Assembly Elections – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 04 Jan 2019 04:26:50 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Assembly Elections – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 লোকসভার সঙ্গেই জম্মু কাশ্মীরে ভোট করতে প্রস্তুত মোদী সরকার https://thenewsbangla.com/rajnath-singh-says-centre-ready-for-elections-in-jk-along-with-lok-sabha-if-ec-wants/ Fri, 04 Jan 2019 04:10:45 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5212 The News বাংলা: বিরোধীদের সব অভিযোগ উড়িয়ে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই জম্মু ও কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের আয়োজন করতে আপত্তি নেই কেন্দ্রের। বৃহস্পতিবার সংসদে একথা ঘোষণা করে বিরোধীদের চুপ করিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। তবে তিনি জানান, ভোটের ব্যপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন।

গত ২২শে নভেম্বর বিরোধীদের সরকার গঠনের উদ্যোগের মাঝেই জম্মু কাশ্মীরে বিধানসভা ভেঙে দেবার সিদ্ধান্ত নেন রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক। জারি হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। এরপরেই কংগ্রেস, পিডিপি সহ সব বিরোধীরাই বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগে। রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়ে যাবার পর ৬ মাসের মধ্যে জম্মু কাশ্মীরে নির্বাচন করতেই হবে। কেন্দ্র ভোট চাইছে না বলেই অভিযোগ ওঠে। সব অভিযোগ সংসদেই উড়িয়ে দিলেন রাজনাথ সিং।

শুধু তাই নয়, ভোটের জন্য জম্মু ও কাশ্মীরে নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ধ্বনিভোটের মাধ্যমে তাঁকে সমর্থন জানায় রাজ্যসভা। তবে ভোটের ব্যপারে শেষ কথা বলবে নির্বাচন কমিশন, জানিয়ে দেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ
EXCLUSIVE: নতুন বছরে সুখবর, রাজ্য সরকারি কর্মীরা পাচ্ছেন বকেয়া ডিএ
বাংলায় আবার নক্ষত্র পতন, চলে গেলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক
‘রাম’কে ছেড়ে আসা লক্ষণকে ‘হাতে’ নিয়ে বাংলায় তুলকালাম
কংগ্রেস ছেড়ে মমতার ‘মহানায়িকা’ এবার মোদীর বক্স অফিসে

কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাকামী নেতাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার আলোচনায় অনাগ্রহী, এই অভিযোগও রাজ্যসভায় উড়িয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। স্মরণ করিয়ে দেন যে, ২০১৬ সালে যখন সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল দেখা করতে যায়, তারাই বৈঠকে বসতে অস্বীকার করে। রাজনাথের অভিযোগ, এই সমস্ত কারণেই কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে বাধা তৈরি হচ্ছে। এদিন রাজনাথ বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় শান্তি ফেরাতে নিঃশর্ত আলোচনায় বসতে আগ্রহী কেন্দ্র।

বিজেপি আর পিডিপি একসঙ্গে উপত্যকায় সরকার চালাত। এরই মাঝে জুন মাসে পিডিপি থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয় বিজেপি। তারপর থেকেই কাশ্মীরে রাজ্যপাল শাসন জারি ছিল।

লোকসভার সঙ্গেই জম্মু কাশ্মীরে ভোট করতে প্রস্তুত মোদী সরকার/The News বাংলা
লোকসভার সঙ্গেই জম্মু কাশ্মীরে ভোট করতে প্রস্তুত মোদী সরকার/The News বাংলা

গত বছরের মাঝ নভেম্বরেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পিডিএফ নেত্রী মেহেবুবা মুফতি এবং ন্যশনাল কনফারেন্সের নেতা আরেক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার দল একযোগে সরকার গঠনের প্রস্তুতি নেয়। টুইট করে মুফতি দাবি করেন রাজ্যপালের সঙ্গে ফোন বা ফ্যক্সের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারছেন না। তাঁর সঙ্গে ৫৬ জন বিধায়কের সমর্থন আছে বলেও দাবি করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

