Alchohol – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 12 Mar 2019 17:37:08 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Alchohol – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 মদ খেলে বাড়ে স্মৃতিশক্তি কমে স্নায়ুরোগ https://thenewsbangla.com/alchohol-causes-memory-increases-eliminates-nervous-problems/ Tue, 12 Mar 2019 12:33:49 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8220 মদ খেলে বাড়ে স্মৃতিশক্তি কমে স্নায়ুরোগ। হাঁ শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই বলছে গবেষক ও ডাক্তাররা। তবে সেটা খেতে হবে পরিমাণে।

মদ্যপান এখন একটা ফ্যাশন। আজকাল সমাজের সব স্তরেই মদ্যপান এর প্রবণতা। গত কয়েক বছরে যুব সমাজের মধ্যে মদ্যপানের আগ্রহ অনেক বেড়ে গেছে। তবে অনেকে আবার ফ্যাশনের বদলে নেশা হিসেবেও নিয়ে নেন। মদ্যপান না করলে আভিজাত্য বজায় থাকেনা বলেও মনে করেন অনেকে।

আরও পড়ুনঃ শরীরের ভারসাম্য বাড়াতে ব্যায়াম

নতুন জেনারেশন এর মধ্যে দ্রুত বাড়ছে মদ্যপানের প্রবণতা। এখন স্কুল লাইফ থেকেই মদ্যপানের অভ্যাস করে ফেলছে অনেক ছেলেমেয়েই। মদ্যপান শরীরের জন্য ক্ষতিকারক জেনেও মদ্যপানের মধ্য দিয়ে অনাবিল আনন্দে ভেসে যেতে চায় ছেলেমেয়েরা।

এছাড়া আজকাল বিভিন্ন অফিসের কাজে বাইরে গেলে বিশেষ করে রাতের বেলায় মদ্যপানের যেন প্রতিযোগিতা চলে। যদিও টিভিতে সিরিয়াল দেখার মাঝে বিজ্ঞাপন কিংবা সিনেমার শুরুতেই ‘মদ্যপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক’ লেখাটি দেখা যায়।

আরও পড়ুনঃ একটু সতর্ক হন দূরে থাকুন ক্যানসারের হাত থেকে

ভবিষ্যত প্রজন্মকে মদ্যপানের হাত থেকে দূরে রাখতে এবং সমাজ সচেতনতার পদক্ষেপ হিসেবে ‘মদ্যপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক’ এই লেখাটি বিশেষ ভাবে গুরুত্ব বহন করে।

যদিও এই সচেতনতা সমাজের নিম্নস্তরের মানুষের কাছে কোনো গ্রহনযোগ্যতাই নেই। এখন অনেক রোগ সারাতে গেলে চিকিৎসকরাও মদ্যপানের ওপর ভরসা করে থাকেন। তবে মদ্যপান যতটাই ক্ষতিকারক বলে ধরা হোক না কেন।

আরও পড়ুনঃ চিকেন খেলেও বাড়ছে বিপদ বলছে রিপোর্ট

মদ্যপানের মধ্যেও নাকি এক অফুরন্ত উপকারিতা রয়েছে, এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বিভিন্ন গবেষনাপত্রে। সেই সকল গবেষনাপত্রের দাবি মদ্যপানে নাকি বাড়ে স্মৃতিশক্তি ও কমে স্নায়ুরোগের ঝুঁকি।

শুধু স্নায়ুরোগ বা স্মৃতিশক্তিই নয় মানুষের হৃদযন্ত্রকে সচল রাখতে মদের গুণাগুণ জুড়ি মেলা ভার। পাশাপাশি ডায়াবেটিস রোগ যা কখনও নির্মূল হয় না অনেক সময় মদ্যপানের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

আরও পড়ুনঃ আমলকির আছে বেশ কিছু অসাধারণ উপকারিতা

তবে সবটাই হতে হবে নিয়ন্ত্রিত মাত্রার মধ্যে। অতিরিক্ত মদ্যপান আবার শরীরের পক্ষে খারাপ। নিয়মিত নিয়ন্ত্রিত মদ খেলে বাড়ে স্মৃতিশক্তি। গবেষণা করে ও বিভিন্ন বয়সের মানুষের উপর পরীক্ষা চালিয়ে এমনটাই ফল পেয়েছেন গবেষকরা।

শুধু তাই নয়, নিয়মিত নিয়ন্ত্রিত মদ খেলে কমে স্নায়ুরোগ, উঠে এসেছে গবেষণায়। এই রিপোর্ট মদ্যপানকারী পুরুষ ও মহিলাদের কাছে খুশির খবর নিয়ে এসেছে। অনেকেই এই রিপোর্টে আশ্চর্য হয়েছেন। তবে আশ্চর্য মনে হলেও এটাই সত্যি, বলছে রিপোর্ট।

]]>
হোম ডেলিভারি হবে মদ, মমতাকে টেক্কা দেবেন্দ্রর https://thenewsbangla.com/home-delivery-of-alcohol-decide-maharashtra-government/ Sun, 14 Oct 2018 14:48:40 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1183 মুম্বাই: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, গ্রামে গ্রামে মদের দোকান খুলবে রাজ্য সরকারের নিগম ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট বেভারেজ কর্পোরেশন (বেভকো)। নিগম ঠিক করেছে, প্রথম পর্বে ২০০০ মদের দোকানের মধ্যে বেশিটাই হবে গ্রামীণ এলাকায়। বাংলাকে টেক্কা দিয়ে দেবেন্দ্র ফরণবিশ-এর মহারাষ্ট্র সরকার এবার মদ হোম ডেলিভারি করার সিদ্ধান্ত নিল।

