2019 Parliamentary Election – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 21 Mar 2019 04:34:29 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg 2019 Parliamentary Election – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 হাড্ডাহাড্ডি লড়াই তো পরে, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে প্রার্থী দিতে পারবে তো বিজেপি https://thenewsbangla.com/bjp-will-not-be-able-to-contest-in-cooch-behar-and-alipurduar-parliament-seat/ Wed, 20 Mar 2019 17:58:14 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8936 রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা মনে করছেন প্রথম দফার দুটি আসনের ভোটেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা আছে। বিজেপিও মনে করছে প্রথম দফার দুটি আসনের ভোটেই তারা জিততে পারে। কিন্তু আদৌ বিজেপি ওই দুটি আসনে প্রার্থী দিতে পারবে তো? বিজেপির কর্মী সমর্থকদের পাশাপাশি আশঙ্কা রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষেরও।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা

রাজ্যে প্রথম দফায় ২টি আসনে ভোট, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার। প্রথম দফায় বাংলার যে দুই আসনে ভোটগ্রহণ হবে, সেই আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার কেন্দ্রের প্রার্থীরা হাতে মাত্র এক দিন সময় পাবেন মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য। বুধবারও যদি অফিস বন্ধের আগে যদি ঘোষিত হত প্রার্থীদের নাম, তা হলে মনোনয়ন জমার কাজ কিছুটা অন্তত এগিয়ে রাখতে পারতেন বিজেপি প্রার্থীরা। সে কথা মাথায় রেখে বুধবার বিকেলের আগেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপরে চাপ বাড়িয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর হল না।

আরও পড়ুনঃ সেন্ট্রাল ফোর্স বছরে এই কয়েকদিন থাকবে, হুমকি মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

তৃণমূল বাম কংগ্রেস, ৩ দল প্রচারে, বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বলতে শুরু করেছেন ‘আর কবে’। কলকাতা সহ রাজ্যের জেলায় জেলায় এখন এটাই প্রশ্ন, আর কবে? মঙ্গলবারও হল না। বুধবার বিকালে ফের প্রার্থী ঘোষণার আশা ছিল বিজেপির তরফ থেকে। তবে এখনও প্রার্থী না পাওয়ায় হতাশা গ্রাস করছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের। কবে হবে কেউ জানে না। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার হোলির ছুটির মধ্যেই কি প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হবে?

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

রাজ্যে এবার চার দলের লড়াই। তৃণমূল, বাম, কংগ্রেস ও বিজেপির মুখোমুখি লড়াই। বাকি তিন দল প্রার্থী ঘোষণা করে প্রচারেও নেমে পড়েছে। ঘরে বসে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা জিজ্ঞাসা করছেন, আর কবে ঘোষণা হবে? কেউ কেউ হতাশ, ভোটের আগে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হবে তো! আর এতেই বাংলায় ২২ আসন জেতার বিজেপির দাবি যে ক্রমশই ফিকে হয়ে আসছে সেটাই বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। সেই সব ছাড়িয়ে এখন এটাই প্রশ্ন আদৌ বিজেপি প্রথম দফার দুই আসনে প্রার্থী দিতে পারবে তো বিজেপি?

আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভোটগ্রহণ হবে প্রথম দফায়। ওই দুই আসনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ মার্চ অর্থাৎ সোমবার। কিন্তু সোমবারের আগে যে চারটে দিন পড়ে রয়েছে, তার মধ্যে ২১ ও ২২ মার্চ দোল এবং হোলির ছুটি। ২৩ ও ২৪ মার্চ শনি ও রবিবার সপ্তাহান্তিক ছুটি সরকারি অফিস দফতরে।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

অর্থাৎ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য শুধু সোমবারটাই থাকছে বিজেপির হাতে। ওই দিনেই আদালতে গিয়ে হলফনামা জমা করতে হবে। তার পরে জেলাশাসকের দফতরে গিয়ে জমা দিতে হবে মনোনয়নপত্র। দুটো কাজই সময় সাপেক্ষ। একদিনে ওই দুটো কাজ করা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে রাজ্য বিজেপিতে।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

তাই বুধবার দুপুরের আগেই আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের প্রার্থীদের নাম অন্তত ঘোষণা করে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপরে চাপ বাড়ায় রাজ্য বিজেপি। কিন্তু বুধবার অফিস-কাছারি বন্ধ হওয়ার আগে প্রার্থীদের নামে চূড়ান্ত সিলমোহর দিতে পারেননি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা।