এরপরে লন্ডনে থাকা সাজিদ লোন রাজ্যপালের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে হোয়াটস অ্যাপে সমর্থনপত্র পাঠিয়েছেন বলে জানান। তাঁর দলের দুই বিধায়কের সম্মতিও আছে সেখানে। এছাড়া তাঁর দাবি ছিল, বিজেপির ২৫ জন এবং অন্য ১৮ জন বিধায়কের সমর্থনও আছে তাঁর সঙ্গে।

লোকসভার সঙ্গেই জম্মু কাশ্মীরে ভোট করতে প্রস্তুত মোদী সরকার/The News বাংলা
লোকসভার সঙ্গেই জম্মু কাশ্মীরে ভোট করতে প্রস্তুত মোদী সরকার/The News বাংলা

কিন্তু তার পরে হঠাৎই বিধানসভা ভেঙে দেন রাজ্যপাল। জারি হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। ফ্যাক্স মারফৎ বিধানসভা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত জানান রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক। রাজ্যপাল বলেন, “দুটি বিপরীত চিন্তা ভাবনায় আস্থা রাখা দল একসঙ্গে স্থায়ী সরকার দিতে পারেবে না। তাই, বিধানসভা ভাঙা হয়েছে”।

আগামী ছমাসের মধ্যে ভোট করতে হবে উপত্যকায়। এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং “লোকসভার সঙ্গেই ভোট হতে পারে কাশ্মীরে”, বলে দেওয়ায় বল এখন নির্বাচন কমিশনের কোর্টে। এই মুহূর্তে ভূস্বর্গে ভোটে নিরাপত্তার ব্যপারটাই চিন্তা ভাবনা করছে নির্বাচন কমিশন। তবে রাজনাথের ঘোষণার পর কাশ্মীরে ভোট নিয়ে এবার বিরোধীদের মুখ বন্ধ হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুনঃ
ভোরবেলায় শবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস সৃষ্টি ‘মা দুর্গার’
নারী ঢোকায় ‘অপিবত্র’ শবরীমালা, ‘শুদ্ধ’ করার জন্য বন্ধ মন্দির
দেশপ্রেম বাড়াতে স্কুলের রোল কলে এবার ‘জয় হিন্দ’ ও ‘জয় ভারত’
শেখ হাসিনাকে প্রথম অভিনন্দন জানালেন নরেন্দ্র মোদী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
অবিশ্বাস্য জয়, ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৮৮ আসনে জিতে ফের ক্ষমতায় শেখ হাসিনা
চিন সীমান্তে ভগবান হয়ে পর্যটকদের উদ্ধার ভারতীয় সেনার
শীতের বাংলায় বৃষ্টি আনতে আন্দামান থেকে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘পাবুক’

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
৫ টি প্রধান কারনে ৫ রাজ্যে হার মোদীর বিজেপির https://thenewsbangla.com/five-major-reasons-why-narendra-modis-bjp-lost-in-five-states/ Tue, 11 Dec 2018 10:22:24 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4030 The News বাংলা, নিউ দিল্লী: কি কি কারণে ৫ রাজ্যে শেষ মোদী ম্যাজিক? সবটার জন্যই কি রাজ্য সরকার বা রাজ্যের বিজেপি নেতারা দায়ী? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নরেন্দ্র মোদীর ভুল নীতিও এই ভোটে মানুষকে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিতে বাধ্য করেছে। কি কি কারণে হার বিজেপির? কি বলছেন ভোট বিশেষজ্ঞরা?

আরও পড়ুনঃ Result Live: মোদীকে হারালেন রাহুল, ৫ রাজ্যেই ধরাশায়ী বিজেপি

৫ রাজ্যে বিজেপির হারার প্রধান ৫ টি কারণঃ

১. “নোটবন্দী”। ৫ রাজ্যে বিজেপির এই হারের প্রধান কারণ নোটবন্দী। ২০১৭ নভেম্বরে হঠাৎ করেই ৫০০ আর ১০০০ টাকার নোট অচল বলে ঘোষণা করে দেওয়ার প্রায় নয় মাস পরে জানা যায় বাতিল হয়ে যাওয়া প্রায় সব নোটই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে ফিরে এসেছে।

