Abhishek Bandyopadhyay – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 05 Apr 2019 14:48:51 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg Abhishek Bandyopadhyay – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 ভোটের মুখে স্ত্রীর সোনা কাণ্ডে ফের স্বস্তি পেলেন অভিষেক https://thenewsbangla.com/abhishek-bandhopadhyay-gets-relief-in-his-wifes-gold-controversy/ Fri, 05 Apr 2019 11:44:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10085 অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর স্ত্রীর সোনা কাণ্ডে নানারকম বিতর্কের পর হস্তক্ষেপ করেছিল নির্বাচন কমিশন। তারপরই, সিআইএসএফএর রিপোর্ট আসায়, ফের স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন অভিষেক। সোনা বাজেয়াপ্ত কোন কথাই উল্লেখ নেই এই রিপোর্টে।

থাইল্যান্ড থেকে ফেরার সময় সঙ্গে এনেছিলেন ২ কেজি সোনা, এমনই অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিরোধীরা। কিন্তু সব রিপোর্ট দেখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিস্কার ক্লিনচিট দিয়েছিল মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। এবার সিআইএসএফএর রিপোর্ট এও ক্লিনচিট দেওয়া হল অভিষেকের স্ত্রীকে।

আরও পড়ুনঃ নিজের স্ত্রী ও সোনা কাণ্ডে মুখ খুললেন অভিষেক

সিআইএসএফএর, বিধাননগর পুলিশ ও বিমানবন্দর কাস্টমস এর কাছে সোনা কাণ্ডের রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় নির্বাচন কমিশন। গত ১৫-১৬ মার্চ রাতে কলকাতা বিমানবন্দরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর স্ত্রী ও সোনা কাণ্ডের বিস্তারিত রিপোর্ট উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক অন্তরা আচার্যর কাছে চেয়ে পাঠায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। বিশেষ সুত্রে এবার জানা গেল, তিনটি রিপোর্টে কোন জায়গাতে সোনা বাজেয়াপ্তর উল্লেখ নেই।

উত্তর ২৪ পরগনার জেলা নির্বাচন আধিকারিক এক রিপোর্টে জানিয়ে ছিলেন, সিজার লিস্টে সোনা আটকের কোনও তথ্য নেই। শুল্ক দফতর কোন কিছু বাজেয়াপ্ত করেনি বলেই জানিয়ে দেওয়া হয়। সিআইএসএফএর এর রিপোর্টেও সেই একই তথ্য জানিয়ে দেওয়া হল।

আরও পড়ুনঃ ধামাচাপার দেওয়ার চেষ্টা বিফলে, অভিষেকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর শুল্ক দফতরের

এর আগেও, আয়কর, শুল্ক দফতরের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়। ওই রিপোর্টে জানা যায়, অভিষেকের স্ত্রীর কাছ থেকে কোনওকিছুই বাজেয়াপ্ত করেনি আয়কর ও শুল্ক দফতর। রিপোর্টে পরিস্কার জানিয়ে দেওয়া হয়, বিমানবন্দরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর স্ত্রীর কাছ থেকে কোনকিছুই বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। এবার সিআইএসএফএর রিপোর্টেও সেই একই তথ্য উঠে এল।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
দিল্লিতে গান্ধী ও বাংলায় বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারতন্ত্রকে ব্রিগেডে খোঁচা মোদীর https://thenewsbangla.com/monarchy-rule-has-ruined-india-for-55-years-now-ruining-bengal-says-modi/ Wed, 03 Apr 2019 12:20:02 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9874 দিল্লিতে গান্ধী ও বাংলায় বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারতন্ত্রকে ব্রিগেডে খোঁচা মোদীর। বুধবার উত্তরবঙ্গে শিলিগুড়ি দিয়ে বাংলায় ভোট প্রচার শুরু করলেন নরেন্দ্র মোদী। দুপুরে শিলিগুড়িতে জনসভা করে বিকালে ব্রিগেডে এলেন মোদী। সনিয়া এবং রাহুল গান্ধী এবং মমতা এবং তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি কটাক্ষ করে পরিবারতন্ত্র চালানোর কথা বলেন মোদী।

