Alcohol – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Sat, 30 Mar 2019 07:09:06 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Alcohol – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 মদ বিক্রিতে ১০ হাজার কোটি টাকার সর্বকালিন রেকর্ড গড়ল মা মাটি মানুষের সরকার https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-govt-gets-record-revenue-of-10-thousand-crore-from-alcohol/ Sat, 30 Mar 2019 06:56:36 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9499 মা মাটি মানুষের সরকারের সাফল্যের মুকুটে আর একটি পালক। আবগারি আইন চালু হওয়ার ১০০ বছর পর এই রাজ্য মদ বিক্রি থেকে ১০,০০০,০০,০০,০০০ টাকা (দশ হাজার কোটি টাকা) রাজস্ব আদায়ে সক্ষম হল রাজ্য সরকার। তাও এই হিসাব ২০১৯ এর জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত। এর জেরে রাজস্ব দফতরের মুখে চওড়া হাসি।

দুর্গা পুজোয় মদ বিক্রির রেকর্ডঃ মায়ের পুজোয় মদ বিক্রিতে রেকর্ড গড়ল মমতার বাংলা

পশ্চিমবঙ্গে আবগারি আইন চালু হয়েছিল ১৯০৯ সালে। ২০১১-১২ অর্থবর্ষে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার ক্ষমতায় আসে তখন মদ বিক্রি করে রাজস্ব আসত প্রায় ২১১৭ কোটি টাকা। ১০০ বছর বছর পরে এই প্রথম বাংলার আবগারি রাজস্ব ১০ হাজার কোটি টাকা ছুঁয়েছে। যেটা ১০০ বছরের সর্বকালিন রেকর্ড। ২০১৯ মার্চের ৩১ তারিখের মধ্যে ১০,৫০০ কোটি টাকার লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। সেই লক্ষ্য অনেক আগেই পূরণ হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সেনার খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা তেজ বাহাদুর বারাণসীতে প্রার্থী মোদীর বিরুদ্ধে

বর্তমান রাজ্য সরকার প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় ২,০০০ এর বেশি মদের দোকান ও পানশালা খোলার সিদ্ধান্ত নেন। পরে আরও মদের লাইসেন্স দেবার সিদ্ধান্ত নেয় বর্তমান সরকার। যেখানে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি এক্সিডেন্ট রুখতে ২০১৭ সালে সমগ্র দেশের জাতীয় সড়কগুলির ১,৫০০ মিটারের আওতায় মদের দোকান বা মদ বিক্রিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বাংলার আবগারি রাজস্ব বেড়ে হবে ২০,০০০ কোটি টাকা!

আরও পড়ুনঃ কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে মোদীর নীতি আয়োগ তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন রাহুল

রাজ্যের আবগারি দফতরের খবর, জানুয়ারির মাঝামাঝি মদ বিক্রি বাবদ সরকার ১০ হাজার কোটি ঘরে তুলেছে। ২০১১-১২ সালে তৃণমূল সরকার যখন ক্ষমতায় আসে, সেই সময় মদ বেচে কোষাগারে আসত ২১১৭ কোটি টাকা। আট বছরের মধ্যেই সেটা ১০ হাজার কোটিতে পৌঁছে দিয়েও সরকারের তরফে অবশ্য কেউ এই নিয়ে মুখ খোলেননি।

আরও পড়ুনঃ মোদীর ব্রিগেড সভার অনুমতি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দিল সেনা

২০১৮ সালেই পুজোর মাসে সরকার ১২৭৫ কোটি টাকার মদ বিক্রি করে। আবগারি দফতর তৈরি হওয়ার পর কোনও এক মাসে এত রাজস্ব নাকি আগে কখনও আসেনি। সেটাও ছিল সর্বকালীন রেকর্ড। তখনই বোঝা গিয়েছিল যে এই আর্থিক বছরে রেকর্ড গড়তে চলেছে তৃণমূল সরকার। তবে সেটা ১০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছে যাবে সেটা ভাবা যায়নি বলেই জানাচ্ছে রাজ্য আবগারি দফতর।

আরও পড়ুনঃ মোদীর মিশন শক্তির ঘোষণায় নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘন হয়নি, জানিয়ে দিল কমিশন