নোটবাতিলের ঘোষণার সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং তারপরে সব বিজেপি নেতা মন্ত্রীই দাবী করেছিলেন যে অর্থনীতিতে তিন লক্ষ কোটি টাকার জাল এবং কালো টাকা ঘুরছে। নোটবন্দীর পরে সেই কালোটাকা আর জাল নোট উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

সেই টাকা ব্যাঙ্কের কাছে আর ফেরত আসবে না,এমনটাও দাবী করা হয়েছিল। অথচ দেখা গেল চালু থাকা নোটের প্রায় ৯৯ শতাংশই ফিরে এসেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার বার্ষিক রিপোর্টে এই তথ্য দেওয়ার পরই হতাশ হন ভারতবাসী।

আরও পড়ুনঃ লোকসভার আগে রাহুলের কাছে মোদীর হার, পড়ল টাকার দাম

২. “আচ্ছে দিন”। না আচ্ছে দিন আসে নি। কোথাও কৃষক আত্মহত্যার রেশ কমে নি। শেষ ৩ বছরে প্রায় ১৫০০ কৃষক আত্মহত্যা করেছেন বলেই অভিযোগ। কৃষকদের ঋণ মকুব হয় নি। কৃষিঋণ মকুবের দাবিতে বিভিন্ন রাজ্যে কৃষক বিক্ষোভে মোদী সরকার বেশ বড় রকমের ধাক্কা খেল। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনেও এর এর প্রভাব পড়বে।

কৃষিঋণ মকুবের দাবিতে কৃষক বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়েছিল বিজেপি-শাসিত মধ্যপ্রদেশে। সেখানে বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে মন্দসৌরে পুলিশের গুলিতে মারা যান পাঁচজন কৃষক। রাজ্যে কৃষক আত্মহত্যার হার অনেক বেশি। এর আঁচ ছড়িয়ে পড়ে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা, পাঞ্জাব সহ অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও। নিখিল ভারত কিষাণ সভার নেতৃত্বে কৃষক সংগঠনগুলি দিল্লিতে বিক্ষোভও দেখায়৷

মানুষ মেনে নেয় নি জিএসটি-ও। ছোট ও মাঝারি শিল্পপতিরা এখনও ধুঁকছে। পরিকল্পনা ছাড়াই জিএসটি চালু, মত অর্থনীতিবিদদের।

আরও পড়ুনঃ মোদী সরকারের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় পদত্যাগ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক গভর্নরের

৩. “কর্মসংস্থান”। ২০১৪ সালে যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোদী ক্ষমতায় এসেছিলেন তার প্রধান ছিল কর্মসংস্থান। কিন্তু এই ৫ বছরে বেকার সমস্যা আরও বেড়েছে ভারতের সব রাজ্যেই। বেকার যুবকরা মুখ ফিরিয়েছে বিজেপির দিক থেকে।

গত লোকসভা নির্বাচনের আগে বি জে পি-র প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যে এক বা একাধিক জনসভা করে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ক্ষমতায় এলে তিনি বছরে ২ কোটি চাকরির ব্যবস্থা করবেন। ৫ বছরে ২ লাখ হয়েছে কিনা সে নিয়ে সন্দেহ সবার।

বছরে ২ কোটি চাকরি তো দূরের কথা, ২ লক্ষ চাকরির বন্দোবস্তও করতে পারেনি মোদী, এমনটাই অভিযোগ। তাই ক্ষমতায় আসার পর বছরখানেক মেক ইন ইন্ডিয়া, স্কিল ইন্ডিয়া, স্টার্ট আপ ইত্যাদি নানান ধরনের রকমারি প্রকল্প ঘোষণা করে বাজার গরম করা হলেও, বাস্তবে নতুন করে কোনো কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি।

উলটে বিদেশি পুঁজি তথা কর্পোরেট বান্ধব পদক্ষেপ নেবার ফলে পুরানো কর্মসংস্থানেরও অবলুপ্তি ঘটতে থাকে। বেগতিক বুঝে গত এক-দেড় বছরে ভুলেও আর কর্মসংস্থানের কথা উচ্চারণ করছেন না নরেন্দ্র মোদী। দলীয় এবং সরকারি অনুষ্ঠানে সন্তর্পণে এড়িয়ে যাচ্ছেন চাকরি দেবার প্রতিশ্রুতির কথা। ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে মন ভোলানোর হাজারো গল্পকথা শোনানো হলেও, বেকারদের জন্য চাকরির বিষয়টি উহ্যই থেকে যায়।

