে মা’রধর, জাতীয় সড়কে সংখ্যা’লঘুরা ভাঙল তৃণমূল বিধায়কের গাড়িও https://thenewsbangla.com/kulpi-tmc-mla-jogaranjan-halder-beaten-during-protest-at-nh-117-in-diamond-harbour/ Sat, 11 Jun 2022 11:01:46 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15414 তৃণমূল নেতাকে মা’রধর, জাতীয় সড়কে সংখ্যা’লঘুরা ভাঙল; তৃণমূল বিধায়কের গাড়িও। প’য়গম্বর বিতর্ক ইস্যুতে, বিক্ষোভ চলাকালীন; এবার ভাঙা হল কুলপির বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদারের গাড়ি। ডায়মন্ড হারবারে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কে; সংখ্যা’লঘুদের বিক্ষোভের মুখে পড়েলেন কুলপির বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদার। তাঁকে মা’রধর করে; ভা’ঙচুর করা হয় তাঁর গাড়ি। এই ঘটনায় বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ; তদন্ত শুরু করেছে। তৃণমূল বিধায়ককে মা’রধরের অভিযোগ উঠল; সংখ্যা’লঘুদের বিরুদ্ধে।

বিধানসভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে আ’ক্রান্ত হলেন; কুলপির তৃণমূল বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদার। অভিযোগের তীর সংখ্যা’লঘু স’ম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার; বিষ্ণুপুর খানার চৌরাস্তা মোড়ের কাছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কুলপির বিধায়ক তথা সুন্দরবন সাংগঠনিক জেলার সভাপতি যোগরঞ্জন হালদার; শুক্রবার বিধানসভার কাজ সেরে ডায়মন্ড হারবারে নিজের বাসভবনে ফিরছিলেন।

আরও পড়ুনঃ সংখ্যা’লঘু তা’ণ্ডবে জ্বলছে পাঁচলা, বেছে বেছে বাড়িতে আগুন-ভা’ঙচুর-বো’মাবাজি

সেই সময় দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিষ্ণুপুর থানার অন্তর্গত চৌরাস্তা মোড়ের কাছে; সংখ্যা’লঘু সংগঠনের পক্ষ থেকে বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে বি’ক্ষোভ দেখাচ্ছিল কয়েকজন বি’ক্ষোভকারী। বি’ক্ষোভকারীদের আক্র’মণে ভাঙা হয়; কুলপির বিধায়কের গাড়ি। সেই সময় একদল সংখ্যা’লঘু বি’ক্ষোভকারী; তাঁকে মা’রধর করে; তাঁর গাড়িতে হা’মলা চালায় বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূল বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদার।

আরও পড়ুনঃ দুদিন ‘তা’ণ্ডব’ করেও কারোর শাস্তি হল না, নিরীহ পোস্ট করে গারদে ঐশ্বানী

বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেত্রী নূপুর শর্মার, প’য়গম্বর হজরত মহ’ম্মদকে নিয়ে করা অব’মাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে; তিনদিন ধরে উ’ত্তপ্ত হয়ে রয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা। মূলত জাতীয় সড়ক অবরোধ করে; বি’ক্ষোভ দেখাচ্ছেন সংখ্যা’লঘু স’ম্প্রদায়ের একাংশ। এদিনের ঘটনায় তাঁর নিরাপত্তা-রক্ষী এবং পুলিশের তৎপরতায়; বিধায়ককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। না হলে তৃণমূল নেতার আরও বড় বিপদের আ’শঙ্কা ছিল।

এই নিয়ে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার জানান; “বিষয়টি প্রশাসনের তরফে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে; বিষ্ণুপুর থানাকে এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে”। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশ সুপার। তবে সাধারণ মানুষ ও বিরোধী দলের নেতারা বলছেন; “আমি তৃণমূল নেতা বিধায়ক” বলেও; সংখ্যালঘু-দের মা’রধরের হাত থেকে রেহাই পাননি যোগরঞ্জন হালদার। তাহলে কি না জেনেই, তৃণমূল নেতাকে পি’টিয়ে দিল; সংখ্যা’লঘু স’ম্প্রদায়ের বিক্ষোভ’কারীরা? এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

]]>