Allahabad High Court – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Wed, 11 May 2022 11:57:58 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Allahabad High Court – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 তাজমহলের ২২টি রহস্যময় বন্ধ দরজা খুলতে এলাহাবাদ হাইকোর্টে আবেদন https://thenewsbangla.com/taj-mahal-22-mysterious-closed-doors-must-open-plea-filed-lucknow-bench-of-allahabad-high-court/ Wed, 11 May 2022 11:57:20 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=15049 বারাণসীর জ্ঞানব্যাপী মসজিদ, কাশী-বিশ্বনাথের মন্দির নিয়ে বিতর্কের পরে; এবার আগ্রার তাজমহলও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ইতিমধ্যেই তাজমহল নিয়ে এলাহবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চে; একটি আবেদন দাখিল করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, তাজমহলের ২২টি ঘরই খুলে দিতে হবে; কারণ সেখানে হিন্দুদের দেবদেবীর মূর্তি ও শিলালিপি রয়েছে বলেই দাবি।

মুঘল সম্রাট শাহজাহান, স্ত্রী মমতাজের স্মরণে; যমুনার তীরে সাদা মার্বেল দিয়ে তাজমহল বানিয়েছিলেন। পারস্য, ভারতীয় ও ইসলামিক স্থাপত্যের অনন্য মিশ্রণে তৈরি তাজমহলকে; প্রেমের নির্দশনও বলা হয়। কিন্তু বিরোধ ছিল সেই সময় থেকেই। কোন কোন মহল থেকে দাবি করা হয়; তাজমহল আসলে হিন্দুদের বিশ্বাসের কেন্দ্র। যা নিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চে; বিজেপির মিডিয়া ইনচার্জ আবেদন দাখিল করেছেন।

আবেদনকারী আবেদনে বলেছেন, তাজমহলের ভিতরের ২২টি ঘরই; খোলার অনুমতি দেওয়া উচিত। কারণ সেখানে হিন্দু ভাস্কর্য কিংবা শিলালিপি আছে কিনা; তা যাচাই করে দেখা উচিত। হাইকোর্টের কাছে দাবি জানানো হয়েছে; এএসআই এবং ইতিহাসবিদদের সমন্বয়ে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করে তদন্ত করতে হবে।

বিতর্ক শুরু হয়েছে; ইতিহাসবিদ পিএন ওকের লেখা ‘ট্রু স্টোরি অফ তাজ’ বইটি নিয়ে। ওই বইয়ে তাজমহলকে শিবমন্দির বলে; উল্লেখ করা হয়েছে। হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চে; আবেদন করেছেন বিজেপি কর্মী ডাঃ রজনীশ। এই আবেদনে তাজমহলকে শিবমন্দির বা তেজো মহালয়া বলে দাবি করা হয়েছে। তাজমহলের বেসমেন্টে ২২টি কক্ষর মধ্যে; ২০টি খোলার অনুমতির জন্য পিটিশন দায়ের হয়েছে।

আবেদনকারী বলেছেন যে, তিনি জানতে পেরেছেন; ২০টি ঘরে তেজো মহালয়ার প্রমাণ রয়েছে। এটি একটি শিবমন্দির নাকি সমাধি; তা পরিষ্কার হওয়া উচিত। বন্ধ দরজা খুলে দিলে; এই বিরোধ চিরতরে চাপা পড়ে যাবে। আদালত আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে, তবে বিশেষজ্ঞদের মতে; তাজের এই ২২টি বন্ধ দরজা খোলা সহজ হবে না। তাজের বন্ধ দরজা খুলতে অনেক বাধা রয়েছে।

প্রথমত, ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ মর্যাদাসম্পন্ন একটি বিল্ডিং টেম্পারিংয়ের জন্য; কোটি-কোটি টাকা এবং উচ্চ-পর্যায়ের বিশেষজ্ঞদের অনেক দল লাগবে। দ্বিতীয় কারণটি হল, তাজমহল একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্মৃতিস্তম্ভ; তাই ইউনেস্কোও এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে। কিন্তু ২২টি দরজা বন্ধ কেন? সেটা এখনও কেউ জানেন না। তাজমহলের বন্ধ দরজার পেছনের রহস্য কী; তা খোলার পরই জানা যাবে।