আরও পড়ুনঃ মোদী সরকারের সাফল্য, বিজয় মালিয়াকে ভারতে ফেরতের নির্দেশ ব্রিটিশ আদালতের

৪. “ব্যাংক নীতি”। মোদীর আমলে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা শেষ করে দেওয়া হয়েছে বলেই অভিযোগ। নোট বাতিল থেকে শুরু করে ব্যাঙ্ক থেকে দিনে কুড়ি হাজার টাকার বেশি তোলা যাবে না, মেনে নেয় নি ভারতের আমজনতা। ব্যাঙ্কের সুদ কমেছে। অসহায় অবস্থা সিনিয়ার সিটিজেনদের। ব্যাঙ্কে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা না রাখলে জরিমানা বাবদ টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে, যা ক্ষোভ বাড়িয়েছে গরীব মানুষের।

অন্যদিকে বিজয় মালিয়া, ললিত মোদী, নীরব মোদি ও তার মামা গীতাঞ্জলি গ্রুপের কর্ণধার মেহুল চোকসি আমজনতার টাকা নিয়ে দুর্নীতি করে যেভাবে মোদী সরকারের নজর এড়িয়ে বিদেশে পালিয়েছে তা সরকারকে বেশ বিব্রত করেছে। বিরূপ প্রভাব ফেলেছে জনগণের মনে।

আরও পড়ুনঃ রাহুলের ‘রাফায়েল’ অ্যাটাকের জবাবে মোদীর হাতে ‘মাইকেল’

৫. “দূর্নীতি”। ‘রাফায়েল দুর্নীতি’ মানুষকে আশাহত করেছে বিজেপির প্রতি, মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০১৪ সালে যে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়েছিল, তাতে মোট খরচ পড়ত ৭৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা। যুদ্ধবিমান আসত ১২৬টি। সেই চুক্তিতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হ্যালও উপকৃত হতো। বিজেপি আমলের এই চুক্তিতে বিমান আসবে ৩৬টি, খরচ ৫৮ হাজার কোটি টাকা।

মোদীর নতুন চুক্তিতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হ্যালের কোনো ভূমিকাও এখানে থাকছে না। মোদীর ছোঁয়ায় ‘কাট মানি’ খাবার সুযোগ পেয়েছে আম্বানি গোষ্ঠী, অভিযোগ বিরোধীদের। কংগ্রেস আমলের চুক্তিতে বিমানপ্রতি খরচ পড়ত ৬২৯ কোটি টাকা, বিজেপির চুক্তিতে খরচ পড়ছে ১ হাজার ৬১১ কোটি। কংগ্রেস হিসাব করে দেখিয়ে দিয়েছে, ৬২৯ কোটি টাকাতে ৩৬টি রাফায়েল কিনলে খরচ যেখানে ২২ হাজার ৬৪৪ কোটি হতো, সেখানে বিজেপি সরকার ওই ৩৬টি বিমানের জন্য দিচ্ছে প্রায় ৫৮ হাজার কোটি! অর্থাৎ আড়াই গুণেরও বেশি!

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ২৫ টাকা কেজি পেঁয়াজ, নাসিকে দাম না পেয়ে আত্মহত্যা

রাফাল যুদ্ধবিমানের পর কয়লা আমদানি নিয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে যে কয়লা আমদানি করা হয়েছে, সেখানে অতিরিক্ত দাম দেখানো হয়েছে। রাফালের মতোই এখানেও বন্ধু ব্যবসায়ীদের বাঁচাতে বিজেপি চেষ্টা করছে বলেই অভিযোগ। ৩৫ হাজার কোটি টাকা কেলেঙ্কারির এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয় জল্পনা। স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম গঠন করে এই ঘটনা সামনে আনার জন্য আবেদনও জানায় কংগ্রেস।

সব মিলিয়ে মোদী সরকারের বিভিন্ন নীতিই বিজেপির এই ভরাডুবির জন্য দায়ী বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মানুষের এই ক্ষোভ বজায় থাকলে আর কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধী জোট এককাট্টা হতে পারলে, আগামী লোকসভা নির্বাচন যে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের পক্ষে আরও দুঃসহ হতে চলেছে তা বলাই যায়।

