2019 Parliament Election – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Fri, 22 Mar 2019 11:44:49 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg 2019 Parliament Election – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 লোকসভা রিপোর্টে গত ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদদের পারফরম্যান্স লজ্জাজনক https://thenewsbangla.com/lok-sabha-report-of-past-5-years-trinamool-mps-performance-shameful/ Fri, 22 Mar 2019 11:38:04 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=9022 আবার একটা লোকসভা ভোট সামনে। সব দলই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু গত পাঁচ বছরে কিরকম পারফরম্যান্স ছিল সাংসদদের? লোকসভা রিপোর্ট বলছে, গত ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদদের পারফরম্যান্স খুবই খারাপ। জনগণের টাকায় শেষ ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদরা শুধু টাইম পাস করেছেন। লোকসভা রিপোর্ট বলছে, গত ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদদের পারফরম্যান্স লজ্জাজনক।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে হঠাতে ভিভিপ্যাটের সংখ্যা বাড়াতে কমিশনে আর্জি মহাজোটের

বাংলায় ৪২ টি আসনের মধ্যে ২০১৪ লোকসভাতে তৃণমূল জিতেছিল ৩৪ টিতে। প্রায় ৮০ শতাংশ সাংসদ ছিল ঘাসফুলের। কিন্তু ৫ বছর পর লোকসভা রিপোর্ট বলছে, গত লোকসভায় জেতা তৃণমূলের তারকা সাংসদরা অধিকাংশই লোকসভাতে কোন ভুমিকাই পালন করেননি। পুরোপুরি ব্যর্থ অধিকাংশ সাংসদ।

আরও পড়ুনঃ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে ভরা তৃণমূলের তারকা তালিকা নির্বাচন কমিশনে

এদের মধ্যে কেউ কেউ হাজির থাকেননি লোকসভা অধিবেশনে। কেউ আবার কোন প্রশ্ন করেননি। কেউ কেউ আবার কোন আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেননি। কোন বিরোধী দল নয়, লোকসভা রিপোর্ট বলছে, গত ৫ বছরে বেশ কিছু তৃণমূল সাংসদদের ভূমিকা হতাশজনক। এদের মধ্যে যেমন আছেন রাজনৈতিক নেতা, তেমনই আছেন অভিনেতা অভিনেত্রীরাও।

আরও পড়ুনঃ ভোটের গানে বিপাকে বাবুল, কমিশনের হাতে টুইট অস্ত্র

তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি ও দলের বলিষ্ঠ নেতা সুব্রত বক্সির পারফরম্যান্স অত্যন্ত খারাপ। লোকসভা রিপোর্ট বলছে, গত ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদ সুব্রত বক্সি কোন প্রশ্ন করেননি। ১ টি মাত্র বিতর্কে অংশ নিয়েছেন। লোকসভায় হাজির থাকার হার ৩২ শতাংশ। যদিও শারীরিক কারণে এবার আর দক্ষিণ কলকাতা থেকে দাঁড়াননি সুব্রত বক্সি।

আরও পড়ুনঃ বারাণসী থেকে লড়বেন মোদী, গান্ধীনগরে আডবানির পরিবর্তে অমিত শাহ

মমতার পর এখন দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর রিপোর্ট কি বলছে? লোকসভা রিপোর্ট বলছে, গত ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর পারফরম্যান্স বেশ হতাশজনক। লোকসভাতে তাঁর উপস্থিতির হার মাত্র ২৮ শতাংশ। মাত্র ৩ টি বিতর্কে অংশ গ্রহণ করেছেন ডায়মণ্ডহারবারের তৃণমূল সাংসদ।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, বাংলায় বিজেপি প্রার্থীদের নাম

দলের আর এক সাংসদ চৌধুরী মোহন জাটুয়ার পারফরম্যান্স অত্যন্ত খারাপ। লোকসভা রিপোর্ট বলছে, গত ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদ চৌধুরী মোহন জাটুয়া কোন প্রশ্ন করেননি। কোন বিতর্কে অংশ নিয়েছেন, এমন তথ্যও নেই। এই সাংসদকে ফের দাঁড় করিয়েছেন দলনেত্রি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, শুধু কি মুখ দেখানোর জন্যই এই সাংসদ আবার লোকসভায় যাবেন, যেখানে তাঁর কোন ভুমিকাই নেই।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

ঘাটালের সাংসদ ও টলিউড নায়ক দেব বা দীপক অধিকারী একেবারেই ফেল করেছেন সাংসদ হিসাবে। লোকসভা রিপোর্ট বলছে, গত ৫ বছরে তৃণমূল সাংসদ দেবের পারফরম্যান্স অত্যন্ত খারাপ। লোকসভাতে তাঁর উপস্থিতির হার মাত্র ১১ শতাংশ। সাকুল্যে মাত্র ৩ টি প্রশ্ন করেছেন আর মাত্র ২ টি আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেছেন। শেষ একবছরে মোট ৫ টি অধিবেশনে তাঁর উপস্থিতি ছিল মাত্র ৭ শতাংশ। সাংসদ হিসাবে একেবারেই ব্যর্থ দেব ফের আরেকবার সংসদে গিয়ে কি করবেন, উঠছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

মুনমুন সেন, শতাব্দী রায়, সন্ধ্যা রায়, সুগত বসু, বিজয়কৃষ্ণ বর্মণ, মমতাবালা ঠাকুর, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, তাপস পাল এঁরা প্রত্যেকেই সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ। এদের লোকসভায় পাঠিয়ে তাহলে কি লাভ হল? প্রশ্ন কিন্তু উঠছে। এমনকি সন্ধ্যা রায় লোকসভার শেষ অধিবেশনে একটি প্রশ্ন করায় হাততালি দেয় গোটা লোকসভা। যাতে লজ্জায় অধোবদন হয় গোটা রাজ্য।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

আবার এদের মধ্যে থেকেই কিন্তু সাংসদ হিসাবে নিজেকে দেশের সেরা প্রতিপন্ন করেছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। লোকসভায় উপস্থিতি, বিতর্কে অংশ গ্রহণ, প্রশ্ন সবেতেই ২০০৯ থেকে ২০১৯, সেরা সাংসদ তিনি। তাঁকে দেখেও কেন শিখতে পারলেন না বাকিরা? উঠছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

এদের মধ্যে মুনমুন সেন, শতাব্দী রায়, দেব, বিজয়কৃষ্ণ বর্মণ, মমতাবালা ঠাকুর, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় ফের প্রার্থী এবারও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন পারফরম্যান্সই দেখা হবে। কিন্তু লোকসভা রিপোর্ট বলছে, পারফরম্যান্স না থাকলেও ফের তৃণমূল প্রার্থী হলেন অনেক সাংসদ। লোকসভায় নিজের এলাকা বা বাংলার হয়ে প্রশ্ন তোলার বদলে তাহলে কি করলেন তৃণমূল সাংসদরা? উঠছে প্রশ্ন।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী নিয়ে অশ্লীল ও বিতর্কিত মন্তব্য ক্ষিতির

এদের মধ্যে অনেককেই ফের সাংসদে পাঠাতে ভোটে দাঁড় করিয়েছেন মমতা। আবার লোকসভায় গিয়ে কি করবেন এই সাংসদরা? মানুষের টাকায় এদের সাংসদ করে কি লাভ যারা লোকসভার যোগ্য নন? আবার একই ঘটনা ঘটনার জন্যই কি ফের দিল্লি যাচ্ছেন এঁরা। প্রশ্ন কিন্তু উঠছে।