]]>
যোগীর রাজ্যে এলাহাবাদ হাইকোর্টে ৩৪৯৫ জন নিয়োগ https://thenewsbangla.com/in-the-state-of-yogi-allahabad-high-court-will-recruit-3495-parmanent-staff/ Sat, 17 Nov 2018 18:18:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2602 The News বাংলা, এলাহাবাদঃ এলাহাবাদ হাইকোর্টে ৩৪৯৫ জন নিয়োগ করা হবে। গোটা দেশ থেকেই আবেদন করা যাবে।

একনজরে দেখে নিন কি কি পোস্টে লোক নেবেঃ

১। স্টেনো গ্রেড-থ্রি ৪১২ জন (পোস্ট কোড ০১ বিজ্ঞপ্তি নম্বর 02/Sub. Court/Stenographer/2018), ২। জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট (তুলনীয় নানা পদের জন্য, পোস্ট কোড ০২ বিজ্ঞপ্তি নম্বর 02/Sub. Court/Category ‘C’/Clerical Cadre/ 2018), ও ৩। পেইড অ্যাপ্রেন্টিস ১৪৮৪ জন, ৪। ড্রাইভার ৪০ জন (পোস্ট কোড ০৩ বিজ্ঞপ্তি নম্বর 02/Sub. Court/Drivers (Driver Category ‘C’/Grade-IV)/ 2018)

এছাড়াও ১. টিউবওয়েল অপারেটর-কাম-ইলেক্ট্রিশিয়ান, ২. প্রসেস সার্ভার, ৩. আর্দালি/ পিওন/ অফিস পিওন/ ফারাশ, ৪. চৌকিদার/ ওয়াটারম্যান/ সুইপার/ মালি/ কুলি/ লিফটম্যান/ ভিস্তি, ৫. সুইপার-কাম-ফারাশ পদে ১৫৫৯ জন (পোস্ট কোড ০৪ বিজ্ঞপ্তি নম্বর 02/Sub. Court/Group ‘D’/2018 কর্মী নিয়োগ করবে এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

পোস্ট কোড ০৪ ‘ডি’ ক্যাডারের পদ, বাকি সব পদই ‘সি’ ক্যাডারের। নিচের মতো যোগ্যতার প্রার্থীরা ১ জুলাই ২০১৭-র হিসাবে ১৮-৪০ বছর বয়স হলে আবেদন করতে পারে। সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন কেবল উত্তরপ্রদেশের প্রার্থীরা। সব পদেরই মূল বেতন ৫২০০-২০২০০ টাকা, সঙ্গে গ্রেড পে পোস্ট কোড ০১-এর জন্য ২৮০০ টাকা, ০২ ও ০৩-এর জন্য ১৯০০ টাকা, ০৪-এর জন্য ১৮০০ টাকা ও অন্যান্য ভাতা, সুইপার-কাম-ফারাশের জন্য মোট বেতন ৬০০০ টাকা।

Image Source: Google

যোগ্যতা: পোস্ট কোড ০১: যে-কোনো শাখায় গ্র্যাজুয়েশন সহ স্টেনোগ্রাফিতে ডিপ্লোমা ও ডয়েকের সিসিসি সার্টিফিকেট। পোস্ট কোড ০২: উচ্চমাধ্যমিক/সমতুল পাশ সহ ডোয়েকের সিসিসি সার্টিফিকেট এবং কম্পিউটারে মিনিটে ৩০ শব্দের গতিতে হিন্দি বা ৪০ শব্দের গতিতে ইংরেজিতে টাইপ করার দক্ষতা। পোস্ট কোড ০৩: মাধ্যমিক/সমতুল পাশ সহ ৪ চাকার গাড়ি ড্রাইভিং লাইসেন্স ও অন্তত ৩ বছর ওই ড্রাইভিংয়ের অভিজ্ঞতা। পোস্ট কোড ০৪: ১. ক্লাস এইট পাশ সহ সংশ্লিষ্ট ট্রেডে আইটিআই সার্টিফিকেট। পোস্ট কোড ০৪: ২. মাধ্যমিক/সমতুল পাশ। পোস্ট কোড ০৪: ৩-৪. ক্লাস এইট পাশ। পোস্ট কোড ০৪: ৫. ক্লাস সিক্স পাশ।