পরিবারতন্ত্রের একটা তীর চালিয়ে একসঙ্গে দুই পরিবারকে নিশানা করলেন নরেন্দ্র মোদী। বললেন, ৫৫ বছর ধরে গান্ধী পরিবার যেমন দেশের সবরকম উন্নতির বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে, ঠিক তেমনই শুরু হয়েছে বাংলায়। পিসি এবং ভাইপো মিলে শেষ করছে বাংলার মত সুন্দর এক রাজ্যের উন্নতির দিকগুলো।

জনসভায় কি বলছেন নরেন্দ্র মোদী, পড়ুনঃ

১. নরেন্দ্র মোদী ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলে শুরু করলেন সভা।
২. সকল কে বাংলায় জিজ্ঞাসা করলেন, কেমন আছে সবাই?
৩. বাংলার কবিতা বিখ্যাত। নজরুল থেকে গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ঋষি অরবিন্দ থেকে ক্ষুদিরাম বোস সকলেই দেশের জন্য অনেক লড়েছেন। আমরাও লড়বো দেশের জন্য, আমাদের মত করে।
৪. ব্রিগেডে কখন কোন সমাবেশে এত লোক একত্র হয়নি।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় উন্নতিতে বাধা ‘স্পীডব্রেকার’ মমতা, কটাক্ষ মোদীর

৫. ভারতে এখন যা হচ্ছে, তা এক সময় স্বপ্ন ছিল। ডিজিটাল ইন্ডিয়া হোক বা কলকাতা থেকে বেনারস অবধি গঙ্গা প্রজেক্ট সবই হয়েছে আপনাদের আশীর্বাদে। বিজেপির প্রতি আপনারা যে ভালবাসা দেখিয়েছেন, এতা তার জন্যই সম্ভব হয়েছে। এসব আগে কেউ ভাবতেও পারেনি।
৬. বিজেপির কাজের রিপোর্ট কার্ড নিয়ে এসেছি আজ আমি।
৭. সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও এয়ার স্ট্রাইক করার ক্ষমতা ভারতের আগেও ছিল তবে আগের সরকারের সাহস ছিল না জঙ্গিদের মুকাবিলা করার।
৮. সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর প্রশ্ন যারা তুলেছে, তারা দেশের শত্রু। আমাদের শত্রু। তারা আমাদের দেশের সেনাবাহীনিকে নিরাশ করেছে।

আরও পড়ুনঃ বারবার স্বামী বদল করেন স্মৃতি ইরানী, কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ কংগ্রেস জোটসঙ্গীর

৯. মমতার রাজনীতির ভীত নড়ে গেছে। ব্রিগেডের ভীর তারই প্রমাণ।
১০. মহাকাশে ভারতীয় বিজ্ঞানিদের জয়জয়কার হওয়া সত্ত্বেও তাদের দিকে প্রশ্ন তুলেছে দেশের কিছু শত্রুর।
১১. কিছু বছর আগেও ‘মোদী হাটাও’, ‘মোদী হাটাও’ রব উঠেছিল। কেন? কি করেছি আমি? কোন পাপ করেছি আমি? যদি গরীব মানুষদের শৌচালয় বানিয়ে দেওয়া পাপ হয়, তবে আমি পাপ করেছি। যদি সবার বাড়িতে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া পাপ হয় তাহলে পাপ করেছি আমি, এবং এই পাপ করে আমি দারুন গর্ব বোধ করি।
১২. বাংলায়ে আর গুন্ডাগিরি চলবে না। আমি এবং আপনারা মিলে এক নতুন বাংলা তৈরি করব। ২০১৪ সালে আপনাদের ভোটের কারনে আমরা নতুন ভারত তৈরি করেছিলাম। এই বার, আরও ভালো একটা দেশ তৈরি করব আমরা।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে রাজ্যে ৩০ শতাংশেরও কম স্পর্শকাতর বুথ