তবে এখানেই শেষ নয়। মদ বিক্রি থেকে রোজগার আরও বাড়ানোর জন্য অফিসারদের কাছে নির্দেশও গিয়েছে নবান্ন থেকে। নবান্নের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, সরকারি মদের বিক্রি বেড়েছে বলেই রাজস্ব বেড়েছে। বেআইনি মদের কারবারের ক্ষেত্রে তৃণমূল সরকার কঠোর অবস্থান নেওয়ায় চোলাই, পচাই, ধেনোর ইত্যাদির বিক্রিতে রাশ টানা গিয়েছে। পরিবর্তে সরকারি মদের বিক্রি বেড়েছে। ফলে রোজগারও বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

আরও পড়ুনঃ খোদার কসম মোদীকে জেলে ঢোকাবো, এনসি নেতা জাভেদ রানার মন্তব্যে উত্তাল দেশ

কি করে বাড়ল বাংলার আবগারি রাজস্বঃ

আবগারি কর্তারা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে আবগারি ক্ষেত্রে ব্যাপক সংস্কার হয়েছে। এখন দিশি বা বিলিতে বলে আলাদা আর কোনও মদের দোকান নেই। যে-কোনও দোকানে এখন সব ধরনের মদ পাওয়া যায়। যেমন বিলিতি মদের দোকানে এখন সরকারি ‘বাংলা’ মদ পাওয়া যায়। আবার প্রত্যন্ত এলাকার ‘দেশি মদের দোকান’ এও পাওয়া যায় ‘বিলিতি’। এ ছাড়া সরকার সমস্ত বার, রেস্তরাঁতেও মদ বিক্রির ঢালাও অনুমতি দিয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিপুল উত্থান পদ্মের, ইঙ্গিত সমীক্ষায়

আবগারি-কর্তারা জানান, জিএসটি-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের নিজস্ব রোজগারের অন্যতম পথ মদ বিক্রি। আগে মদের উপরে আবগারি শুল্ক ছাড়াও অতিরিক্ত বিক্রয়কর আদায় করত সরকার। এখন সেই বিক্রয়কর তুলে দিয়ে আবগারি শুল্কের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গড়ে ১০০ টাকায় ৬৫ থেকে ৭০ টাকা শুল্ক নেয় আবগারি দফতর।

আরও পড়ুনঃ ৬ বারের জয়ী সিপিএম সাংসদের বাড়িতে অর্জুন, শুরু জল্পনা

বিক্রি বেড়েছে, দোকান বেড়েছে আর শুল্ক বেড়েছে। ফলে মদ বেচে রাজকোষ উপচে পড়াই স্বাভাবিক বলে মনে করছেন আবগারি কর্তারা। সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়ায় তা দিয়ে রাজ্যে উন্নয়ন করতে পারবে রাজ্য সরকার। তবে মদের বিক্রি বাড়ায় ও ঢালাও মদের দোকানের অনুমতি দেওয়ায় যুব সমাজে কি প্রভাব পরছে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আরও পড়ুনঃ পাক জঙ্গিদের সাহায্যকারি দেশের বিশ্বাসঘাতকদের খুঁজতে ৮ সদ্যসের গোয়েন্দা দল

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মায়ের পুজোয় মদ বিক্রিতে রেকর্ড গড়ল মমতার বাংলা https://thenewsbangla.com/mamatas-bangla-records-of-selling-alcohol-in-durga-puja/ Wed, 07 Nov 2018 15:02:27 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=2000 কলকাতা: রাজ্যের আবগারি দফতরের হিসেব বলছে, পুজোর মাসে রাজ্য সরকার ১২৭৫ কোটি টাকার মদ বিক্রি করে নতুন রেকর্ড গড়েছে। আবগারি দফতর তৈরি হওয়ার পর কোনও এক মাসে এত রাজস্ব নাকি আগে কখনও আসেনি। শিল্পবিহীন বাংলায় মদই এখন সরকারের রোজগারের সবচেয়ে বড় রাস্তা।