প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি: অফলাইন অবজেক্টিভ(ওএমআর) লিখিত পরীক্ষা, বিভিন্ন পোস্ট কোডের জন্য বিভিন্ন দিনে, উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জেলায়। সফল হলে কম্পিউটার টাইপ টেস্ট/স্টেনোগ্রাফি টেস্ট/টেকনিক্যাল ড্রাইভিং টেস্ট ইত্যাদি যাঁদের ক্ষেত্রে যেমন প্রযোজ্য।

আবেদনের ফি: পোস্ট কোড ০১ ও ০২-এর জন্য ৫০০ টাকা, ০৩ ও ০৪-এর জন্য ৪০০ টাকা। ব্যাঙ্ক চার্জ বাড়তি লাগবে।

আবেদনের পদ্ধতি: আবেদন করতে হবে অনলাইনে, আগামী ৬ ডিসেম্বর থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে, এই ওয়েবসাইটে: www.allahabadhighcourt.in। আরও বিস্তারিতও জানা যাবে এই সাইটে, ৬ ডিসেম্বর থেকে।

]]>
রাম মন্দির না বাবরি মসজিদ, সুপ্রিম কোর্টে শুরু আসল লড়াই https://thenewsbangla.com/ram-mandir-or-babri-mosque-the-real-battle-started-in-the-supreme-court/ Mon, 29 Oct 2018 05:51:37 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1617 নিউ দিল্লি: রাম মন্দির না বাবরি মসজিদ, অযোধ্যায় বিতর্কিত জমির মালিকানা কার ? আসল লড়াই শুরু হল সুপ্রিম কোর্টে। দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বে ৩ বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মূল মামলার শুনানি শুরু হল।

রাম মন্দির না বাবরি মসজিদ ? জানা যায়, মসজিদটি ১৫২৭ খ্রীষ্টাব্দে ভারতের প্রথম মুঘল সম্রাট বাবরের আদেশে নির্মিত হয় এবং তাঁর নাম অনুসারে নামাঙ্কিত হয়। মুঘল সম্রাট বাবর ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দে উত্তর ভারতের কিছু অংশ দখল করেন। তার মধ্যে অযোধ্যাও ছিল।

Image Source: Google

কিন্তু শাসন সংক্রান্ত সংগঠন গড়ে তোলার আগেই বাবর মারা যান। বাবরি মসজিদ বাবর নির্মাণ করেন নি। বাবরি মসজিদ নির্মাণ করেন বাবরের সঙ্গে আসা মীর বাকী নামে একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি। বাবরি মসজিদের মধ্যে প্রাপ্ত প্রস্তরফলক থেকে জানা যায়, মীর বাকী মসজিদটি স্খাপন করেন ৯৩৫ হিজরিতে, খ্রিষ্টাব্দের হিসাবে যা দাঁড়ায় ১৫২৭- ১৫২৮।

আরও পড়ুন: মোদীকে আটকাতে আপাততঃ প্রধানমন্ত্রী হবার ইচ্ছে বিসর্জন রাহুলের

অন্যদিকে হিন্দুদের বিশ্বাস, অযোধ্যাই ছিল রাজা রামের রাজত্বের রাজধানী। রাম কেবল রাজা ছিলেন না, তিনি ছিলেন বিষ্ণুর অবতার। রামের মৃত্যুর পর অযোধ্যায় স্খাপিত হয় রাম মন্দির। মীর বাকী এই রাম মন্দির ভেঙে সেখানে নির্মাণ করেন বাবরের নামে বাবরি মসজিদ। রামায়ণ ভারতের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে বলা হয়েছে, অযোধ্যা রামের জন্মভূমি।

Image Source: Google

১৯৯২ সালে একটি রাজনৈতিক সমাবেশের উদ্যোক্তারা, ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অনুযায়ী মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় একটি রাজনৈতিক সমাবেশ শুরু করে। যা পরে ১,৫০,০০০ জন করসেবক সম্মিলিত একটি দাঙ্গার রূপ নেয় এবং মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে ভূমিসাৎ করা হয়।