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ সি ভিজিল, জনতার অভিযোগে ১০০ মিনিটের মধ্যে ব্যবস্থা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাংলায় ৫টি সিট ছেড়ে পাল্টা বামকে অপমান কংগ্রেসের https://thenewsbangla.com/congress-cpim-alliance-in-deep-water-in-bengal-two-party-insulting-each-other/ Wed, 20 Mar 2019 14:04:27 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8912 পশ্চিমবাংলায় বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসের জোট হওয়ার যে পরিকল্পনা ছিল, সে পরিকল্পনায়ে পুরোপুরি ভাবে জল ঢেলে দিয়েছে বামফ্রন্ট। আবার ৪ টে সিট ছেড়ে দিয়ে কংগ্রেসকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে অপমান করেছিল বামফ্রন্ট। আবার বুধবারই বামফ্রন্ট, বহরমপুর এবং উত্তর মালদার প্রার্থী ঘোষণা করবে বলে বিশেষ সুত্রে জানা গেছে। উত্তর মালদার সম্ভব্য প্রার্থী ইদ মহম্মাদ আর বহরমপুরের বিশ্বনাথ ঘোষ। আর এরপরেই বামেদের জন্য ৫ টি সিট ছেড়ে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে পাল্টা অপমান ফিরিয়ে দিল কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় নির্বাচন কমিশনের কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির

শুক্রবার ২৫টি ও মঙ্গলবার আরও ১৩টি, মোট ৩৮টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছিল বামফ্রন্ট। বহরমপুর, জঙ্গিপুর, উত্তর মালদা ও দক্ষিন মালদা এই চারটি আসন ছেড়ে বাকি ৩৮ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বামফ্রন্ট। ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয় কংগ্রেসকে। জোট না হলে ওই চার আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করা হবে, সেটাও জানিয়ে দিয়েছিলেন বামফ্রন্ট সম্পাদক বিমান বসু। বাম্ফ্রন্ট আজ তার মধ্যে দুটো আসনের প্রার্থীরও নাম প্রকাশ করবে বলে সুত্রের খবর।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

আর এরপরেই বামেদের এই আচরণে অপমানিত হয় কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস এর তরফ থেকে প্রদীপ ভট্টাচার্য জানিয়ে দেন বামেদের জন্য ৫ টি আসন ছেড়ে রাখছে কংগ্রেস। বামেরা ঠিক করুক তারা কি করবে। এই ঘোষণার ফলে বামেদের পাল্টা অপমান ফিরিয়ে দিল কংগ্রেস, এমনটাই মনে করছে বাংলার রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে ‘বাচ্চা ছেলে’ বলে কটাক্ষ করলেন ‘সেন্সেশনাল’ মুনমুন

গত শুক্রবারই জোট সঙ্গী কংগ্রেসকে চাপে ফেলে ২৫ টি আসনে ২৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেয় সিপিএম। বাকি ১৭ আসনের মধ্যেও বামেরা কয়েকটায় প্রার্থী দেবে বলেই জানিয়ে দিয়েছিলেন বামফ্রন্ট সম্পাদক বিমান বসু। এরপরেই জোটে জট চলে আসে। সোমবারই ১১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় কংগ্রেসও।

আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন ঘোষণার পরেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বাংলায় এগিয়ে তৃণমূল

রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসনে আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিল আলিমুদ্দিন। এরপর ২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় বামেরা। বাকি ১৭ টির মধ্যেও আরও কয়েকটি আসনে বামেরা প্রার্থী দেবে ঘোষণা করায় বাংলায় বাম-কং জোট বিশ বাঁও জলে চলে যায়। সেই হিসাব মতই মঙ্গলবার আরও ১৩ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় বামেরা।

আরও পড়ুনঃ ক্ষমতায় ফের মোদী, ভোটের আগেই জানাচ্ছে সাট্টাবাজার

বামফ্রন্ট সম্পাদক বিমান বসু কংগ্রেসের জন্য ৪ টি আসন ছেড়ে রেখে তাদের জোট করার জন্য ১ দিন সময় দেন। পাল্টা মঙ্গলবার কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য জানিয়ে দেন বামেদের জন্য ৫ টি আসন ছেড়ে রাখছে কংগ্রেস। আর এইভাবেই বামেদের পাল্টা অপমান ফিরিয়ে দিল বলেই মনে করছে বাংলার রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ কংগ্রেসের জন্য ৪টি আসন ছেড়ে ৩৮ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বামফ্রন্ট

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
রাজ্য পুলিশ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জিম্মায় থাকবে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট https://thenewsbangla.com/evm-and-vvpat-will-be-under-the-control-of-central-force/ Wed, 20 Mar 2019 11:20:36 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8899 ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়েছে গত ১০ই মার্চ। দেশজুড়ে নির্বাচনী বিধি লাগু হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রচার নিয়ে চাপানউতর শুরু হয়েছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সবকিছুই। দেওয়াল লেখা থেকে জনসভার অনুমতি সব দিকেই রয়েছে নির্বাচন কমিশনের পাখির চোখ। এর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ভোট গ্রহণের দিন এবং গণনার দিন ইভিএম ও ভিভিপ্যাট কোথায় কীভাবে থাকবে এবং তার নিরাপত্তা কিভাবে হবে সেই নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকদের দফতরে জোর কদমে কাজ করে চলেছে।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

ইভিএমের কমিশনিং হয়ে যাবার পরেই তা চলে যাবে স্ট্রং রুমে। শুধু তাই নয় সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ২৪ ঘন্টা পাহারা দেওয়ার কাজও শুরু হয়ে যাবে সেই মুহূর্ত থেকেই। সেখানে থাকবে দুইস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যেখানে মূল দরজায় থাকবে সিএপিএফ ও বাইরে পাহারা দেবে রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী। কোনরকমেই রাজ্য পুলিশ ভিতরে আসবে না।

আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

ভোটের দিন আগে থেকেই প্রত্যেকটি বুথেই মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাদের নজরদারির মধ্যে সেখানে থাকবে সব আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার মধ্যে। ভোটের আগের দিন ভোট কর্মীরা সেখান থেকে সব তথ্য প্রমাণাদি দিয়ে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট নিয়ে চলে যাবেন সংশ্লিষ্ট বুথের উদ্দেশ্যে। কেবলমাত্র বুথে পৌঁছানোর পরেই কাজ শেষ হচ্ছে না কারোরই। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোটদান মিটে যাবার পর আবার সেই সব জিনিসপত্র নিয়ে আরসি-তে ফিরে আসবেন ভোট কর্মীরা সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে করেই।

আরও পড়ুনঃ সেন্ট্রাল ফোর্স বছরে এই কয়েকদিন থাকবে, হুমকি মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

