42 Parliament Seats – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Tue, 19 Mar 2019 04:17:08 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg 42 Parliament Seats – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 বাংলায় চার দলের লড়াই, ২০১১ র ভুল ২০১৯ এ করল না কংগ্রেস https://thenewsbangla.com/four-party-battle-in-bengal-lok-sabha-vote-congress-announce-candidates-in-bengal/ Tue, 19 Mar 2019 04:07:59 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8755 ২০১৯ লোকসভায় বাংলায় ৪ দলের লড়াই। তৃণমূল-বিজেপি-বাম-কংগ্রেস। সোমবারই ঠিক হয়ে যায় বাংলায় বাম কংগ্রেস জোট হচ্ছে না। তারপরেই রাত ১১ টায় প্রথম তিন পর্বের ১১ টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করে দিল কংগ্রেস। ২০১১ র ভুল ২০১৯ এ করল না কংগ্রেস, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

প্রথম তিন দফার ১১ টি আসনের জন্য ১১ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল কংগ্রেস। সোমবার রাত ১১ টা নাগাদ কংগ্রেসের তরফে দেশের বেশ কিছু লোকসভা আসনের সঙ্গে বাংলার ১১ টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ চোখ মেরে শাড়ির আঁচল ফেলে প্রচার মুনমুনের, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

প্রতিটি আসনে তিন-চার জন প্রার্থীর নাম নিয়ে সোমবার দিল্লি গিয়েছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। দুপুরে সভাপতি রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠক হয়। সেখানেই ১১ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত করা হয়। রাত ১১ টা নাগাদ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ ভাটপাড়ায় অনাস্থা, তৃণমূল বনাম বিজেপির জমজমাট লড়াই

প্রথম তিন দফার ভোটে বাংলার ১১ জন কংগ্রেস প্রার্থী হলেন, কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে প্রিয়া রায়চৌধুরী, আলিপুরদুয়ারে মোহনলাল বসুমাতা, জলপাইগুড়িতে মণিকুমার দারনাল, দার্জিলিংয়ে শঙ্কর মালাকার, রায়গঞ্জ আসনে দীপা দাশমুন্সি, বালুরঘাটে আবদুস সাদেক সরকার, মালদহ দক্ষিণ আসনে আবু হাসেম খান চৌধুরী (ডালুবাবু), মালদহ উত্তরে ঈশা খান চৌধুরী, বহরমপুরে অধীর চৌধুরী, মুর্শিদাবাদ আসনে আবু হেনা এবং জঙ্গিপুর আসনে অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

যে ১১ টি আসনে কংগ্রেস তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে তার অনেকগুলিতেই বামফ্রন্টও প্রার্থী দিয়েছে। জোট জটের শুরুতে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী ও সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরির হস্তক্ষেপে রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসনের জট কেটেছিল ঠিকই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই দুটি আসনেও প্রার্থীদের নামে সিলমোহর দিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। এর ফলে রায়গঞ্জে দীপা দাশমুন্সির দল ছাড়ার প্রসঙ্গও আপাতত চাপা পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

বেশ কয়েকদিন ধরেই বাম-কং আলোচনা চলছিল আসন সমঝোতা নিয়ে। কিন্তু চূড়ান্ত হওয়ার আগেই গত শুক্রবার বামফ্রন্টের বৈঠকের পর রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ সহ ২৫টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। একতরফা প্রার্থী ঘোষণাকে ‘অপমান’ হিসাবেই নিয়েছিল কংগ্রেস। সে দিনই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, বাংলায় বাম-কং আসন সমঝোতা হচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

সব চেয়ে বেশি জটিলতা তৈরি হয় বীরভূম আসন নিয়ে। বামেদের প্রার্থী তালিকায় ২৫ নম্বরে বীরভূমের নির্দল প্রার্থী হিসেবে নাম ছিল রেজাউল করিমের। কিন্তু তখনও তিনি কংগ্রেসের নেতা। নিজেদের দলের লোকের নাম বাম তালিকায় দেখে ক্ষুব্ধ হন সোমেন মিত্র ও অন্যান্যরা। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্রকে ক্ষোভের কথা জানান সোমেন মিত্র। এরপরই বোঝা যাচ্ছিল যে ভেস্তে যেতে চলেছে জোট।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী নিয়ে অশ্লীল ও বিতর্কিত মন্তব্য ক্ষিতির