আরও পড়ুন: ভয়ঙ্কর রিপোর্ট পাক জঙ্গি হাফিজ সাইদের টাকায় ভারতে তৈরি হয়েছে মসজিদ

যার ফলে, ভারতের প্রধান শহরগুলোতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সংঘটিত হয় যা মুম্বাই ও দিল্লী শহরে প্রায় ২০০০ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। ভারতের অনেক রাজ্যে ধর্মীয় লড়াই শুরু হয়ে যায়।

Image Source: Google

২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর এলাহাবাদ হাইকোর্ট বাবরি মসজিদ যে স্থানে ছিল সেই ভূমি সম্পর্কিত রায় দেয়।এলাহবাদ হাইকোর্টের তিন জন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ তাদের রায়ে ২.৭৭ বা ১.১২ হেক্টর ভূমি সমান তিনভাগে ভাগ করার রায় প্রদান করেন।

সেই রায় অনুযায়ী, তিন ভাগের এক অংশ পাবে হিন্দু মহাসভা। রাম জন্মভূমিতে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য। দ্বিতীয় অংশ পাবে ইসলামিক সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড, মসজিদ নির্মাণের জন্য এবং বাকি তৃতীয় অংশ পাবে নির্মোহী আখরা নামে একটি হিন্দু সংগঠন।

আরও পড়ুন: সনাতন হিন্দু ধর্মকে ছোট করার চেষ্টা সফল হবে না

এই স্থানে রামমন্দির ধ্বংস বাবরি মসজিদ নির্মিত হয়েছিল এ বিষয়ে তিনজন বিচারকের দুজন একমত হয়েছিলেন। তবে তিনজন বিচারকই এই বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান যে, পূর্বে বাবরি মসজিদের জায়গায় একটি সুপ্রাচীন হিন্দু মন্দির বিদ্যমান ছিল।

Image Source: Google

আদালতের তিন জন বিচারপতি, বিচারপতি এস আর আলম, বিচারপতি ভানওয়ার সিং এবং বিচারপতি খেমকারণের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চের আদেশে আরকিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইণ্ডিয়া ওই স্থান খনন করে একটি সুবৃহৎ হিন্দু ধর্মীয় স্থাপত্য বা মন্দিরের সন্ধান পায়।

এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টে যায় সব পক্ষই। সোমবার, দেশের শীর্ষ আদালতে এই মামলার মূল শুনানি শুরু হল। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ছাড়া এই মামলার ডিভিশন বেঞ্চে আছেন বিচারপতি সঞ্জয় কিষেন কওল ও বিচারপতি কে এম জোসেফ।

আরও পড়ুন: লাইফ বিয়ন্ড ডেথ’, কী ভাবে জানবেন মৃত্যুর পর কী

মামলার গুরুত্ব বিচার করে প্রতিদিনই এই মামলার শুনানি হবে। আগামী লোকসভা ভোটের আগে দেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে আলোচিত এই মামলা নিয়ে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে বিতর্ক চরমে উঠেছে।

তবে ইতিমধ্যেই গত ২৭ শে সেপ্টেম্বর তাদের এক রায়ে সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র ও বিচারপতি অশোক ভূষণ জানিয়েছিলেন, ‘এই আদালত বিবেচনা করে দেখেছে যে হিন্দুদের কাছে অযোধ্যার একটি বাড়তি গুরুত্ব আছে, যেখানে ভগবান রামের জন্মস্থান ছিল বলে সুপ্রাচীন প্রবাদ রয়েছে’।

Image Source: Google

আর এখানেই মামলা জেতার ব্যপারে আশাবাদী হিন্দু মহাসভা। তবে মসজিদ গড়ার ব্যপারেই রায় দেবে সুপ্রিম কোর্ট, বিশ্বাস মুসলিম ওয়াকফ বোর্ডের। তবে আদালত বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২০১০ এর এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়কেই বহাল রাখতে পারে দেশের সর্ব্বোচ্চ আদালত।

সোমবার থেকেই গোটা দেশের নজর এখন দেশের শীর্ষ আদালতের দিকে। কি রায় দেবে দেশের সর্ব্বোচ্চ আদালত ? রাম মন্দির না বাবরি মসজিদ ? নাকি ধর্মনিরপেক্ষ ভারতে পাশাপাশি সহাবস্থান মন্দির আর মসজিদের ?

]]>