এখান থেকে তৈরি হবে নতুন নিরাপত্তার বলয়। ইভিএম ও ভিভিপ্যাট সেখান থেকেই সটান চলে যাবে একেবারে স্ট্রং রুমে। স্ট্রং রুমটি আগে থেকেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া থাকবে। স্ট্রং রুমের একটি মাত্র দরজা থাকবে। এমনই জানাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। শুধু তাই নয় সেখানে ২৪ ঘন্টা থাকবে নিরাপত্তার ৩টি বলয়। থাকবে সিসিটিভি। কে কখন এল কন্ট্রোল রুমের কাছে, সবকিছুই ধরা পড়বে সিসিটিভিতে। যদিও সেখানে রিটার্নিং অফিসার এবং অবজার্ভার ছাড়া আর কেউই যেতে পারবে না এমনই কিন্তু নির্দেশিকা জারি করা হয়ে গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী নিয়ে অশ্লীল ও বিতর্কিত মন্তব্য ক্ষিতির

স্ট্রং রুমের মূল দরজার কাছে পৌঁছতে গেলে প্রথমেই রিটার্নিং অফিসার অথবা অবজারভারকে সার্চ করা হবে। তারপরের ধাপে গেলে সেখানে পুনরায় সমস্ত কিছু নথিপত্র খতিয়ে দেখে তার পরেই তৃতীয় বলয় এর দিকে তাদের যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। তৃতীয় নিরাপত্তা বলয়ে গিয়ে সেখানে নিজের নাম ঠিকানা ফোন নাম্বার এবং নিজের পদ লিখতে হবে খাতায়। এরপর মোতায়েন থাকা এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী উক্ত ব্যক্তিকে মূল দরজার কাছে নিয়ে যাবে।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

স্ট্রং রুমের মধ্যে একবার ইভিএম ও ভিভিপ্যাট ঢুকে গেলে স্ট্রং রুমকে সম্পূর্ণ সিল করে দেওয়া হবে। একেবারে গণনার দিন সকালবেলায় সেই সিল অবজার্ভার এবং রিটার্নিং অফিসার ও সংশ্লিষ্ট প্রার্থী বা তার এজেন্টদের সামনে খোলা হবে এবং তারপর একে একে ইভিএম বার করে এনে গণনার কাজ শুরু করা হবে। তবে এই স্ট্রং রুম রিটার্নিং অফিসার এবং অবজারভার ছাড়া প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের অনুমতি পাওয়া প্রার্থী ও তার এজেন্টরা দেখতে যেতে পারবেন একই নিয়ম মেনে।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

এই স্ট্রং রুমের এই রকম কঠিন নিরাপত্তা বলয় থাকছে ২৪ ঘন্টাই। যেখানে গণনা কেন্দ্র তৈরি করা হবে সেই গণনা কেন্দ্র থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে কাউকে প্রবেশ করতে গেলে কঠিন নিয়মের বেড়াজালে প্রবেশ করতে হবে। যে নিয়মের বিধি ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে লিখে সব রাজনৈতিক দল রিটার্নিং অফিসার ও অফিসারদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

গণনা কেন্দ্রের থেকে একদম বাইরে মূল রাস্তা পর্যন্ত মোট পাঁচটি স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকছে। একেবারে রাস্তায় থাকবে রাজ্য পুলিশের লাঠি ধারী পুলিশ। তারপরে থাকবে ফ্লাইং স্কোয়াড। এরপর থেকেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সমস্ত নথিপত্র দেখেই এইখান থেকেই প্রবেশ করতে হবে সকলকে। নিজের পরিচয় পত্র এবং অনুমতি পত্র ছাড়া আর কোন কিছুই নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। বিশেষ করে মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়া যাবে না।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় নির্বাচন কমিশনের কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপির

এই তৃতীয় বলয় পেরোনোর পর চতুর্থ বলায় হবে মূল চেকিং। সেখানে সব কিছু পরীক্ষা করার পর তার পরে সেখান থেকে ঢুকে যাবে সোজা গণনা কেন্দ্রের ভিতর। স্ট্রং রুম এবং গণনা কেন্দ্র এর মাঝে কোন মতেই রাজ্য পুলিশের কোন কর্তা ব্যক্তি কেউ থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে ‘বাচ্চা ছেলে’ বলে কটাক্ষ করলেন ‘সেন্সেশনাল’ মুনমুন

পাশাপাশি এই তৃতীয় ও চতুর্থ বলয়ের মাঝখানে থাকবে মিডিয়া সেন্টার। সংবাদমাধ্যমের জন্য নিয়ম কিছুটা শিথিল করা হলেও সেখানেও থাকছে বেশ কিছু কড়াকড়ি। ধাপে ধাপে চিত্রসাংবাদিকদের গণনা কেন্দ্রের ভেতর নিয়ে যাবেন নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত কর্মীরা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী।

তবে এই প্রথম নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে গণনা কেন্দ্রের ভেতর ইভিএম এর ছবি তোলা যাবে না। তবে সকালবেলা গণনার এক ঘন্টা আগে রিটার্নিং অফিসার অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের পৌঁছাতে হবে। সকলের সামনেই সিল ভেঙ্গে দরজা খুলে বার করে আনা হবে ইভিএম।

আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন ঘোষণার পরেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বাংলায় এগিয়ে তৃণমূল

যখন সিল ভাঙ্গা হবে তখন নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সেই ছবিও ভিডিওগ্রাফি করে নির্বাচন কমিশনে মুহূর্তের মধ্যেই পাঠাতে হবে প্রত্যেক রিটার্নিং অফিসারকে। তাই গোটা দেশজুড়ে যখন রাজনৈতিক চাপানোউতোরে রীতিমতো উত্তেজনার পারদ চড়ছে তখন নির্বাচন কমিশন কিন্তু তার নিজের ঘর গোছানোর কাজ খুব সুন্দর ভাবে ও সন্তর্পনে করে চলেছে।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
তৃণমূল বাম কংগ্রেস প্রচারে, বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বলছেন ‘আর কবে’ https://thenewsbangla.com/tmc-left-congress-in-election-campaign-bjp-activists-still-waiting-for-candidates/ Wed, 20 Mar 2019 05:37:59 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8851 তৃণমূল বাম কংগ্রেস, ৩ দল প্রচারে, বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বলছেন ‘আর কবে’। কলকাতা সহ রাজ্যের জেলায় জেলায় এখন এটাই প্রশ্ন, আর কবে? মঙ্গলবারও হল না। বুধবার বিকালে ফের প্রার্থী ঘোষণার আশা বিজেপির তরফ থেকে। তবে এখনও প্রার্থী না পাওয়ায় হতাশা গ্রাস করছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের।

রাজ্যে এবার চার দলের লড়াই। তৃণমূল, বাম, কংগ্রেস ও বিজেপির মুখোমুখি লড়াই। বাকি তিন দল প্রার্থী ঘোষণা করে প্রচারেও নেমে পড়েছে। ঘরে বসে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা জিজ্ঞাসা করছেন, আর কবে ঘোষণা হবে? কেউ কেউ হতাশ, ভোটের আগে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হবে তো! আর এতেই বাংলায় ২২ আসন জেতার বিজেপির দাবি যে ক্রমশই ফিকে হয়ে আসছে সেটাই বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা

মঙ্গলবার প্রথম কয়েক দফায় বিজেপি প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয় নি। আরও একবার পিছিয়ে গেল বিজেপির প্রার্থী তালিকা। মঙ্গলবার দিল্লিতে প্রথম তিন দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল গেরুয়া শিবিরের। কিন্তু তা প্রকাশ করতে পারল না তারা। আর এতেই হতাশ রাজ্যের বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