বাংলাকে টেক্কা দিল মহারাষ্ট্র। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হার মানালেন দেবেন্দ্র ফরণবিশ। রাজস্ব বাড়াতে রাজ্যের গ্রামে গ্রামে মদের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মমতার রাজ্য সরকার। আর মাত্র একটা ফোনে বাড়িতেই চলে আসবে মদের বোতল, সিদ্ধান্ত ফরণবিশের মহারাষ্ট্র সরকারের।

অবাক হবেন না! আদতেই কিন্তু তাই ঘটতে চলেছে। আর ভারতবর্ষে এটাই প্রথম। আয় বাড়াতে মদের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। তার থেকে কয়েক কদম এগিয়ে এবার মহারাষ্ট্র সরকার চালু করছে মদের হোম ডেলিভারি।

মহারাষ্ট্র সরকার মদের হোম ডেলিভারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নিয়মে বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইটের সাহায্য নিয়েছে মহারাষ্ট্রে আবগারি দফতর। সেই ওয়েবসাইট মারফতেই করা যাবে মদের বুকিং। তবে বুকিং এর সঙ্গে ক্রেতার বয়স, আধার নম্বর, পরিচয়ও জানাতে হবে। তার পরেই হোম ডেলিভারির মাধ্যমে ক্রেতার বাড়িতে মদ পৌঁছে দেওয়া হবে।

এই বিষয়ে মহারাষ্ট্রে আবগারি দফতরের মন্ত্রী চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে জানান, মহারাষ্ট্রে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনার পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। এইসব অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্যই নয়া এই নিয়ম আনা হয়েছে।

প্রশাসনের আশা হোম ডেলিভারি পদ্ধতি চালু হলে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি অনেকেই চালাবেন না। চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে আরও জানান, অনলাইন ওয়েবসাইটগুলিতে যে পদ্ধতিতে অর্ডার দেওয়া হয়, এক্ষেত্রেও সেই ব্যবস্থা থাকবে।

মাত্র একটা ফোন করলেই বাড়িতে চলে আসবে হুইস্কি, ভদকা বা রাম-এর বোতল। অথবা অনলাইনে মদ বুক করতে পারবেন মহারাষ্ট্রবাসী। এক্ষেত্রে অবশ্য বয়সের প্রমাণপত্র দেখাতে হবে ক্রেতাকে। আঠারো বছরের নিচে যেন কাউকে মদের সরবরাহ না করা হয় সে ব্যাপারে কড়া নজর রাখবে সরকার। এক্ষেত্রে ভেন্ডর হিসাবে কাজ করবে সরকারি ওয়েবসাইট। এদিকে ক্রেতাকে সবার আগে নিজের আধার কার্ড নম্বর দিয়ে বুকিং করতে হবে। তারপরই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাড়িতে পৌঁছে যাবে পছন্দমত মদের বোতল।

ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র সরকারের এমন পদক্ষেপ নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। মহারাষ্ট্রের সমাজকর্মীরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করেছেন। সমাজসেবী সংগঠনগুলো দাবি করেছে, সরকারের এমন পদক্ষেপ সংবিধানবিরোধী। তাছাড়া এক্ষেত্রে কমবয়সীদের মধ্যে মদ্যপানের প্রবণতাও বাড়তে পারে বলে দাবি করছেন তারা।

তাঁদের মতে, ভারতীয় সংবিধানের ৪৭ তম ধারায় বলা হয়েছে মাদকপান বা মদ্যপান শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই সরকারের উচিত নতুন নিয়মটি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা।

জানা গিয়েছে, প্রত্যেকটি বোতলের উপর জিও ট্যাগ থাকবে। যার ফলে বোতলটি কোথায় পাঠানো হচ্ছে সবই বোঝা যাবে। ভারতের মহারাষ্ট্রই প্রথম রাজ্য, যেখানে মদ হোম ডেলিভারি হবে।

রাজস্ব বাড়াতে এই পদক্ষেপ হলেও মহারাষ্ট্র সরকারের বক্তব্য বাড়িতে বসে মদের বোতল পেলে কেউ আর রাতে গাড়ি চালাবেন না। ফলে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা রেকর্ড হারে কমবে। এর জন্যই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে। মদের হোম ডেলিভারির উদ্দেশ্যই হল কেউ যাতে রাতে রাস্তায় গাড়ি না চালান বা মদ পান করে গাড়ি না চালান।

বন্ধুদের সঙ্গে উৎসবের সময় হোক বা পরিবারের সঙ্গে কোনও গেট টুগেদারে মদ্যপান করার ক্ষেত্রে বাড়িকেই যেন নিরাপদ হিসাবে বেছে নেন মহারাষ্ট্রবাসী। এমনটাই চাইছে সরকার। এরকম কোনও পলিসি নিয়ে এর আগে দেশের কোনও রাজ্য সরকার উদ্যোগী হয়নি।

তবে, এই উদ্দেশ্য ও উদ্যোগকে পাগলের প্রলাপ বলে জানিয়েছেন বিরোধীরা ও সমাজকর্মীরা। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তে রাজস্ব কতটা বাড়ে আর গাড়ি দুর্ঘটনা কতটা কমে, সেটাই এখন দেখার।

]]>