১৩. স্বামি বিবেকানন্দের স্বপ্নের ভারত আমরা এখন তৈরি করতে পারি। আমাদের দেশে কিছুর অভাব নেই, কিন্তু ৫৫সালের পরিবারতন্ত্র সব শেষ করে দিয়েছে।
১৪. বাংলাও আজ সেই পরিবারতন্ত্রের শিকার হচ্ছে। পিসি-ভাইপো মিলে রাজ্যটাকে শেষ করতে চলেছে।
১৫. বাংলায় আমি অনেক স্বপ্ন নিয়ে এসেছি। এখানকার রামকৃষ্ণ মিশন থেকে আমি শক্তি পেয়েছি। দেশের ভালো করার কথা ভেবেছি। আর যতক্ষণ আমি সেটা না করছি, আমি শান্তিতে বসব না।
১৬. আগামি ৫ বছর সবাই মিলে চলুন দেশের বিকাশের কথা ভাবি। গরীবদের উত্থানের কথা ভাবি। বাংলা স্বপ্নের চৌকিদারি করতে হবে আমাদের।

আরও পড়ুনঃ বছরে ৩৪ লাখ সরকারি চাকরি, কৃষক বাজেটের প্রতিশ্রুতি কংগ্রেস ম্যানিফেস্টোতে

১৭. আপনাদের সুরক্ষা আমার দায়িত্ব। আপনাদের এই চৌকিদার আপনাদের স্বপ্নপূরণ করার দায়িত্ব নিতে পারে, যদি সুযোগ দেওয়া হয়।
১৮. আগামি দিনে দেশের উন্নতি দেখার জন্য, ২০১৪ সালের মত আবারও বিজেপিকে ভোটে জেতাতে হবে।
১৯. বাংলার মত এতো সুন্দর একটা রাজ্যে কোন ভাবেই পরিবারতন্ত্রের কারণে শেষ হয়ে যেতে পারে না।
২০. ‘ভারত মাতা কি জয়’ বলেই শেষ করলেন নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুনঃ মোদী স্পেশাল, ব্রিগেডে আসার জন্য চারটে আস্ত ট্রেন বুক করল বিজেপি

শিলিগুড়ি এবং ব্রিগেডে একই দিনে সভা করলেন বিজেপির নরেন্দ্র মোদী। শিলিগুড়ি সভাতে সরাসরি মমতাকে কটাক্ষ করলেও কলকাতার সভায় পরিবারতন্ত্ররের তীর ছুড়ে দিল্লি এবং বাংলা দুইকেই কটাক্ষ করেন মোদী। বাংলার উন্নতির পথে তৃণমূল কি ভাবে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তা বোঝাতে একটা সুযোগও ছাড়েননি নরেন্দ্র মোদী।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে দুদিন পর মমতার ধর্না মঞ্চে অভিষেক https://thenewsbangla.com/abhishek-banerjee-on-mamata-dharna-stage-after-two-days-blowing-up-the-speculation/ Tue, 05 Feb 2019 10:11:30 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6456 সবাই আছেন শুধু তিনি ছিলেন না। রবিবার থেকে রাজ্যে যা ঘটেছে তা বাংলার সীমা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে দেশের সর্বত্র। সিবিআই বনাম মমতা লড়াইয়ের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। কিন্তু মমতার ধর্ণা মঞ্চে ২ দিন ধরেই দেখা যায় নি দলের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর এই নিয়েই উঠেছিল প্রশ্ন। চলছিল রাজনৈতিক জল্পনা। শেষ পর্যন্ত আন্দোলনের ২দিন পর মঙ্গলবার বিকালে ধর্না মঞ্চে হাজির ‘ভাইপো’ অভিষেক।