আরও পড়ুনঃ সেন্ট্রাল ফোর্স বছরে এই কয়েকদিন থাকবে, হুমকি মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

ভোটের দিন ঘোষণার পরই গত রবিবার ১০ই মার্চ নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে বিজেপির প্রতিপক্ষ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জোট ভেঙে নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বাম কংরেসও। কিন্তু এখনও নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারেনি বিজেপি। আর এতেই বেজায় হতাশ বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ভোটের আগে অনেকটাই পিছিয়ে পরলেন তারা, এমনটাই মনে করছে বিজেপি কর্মীরা।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

ভোটের দিন ঘোষণার আগে থেকেই বাংলায় বিজেপির প্রার্থী তালিকা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কিন্তু বুধবার সকাল পর্যন্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হল না। তৃণমূল কংগ্রেস অনেক আগেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। এমনকি জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। কংগ্রেস-সিপিএমও প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু যে গেরুয়া ব্রিগেডের উত্থানের জল্পনা রাজ্যজুড়ে, তারাই এখনও পর্যন্ত প্রার্থী দিতে পারল না বাংলায়।

আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

আংশিক প্রার্থীতালিকা অর্থাৎ প্রথম তিন দফার আসনগুলির প্রার্থীদের নাম ঘোষণার কথা ছিল মঙ্গলবার। কিন্তু এদিনও পিছিয়ে যায়। দিল্লির রাজনৈতিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রার্থী তালিকা নিয়ে রাজ্য বিজেপির নেতাদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই এদিন প্রকট হয়েছে। প্রার্থী নিয়ে কোন রাজ্য নেতার সঙ্গে কোন রাজ্য নেতার আর রাজ্য নেতাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের মত একেবারেই মিলছে না বলেই জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

আবার জানা গেছে, ভোটের আগে অর্জুন সিং, শঙ্কুদেব পণ্ডার মতো নেতাদের দলে যোগ দিয়েই টিকিট পাওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। কলকাতায় রাজ্যে বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র কাছেও এনিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন অনেক রাজ্য নেতা। তাঁরা দাবি করেছিলেন, সারাবছর যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা কেন টিকিট পাবেন না।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

সূত্রের খবর, দিল্লিতে শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক পিছিয়ে গিয়ে বুধবার ফের বৈঠক হবে। বুধবার দুপুরে ফের রাজ্য নেতাদের বৈঠকে ডাকা হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, বুধবার প্রথম তিন দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতে পারে বিজেপির তরফ থেকে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের দাবি ছিল, বাংলায় এবার ২২ টি আসন জিতবে বিজেপি। সেই দাবিও যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে না পেরে আসতে আসতে ফিকে হচ্ছে এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাবুল সুপ্রিয়র জেলে থাকা উচিত, বিস্ফোরক মদন মিত্র https://thenewsbangla.com/madan-mitra-said-babul-supriyo-should-kept-in-jail/ Tue, 19 Mar 2019 14:46:11 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8830 ভোট প্রচারে তৃণমূলকে লক্ষ করে গান বাঁধলেন বাবুল সুপ্রিয়। আর সেই গানের মেকিং ভিডিও প্রকাশের পরেই তা ভাইরাল হয়ে যায় বিভিন্ন মিডিয়াতে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই ধরনের প্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। তৃণমূলের তরফ থেকে বাবুল সুপ্রিয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয় নির্বাচন কমিশনের কাছে। আর এরপরেই বাবুলকে একহাত নিয়েছেন মদন মিত্র।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে ‘বাচ্চা ছেলে’ বলে কটাক্ষ করলেন ‘সেন্সেশনাল’ মুনমুন

এদিন তৃণমূল নেতা মদন মিত্র বাবুল সুপ্রিয়ের তীব্র নিন্দা করেন। তিনি বলেন, “বাবুল সুপ্রিয় অনেক আগে থেকেই যা কিছু করছে তাতে তার জেলে থাকা উচিত ছিল। অনেক আগেই বাবুল সুপ্রিয়কে আরেস্ট করা উচিত ছিল। বাবুল সুপ্রিয় খুবই নোংরা কাজ করে এবং দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করে। এটা খুব দুঃখজনক যে এর পরেও সে খোলা রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাবুল এর নামে FIR হওয়া উচিত এবং ওর মন্ত্রিত্ব ক্যান্সেল করে দেওয়া উচিত। একজন ভোট প্রার্থী হয়ে ওর এই ধরণের কাজ করা গ্রহণযোগ্য না”।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা

সাংবাদিকদের প্রশ্নের সামনে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া অর্জুন প্রসঙ্গে মদন মিত্র বলেন, “এই যে আমরা এখন ঘরে আছি, যখন চলে যাব তখন এই ঘরটা ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করা হবে, কারণ অনেক ধুলো জমে যায়। বিজেপি সেই ধুলো নিয়ে গেছে। এখন ঘর মন্দির মসজিদ এর মতই পবিত্র। এখন আর কিছু নোংরা নেই, বাঁচা গেছে”।

আরও পড়ুনঃ ক্ষমতায় ফের মোদী, ভোটের আগেই জানাচ্ছে সাট্টাবাজার

ভোটের একমাস আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর রাজ্যে আসা নিয়েও এদিন মুখ খোলেন মদন মিত্র। তিনি জানান, “শোনা গেছে বেশ কিছুজনের নাম আছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে, যার মধ্যে আমার নামও আছে, আমার কোন সমস্যা নেই তাতে”।

তিনি এও জানান কেন্দ্রীয় বাহিনী সুষ্ট ভাবে নির্বাচন করতে এসেছে সেটাই যেন তারা করে, কিন্তু তারা যদি দাদাগিরি করে সেটা কোনভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। সংবিধানে কোথাও এমন লেখা নেই যে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে সাধারণ মানুষের ঘরে ঢুকে ধমকি দেবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী কে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি এও বলেন যে “তারা যেন ভুলে না যায় যে রাজ্যের হাতে যে বাহিনী আছে সেটা কিন্তু মমতার পক্ষে”।

আরও পড়ুনঃ চোখ মেরে শাড়ির আঁচল ফেলে প্রচার মুনমুনের, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

এদিন বিস্ফোরিত মদন মিত্র নোটবন্দি প্রসঙ্গে বলেন, “নরেন্দ্র মোদীর চরম শাস্তি পাওয়া উচিত। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আসন কে উনি কলঙ্কিত করেছেন, একজন মিথ্যেবাদী লোক উনি। উনি এমন ভাবে হাঁটাচলা করেন তাতে চৌকিদার নরেন্দ্র মোদী নয়, ওনার লেখা উচিত অভিনন্দন নরেন্দ্র মোদী, যেন উনিই পুরো পাকিস্তানকে খতম করে এসেছেন”।

আরও পড়ুনঃ ভোটের দিন ঘোষণার পরেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বাংলায় এগিয়ে তৃণমূল

