Bay of Bengal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 12 May 2022 05:07:44 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Bay of Bengal – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ‘যমজ ঘূর্ণিঝড়’, একা অশনি-তে রক্ষা নেই করিম দোসর, দু-দুটি ঘূর্ণিঝড় একসঙ্গে https://thenewsbangla.com/twin-cyclones-after-asani-cyclone-karim-cyclone-is-forming-over-indian-ocean/ Thu, 12 May 2022 05:07:01 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15063 একা অশনি-তে রক্ষা নেই করিম দোসর; দু-দুটি ঘূর্ণিঝড় আসছে একসঙ্গে। অশনির দোসর হিসাবে হাজির করিম! আতঙ্ক তৈরি করেও; সেই অর্থে তেমন ভোগায়নি ঘূর্ণিঝড় অশনি। তবে অশনির চোখ-রাঙানি পুরোপুরি মিলিয়ে যেতে না যেতেই; নাসার উপগ্রহে ধরা পড়ল আরও এক ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ সংকেত। উপগ্রহ-চিত্র বলছে, ভারতের দক্ষিণে আরও একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে। ভারত মহাসাগরে তৈরি হওয়া; এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম করিম।

অশনির পরে এবার, ভারতের উপকূলে; দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আশঙ্কা। ‘অশনি’র পিছু-পিছুই; ধেয়ে আসছে ‘করিম’। একসঙ্গে দুই ঘূর্ণিঝড়ের আবির্ভাব বিরল না হলেও; মূলত উঁচু জায়গাতেই এতদিন তা দেখা গিয়েছে। নিরক্ষরেখার দক্ষিণে, অপেক্ষাকৃত নীচু জায়গায়; এমন ঘটনা সচরাচর চোখে পড়ে না বলে মত বিশ্বের আবহবিদদের।

‘Twin Cyclones’, যমজ ঘূর্ণিঝড়; ধরা পরেছে, নাসার উপগ্রহে। আমেরিকার দ্য ওয়েদার চ্যানেল জানিয়েছে; “দুই ঘূর্ণিঝড় যদি পরস্পরের ১০০০ কিলোমিটারের মধ্যেও এসে পড়ে; তাদের মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ তৈরি হয়। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত দুই ঘূর্ণিঝড়ের; ব্যবধান ছিল ২৮০০ কিলোমিটার। ‘অশনি’ এবং ‘করিম’ এর ঘূর্ণি বিপরীতমুখী; একটি নিরক্ষরেখার উত্তর অভিমুখে, অন্যটির দক্ষিণ অভিমুখে। ‘অশনি’র ঘূর্ণি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতমুখী; ‘করিম’-এর ঘূর্ণির অভিমুখ ঘড়ির কাঁটার ন্যায়। তাই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠার; কোনও ইঙ্গিত আপাতত নেই”।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার আর্থ অবজারভেটরি জানিয়েছে; “করিম হারিকেন ঝড় হতে চলেছে। তবে ভারতের এই ঘূর্ণিঝড়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই; কারণ নিরক্ষরেখার দক্ষিণে অবস্থান করছে করিম”। ঘণ্টায় ১১২ কিলোমিটার গতিসম্পন্ন ‘করিম’-কে; তীব্রতার নিরিখে দ্বিতীয় শ্রেণির ঘূর্ণিঝড় চিহ্নিত করা হয়েছে। সমুদ্রে শক্তি খুইয়ে দুর্বল হয়ে পড়ার আগে; ‘অশনি’র গতিবেগও ছিল ১০০-১১০ কিলোমিটার/ঘণ্টা।

দু-দিক থেকে দুটি ঘূর্ণিঝড় আসার ঘটনা; শেষবার ২০১৯ সালে বঙ্গোপসাগরে দেখা গিয়েছিল। সেবার ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ এবং ‘লর্না’র অবির্ভাব ঘটেছিল একইসঙ্গে। তবে ‘লর্না’র প্রভাবে, ‘ফণী’র শক্তি হ্রাস পায় সেইসময়।