আরও পড়ুনঃ সারদা চিটফাণ্ড মামলায় রাজীবকে জেরা করতে কি কি প্রশ্ন সাজাচ্ছে সিবিআই

২০০৬-তে একটানা ২৬ দিন মেট্রো চ্যানেলে আমরণ অনশনে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন সবসময় তাঁর পাশে ছিলেন ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই রাজনীতির মঞ্চে উত্থান হয় তাঁর। কিন্তু এ বার, কোথায় তিনি? বেমালুম উধাও ছিলেন। আর এই নিয়েই উঠেছিল প্রশ্নের ঝড়। সব জল্পনা থামিয়ে মঙ্গলবার বিকালে মমতার আন্দোলনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এসে বসেছেন নেতা নেত্রীদের সঙ্গে পিছনের সারিতে।

আরও পড়ুনঃ সিবিআই জেরা থেকে পালাতে পারবেন না রাজীব কুমার, মমতা বললেন ‘নৈতিক জয়’

রবিবার থেকে সর্বভারতীয় জাতীয় রাজনীতির একেবারে শীর্ষে বাংলা৷ পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই আধিকারিকদের যাওয়ার প্রতিবাদে ধর্মতলায় ধর্ণায় বসেছেন মমতা। ছোট বড় সব তৃণমূল নেতাই হাজির দিদির সত্যগ্রহে। শুধু তিনি ছিলেন না। আসছেন একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতা। শুধু তাঁর দেখা ছিল না। পিসির ভাইপো কি সিবিআইয়ের হাত থেকে বাঁচতেই ধর্না মঞ্চ এড়িয়ে যাচ্ছেন। উঠছিল প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ রাজীব কুমারকে সিবিআই দফতরে হাজিরার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

রবিবার থেকে শুরু মমতার ধর্ণায় ও সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একেবারে গরহজির ছিলেন তৃণমূল যুবার সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্ণায় ভাইপো অভিষেকের এই অনুপস্থিতির বিষয়টি প্রথম নজরে আনেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরি৷ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “আতঙ্কে ভুগছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বুঝতে পারছেন, বিপদ বাড়ছে”। তাই সিবিআই এর বিরুদ্ধে লড়াই থেকে নিজেকে কৌশলে সরিয়ে নিয়েছেন অভিষেক। আপাতত সেই বিতর্কে জল ঢাললেন অভিষেক।

আরও পড়ুনঃ তথ্যপ্রমাণ নষ্টের প্রমাণ পেলে পুলিশ কমিশনারকে উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে হুঁশিয়ারি সুপ্রিম কোর্টের

সববিষয়ে দ্বিমত হলেও, অধীর চৌধুরির এই বক্তব্যকে আবার সমর্থন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “এই বক্তব্যের জন্যই সম্ভবত প্রথমবার প্রকাশ্যে আমি অধীর চৌধুরির প্রশংসা করছি”। রবিবার থেকে একবারও নেত্রীর পাশে দেখা যায়নি তাঁকে। যেখানে ছোট-বড় তৃণমূলের সমস্ত নেতা উপস্থিত রয়েছেন। এমনকী বিরোধী দলের নেতারা এসেছেন বা আসছেন৷ আর এই নিয়েই শুরু হয় জোর রাজনৈতিক চর্চা। শেষমেশ ধর্না মঞ্চে উঠে সব বিতর্ক চাপা দিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ মমতার নির্দেশে সিবিআই অফিসারদের আটক করে বাংলার আইপিএসরা বিপদে

ধর্নায় ‘পিসি’র পাশে ছিলেন না ‘ভাইপো’। কিন্তু, ‘মাসি’র পাশে এবার প্রথম থেকেই রয়েছেন ‘মুন্নি’৷ মমতার বোনের এই মেয়েকে ঘিরেই এবার চর্চা তুঙ্গে রাজনৈতিক মহলে। ২০০৬ এর ধর্না মঞ্চ থেকেই ‘অভিষেক’ হয়েছিল ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ২০১৯ এর ধর্না মঞ্চ থেকে বোনঝি ‘মুন্নি’র উত্থানের শুরু কি না, তা ঘিরেই উঠছে প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠেছে তৃণমূলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থক মহলেও। তারাও বুঝতে পারছিলেন না, মমতার এতবড় আন্দোলনে অভিষেক নেই কেন? তারাও এবার স্বস্তি পেলেন।