সিপিএম কংগ্রেস জোট সম্পর্কে তিনি বলেন, “বাংলায় সিপিএম আর কংগ্রেস থাকা না থাকা সমান। তাই তাদের জোট হলো কি হল না তাতে কিছুই যায় আসে না। they are neither hear not there. সিপিএম কংগ্রেস এর জোট হলেও কিছুই এদিক ওদিক হত না। এখন বাংলায় একটাই মুখ সেটা মমতা ব্যানার্জী”।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সমস্ত তর্জন গর্জন সার, তৃণমূলের বাতিল সাংসদকে দলে নিয়ে মুখ রক্ষা মুকুলের https://thenewsbangla.com/mukul-roy-magic-failed-only-expelled-tmc-mp-anupam-hazra-joins-bjp/ Tue, 12 Mar 2019 14:00:39 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8229 সমস্ত তর্জন গর্জন সার, তৃণমূলের বাতিল সাংসদকে দলে নিয়ে মুখ রক্ষা মুকুলের। সেই তৃণমূলের বাতিল সাংসদ অনুপম হাজরাকেই মঙ্গলবার বিজেপিতে যোগদান করালেন মুকুল রায় ও কৈলাশ বিজয়বর্গীয়।

ঘোষিত হল আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা। তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই দিল্লিতে মুকুল রায় এবং বিজেপির কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বোলপুরের সাংসদ অনুপম হাজরা।

আরও পড়ুনঃ লাস্যময়ী নুসরত ও সুন্দরী মিমিই এবার মমতার চমক

তার সঙ্গেই হবিবপুরের ৩ বারের জয়ী সিপিএমের বিধায়ক খগেন মূর্মূ এবং বাগদার কংগ্রেসের বিধায়ক দুলালচন্দ্র ভরও বিজেপিতে যোগ দেন। এর বাইরে উল্লেখযোগ্য কাউকেই বিজেপি মঞ্চে মঙ্গলবার যোগ দিতে দেখা যায়নি। এমনকি বিজেপিতে যাবার কথা অস্বীকার করেছেন কংগ্রেস নেত্রী দীপা দাসমুন্সিও।

আরও পড়ুনঃ প্রচুর চমক, রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২জন প্রার্থী কে কে

মুকুল রায় তৃণমূল ছাড়ার পর থেকেই বহুবার দাবি করে এসেছেন, তার সাথে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধী দলগুলোর অনেক তাবড় তাবড় সাংসদ ও বিধায়ক তলায় তলায় যোগাযোগ রাখছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও বহুবার একই দাবি করেছেন। কিন্তু দল ভাঙানোর যাবতীয় দায়িত্ব ছিল মুকুলের হাতেই। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন বড় নেতাকেই দলে নিতে পারেননি মুকুল রায়।

আরও পড়ুনঃ পুলিশে ভরসা নেই, একমাস আগেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী

একদা তৃণমূল দলে ‘চাণক্য’ নামে খ্যাত মুকুল রায়ের কথার ওপর ভর করে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন দেখার অপেক্ষায় নজর রেখেছিল বাংলার রাজনৈতিক মহল। কখনো পুজোর পর, আবার কখনো মমতার ব্রিগেডের পরেই তৃণমূলে ধস নামবে, প্রায়ই মুকুলের এরকম বক্তব্যে আশায় বুক বেঁধেছিলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গি মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ আজহার জী’ বলে সম্বোধন করে বিতর্কে রাহুল

শেষ অবধি প্রত্যাশা করা হয়েছিল, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরেই তৃণমূলের অনেক বড় নেতাই দল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেবেন। কিন্তু তার কিছুই হল না। উল্টে তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ অনুপম হাজরাকে দলে নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল বিজেপিকে। দল থেকে বহিষ্কৃত হবার পরে রাজনৈতিক কেরিয়ার সচল রাখতে অনুপমের গন্তব্য হবে বিজেপি, তা আগে থেকেই একপ্রকার নিশ্চিত ছিল।

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

সম্প্রতি প্রাক্তণ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ও কংগ্রেসের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির পত্নী দীপা দাশমুন্সির বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা ঘিরে তুমুল জল্পনা তৈরি হয়েছিল। মুকুল রায়ের সাথে অধীর চৌধুরীর দিল্লির বাসভবনে সাক্ষাতের বিষয়েও আলোচনা হয়। কিন্তু গত রবিবারই অধীর চৌধুরী সেই দাবিকে গুজব ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন। এদিকে আজ মঙ্গলবার দীপা দাশমুন্সিও জানিয়ে দেন, বিজেপিতে যোগদানের কোনও সম্ভাবনাই তাঁর নেই।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

এর আগে বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্তের বিজেপিতে সামিল হওয়ার ব্যাপারেও বিতর্ক তৈরি হয়। মুকুল রায় তাঁর বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎও করেন। মাত্র ১ দিন পরেই তিনি জানিয়ে দেন, তিনি বিজেপিতে আসছেন না। উল্টে মুকুলের উদ্দেশ্য তিনি বুঝতে পারেননি বলে তিনি মন্তব্য করে মুকুল রায়কে চরম লজ্জায় ফেলে দেন সব্যসাচী।

আরও পড়ুনঃ গেরুয়া ভোটে থাবা বসাতে অধিকাংশ আসনেই ব্রাহ্মণ প্রার্থী ঘোষণা দলিত নেত্রী মায়াবতীর

আগে রাজ্য বিজেপির তরফে বলা হয়েছিল, তৃণমূল ত্যাগ করে অন্য দলে নাম লেখালেই তাদের নামে রাজ্য পুলিশ মিথ্যা মামলা দায়ের করছে। উল্লেখ্য, অনুপম হাজরার সাথে একই সময়ে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খান। পরে সৌমিত্র খানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা দায়ের করা হয়। এই আশঙ্কা থেকেই অনেকে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না বলে সাফাই দেওয়া হয় বিজেপির তরফে।

আরও পড়ুনঃ রমজান মাসে নির্বাচনে কোনও সমস্যা নেই, ববিকে পাল্টা দিলেন ওয়েসি

কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষন ঘোষণা হয়ে গেলেও মুকুলের বক্তব্যের সাথে বাস্তবের ফারাকই বেশি নজরে আসছে। এখনও উল্লেখযোগ্য কাউকেই সেভাবে মুকুল রায় তাঁর ম্যাজিকে বশ করতে পারেননি। এখন মুকুল ম্যাজিক দেখার আশার বিজেপির চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকার দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ থেকে বিজেপি কর্মীরা।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
প্রচুর চমক, রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২জন প্রার্থী কে কে https://thenewsbangla.com/mamata-banerjee-announce-42-trinamool-congress-candidates-for-2019-parliament-election/ Tue, 12 Mar 2019 10:19:33 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8195 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা। একনজরে দেখে নিন রাজ্যের ৪২ টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২ জন প্রার্থীর নাম। দেখে নিন তালিকাঃ

রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২জন প্রার্থী কে কে/The News বাংলা
রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২জন প্রার্থী কে কে/The News বাংলা

লোকসভা কেন্দ্রঃ / ২০১৪ সালে প্রার্থী ছিলেনঃ / ২০১৯ এ প্রার্থী হলেনঃ

১। কোচবিহার / পার্থপ্রতিম রায় / পরেশ অধিকারী
২। আলিপুরদুয়ার / দশরথ তিরকে / দশরথ তিরকে
৩। জলপাইগুড়ি / বিজয় বর্মন / বিজয় বর্মন
৪। দার্জিলিং / বাইচুং ভুটিয়া / অমর সিং রাই
৫। রায়গঞ্জ / সত্যরঞ্জন দাসমুন্সি / কানহাইয়ালাল আগরওয়াল
৬। বালুরঘাট / অর্পিতা ঘোষ / অর্পিতা ঘোষ