গত সপ্তাহে আন্দামান সাগরের কাছে; ‘অশনি’র উৎপত্তি। ধীরে ধীরে তা শক্তি বাড়িয়ে; ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়। কিন্তু তারপরেই শক্তি হারিয়ে; দুর্বল হয়ে পড়ে ‘অশনি’। অন্যদিকে, ভারত মহাসাগরে ‘করিম’ মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমে খোলা সমুদ্রে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সে। তবে আমেরিকার জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে; খুব শীঘ্রই শক্তি হারাবে করিম।

]]>
‘অশনি সংকেত’, আয়লা, ফণী, আমফানের মতোই কি বাংলায় আছড়ে পড়বে অশনি https://thenewsbangla.com/asani-cyclone-will-hit-bengal-like-aila-fani-amphan-cyclone-people-question/ Mon, 09 May 2022 06:05:53 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15014 ‘অশনি সংকেত’, আয়লা, ফণী, আমফানের মতোই কি বাংলায় আছড়ে পড়বে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। এগোচ্ছে অশনি ঘূর্ণিঝড়; বাংলাতে প্রভাব হবে কি আয়লা, ফণী, আমফানের মতোই? কয়েকদিন ধরেই উঠেছে প্রশ্ন; বিশেষ করে রাজ্যের উপকূলীয় অঞ্চলে। এই নিয়ে এখনও পরিষ্কার রিপোর্ট; দিতে পারেনি আবহাওয়া দফতর।

গতি বাড়িয়ে বাংলার উপকূলের আরও কাছে ‘অশনি’; দক্ষিণবঙ্গে সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি, চলবে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত। রবিবার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ গতি বাড়িয়ে; তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবারই তা পৌঁছে যাবে; উপকূলের কাছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর বরাবর, ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে অশনি; দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের দিকে।

নয়া-দিল্লির মৌসম ভবনের দেওয়া শেষ খবর অনুযায়ী, সোমবার সকালে ঝড়টি পুরী থেকে ৭০০ কিলোমিটার এবং বিশাখাপত্তনম থেকে ৬০০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে; এখন অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’। আবহবিদদের অনুমান, আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই; বাংলার উপকূলের কাছে চলে আসবে ‘অশনি’।

মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত উত্তর-পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে; উত্তর অন্ধ্র-ওড়িশা উপকূলের অদূরে পশ্চিম-মধ্য ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’র অবস্থান। তারপর ঘূর্ণিঝড় উত্তর-পূর্ব দিক পরিবর্তন করে; উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ওড়িশা উপকূলে অবস্থানের সম্ভাবনা।

অশনি-র প্রভাবে ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ গোটা দক্ষিনবঙ্গেই; শুরু হয়েছে তুমুল বৃষ্টি। বৃষ্টি হচ্ছে উপকূলবর্তী দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায়; বৃষ্টি হচ্ছে হাওড়াতেও। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত; বাংলায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, সোমবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে; কলকাতা সহ উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে ‘অশনি’ ঘূর্ণিঝড় কোন পথে স্থলভাগে ঢুকবে; তা এখনও স্পষ্ট নয়। সোমবার সকালে আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী; ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র তৈরি হয়নি। ফলে ঘূর্ণিঝড়ের উপকূলের দিকে এগোনোর গতিবেগ জানা গেলেও; ঘূর্ণিঝড়ের ঘূর্ণাবর্তের গতি কতটা, স্থলভাগে সেটি প্রবেশ করলে কত গতিতে ঝড় হবে তা জানা যায়নি।

সোমবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত; মত্‍স্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। এদিকে, ‘অশনি’ মোকাবিলায় তৎপর রাজ্য প্রশাসন; সোমবার দুপুরে নবান্নে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যসচিব। কোথায় কী কী সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে; সেই বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে।