]]>
লোকসভার আগে রাহুলের কাছে মোদীর হার, পড়ল টাকার দাম https://thenewsbangla.com/before-parliament-election-rahul-wins-against-modi-the-rate-of-the-money-falls/ Tue, 11 Dec 2018 04:26:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3932 The news বাংলাঃ সেমিফাইনালে জিততে চলেছেন রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস সভাপতি হয়ে প্রথম যুদ্ধেই মোদীকে হারালেন রাহুল। রাজস্থান ও ছত্তিসগড়ে জিততে চলেছে কংগ্রেস। মধ্যপ্রদেশে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। মিজোরাম ও তেলেঙ্গনাতেও জিতছে না বিজেপি। লোকসভা ভোটের আগে কড়া হার বিজেপির। এদিকে ভোটের ফল বেরোনোর আগেই দারুন ভাবে পড়ল টাকার দাম। ডলারের তুলনায় ১ টাকা ৫৩ পয়সা পড়ে গেল টাকার দাম। সেনসেক্স পড়ে গেল ৫০০ পয়েন্ট।

লোকসভার আগে রাহুলের কাছে মোদীর হার, পড়ল টাকার দাম/The News বাংলা
লোকসভার আগে রাহুলের কাছে মোদীর হার, পড়ল টাকার দাম/The News বাংলা

এদিন বাজার খুলতেই সেনসেক্স ৫০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে ৩৪৪৫৮.৮৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়। সেনসেক্স আরও পতনের ইঙ্গিত রয়েছে। এদিকে নিফটিও ২০৫.২৫ পয়েন্ট পড়ে ১০,৫০০ পয়েন্টে নেমে গিয়েছে।

একদিকে যেমন বিশ্বজনীন বাণিজ্য যুদ্ধ, অপরিশোধিত তেলের দামে অনিশ্চয়তার বিষয়গুলি রয়েছে, তেমনই আরবিআই গভর্নরের পদ থেকে উর্জিত প্যাটেলের সরে যাওয়াও টাকার দামে পতনের অনুঘটকের কাজ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

৫ রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের দল বিজেপির হারকেও অনেকে শেয়ার বাজারের পতনের কারন বলে মনে করছেন। এদিকে টাকার দাম ডলারের তুলনায় ১ টাকা ৫৩ পয়সা পড়ে গেল টাকার দাম।

]]>
পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় মোদীর চেয়ে এগিয়ে রাহুল https://thenewsbangla.com/rahul-gandhi-is-ahead-of-narendra-modi-in-the-exit-poll-in-five-states-election/ Sun, 09 Dec 2018 09:55:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=3793 The News বাংলা, কলকাতাঃ ভারতের পাঁচটি রাজ্যের বিধানসভার নির্বাচন শেষ হয়েছে। এটাই, আগামী বছর ভারতে অনুষ্ঠেয় লোকসভা নির্বাচনের সেমিফাইনাল বলে গণ্য করা হচ্ছে। ফাইনাল আগামী এপ্রিল-মে মাসে। তাই ভারতের মানুষও তাকিয়ে আছেন এই পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফলের দিকে।

বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা ও মিজোরাম রাজ্যে। এই পাঁচ রাজ্যের মধ্যে বিজেপি এখন মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও রাজস্থানে ক্ষমতায় আছে। কংগ্রেস আছে মিজোরামে এবং তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি (টিআরএস) তেলেঙ্গানা রাজ্যে ক্ষমতায় আছে।

পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় রাহুলের চেয়ে পিছিয়ে মোদী/The News বাংলা
পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় রাহুলের চেয়ে পিছিয়ে মোদী/The News বাংলা

১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ থাকায় এই পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের কোনো আগাম বুথফেরত সমীক্ষার ফলাফল ঘোষিত হয়নি। শেষ দফার নির্বাচনের পর ভারতের বিভিন্ন সংবাদসংস্থা, সংবাদমাধ্যম এবং সংবাদপত্র বুথফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করেছে।