The News বাংলা

শুরুটা হয়েছিল তারাপীঠে। কৌশিকী অমাবস্যায় মদ বিক্রির রেকর্ড হয়। গত ৩১ অগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর ছিল কৌশিকী অমাবস্যা। কৌশিকী অমাবস্যার এক রাতে শুধু তারাপীঠে ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকার মদ বিক্রি হয়। তবে আবগারি কর্তাদের আশা ছিল, দুর্গাপুজোর মাসে মদের রাজস্ব হাজার কোটি ছাড়াবে।

Image Source: Google

কারণ, অক্টোবরে শুধু মাত্র দুর্গাপুজোই ছিল। অতীত অভিজ্ঞতায় আবগারি কর্তারা দেখেছেন, যে বছর একই মাসে দুর্গা এবং কালীপুজো হয়, সেই মাসে রেকর্ড মদ বিক্রি হয়ে থাকে। তবে কর্তাদের যাবতীয় হিসেব-নিকেশ বদলে দিয়ে এক মাসেই ১২৭৫ কোটির টাকা মদ বিক্রিতে রীতিমতো চমকে গিয়েছেন ‘মদ’ কর্তারা।

আরও পড়ুনঃ অজানা কাহিনির আড়ালে সিদ্ধপিঠ তারাপীঠের তারা মা

রাজ্যের আবগারি দফতর সূত্রে খবর, সরকার মদের পাইকারি ব্যবসা হাতে নেওয়ার পর রাজস্ব বেড়েই চলেছে। কর্পোরেশন তৈরি হওয়ার পর মাসে গড়ে ৯০০ থেকে ৯৫০ কোটি টাকার মদ বিক্রি হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ বেভারেজ কর্পোরেশনকে অনেকেই তাই সরকারের ‘লক্ষ্মীর ঝাঁপি’ বলতে শুরু করেছেন।

Image Source: Google

আবগারি দফতরের হিসেব বলছে, অক্টোবরে দেশি মদ বিক্রি হয়েছে ১,২৪,১২,২১৭ লিটার। গত বছর পুজোর তুলনায় ৩০.৯৪ শতাংশ বেশি। বিলিতি মদ বিক্রি হয়েছে ১,২০,০২,৬৪৭ লিটার যা গত বছরের তুলনায় ৫৬.৫৬ শতাংশ বেশি। তবে বিয়ারের বিক্রি ২০ শতাংশ কমেছে, বিয়ার বিক্রি হয়েছে ৪৯,৮৮,১৩৮ লিটার!

আরও পড়ুন: তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে তৃণমূল নেতাদেরই শাস্তির দাবীতে পোস্টার

এক কর্তার আক্ষেপ, ‘‘এর মধ্যে ৩ দিন মদের দোকান বন্ধ না থাকলে আর পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ না থাকলে হয়তো এ বার ১৫০০ কোটির মদ বিক্রি হয়ে যেত। অবশ্য যা হয়েছে তাও সর্বকালীন রেকর্ড।’’ ২ রা অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তী, অষ্টমী ও ঈদের দিন মদের দোকান বন্ধ ছিল।

Image Source: Google

আবগারি দফতর জানাচ্ছে, রাজ্যে বরাবর দিশি মদের বিক্রিই বেশি হয়। সামগ্রিক মদ খাওয়ার বিচারে দিশি মদ এবারও বেশি বিক্রি হয়েছে। কিন্তু গত বছরের অক্টোবরের তুলনায় বিলিতি মদের বিক্রি বেড়েছে প্রায় ৫৭%।

তুলনামূলক ভাবে দিশি মদের বিক্রির হার তেমন মারাত্মক নয়। যা থেকে বোঝা যাচ্ছে, রাজ্যের মদপ্রেমীরা ক্রমেই বিলিতিতে মজছেন। তবে এ বার পুজোর মাসে বিয়ার বিক্রির হার বেশ কম। কেন? এক আবগারি কর্তার বক্তব্য,‘বিয়ার ছেড়ে অনেকেই হুইস্কি-রাম খাচ্ছেন। তাই বিলিতির বিক্রি প্রচুর বে়ড়েছে। তা ছাড়া বিয়ারের দাম বাড়াও বিক্রি কমার কারণ হতে পারে। এখন গরমও তেমন নেই।’