রবিবার সন্ধ্যায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র সাংবাদিকদের জানিয়ে দেন, “মনে হচ্ছে ৪২ টি আসনেই আমাদের প্রার্থী দিতে হবে”। আদতে সেটাই হল সোমবার রাতে। বাকি আসনে কংগ্রেস কাকে কাকে প্রার্থী করে সেটাই এখন দেখার।

>আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

২০১১ তে তৃণমূলের সঙ্গে জোট করে বামকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল-কংগ্রেস জোট। জোট কংগ্রেসের পক্ষে লজ্জাজনকই হয়। কিন্তু তারপরেই তৃণমূলের কৌশলে দলটাই ভাঙতে বসে কংগ্রেসের। সব নেতাদেরই দলে ঢুকিয়ে নেয় তৃণমূল। এবার আর সেই লজ্জাজনক জোট করল না কংগ্রেস।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
মমতার বাছাইয়ে কারা হবেন বাংলার ৪২টি লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-will-choose-political-tmc-candidates-of-the-42-lok-sabha-seats-in-bengal/ Thu, 10 Jan 2019 10:43:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5422 The News বাংলা, কলকাতাঃ এবার আর কোন ভুল নয়। ২০১৪ থেকে শিক্ষা নিয়ে ২০১৯ এর লোকসভায় আর ভুল করতে চাইছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। প্রার্থী বাছাইয়ে এবার কড়া সতর্কতা নিয়েছেন খোদ দলনেত্রীই।

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই করার রণকৌশল পরিবর্তন করছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের প্রার্থী বাছাই করায় ‘রাজনৈতিক কৌশল’ নিতে চাইছে দল। দলের মধ্যে নতুন চিন্তা ভাবনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, দল চাইছে যে এবার শুধুমাত্র তারকাদের উপরে ভরসা করে টিকিট বন্টন করা সঠিক সিদ্ধান্ত হবে না।

টিকিট দেওয়ার সময় রাজনৈতিক পেক্ষাপট দেখে, কাজের নিরিখে লোকসভার প্রার্থী বাছাই করার উপরে জোর দেওয়া হবে বলে ঠিক হয়েছে। রাজনীতির উপর ভিত্তি করেই ভোটের প্রার্থী বাছাইয়ের রণকৌশল নির্ধারণ করা সঠিক হবে, বলে মনে করছেন দলীয় উচ্চ পদাধিকারীরা। ইতিমধ্যেই দলে আলোচনা শুরু হয়েছে যে প্রার্থী বাছাই ক্ষেত্রে সমস্ত দিক খুঁটিয়ে দেখার পর কোন সিদ্ধান্তে যাওয়া উচিত।

আরও পড়ুনঃ

প্রকাশ্যে গ্রুপ চ্যাট রেকর্ডিং, জেলাশাসকের স্ত্রীর ভাষাও সমান অশ্লীল

মন্দির মনোরঞ্জনের জায়গা নয়, স্বর্ণমন্দিরে নিষিদ্ধ সেলফি ছবি ভিডিও

একদিনে বহিষ্কৃত দুই তৃণমূল সাংসদ, দিদিকে ছেড়ে মোদীর দলে আর কে কে

এই নিয়ে দলের অন্দরমহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে এখন যেসব তারকারা দলে রয়েছেন তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত কি হবে? আদৌ তাঁরা কি এবারের লোকসভা নির্বাচনে টিকিট পাবেন? তাপস পাল, সন্ধ্যা রায়, শতাব্দী রায়, প্রসূন ব্যানার্জী, মুনমুন সেন, দেব সহ একঝাঁক অন্য পেশার লোক কি তাহলে টিকিট পাবেন না?

