belur math – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Mon, 27 Jun 2022 15:31:41 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg belur math – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 “মা সারদা জন্মগ্রহণ করেছেন কালীঘাটে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রূপে”, ঘোষণা নির্মল মাজির https://thenewsbangla.com/maa-sarada-was-born-in-kalighat-as-mamata-banerjee-said-tmc-mla-nirmal-maji/ Mon, 27 Jun 2022 15:28:55 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15709 “মা সারদা জন্মগ্রহণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রূপে”; বিতর্কিত মন্তব্য নির্মল মাজির। “মা সারদা জন্মগ্রহণ করেছেন কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রূপে”; প্রকাশ্য মঞ্চে ঘোষণা তৃণমূল বিধায়ক নির্মল মাজির। আর সেই নিয়ে শুরু হয়েছে; জোর রাজনৈতিক বিতর্ক। পিজি হাসপাতালে কুকুরের ডায়ালিসিস থেকে ছেলে আর পুত্রবধূর একাধিক সরকারি চাকরি; বিতর্কিত মন্তব্য এবং অদ্ভুত কার্যকলাপের জন্য একাধিক সময় খবরের শিরোনামে থাকেন তৃণমূল নেতা বিধায়ক নির্মল মাজি। সেই ধারা বজায় রেখে, ফের একবার বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন; নির্মল মাজি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে; যেখানে বিধাননগরে একটি মঞ্চে বক্তৃতা দিতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূল নেতাকে। মঞ্চ থেকে তিনি বলছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই হলেন মা সারদা”। তাঁর এই দাবি ঘিরে ইতিমধ্যেই; চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। তিনি বলছেন, “মা সারদা মারা যাওয়ার পূর্বে, স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্য ও সতীর্থদের কাছে; বেশ কয়েকটি কথা বলে যান। তিনি বলেন যে, তাঁর মৃত্যু হয়ে গেলেও পরবর্তী জন্মে; কালীঘাটের কালীতীর্থে জন্মগ্রহণ করবেন। পরের জন্মে ত্যাগ কর্মের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে; যুক্ত হওয়ার কথা বলেন তিনি”।

আরও পড়ুনঃ দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা আসবেন, সকাল থেকেই অঘোষিত এমারজেন্সি বর্ধমানে

তৃণমূল বিধায়ক নির্মল মাজি বলছেন, “সম্প্রতি আমি দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে যাই, এবং সকল সংখ্যাতত্ত্ব মিলিয়ে আপনারা বুঝতে পারবেন যে; এই যুগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই হলেন আসলে মা সারাদা। মা সারদাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন”। তিনি আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম অষ্টমী-নবমী তিথিতে। এই তিথিতে যার জন্মগ্রহণ হয়; তিনি নবরূপে উন্মোচিত হয়। বর্তমান যুগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই মা সারদা; তিনিই সিস্টার নিবেদিতা”।

আরও পড়ুনঃ মানুষের জন্য নয়, শুধু রাজ্যপালকে বিভিন্ন জায়গা থেকে সরাতেই একের পর এক বিল মমতার

“মা সারদার পুনর্জন্ম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তিনিই সারদা মা; তিনি নবরূপে উন্মোচিত হন যুগে যুগে, দেশে দেশে কালে কালে”; এমনটাই দাবি তৃণমূল নেতা নির্মল মাজির। আর এই মন্তব্য নিয়ে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। “তৃণমূলে তেল দেবার কোন লিমিট নেই”; বলছেন বিজেপি নেতারা। তবে নির্মল মাজির এই বক্তব্য নিয়ে; তৃণমূলের তরফ থেকে এখনও কিছু বলা হয়নি। এই ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়; হাসিঠাট্টায় মেতেছেন সাধারণ মানুষ।

]]>
ক্যানসার নাকি গলায় আলসারে মারা গিয়েছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস https://thenewsbangla.com/ramakrishna-death-certificate-cancer-or-ulcers-belur-math-controversy/ Sat, 29 Jun 2019 07:25:37 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=14682 ঠিক কোন অসুখে মারা গিয়েছিলেন শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব ? কলকাতা পুরসভা রামকৃষ্ণের ডেথ সার্টিফিকেট প্রকাশ করতেই জন্ম নিল নতুন বিতর্ক।

এতদিন সবাই জানত গলায় দুরারোগ্য ক্যানসারের কারণে প্রান ত্যাগ করেছিলেন শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস। কিন্তু কলকাতা পুরসভা যে ডেথ সার্টিফিকেট শনিবার বেলুড় মঠের হাতে তুলে দিলেন তাতে মৃত্যুর কারণ হিসাবে লেখা আছে ‘গলায় আলসার’।

আরও পড়ুনঃ মুসলিম স্কুলে খাবার ঘর, বিতর্কের জেরে সার্কুলার প্রত্যাহার করে নিলেন মমতা

সেই সময়; ব্রিটিশরা আইন করে সমস্ত শেষকৃত্যের তথ্য থানায় রেজিস্ট্রেশন করিয়ে রাখতেন। দেহ শেষকৃত্য করতে শ্মশানে নিয়ে এলে; পুরসভায় নথিভুক্ত করা হত না।