আরও পড়ুনঃ সম্পর্কের খাতিরে চাকরি দুর্নীতি, রাজ্যের দফতরে কর্মীদের মুখরোচক গল্প

এর আগেও পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ছিলেন না তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন শোনা যায়, হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাকে ঘিরে কোনও বিষয়কে ঘিরেই মমতা-অভিষেকের মন কষাকষি হয়েছিল। তাই বর্ধিত কোর কমিটির বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছিলেন অভিষেক।

আরও পড়ুনঃ ভারত হাতে পাচ্ছে বিজয় মালিয়াকে, ভোটের আগে বড় জয় মোদী সরকারের

এর আগে ২০১৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেস দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসার পর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানও ‘বয়কট’ করেছিলেন অভিষেক। তাঁর পছন্দ মতো মন্ত্রিসভা গঠন হয়নি বলেই তিনি শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ছিলেন না বলে জল্পনা হয়েছিল তখন। এবারের ধর্না মঞ্চে দুদিন ধরে না আসার কারণ কি? ফলে ধর্না মঞ্চে অভিষেক এলেও, এই নিয়েই চলছে জোর আলোচনা।

]]>
Exclusive: জাতীয় সংগীত এর অপেক্ষা না করেই মঞ্চ ছেড়ে বিতর্কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় https://thenewsbangla.com/abhishek-bandyopadhyay-has-left-the-stage-without-waiting-for-national-anthem/ Fri, 11 Jan 2019 18:29:53 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5506 The News বাংলা, কলকাতা: ফের বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ও তৃণমূল যুবার সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ের কাছে ভূপেন বোস অ্যাভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত তৃণমূলের সভা থেকে জাতীয় সংগীত শুরু হবার ঘোষণার পরও, মঞ্চ থেকে নেমে গাড়ি চড়ে বেরিয়ে যান অভিষেক। অভিযোগ এমনই।

১৯ শে জানুযারি তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে ব্রিগেড সমাবেশ। তার জন্য দিকে দিকে প্রচার চলছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ও কলকাতার বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রতিদিন চলছে জনসভা। ব্রিগেড থেকেই লোকসভা ভোটের দিক নির্দেশ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই প্রচার সভায় শুক্রবার শ্যামবাজারে উত্তর কলকাতার যুব তৃণমূল আয়োজিত সভায় বিতর্কে জড়ালেন যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ

বাংলায় দুর্গা পুজো বন্ধ করার চক্রান্ত করছে মোদীর বিজেপি, মারাত্মক অভিযোগ মমতার

আয়কর দফতরের নোটিশ, মাথায় হাত কলকাতার পুজো উদ্যোক্তাদের

সভায় মমতাকে নেতাজীর সঙ্গে তুলনা করেন অভিষেক। তিনি বলেন, “৮০ বছর আগে যিনি দিল্লি চলো ডাক দিয়েছিলেন, তাঁর বাসস্থান ছিল দক্ষিণ কলকাতায়। আর আজকে যিনি দিল্লি চলো ডাক দিয়েছেন, তাঁর বাসস্থানও দক্ষিণ কলকাতায়। আগেরজনও কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন। এবার দিল্লির ডাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করতে তাঁর হাতে ৪২-এ ৪২টি আসন তুলে দিতে হবে। সেটাই আমাদের লক্ষ্য”।

তিনি আরও বলেন, “আবার এক বাঙালি দিল্লি চলো ডাক দিয়েছেন। নেতাজীর ডাকের ৮০ বছর পর আরও এক বাঙালি হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি চলো ডাককে সফল করতে হবে। এদিন দেশরক্ষায় বিজেপি হটাওয়ের ডাক দিয়ে তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক ভাবে বিজেপিকে হারাতে হবে। সেই লক্ষ্যেই ব্রিগেড সমাবেশ থেকে এগিয়ে যাওয়ার পথ প্রশস্ত করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”।