৭। মালদহ উত্তর / সৌমিত্র রায় / মৌসম বেনজির নূর
৮। মালদহ দক্ষিণ / মোয়াজ্জেম হোসেন / মোয়াজ্জেম হোসেন
৯। জঙ্গিপুর / হাজি নুরুল ইসলাম / খলিলুর রহমান
১০। মুর্শিদাবাদ / মহম্মদ আলি / আবু তাহের
১১। বহরমপুর / ইন্দ্রনীল সেন / অপূর্ব সরকার
১২। কৃষ্ণনগর / তাপস পাল / মহুয়া মৈত্র

১৩। রানাঘাট / তাপস মণ্ডল / রুপালী বিশ্বাস
১৪। বনগাঁ / মমতাবালা ঠাকুর / মমতাবালা ঠাকুর
১৫ বারাকপুর / দীনেশ ত্রিবেদী / দীনেশ ত্রিবেদী
১৬। দমদম / সৌগত রায় / সৌগত রায়
১৭। বারাসত / কাকলি ঘোষ দস্তিদার / কাকলি ঘোষ দস্তিদার
১৮। বসিরহাট / ইদ্রিশ আলি / নুসরত জাহান

১৯। জয়নগর / প্রতিমা মণ্ডল / প্রতিমা মণ্ডল
২০। মথুরাপুর / সি এম জাটুয়া / সি এম জাটুয়া
২১। ডায়মন্ডহারবার / অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় / অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
২২। যাদবপুর / সুগত বসু / মিমি চক্রবর্তী
২৩। কলকাতা দক্ষিণ / সুব্রত বক্সি / মালা রায়
২৪। কলকাতা উত্তর / সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় / সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

২৫। হাওড়া / প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় / প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়
২৬। উলুবেড়িয়া / সাজদা আহমেদ / সাজদা আহমেদ
২৭। শ্রীরামপুর / কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় / কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
২৮। হুগলি / রত্না দে নাগ / রত্না দে নাগ
২৯। আরামবাগ / অপরূপা পোদ্দার / অপরূপা পোদ্দার
৩০। তমলুক / দিব্যেন্দু অধিকারী / দিব্যেন্দু অধিকারী
৩১। কাঁথি / শিশির অধিকারী / শিশির অধিকারী
৩২। ঘাটাল / দীপক অধিকারী(দেব)/ দীপক অধিকারী(দেব)

৩৩। ঝাড়গ্রাম / উমা সোরেন / বীরবাহ সরেন
৩৪। মেদিনীপুর / সন্ধ্যা রায় / মানস ভুঁইয়া
৩৫। পুরুলিয়া / মৃগাঙ্ক মাহাত / মৃগাঙ্ক মাহাত
৩৬। বাঁকুড়া / মুনমুন সেন / সুব্রত মুখোপাধ্যায়
৩৭। বিষ্ণুপুর / সৌমিত্র খাঁ / শ্যামল সাঁতরা

৩৮। বর্ধমান পূর্ব / সুনীল মন্ডল / সুনীল মন্ডল
৩৯। বর্ধমান দুর্গাপুর / মমতা সঙ্ঘমিত্রা / মমতা সঙ্ঘমিত্রা
৪০। আসানসোল / দোলা সেন / মুনমুন সেন
৪১। বোলপুর / অনুপম হাজরা / অসিত মাল
৪২। বীরভূম / শতাব্দী রায় / শতাব্দী রায়

]]>
পুলিশে ভরসা নেই, একমাস আগেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী https://thenewsbangla.com/central-forces-in-bengal-a-month-ago-before-parliament-election-no-faith-in-state-police/ Tue, 12 Mar 2019 07:49:52 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8168 আগামী শুক্রবারই বাংলায় আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার নিরাপত্তায় আর কোন ফাঁকফোঁকর রাখতে চায় না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। তাই শুক্রবারই প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে আসছে ১০ কোম্পানি বিএসএফ বাহিনী। বাংলায় এসেই বিভিন্ন এলাকায় রুট মার্চ করবে তারা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চের ভিডিও করবে প্রশাসন।

শুক্রবার থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাতে শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার পর কেটেছে মাত্র দুদিন। তার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত একপ্রকার রাজ্যকে চাপে রাখার চেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। একেই পশ্চিমবঙ্গে ৭ দফায় ভোট করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তারপরে ভোটের এত আগে থেকেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোয় তুঙ্গে উঠেছে বিতর্ক।

আরও পড়ুনঃ রায়গঞ্জে বিজেপির হয়ে কি লড়বেন দীপা দাশমুন্সি

সোমবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন ছাড়ার সময় বলেন, বিজেপিকে সুবিধা করে দিতে পশ্চিমবঙ্গে ৭ দফায় নির্বাচন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। যদিও তিনি একথাও বলেন যে, নির্বাচন কমিশনের প্রতি তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

শুক্রবারই ১০ কোম্পানি বিএসএফ আসছে রাজ্যে। তারপরেই কমিশন অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলিতে বাহিনীকে দিয়ে রুটমার্চ করাবে। মাও আক্রমণ বন্ধ হলেও রুটমার্চ চলবে জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতেও। জঙ্গলমহলের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে রুটমার্চ করাবে কমিশন। দিল্লি সূত্রের খবর, এবার ভোটের আগেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আর থানা বা পুলিশ সুপার তদারকি করবে না।

আরও পড়ুনঃ এগিয়ে তৃণমূল, মঙ্গলবার বিকালেই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা

তার বদলে কমিশনের নিজস্ব পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কন্ট্রোল করবে। অর্থাত্‍ ভোটের আগেই অতি উত্তেজনাপ্রবণ বুথগুলি সহ গোটা রাজ্যই পুরোপুরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরে চলে আসবে। আর তাদের পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা।

আরও পড়ুনঃ জঙ্গি মাসুদ আজহারকে ‘মাসুদ আজহার জী’ বলে সম্বোধন করে বিতর্কে রাহুল

শনিবার থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী গোটা রাজ্যে ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে টহলদারি চালাবে। তবে কোন কোন এলাকায় টহলদারি চলবে, তা ঠিক করবেন জেলাশাসকরা ও পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা। গত বিধানসভা নির্বাচনেও ভোটের দিনের আগে থেকেই রাজ্যে টহলদারির জন্য ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে এসেছিল। এবার আরও অনেক আগে থেকেই সেই বাহিনী আসছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর। এবার প্রতি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্থান চিনকে ভয় দেখিয়ে বালাশোরে পিনাক রকেট ছুঁড়ল ভারত

বিজেপি সহ সব বিরোধী দলের পক্ষ থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে অভিযোগ করা হয়। পঞ্চায়েত ভোটের বিভিন্ন ঘটনার ভিডিও ক্লিপিংস জমা দেওয়া হয়। সেইসব অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়, ভোটের বিজ্ঞপ্তি ঘোষণা হতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে। সেইরকম ইঙ্গিত দিল্লি থেকে কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে আসে। তারপরেই শুক্রবার বাহিনী আসার খবর জানা যায়।