১৮৮৬; ১৫ ই আগস্ট কাশীপুর উদ্যান বাটীতে ঠাকুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণপরমহংসদেব শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সেই সময় কারুর মৃত্যু হলে; লোকাল থানাতে ডেথ রেজিস্ট্রার করা হত। সেই মতো ঠাকুরের শবদাহের আগে কাশীপুর থানায় মৃত্যু খবর নথিভুক্ত করান অনুগামীরা।

আরও পড়ুনঃ মহিলা বক্সারকে হেনস্থা, ফেসবুক পোস্ট দেখেই এক ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার তিন অভিযুক্ত

ডেথ সার্টিফিকেট লেখা ঠাকুরের আসল নাম; গদাধর চট্টোপাধ্যায়। এবং তাঁর পেশার জায়গায় লেখা হয় ‘পুরোহিত’। যেহেতু মধ্যরাতে মৃত্যু হয়েছিল ঠাকুরের; তাই ইংরেজি নিয়মে ১৬ আগস্ট নথিভুক্ত হয় কাশীপুর থানায়।

বেলুড় মঠ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কলকাতা পুরসভার কাছে আবেদন করা হয় ঠাকুরের ডেথ সার্টিফিকেট মঠ কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেবার জন্য। অনুরোধ মেনেই; কলকাতা পুরসভা কাশীপুর থানার পুরনো ফাইল থেকে ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্ৰহ করে সংরক্ষণ করে।

১৯০০ সালের আগে ভারতে ক্যানসার অসুখের কথা কেউই জানত না; তাই ১৮৮৬ সালে ঠাকুরের মৃত্যুর কারণ গলায় ক্যানসার না লিখে ‘আলসার’ লেখার পরামর্শ দিয়েছিলেন পরমংহসের চিকিৎসকরা।

আরও পড়ুনঃ বিজেপি ও বুদ্ধিজীবীদের পর এবার অশান্ত ভাটপাড়ায় তৃণমূল পরিষদীয় দল

যদিও এই ব্যাখ্যা অনেকেই মানতে নারাজ। তাঁদের পাল্টা দাবি; আলসারের যথেষ্ট চিকিৎসা না থাকায় ঠাকুরের অকালমৃত্যুর হয়েছে। এই বিতর্কের সঠিক উত্তর এখনও পাওয়া যাইনি।

শনিবার বেলুড়মঠ কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয় শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের ডেথ সার্টিফিকেট। বেলুড় মঠের সংগ্ৰহশালাতে ভবিষ্যতে রাখা থাকবে ঠাকুরের ডেথ সার্টিফিকেট।

]]>
রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দের রামকৃষ্ণ মিশন ছেড়ে বিপ্লবী হন এই নারী https://thenewsbangla.com/this-revolutionary-woman-left-ramakrishna-vivekanandas-ramakrishna-mission-for-revolution/ Sun, 28 Oct 2018 13:13:33 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1557 কলকাতা: ভারতের স্বাধীনতার জন্য রামকৃষ্ণ মিশন ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। বেছে নেন বিপ্লবের পথ। পরাধীন ভারতে বিপ্লবীদের সাহায্য করার জন্য, রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার জন্য নিয়মানুযায়ী তাঁকে রামকৃষ্ণ মিশন ছাড়তেই হয়। তিনি ভগিনী নিবেদিতা বা মার্গারেট এলিজাবেথ নোবেল। রবিবার তাঁর জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ।

২৮ অক্টোবর, ১৮৬৭ সালে উত্তর আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন মার্গারেট এলিজাবেথ নোবেল। ছিলেন একজন অ্যাংলো-আইরিশ বংশোদ্ভুত সমাজকর্মী, লেখিকা, শিক্ষিকা এবং স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা।

১৮৯৫ সালে লন্ডন শহরে তিনি স্বামী বিবেকানন্দের সাক্ষাৎ পান এবং ১৮৯৮ সালে ভারতে চলে আসেন। একই বছর ২৫ মার্চ তিনি ব্রহ্মচর্য গ্রহণ করলে স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর নামকরণ করেন “নিবেদিতা”। পরিচিত হন ভাগিনী নিবেদিতা নামে।

The News Bangla

বিবেকানন্দের বাণী তাঁর জীবনে এতটাই গভীর প্রভাব বিস্তার করে যে তিনি ভারতকে তাঁর কর্মক্ষেত্ররূপে বেছে নেন। তিনিই প্রথম পাশ্চাত্য নারী যিনি ভারতীয় সন্ন্যাসিনীর ব্রত গ্রহণ করেছিলেন।

আরও পড়ুন: নেতাদের কথা নয়, জীবন দর্শন নিয়ে মনে রাখুন কালামের উক্তি

১৮৯৮ সালের নভেম্বর মাসে তিনি কলকাতায় একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। এর সঙ্গে সঙ্গে তিনি নানা মানবকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। সকল বর্ণের ভারতীয় নারীর জীবনযাত্রার উন্নতির লক্ষ্যে তিনি কাজ শুরু করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জগদীশচন্দ্র বসু ও তাঁর স্ত্রী অবলা বসু, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ওকাকুরা কাকুজো প্রমুখ তৎকালীন সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছিলেন নিবেদিতার বন্ধুস্থানীয়।