]]>
বুধবার বাংলায় আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ফনি, টানা তিনদিন ধরে প্রবল ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা https://thenewsbangla.com/cyclone-fani-in-bengal-cyclonic-storm-fani-in-southeast-bay-of-bengal/ Tue, 30 Apr 2019 10:20:12 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=12024 পশ্চিমবঙ্গের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে ঘূর্ণিঝড় ফনি। আবহাওয়া দফতর থেকে জানানো হয়েছে, এর প্রভাবে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ভারী ঝড় বৃষ্টি হবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। শুধু ঝড় বৃষ্টি নয়, বজ্র বিদ্যুৎ সহ ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে। মৎস্যজীবীদের উদ্দেশে সতর্কতার পাশাপাশি, হুগলি বন্দরে সতর্কতা জারী হয়েছে।

১ মে অর্থাৎ বুধবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঘন্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। পরের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার একই পরিস্থিতি থাকলেও হাওড়ার বেগ বাড়তে পারে বলে জানা গেছে। হাওয়ার বেগ হতে পারে ঘন্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিমি।

ঘূর্ণিঝড় ফনির প্রভাব রাজ্যে সেরকম ভাবে না পড়লেও, ঝড় বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, শুক্রবার বজ্র বিদ্যুতের সঙ্গে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কোনও কোনও জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

মঙ্গলবার সকালে চেন্নাইয়ের দক্ষিণ পূর্বের ৪৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ছিল ফনি এবং আস্তে আস্তে এটি উত্তর-পশ্চিমে স্থানান্তরিত হচ্ছে। বুধবার সকাল থেকে উত্তর পূর্ব দিকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসবে ফনি। দক্ষিণবঙ্গে বিশেষ করে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে আগামী তিন দিন ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারের কোনও কোনও জায়গায় ঝড় বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে শুরু করে শুক্রবার পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় ফনি তীব্রতর ঝড়ের আকার ধারন করবে।

ভারতীয় কোস্ট গার্ড থেকে সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবীরা যাতে সমুদ্রে প্রবেশ না করে সেই আহ্বান জানিয়েছেন কোস্ট গার্ড। ইতিমধ্যে ফনি মাঝ সমুদ্রে নিজের ক্ষমতা বাড়িয়ে বিশাল শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে যাঁরা মাছ ধরতে যান, তাঁদের উদ্দেশে সতর্কবার্তায় দেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবীরা যেন গভীর সমুদ্রে, বিশেষ করে উত্তর পশ্চিম দিকে না যান মাছ ধরতে। আর যাঁরা গিয়েছেন, তাঁদের ১ মে সকালের মধ্যে ফেরত আসতে বলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জাতীয় সংকট ব্যবস্থাপনা কমিটির (এনসিএমসি) একটি সভা ডাকার নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে বলেছেন। মানুষকে সতর্ক করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

]]>
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফেনি, বাংলায় প্রবল ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা https://thenewsbangla.com/cyclone-feni-approaching-bay-of-bengal-fear-of-rain-in-kolkata-bengal/ Fri, 26 Apr 2019 13:17:19 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=11712 ফের ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা কলকাতা সহ বাংলায়। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ভাসতে পারে চতুর্থ ও পঞ্চম দফার ভোটে। এমনই আভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শুধু বৃষ্টিই নয়, সেই সঙ্গে প্রবল বেগে ধেয়ে আসছে ঝড়। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ। সেই নিম্নচাপই ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হতে পারে। তারপর তা ঘূর্ণিঝড় হয়ে আছড়ে পড়তে পারে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। আর এবারের ঘূর্ণিঝড় এর নাম ফেনি।

এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম ফেনি। ফেনি ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাবে বলে আবহবিদরা জানিয়েছেন। ২৫ এপ্রিল থেকে ৪ মে পর্যন্ত এর প্রভাব থাকবে। তামিলনাড়ু উপকূল থেকে মায়ানমার পর্যন্ত এর কম-বেশি প্রভাব থাকবে। সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা এখন ৩০ ডিগ্রির উপরে। তা এই ঝড়ে অনুঘটকের কাজ করবে। ফলে শক্তিশালী আকার নেবে ফেনি।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত গড়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে তিন হাজার কর্মী সমর্থক