আরও পড়ুন: ‘বাংলায় রথ যাত্রা হবেই’ মমতাকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

এতে যে আভাস পাওয়া গেছে, তাতে স্বস্তি নেই কেন্দ্রের শাসক দলের। কোনো রাজ্যেই ভারতীয় জনতা পার্টির(বিজেপি) নিশ্চিত জয়ের ইঙ্গিত মেলেনি। কংগ্রেসকেই এগিয়ে রাখা হয়েছে।

পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় রাহুলের চেয়ে পিছিয়ে মোদী/The News বাংলা
পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় রাহুলের চেয়ে পিছিয়ে মোদী/The News বাংলা

শেষ দফার নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর দেশজুড়ে বুথফেরত সমীক্ষা প্রকাশিত হয়। সমীক্ষায় দেখা গেছে, রাজস্থানে বিজেপি ক্ষমতা হারাবে। আর মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে কংগ্রেসের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। আর তেলেঙ্গানায় কংগ্রেস-টিডিপি (তেলেগু দেশম পার্টি) জোটকে হারিয়ে দিয়ে জিততে পারে টিআরএস। অন্যদিকে, মিজোরামেও ঠাঁই পাবে না বিজেপি। সেখানে আঞ্চলিক দলের জোট হারিয়ে দিতে পারে কংগ্রেসকেও।

এক নজরে বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষার আভাসঃ

পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় রাহুলের চেয়ে পিছিয়ে মোদী/The News বাংলা
পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় রাহুলের চেয়ে পিছিয়ে মোদী/The News বাংলা

মধ্যপ্রদেশ: এই পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসন রয়েছে মধ্যপ্রদেশে। আসনসংখ্যা ২৩০। এই রাজ্যে এখন ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। বুথফেরত সমীক্ষায় ইন্ডিয়া টুডে-এএমআই ইঙ্গিত দিয়েছে, ১০২ থেকে ১২০ আসনে জিততে পারে বিজেপি, কংগ্রেস জিততে পারে ১০৪ থেকে ১২২টি আসন। টাইমস নাউ-সিএনএক্স বলেছে, বিজেপি পেতে পারে ১২৬ এবং কংগ্রেস ৮৯।

আরও পড়ুন: কলকাতা হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে মুখ রক্ষা বিজেপির ‘রথ যাত্রা’র

রিপাবলিক টিভি-জেকেবি বলেছে, বিজেপির ভাগ্যে জুটতে পারে ১০৮ থেকে ১২৮ আসন। আর কংগ্রেস পেতে পারে ৯৫ থেকে ১১৫। নিউজ নেশন বলেছে, বিজেপি পেতে পারে ১০৮ থেকে ১১২টি আর কংগ্রেস পেতে পারে ১০৫ থেকে ১০৯টি আসন। আর ইন্ডিয়া নিউজ-এমপি নেটা বলেছে, বিজেপি পেতে পারে ১০৬ আর কংগ্রেস পেতে পারে ১১২টি আসন।

পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় রাহুলের চেয়ে পিছিয়ে মোদী/The News বাংলা
পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় রাহুলের চেয়ে পিছিয়ে মোদী/The News বাংলা

রাজস্থান: এই রাজ্যের আসনসংখ্যা ২০০। ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। ইন্ডিয়া টুডে-এএমআই ইঙ্গিত দিয়েছে, বিজেপি পেতে পারে ৫৫ থেকে ৭২টি আসন আর কংগ্রেস পেতে পারে ১১৯ থেকে ১৪১টি আসন। টাইমস নাউ-সিএনএক্স বলেছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৫, কংগ্রেস ১০৫টি।

আরও পড়ুন: জনগণকে ‘গাধা’ বানিয়ে ‘শিক্ষাগুরু নেহেরু’র যোগ্য ছাত্র সব রাজনীতিবিদ

রিপাবলিক টিভি-জেকেবি বলেছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৩ থেকে ১০৩। কংগ্রেস ৮১ থেকে ১০১। আর নিউজ নেশন বলেছে, বিজেপি পেতে পারে ৮৯ থেকে ৯৩ এবং কংগ্রেস পেতে পারে ৯৯ থেকে ১০৩টি আসন।