রবীন্দ্রনাথ তাঁকে “লোকমাতা” আখ্যা দেন। ভারতীয় শিল্পকলার সমঝদার নিবেদিতা ভারতের আধুনিক চিত্রকলার সৃজনে অন্যতম অনুপ্রেরণার কাজ করেন। নন্দলাল বসু এই কথা একাধিকবার স্মরণ করেছেন। জীবনের শেষ পর্বে নিবেদিতা স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

শ্রীঅরবিন্দের সঙ্গে তাঁর সখ্যতা স্থাপিত হয়। এই সময় ব্রিটিশ সরকার যাতে রামকৃষ্ণ মিশনকে অযথা উত্ত্যক্ত না করে, সেই কথা ভেবে মিশনের সঙ্গে তিনি তাঁর “আনুষ্ঠানিক” সম্পর্ক ত্যাগ করেন।

The News Bangla

১৯০২ সালের ৪ জুলাই নিবেদিতার গুরু স্বামী বিবেকানন্দের মৃত্যু হয়। এরপর ব্রিটিশ-বিরোধী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে যোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। কিন্তু রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের নিয়মানুসারে ধর্ম ও রাজনীতির সংস্রব ঠেকাতে সংঘের কেউ রাজনীতিতে জড়াতে পারত না।

আরও পড়ুন: লাইফ বিয়ন্ড ডেথ’, কী ভাবে জানবেন মৃত্যুর পর কী

তাই মিশনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হয় নিবেদিতাকে। স্বামী ব্রহ্মানন্দ রামকৃষ্ণ মিশনের সভাপতি থাকার সময় রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করেন তিনি।

কারণ, রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকার চেয়েও পরাধীন ভারতে বিপ্লবীদের সাহায্য করাটা তখন তিনি অনেক বেশি জরুরি মনে করেছিলেন। যদিও সারদা দেবী ও রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীদের সঙ্গে তাঁর আমৃত্যু সুসম্পর্ক বজায় ছিল।

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনের সময় গোপনে বিপ্লবীদের সাহায্য করতে শুরু করেন নিবেদিতা। এই সময় অরবিন্দ ঘোষ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জগদীশচন্দ্র বসু প্রমুখ বিশিষ্ট ভারতীয় ব্যক্তিত্বের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটে। এসবের পাশাপাশি নিবেদিতা মডার্ন রিভিউ, দ্য স্টেটসম্যান, অমৃতবাজার পত্রিকা, ডন, প্রবুদ্ধ ভারত, বালভারতী প্রভৃতি পত্রিকায় ধর্ম, সাহিত্য, রাজনীতি, সমাজতত্ত্ব, শিল্প ইত্যাদি বিষয়ে প্রবন্ধ লিখতেন।

তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য বইগুলি হল কালী দ্য মাদার, ওয়েব অফ ইন্ডিয়ান লাইফ, ক্রেডল টেলস অফ হিন্দুইজম, দ্য মাস্টার অ্যাজ আই শ হিম ইত্যাদি।

The News Bangla

বিপ্লবীদের সাহায্য করতে তাঁর রামকৃষ্ণ মিশন ছাড়াটা পরাধীন ভারতে একটা উল্লেখযোগ্য অধ্যায় বলে মনে করা হয়।

কিন্তু ভারতের গ্রীষ্মপ্রধান আবহাওয়ায় অতিরিক্ত পরিশ্রম করার ফলে কয়েক বছরের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েন নিবেদিতা। ১৯১১ সালে হাওয়া বদলের জন্য জগদীশচন্দ্র বসু ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দার্জিলিঙে বেড়াতে গিয়ে ১৩ অক্টোবর সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন নিবেদিতা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৪ বছর।

The News Bangla

ভগিনী নিবেদিতা ভারতের সবচেয়ে প্রভাবশালী মহিলাদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর বই মাতৃরূপা কালী পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর “ভারতমাতা” ছবিটি আঁকেন। বিধাননগরে অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ২০১০ সালে নির্মিত ভবনটি নিবেদিতার নামে নামাঙ্কিত।

আরও পড়ুন: সনাতন হিন্দু ধর্মকে ছোট করার চেষ্টা সফল হবে না

তামিলনাড়ুর চেন্নাইতে ভগিনী নিবেদিতার প্রতিষ্ঠিত অ্যাকাডেমিটির নাম রাখা হয়েছে সিস্টার নিবেদিতা অ্যাকাডেমি। তাঁর নামে একাধিক বিদ্যালয় ও কলেজের নামকরণ করা হয়েছে। ১৯৬৮ সালে ভারত সরকার তাঁর স্মৃতিরক্ষার্থে ৪.০৬ × ২.২৮ সেন্টিমিটারের একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁর নামও সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে।

]]>