আরও পড়ুন: নরেন্দ্র মোদীর গুজরাটে আর পড়াবেন না ‘দেশদ্রোহী’ প্রফেসর

তবে এখানেই শেষ নয়। মা দুর্গার ভক্তদের সঙ্গে এ বার মা কালীর ভক্তদের লড়াই শুরু হয়েছে! আবগারি কর্তাদের আশা, অক্টোবরে পূজার মাসে এসেছে ১২৭৫ কোটি টাকা। নভেম্বরে আছে কালীপূজা, ভাইফোঁটা এবং ছট পুজো। ফলে মদের বাজার চড়াই থাকবে।

Image Source: Google

এখন শুধু দেখার, মা দুর্গাকে হারিয়ে মা কালীর ভক্তরা নভেম্বর মাসে সরকারকে ১২৭৫ কোটি টাকার বেশি আবগারি রাজস্বের জোগান দিতে পারেন কি না। তাতে নবান্নের ভাঁড়ার উপচে পড়বে। মেলা, খেলা, উৎসবে কোনও ভাটার টান থাকবে না বলেই মত প্রশাসনিক কর্তাদের।

পুজোর মরসুমে মদ বিক্রি থেকে রাজস্ব বাড়াতে জেলার আধিকারিকদের নির্দেশই দিয়েছিল রাজ্য আবগারি দফতর। গত ১ অক্টোবর দফতরের তরফে জেলায় জেলায় আবগারি সুপারদের এই নির্দেশ (মেমো নম্বর ০৪ই/১৩-১৪) দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ‘মুসলিম’ নাম বদলে ‘রামরাজ্য’ আনতে উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ

পুজোর মাসের আগে, চলতি আর্থিক বছরে সারা রাজ্যে মদ বিক্রি কিছুটা কম হয়েছিল। তারই জেরে আবগারি খাত থেকে প্রত্যাশা অনুসারে রাজস্ব সংগ্রহ হয়নি। তাই পুজোর সময়ে মদ বিক্রি বাড়িয়ে রাজস্ব আদায়ে জোর দেওয়ার জন্য নিদের্শ দেওয়া হয়েছিল। সেই সঙ্গে অবৈধ মদ বিক্রি বন্ধ করার কথাও বলা হয়েছিল। নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, পুজোর সময়ে জেলার আধিকারিকরা ছুটি পাবেন না।

Image Source: Google

নভেম্বরেও মদের বাজার চাঙ্গাই থাকবে বলে মত আবগারি দফতরের। তাই কালীপুজোয় ও ভাইফোঁটায় এই নির্দেশ বহাল থাকছে। আবগারি দফতর সূত্রে খবর, গত আর্থিক বছরে রাজ্য সরকার আবগারি খাতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছিল প্রায় ২৭০০ কোটি টাকা। সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছিল। চলতি আর্থিক বছরে লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৩২০০ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন: রাহুলের ‘রাফায়েল’ আক্রমণে মোদীর ‘রথ’ গাড্ডায়

দফতরের শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত প্রায় ১৩০০ কোটি টাকার কাছাকাছি রাজস্ব এসেছিল, যা ছিল লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেকটাই কম। তবে পুজোর মাসেই সেই লক্ষ্যমাত্রা টপকে গেল রাজ্য।

Image Source: Google

পুজোতেও প্রতিদিন মদের দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেয় রাজ্য সরকার। এত দিন পুজোর সময়ে দু’দিন মদের দোকান বন্ধ রাখা ছিল বাধ্যতামূলক। কিন্তু এ বারে সেই নিয়ম শিথিল হয়ে যাওয়ায় মদের কালোবাজারি হয়নি। ক্রেতাদের অতিরিক্ত পয়সা গুনতে হয়নি নেশার জন্য। ফলে সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত মদের দোকান থেকে দেদার মদ বিক্রি হয়েছে চারদিনই।

পুজোর প্রথম দিন থেকেই অসুরের ভূমিকায় নামে বৃষ্টি। যার ফলে বহু মানুষই ঘরবন্দি থেকেছেন। আর তাতেও নাকি মদের বিক্রি বেড়েছে। আপাততঃ শিল্পবিহীন রাজ্যে ‘মদশিল্প’ এর জয়জয়কার।

]]>