ছত্তিশগড়: আসনসংখ্যা ৯০। বর্তমান ক্ষমতায় বিজেপি। ইন্ডিয়া টুডে-এএমআই আভাস দিয়েছে, বিজেপি পেতে পারে ২১ থেকে ৩০। কংগ্রেস ৫৫ থেকে ৬৫। টাইমস নাউ-সিএনএক্স বলেছে, বিজেপি ৪৬, কংগ্রেস ৩৫। ইন্ডিয়া টিভি বলেছে, বিজেপি ৪২ থেকে ৫০, কংগ্রেস ৩২ থেকে ৩৮।

নিউজ নেশন বলেছে, বিজেপি ৩৮ থেকে ৪২, কংগ্রেস ৪০ থেকে ৪৪। আর রিপাবলিক টিভি-সি-ভোটার বলেছে, বিজেপি পেতে পারে ৩৫ থেকে ৪০, কংগ্রেস ৪০ থেকে ৫০টি আসন।

পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় রাহুলের চেয়ে পিছিয়ে মোদী/The News বাংলা
পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় রাহুলের চেয়ে পিছিয়ে মোদী/The News বাংলা

তেলেঙ্গানা: অন্ধ্রপ্রদেশ ভেঙে গঠিত হওয়া তেলেঙ্গানা রাজ্যে রয়েছে ১১৯টি আসন। ইন্ডিয়া টুডে-এএমআই বলেছে, টিআরএস পেতে পারে ৭৯ থেকে ৯১, কংগ্রেস-টিডিপি পেতে পারে ২১ থেকে ৩৩। বিজেপি পেতে পারে ১ থেকে ৩টি আসন। টাইমস নাউ-সিএনএক্স বলেছে, টিআরএস ৩৬, কংগ্রেস-টিডিপি ৩৭ এবং বিজেপি ৭টি আসন পেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ রাহুলের ‘রাফায়েল’ অ্যাটাকের জবাবে মোদীর হাতে ‘মাইকেল’

রিপাবলিক টিভি-জেকেবি বলেছে, টিআরএস পেতে পারে ৫০ থেকে ৬৫, কংগ্রেস-টিডিপি ৩৮ থেকে ৫২, বিজেপি ৪ থেকে ৭টি আসন। নিউজএক্স-নেটা ইঙ্গিত দিয়েছে, টিআরএস ৫৭, কংগ্রেস-টিডিপি ৪৬ এবং বিজেপি পেতে পারে ৬টি আসন।

পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় রাহুলের চেয়ে পিছিয়ে মোদী/The News বাংলা
পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফল সমীক্ষায় রাহুলের চেয়ে পিছিয়ে মোদী/The News বাংলা

মিজোরাম: উত্তর–পূর্ব ভারতের পাহাড়ি রাজ্য মিজোরাম। আসনসংখ্যা ৪০। এখানে এখন ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। এই রাজ্যে ভারতের জাতীয় দল গুলির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে আঞ্চলিক দল। এই রাজ্যের নির্বাচন নিয়ে বুথফেরত সমীক্ষা করেছে রিপাবলিক টিভি-সি-ভোটার। তাদের সমীক্ষায় ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, আঞ্চলিক দলের জোট এমএনএফ পেতে পারে ১৬ থেকে ২০টি আসন। অন্যদিকে কংগ্রেস পেতে পারে ১৪ থেকে ১৮টি আসন।

আরও পড়ুনঃ কৃষক র‍্যালিকে ঢাল করেই মোদী বিরোধী মঞ্চ গঠনের মরিয়া চেষ্টা বিরোধীদের

এই রাজ্যে অবশ্য মুখোমুখি লড়াই হয়েছে কংগ্রেসের সঙ্গে আঞ্চলিক দলের জোটের। তাই এই রাজ্যে কংগ্রেস হারাতে পারে ক্ষমতা। যদিও কংগ্রেসের দাবি তারাই জিততে চলেছে। এখন কার সমীক্ষা মেলে সেটাই দেখা যাবে আগামী ১১ ডিসেম্বরে। মিলে গেলে লোকসভা ভোটের আগে যথেষ্ট চিন্তার মধ্যে রাখবে কেন্দ্রের শাসক দলকে।

]]>