আরও পড়ুনঃ মমতাকে মুকুলের ভয় দেখিয়ে কি রাজ্যে মন্ত্রী হচ্ছেন অর্জুন

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে এবার ভোটগ্রহণের অনেক আগেই প্রতিটি বুথে ও এলাকার দখল নেবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্ট সময়ে বাহিনী বুথে পৌঁছল কি না, তার ছবি তুলে সেক্টর অফিসকে তা পাঠাতে হবে কমিশনে। কোনও ভাবেই রাজ্য পুলিশকে বুথে ঘেঁষতে দেওয়া হবে না। খুব প্রয়োজনে লাঠিধারি রাজ্য পুলিশ বুথের বাইরে ভোটারদের লাইন দেখভালের দায়িত্বে থাকতে পারে।

আরও পড়ুনঃ রমজান মাসে নির্বাচনে কোনও সমস্যা নেই, ববিকে পাল্টা দিলেন ওয়েসি

বড়জোর কেন্দ্রীয় বাহিনীর দোভাষির কাজ করতে পারে তারা অতীতে অতি-স্পর্শকাতর বুথের দখল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিলেও এভাবে রাজ্যের প্রতিটি বুথেই এতদিন আগে থেকে বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ কায়েমের নজির নেই। রাজ্য পুলিশকে এভাবে বুথ থেকে ব্রাত্য করে দেওয়াও সমান বেনজির৷ রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আসলে রাজ্যের পুলিশের প্রতি অনাস্থারই প্রকাশ।

আরও পড়ুনঃ সুব্রত বক্সির বদলে কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রে কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

কমিশনের এক আধিকারিকের মতে, এবারের ভোটে রাজ্য পুলিশকে যতটা সম্ভব কম ব্যবহারের কথাই ভাবা হয়েছে। তাই ভোটের জন্য তৈরি ফ্লাইং স্কোয়াড, কুইক রেসপন্স টিম ও সেক্টর মোবাইল ইউনিটেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই প্রথমে দায়িত্ব দেওয়া হবে। কাজের সুবিধার জন্য জিপিএস ব্যবহার করবে ফ্লাইং স্কোয়াড৷ এলাকা সর্ম্পকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সাহায্য করতেই জিপিএসের মতো অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুযোগ দিতে চায় নির্বাচন কমিশন৷

আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন
আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
পঞ্চায়েত ভোটে চরম হিংসা দেখেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে বাংলায় ৭ দফায় ভোট https://thenewsbangla.com/7th-phase-vote-for-bengal-with-central-force-after-violence-in-the-panchayet-polls/ Sun, 10 Mar 2019 17:19:26 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8046 বিরোধীদের অভিযোগ মেনেই ৭ দফার লোকসভা ভোটের প্রত্যেক দফাতেই পশ্চিমবঙ্গে ভোট রাখল কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন। এই প্রথমবার ৭ দফায় ভোট হচ্ছে রাজ্যে। পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধীদের অসংখ্য অভিযোগ জমা পরেছিল নির্বাচন কমিশনে। সব খতিয়ে দেখেই পশ্চিমবঙ্গে ৭ দফাতেই লোকসভা ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

দেশে মোট ৭ দফায় ২০১৯ লোকসভা ভোট হবে। আর পশ্চিমবঙ্গেও সেই ৭ দফাতেই লোকসভা ভোট হবে।

বাংলায় কথায় কবে ভোট দেখে নিন একনজরেঃ

১১ এপ্রিল প্রথম দফায় ২টি আসনে ভোটঃ কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার

১৮শে এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ৩টি আসনে ভোটঃ জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং ও রায়গঞ্জ

২৩শে এপ্রিল তৃতীয় দফায় ৫টি আসনে ভোটঃ বালুরঘাট, মালদহ উত্তর, মালদহ দক্ষিণ, জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদ

২৯শে এপ্রিল চতুর্থ দফায় ৮টি আসনে ভোটঃ বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান-দুর্গাপুর, বোলপুর, বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রাণাঘাট, আসানসোল ও বীরভূম

৬মে পঞ্চম দফায় ৭টি আসনে ভোটঃ বনগাঁ, বারাকপুর, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, শ্রীরামপুর, হুগলী, আরামবাগ

১২মে ষষ্ঠ দফায় ৮টি আসনে ভোটঃ তমলুক, কাঁথি, ঘাটাল, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর

১৯মে সপ্তম ও শেষ দফার ভোটে ৯টি আসনে ভোটঃ দমদম, বারাসত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর ও ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, কলকাতা দক্ষিণ ও কলকাতা উত্তর

আরও পড়ুনঃ ৭ দফায় লোকসভা ভোট শুরু ১১ এপ্রিল, ভোট গণনা ২৩ মে

মোট ৭ দফায় ২০১৯ লোকসভা ভোট হবে দেশে। ভোট শুরু ১১ এপ্রিল। ওই দিন প্রথম দফার ভোট। ১৮ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট। ২৩ এপ্রিল তৃতীয় দফার ভোট। ২৯ এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোট। ৬ মে পঞ্চম। ১২ মে ষষ্ঠ দফা ও ১৯ মে সপ্তম ও শেষ দফার ভোট। আর এই ৭ দফাতেই বাংলায় ভোট হচ্ছে।

বাংলায় ৭ দফাতেই ভোট হওয়ায় হইচই পরে গেছে রাজ্য রাজনীতিতে। কেন বাংলায় ৭ দফাতেই ভোট? উঠে গেছে প্রশ্ন। বিজেপি রাজ্যে জোর দিচ্ছে বলেই কি ৭ দফাতে ভোট? প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। যদিও বাংলার শাসক দলের তরফে বলেই দেওয়া হয়েছে “কত ফেজে ভোট হল তাতে কিছুই এসে যায় না, মানুষ মমতাকে ভোট দেবে”।

আরও পড়ুনঃ সপ্তদশ লোকসভা ভোট ৭ দফায়, দেখে নিন কবে কোথায় কত আসনে ভোট

বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে, “রাজ্যে ভোটের পরিস্থিতি নেই। পঞ্চায়েত ভোটে সেটা প্রমাণ হয়ে গেছে। তাই নির্বাচন কমিশন ৭ ফেজেই ভোট করাচ্ছে রাজ্যে”। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ৭ ফেজে ভোট করানো হবে।

মনে করা হচ্ছে পঞ্চায়েত ভোটে চরম হিংসা ও ৫০ শতাংশের বেশি আসনে বিরোধীদের প্রার্থীরা দিতে না পারাটাই বিচার করে কেন্দ্র নির্বাচন কমিশন বাংলায় ৭ ফেজেই ভোট করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

ভোট গণনা হবে ২৩মে, ২০১৯। ওইদিনই জানা যাবে ভারতের শাসনভার আগামী ৫ বছরের জন্য কোন দলের হাতে থাকবে। আর সেদিনই দেখা যাবে, বাংলায় তৃণমূল-বিজেপি লড়াই এর ফল কি হল। আর সিপিএম কংগ্রেস জোট কতটা সাফল্য পেল।