বঙ্গোপসাগরের আসন্ন ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনি’ (নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হলে বাংলাদেশের দেওয়া এই নামে নাম হবে) নিয়ে এখনও ধন্দে রয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। ঘূর্ণিঝড়টি ঠিক কোথায় আঘাত হানতে পারে, সে ব্যাপারে এক একটি সংস্থা এক একরকম কথা বলে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ অনুপমের হয়ে যাদবপুরে প্রচারে অংশ নিলেন WWE চ্যাম্পিয়ন গ্রেট খালি

এই নিয়ে ধন্দে রয়েছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরই। বৃহস্পতিবার আবহাওয়া দফতর তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছিল ঘূর্ণিঝড়টি আগামী ৩০ এপ্রিল উত্তর তামিলনাড়ু উপকূল দিয়ে ভারতের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেই পূর্বাভাস থেকে কিছুটা সরে এসেছে তারা। শুক্রবার তারা জানিয়েছে ৩০ এপ্রিল উত্তর তামিলনাড়ু উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে এই ঝড়। যার জন্য তামিলনাড়ুতে প্রবল বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাঁচ বছরে একটাও রাম মন্দির করতে পারল না বিজেপি, রানীগঞ্জে বললেন মমতা

এ দিকে আবহাওয়া সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক একটি সংস্থা জানিয়েছে, তামিলনাড়ু উপকূলে আঘাত হেনে ঝড়টি আবার বঙ্গোপসাগরে ঘুরে যাবে। তার পরবর্তী অভিমুখ হতে পারে বাংলাদেশে-মায়ানমার উপকূল। এই পূর্বাভাসের সঙ্গে একমত মার্কিন আবহাওয়া সংস্থাও। সেক্ষেত্রে বাংলাতেও ঝড় বৃষ্টি হবে।

আরও পড়ুনঃ টার্গেট মুর্শিদাবাদ, অধীরকে হারাতে বহরমপুরে ইমামদের নিয়ে সভা শুভেন্দুর

আবার অন্য একটি সংস্থার দাবি, তামিলনাড়ুতে ঝড়টি ঢুকে কেরল হয়ে প্রবেশ করবে আরব সাগরে। সেখানে আবার নতুন করে ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি নিতে পারে সে। আবার অন্য একটি সংস্থার মতে, ঝড়টি তামিলনাড়ুতে যাবেই না। বরং ক্রমশ ওপরের দিকে উঠতে থাকবে। বাংলাদেশ-মায়ানমারকে আঘাত হানার সম্ভাব্য জায়গা বললেও, পশ্চিমবঙ্গ উপকূলকেও সন্দেহের তালিকা থেকে বাধ রাখছে না তারা। তবে বেশির ভাগ সংস্থাই বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূলের ওপরেই বেশি নজর রাখছে।

আরও পড়ুনঃ প্রচারে বেড়িয়ে দুষ্কৃতীর ভোজালি হামলার মুখে বিজেপি প্রার্থী, কর্মীর গলায় কোপ

এই প্রসঙ্গে বলে রাখা যেতে পারে, ঘূর্ণিঝড় যদি তামিলনাড়ুর দিকে যায়, তা হলে রাজ্যে গরম প্রবল ভাবে বাড়তে পারে। কারণ সে ক্ষেত্রে উত্তর ভারতে থাকা সমস্ত জলীয় বাষ্প সে নিজের দিকে টেনে নিতে পারে, যার ফলে রাজ্যের বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়তে পারে গরম হাওয়া। আর যদি বাংলাদেশ-মায়ানমারের দিকে অভিমুখ হয়, তা হলে রাজ্যে নামতে পারে স্বস্তির বৃষ্টি। তাই ভোটের দিনগুলোতে কি হয় সেটাই এখন দেখার।

]]>