তৃণমূল সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে আসার পরে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ের কাছে ভূপেন বোস অ্যাভিনিউয়ে এখানেই এক জনসভা করেছিলেন মমতা। ঠিক সেই জায়গাতেই শুক্রবার জনসভা ছিল উত্তর কলকাতা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের।

আরও পড়ুনঃ

ভারতের কৃষকের মেয়ে আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে ‘ভাবনার বিপ্লব’ ভাবনা কস্তুরীর হাত ধরে

জানা গেছে নেতাজি মূর্তির সামনে মমতার সেদিনের সেই ঐতিহাসিক জনসভা যাঁরা দেখেছিলেন, তাঁদের অনেকেই হাজির ছিলেন এদিনের অভিষেকের জনসভায়। তাদের অনেকের কাছেই জাতীয় সংগীতের শেষ হবার আগেই অভিষেকের এই মঞ্চ ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনাটা বেশ দৃষ্টিকটু লেগেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যার এই সভায় উপস্থিত ছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে-সহ তৃণমূল নেতা নেত্রীরা। এদিনের প্রধান বক্তা ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

নেতাজির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর এই তুলনায় হাততালির ঝড় বয়ে যায় সভাস্থলে। কিন্তু তারপরেই যখন মাইকে জাতীয় সঙ্গীত হওয়ার ঘোষণা চলছে, তখন একটুও অপেক্ষা না করে মঞ্চ ছাড়েন তৃণমূল যুবার সভাপতি অভিষেক। মঞ্চে বসা নেতা, মন্ত্রী থেকে সভায় যোগ দেওয়া কর্মী-সমর্থক সকলেই এই ঘটনায় বেশ অবাক হয়ে যান। যখন জাতীয় সঙ্গীত চলছে, তখনই অভিষেক স্টেজ থেকে নেমে যান।

আরও পড়ুনঃ

সিবিআই থেকে দমকলে বদলি, প্রতিবাদে চাকরি ছাড়লেন আইপিএস

ঘুষ নেবার দায়ে সিবিআই হাতে গ্রেফতার হবেন সিবিআই এরই স্পেশ্যাল ডিরেক্টর

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সব জনসভাতেই জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। সেখানে মমতা শুধু হাজির থাকা বা দাঁড়িয়ে থাকা নয়, নিজে গলা মেলান জাতীয় সংগীতের সঙ্গে। তাতেই অভস্ত্য তৃনমূল কর্মী, সমর্থক, নেতা ও মন্ত্রীরা অভিষেকের এই আচরণে বেশ অবাক হয়ে যান। মুখে কিছু না বললেও বেশ ক্ষুব্ধ হন বয়স্ক নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা।

অভিষেকের গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে বলে বিষয়টা চাপা দেবার চেষ্টা করেন নেতারা। অভিষেক মঞ্চ থেকে নেমে নিচে দাঁড়িয়েই জাতীয় সংগীত গান বলেই জানিয়েছেন অভিষেক ভক্তরা।

কিন্তু ততক্ষণে ফিসফাস শুরু হয়ে যায় এলাকা জুড়েই। জাতীয় সঙ্গীতের জন্য আর কয়েকটা সেকেন্ড দাঁড়িয়ে যেতেই পারতেন অভিষেক, বলছেন তৃণমূল নেতা কর্মীরাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলে কখনওই এই ঔদ্ধত্য দেখাতেন না বলেই জানিয়েছেন তৃণমূল নেতারাই।

আরও পড়ুনঃ

একদিনে বহিষ্কৃত দুই তৃণমূল সাংসদ, দিদিকে ছেড়ে মোদীর দলে আর কে কে

মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী

মোদীর প্রকল্পে আর টাকা দেবেন না মমতা, কেন্দ্র রাজ্য সম্পর্ক তলানিতে

অশ্লীল গালাগাল দেবার জন্যই যুবককে নিজেদের ব্যক্তিগত গ্রুপে যোগ করেন নন্দিনী

প্রকাশ্যে গ্রুপ চ্যাট রেকর্ডিং, জেলাশাসকের স্ত্রীর ভাষাও সমান অশ্লীল

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>