রাজনৈতিক পেক্ষাপট না থাকার কারণে আগেও দলকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। বিশেষ করে তাপস পালের বেফাঁস মন্তব্য ও রোজভ্যালিতে তাঁর যুক্ত থাকার কারণে আগেই স্পষ্ট যে এবার তাঁর টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ক্ষীণ। ঠিক সেইভাবেই দেবের নিজের ফিল্ম জগতের ব্যস্ততা রয়েছে।

একইভাবে সন্ধ্যা রায় ও মুনমুন সেনের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। শতাব্দী রায় ও প্রসূন ব্যানার্জীর কিছুটা হলেও অন্যদের থেকে সন্তোষজনক অবস্থান রয়েছে। কিন্তু টিকিট পাকা নয়। বাকিদের জায়গায় কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাঁর কাজের অভিজ্ঞতাকেও কাজে লাগাতে পারে দল, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ

ঐতিহাসিক কুম্ভমেলা সম্পর্কে একনজরে সব কিছু জেনে নিন

কুম্ভমেলায় বিশ্বরেকর্ড গড়ল যোগীর রাজ্য, তৈরি হল আস্ত একটা শহর

সোনিয়া রাহুলকে ১০০ কোটি টাকা আয়কর ফাঁকি দেওয়ার নোটিশ

তাই সংসদের টিকিট বাছাই করার ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেস এবার শুধু আবেগ দিয়ে নয়, তার পাশাপাশি রাজনৈতিক দূরদর্শিতাকেও কাজে লাগিয়ে এগোতে চায়। বুধবারই বহিষ্কার করা হয়েছে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁন ও বীরভূমের বোলপুরের সাংসদ অনুপম হাজরাকে। এরপরেও যা জানা যাচ্ছে, আরও প্রায় ৯-১০ জন তৃণমূল সাংসদ এবার কোনরকমেই আর টিকিট পাচ্ছেন না।

তৃণমূল অন্দর থেকে যে খবর পাওয়া যাচ্ছে তাতে, ২০১৯-এর লোকসভায় টিকিট অনিশ্চিত তৃণমূলের ৯ বর্তমান সাংসদের। নদীয়ার কৃষ্ণনগরের সাংসদ তাপস পাল, দক্ষিণ ২৪ পরগণার মথুরাপুর লোকসভার সাংসদ চৌধুরী মোহন জাটুয়া, হুগলীর আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার, মেদিনীপুরের সাংসদ সন্ধ্যা রায়, বাঁকুড়ার সাংসদ মুনমুন সেন, বর্ধমান-দুর্গাপুর এর সাংসদ মমতাজ সংঘমিত্রা রায়, উত্তর ২৪ পরগণার ব্যারাকপুরের সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী, হাওড়া লোকসভার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় ও বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়।

এদের মধ্যে বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় ও হাওড়া লোকসভার সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় টিকে গেলেও যেতে পারেন শেষ পর্যন্ত। তবে অনুব্রত মণ্ডল বীরভূমে চান না শতাব্দী রায়কে। সেক্ষেত্রে শতাব্দী রায় এর আসন বদলান হতে পারে।

আরও পড়ুনঃ

বাংলায় রাস্তায় বিজেপির রথ চলবে কিনা ঠিক হবে আগামী মঙ্গলবার

গুরুবারে শুরু অযোধ্যায় রাম মন্দির বাবরি মসজিদ শেষ লড়াই

ভোটের হাতিয়ার, লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও পাস হিন্দু সংরক্ষণ বিল

সূত্রের খবর, প্রায় ৯-১০ জন সাংসদ নানা কারণে এবার টিকিট নাও পেতে পারেন। এর মধ্যে স্বাস্থ্যজনিত কারণ যেমন রয়েছে, তেমন কোনও কোনও সাংসদের পাঁচ বছরের রিপোর্ট কার্ড না-পসন্দ দলের শীর্ষ নেতৃত্বের। কারোর উপর আবার মুকুল রায় বা বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখার মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচেন তৃণমূল কংগ্রেসের লক্ষ্য ৪২-এ ৪২। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ঘাসফুলের আঘাতে উড়ে গিয়েছিল কাস্তে-হাত-পদ্ম। ৩৪টি আসনে জয় পেয়ে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধীদের মধ্যে ৪টি আসন পেয়ে কিছুটা মান রেখেছিল কংগ্রেস।

তবে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ২০১৯-এর পর ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন আরও হাড্ডাহাড্ডি হবে। সেক্ষেত্রে মমতা নিজের টিমকে আরও সুসজ্জিত করতে চাইছেন। তাই লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এবার অনেক সতর্ক হচ্ছেন তিনি। তারকা নয়, এবার তাই রাজনৈতিক প্রার্থীর দিকেই জোর দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>