মঙ্গলবার প্রথম কয়েক দফায় বিজেপি প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয় নি। আরও একবার পিছিয়ে যায় বিজেপির প্রার্থী তালিকা। বুধবার দিল্লিতে প্রথম তিন দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল গেরুয়া শিবিরের। কিন্তু তাও প্রকাশ করতে পারল না তারা। আর এতেই চূড়ান্ত হতাশ রাজ্যের বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

ভোটের দিন ঘোষণার পরই গত রবিবার ১০ই মার্চ নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে বিজেপির প্রতিপক্ষ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জোট ভেঙে নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বাম কংরেসও। কিন্তু এখনও নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারেনি বিজেপি। আর এতেই বেজায় হতাশ বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ভোটের আগে অনেকটাই পিছিয়ে পরলেন তারা, এমনটাই মনে করছে বিজেপি কর্মীরা। আর এখন প্রশ্ন, প্রার্থী দেওয়া যাবে তো?

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সেন্ট্রাল ফোর্স বছরে এই কয়েকদিন থাকবে, হুমকি মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের https://thenewsbangla.com/central-force-will-have-a-few-days-threatened-by-minister-rabindranath-ghosh/ Tue, 19 Mar 2019 14:56:58 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8838 “সেন্ট্রাল ফোর্স বছরে এই কয়েকদিন থাকবে”, রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের বক্তব্যে হুমকির সুর দেখছে বিরোধীরা। আর এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দারস্থ হচ্ছে বিজেপি। দলের অন্যান্য নেতাদের মতই, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজেপির হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে সরব হলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা কোচবিহার তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।

কেন্দ্রীয় বাহিনী মানুষের গণতন্ত্র হরণ করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। জনসাধারণের উদ্দেশ্যে তিনি অভয়বাণী দিয়ে বলেন, “সেন্ট্রাল ফোর্স এই কয়েকটাদিন থাকবে, পাঁচ বছর থাকবে না”। আর রবীন্দ্রনাথ ঘোষের এই বক্তব্যেই হুমকির সুর দেখছেন বিরোধীরা।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

মঙ্গলবার রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী ফিরে গেলেও এই সরকারই এখন ক্ষমতায় থাকবে”। জনগনকে ভয় না পেয়ে নিশ্চিন্তে ভোট দিয়ে আসার পরামর্শ দেন তিনি। তবে, “সেন্ট্রাল ফোর্স বছরে এই কয়েক দিন থাকবে”, মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের এই উক্তিকেই হুমকির চোখে দেখছে বিজেপি নেতারা।

কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের তরফে প্রার্থী হয়েছেন পরেশচন্দ্র অধিকারী। তারই হয়ে প্রচার করছেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ৷ লোকসভার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তিনি পরোক্ষভাবে ভয় দেখাচ্ছেন বলেই অভিযোগ তুলছেন বিরোধীরা। মন্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

এই ব্যাপারে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ জানান, “রাজ্যের পুলিশ বাহিনী সারা বছর জনগনের স্বার্থে কাজ করে। সকল রাজনৈতিক দল বিপদে পড়লে রাজ্যের বাহিনীর কাছেই সাহায্য নিতে হয়”।

এদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপির প্রতিনিধি ও তারা মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন, যা গনতন্ত্রের প্রকৃত লক্ষন নয় বলে তিনি জানান। উল্টে ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগে বিজেপির তরফে তৃণমূলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী নিয়ে অশ্লীল ও বিতর্কিত মন্তব্য ক্ষিতির

প্রতিদিনই রাজ্য জুড়ে রুট মার্চ করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম সবাই মুখ খুলেছেন এই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে। বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের? উঠেছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

পাড়ার মোড়ে মোড়ে স্থানীয় মানুষ ও দোকানদার-ব্যবসায়ী সবার সঙ্গে কথা বলছেন বাহিনীর সদস্যরা। নির্বিঘ্নে ভোটদানের আশ্বাস দিচ্ছেন এলাকার মানুষকে। এদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, “বিজেপি বাহুবলী হতে চাইছে, কাশ্মীরেও এত কেন্দ্রীয় বাহিনী আছে কি না সন্দেহ। তার থেকেও বেশি বাহিনী এখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে”।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

তৃণমূল নেতারা বলেছেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেই বাড়ি–বাড়ি হুমকি দিচ্ছে”। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চ্যাটার্জি বলেন, “বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে দেখা গেছে, তারা হুমকি দিচ্ছে। পক্ষপাতদুষ্ট এই বাহিনী। কাশ্মীরেও এতো বাহিনী পাঠানো হয়নি। এরা রুটমার্চ করতেই পারে। রুটমার্চের নামে যা করছে তা মেনে নেওয়া যায় না”। এবার সেই সুরেই কথা বললেন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>