]]>
সংসদে ক্যাগ রিপোর্ট, কংগ্রেসের চেয়ে সস্তায় রাফায়েল কিনেছে মোদী সরকার https://thenewsbangla.com/modi-govts-rafale-deal-cheaper-than-congress-govts-deal-cag-report/ Wed, 13 Feb 2019 08:02:54 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=6765 সংসদে অবিশ্বাস্য রিপোর্ট। লোকসভা সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাফায়েলের বর্তমান দাম কংগ্রেসের ইউপিএ সরকারের ঠিক করা দামের থেকে ২.৮% সস্তা। আর অস্ত্রশস্ত্র ধরলে কংগ্রেস আমল থেকে প্রায় ১৭ শতাংশ সস্তায় রাফায়েল কিনেছে মোদী সরকার। এমন রিপোর্টই দিয়েছে দেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল(ক্যাগ)। এই রিপোর্ট লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির হাতে বড় অস্ত্র তুলে দিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ ৪ দিন টানা জেরার পর বুধবার আবার তলব, বেশ বিপদে রাজীব কুমার

লোকসভায় পেশ করা কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বা ক্যাগ রিপোর্ট থেকে ‘The News বাংলা’ জানতে পেরেছে, যে রাফায়েলের বর্তমান দাম কংগ্রেসের ইউপিএ সরকারের ঠিক করা দামের থেকে ২.৮% সস্তা। আর অস্ত্রশস্ত্র ধরলে কংগ্রেস আমল থেকে প্রায় ১৭ শতাংশ সস্তায় রাফায়েল কিনেছে মোদী সরকার, উঠে এল ক্যাগ রিপোর্টে। এই তথ্য উল্লেখ করেই আজকের রিপোর্ট জমা পড়ে রাজ্যসভায়।

আরও পড়ুনঃ সারদা চিটফান্ড মামলায় রাজীব কুমারকে ভয়ঙ্কর বিপদে ফেললেন কুণাল ঘোষ

লোকসভা ভোটের আগে ৫৯,০০০ কোটি টাকার রাফায়েল চুক্তি ঘিরে সরগরম জাতীয় রাজনীতি। এর মধ্যেই সোমবার এই চুক্তি সংক্রান্ত অডিট রিপোর্ট সংসদে পেশ করে দেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বা ক্যাগ। প্রথমে সরকারের কাছে পেশ করার পরেই সেটি সংসদে পেশ করা হয়। আজ বুধবারই শেষ হচ্ছে সংসদের চলতি বাজেট অধিবেশন। এটাই বর্তমান মোদী সরকারের শেষ সংসদ আধিবেশন।

আরও পড়ুনঃ বিধায়ক খুনে রাম নেতাকে বাঁচাতে আসরে বাম নেতা

এদিকে প্রথমে রাফায়েল ছাড়াই পেশ হয় এই ক্যাগ রিপোর্ট। ফলে ফের নতুন করে মোদী সরকারকে আক্রমণের হাতিয়ার পেয়ে যান বিরোধীরা। লোকসভা নির্বাচনের আগে শেষ সংসদ অধিবেশন শেষ হচ্ছে বুধবার। তার আগে ক্যাগ রিপোর্টের তথ্যে রাফায়েল প্রসঙ্গে মোদীর বিজেপি যে অনেকটাই স্বস্তি পেল তা বলাই যায়।

আরও পড়ুনঃ পরীক্ষা শুরুর আগেই হোয়াটস অ্যাপে ফাঁস মাধ্যমিক প্ৰশ্নপত্র

বুধবার ফের একবার রাফায়েল তদন্তে জয়েন্ট পার্লামেন্টরি কমিটি বা জেপিসির দাবি তুলে সংসদে হট্টোগোল করেন কংগ্রেস সহ বিরোধী সাংসদরা। শেষ পর্যন্ত আরও একবার সেই দাবি খারিজ হয়ে যাওয়ায় সংসদ ত্যাগ করেন তাঁরা। কংগ্রেস চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীর সম্মতিতেই ভবন থেকে ওয়াকআউট করেন সাংসদরা। তবে তুমুল গণ্ডগোল চললেও কাজ চালিয়ে যান স্পিকার। জানা যাচ্ছে, বিমানের দাম ছাড়াই রাফালের রিপোর্ট তৈরি করে ফেলে কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল(ক্যাগ)। মূলত এই প্রসঙ্গ নিয়েই আরও উত্তপ্ত হয় লোকসভা।

আরও পড়ুনঃ ফের লজ্জার অন্ধকারে সিবিআই, চরম অপমানের শাস্তি সিবিআই প্রধানকে

অন্যদিকে এই রিপোর্টকে ‘চৌকিদারের রিপোর্ট’ বলে কটাক্ষ করেছেন রাহুল। তেমনই পাল্টা অস্ত্র হাতে ময়দানে নামেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। কংগ্রেসের উপর পরিবারতন্ত্রের তোপ দাগেন তিনি। জেটলি অভিযোগ করেন, “নিজেদের সাম্রাজ্য রক্ষা করতেই একের পর এক মিথ্যা বলে চলেছে কংগ্রেস”।

আরও পড়ুনঃ রাহুলকে সরিয়ে লোকসভা ভোটে মোদী বিরোধী মুখ প্রিয়াঙ্কাই

উল্লেখ্য, রাহুল এদিন সকালেই অভিযোগ করেন, রাফায়েল চুক্তি হওয়ার ১০ দিন আগে থেকেই এর বিষয়ে জানতেন অনিল আম্বানি। সেই সংক্রান্ত একটি ই-মেলও ফাঁস করেন রাহুল। কংগ্রেস সভাপতিকে পাল্টা দিতে বোফর্সকে হাতিয়ার করেন জেটলি।

আরও পড়ুনঃ রথী মহারথীদের নাম লেখা ১২ পাতার গোপন চিঠি সিবিআইকে দিলেন কুণাল ঘোষ

সংসদে পেশের পরে ক্যাগের এই রিপোর্ট পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি)-র কাছে পাঠানো হবে। এই কমিটির চেয়ারম্যান থাকেন বিরোধী দলনেতা বা বিরোধী দলের সাংসদ। বর্তমানে এই কমিটির মাথায় আছেন কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়গে। প্রয়োজন মনে করলে রিপোর্ট মূল্যায়নের জন্য আরও তথ্য চেয়ে পাঠাতে পারে পিএসি।

আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান চিনের চিন্তা বাড়িয়ে ভারতীয় সেনার হাতে এল ভয়ঙ্কর চিনুক হেলিকপ্টার

২০১৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ২৬টি রাফায়েল যুদ্ধ বিমান কেনা নিয়ে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছিল ভারত ও ফ্রান্স। ৫৯,০০০ কোটি টাকার এই চুক্তি ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে বিরোধীরা। যদিও কেন্দ্র সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

আর রাফায়েলের বর্তমান দাম কংগ্রেসের ইউপিএ সরকারের ঠিক করা দামের থেকে ২.৮% সস্তা। আর অস্ত্রশস্ত্র ধরলে কংগ্রেস আমল থেকে প্রায় ১৭ শতাংশ সস্তায় রাফায়েল কিনেছে মোদী সরকার। এমনই রিপোর্ট তৈরি করেছে দেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল(ক্যাগ)। এমনই রিপোর্ট পাবার পর বিজেপির আক্রমণ যে আরও ধারালো হবে সেটা বলাই যায়।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>