2019 Lok Sabha elections – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 11 Apr 2019 07:33:55 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg 2019 Lok Sabha elections – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস https://thenewsbangla.com/election-commission-of-india-failed-depending-on-the-west-bengal-police/ Thu, 11 Apr 2019 06:42:37 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10586 রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে চরম সন্ত্রাসের পরিস্থিতি দেখেও শিক্ষা নেয় নি ভারতের নির্বাচন কমিশন। আর সেই রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা করেই ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় চরম সন্ত্রাস দেখতে পেল কোচবিহার এর বিভিন্ন এলাকা। যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই সেখানেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাজনৈতিক দলের গুণ্ডারা। বিশেষ করে তৃণমূলের দাদাগিরি দেখতে পেয়েছে গোটা কোচবিহার। একের পর এক ছবি উঠে এসেছে সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায়। নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিরোধীরা।

LIVE: সারাদিন কি হচ্ছে বাংলার ভোটে, দেখে নিন প্রথম দফার ভোটের সব ঘটনা

কোচবিহার কেন্দ্র নিয়ে বাড়তি নজর ছিল কমিশনের। ৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রায় পুরোটাই রয়েছে কোচবিহারে। কোচবিহারে ২০১০টি বুথের মধ্যে ১০৬০টি বুথে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাকি ৯৫০টি বুথে রয়েছে রাজ্যের সশস্ত্রবাহিনী। আর বৃহস্পতিবার ভোটের দিন সারাদিন কোচবিহারে থাকার কথা ছিল বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবের। কোচবিহারে থেকেই ভোট মনিটরিং করবেন তিনি, এমনটাই কথা ছিল।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা নয় কোচবিহার থেকে ভোট মনিটরিং করবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে
আরও পড়ুনঃ আশ্চর্য কাণ্ড, ভোট শুরু হতেই কোচবিহার থেকে কলকাতায় ফিরলেন বিবেক দুবে

কিন্তু দেখা গেল ঠিক উল্টো ছবি। বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে কলকাতায় ফিরে গেলেন সকালেই। আর যেখানে যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই সেই সেই বুথেই দেখা গেল চরম সন্ত্রাস। ঠিক পঞ্চায়েত ভোটের মতই তৃণমূলের ফের সন্ত্রাস দেখছে রাজ্য। তাও শুধুমাত্র দুটো লোকসভার ভোটে। কোচবিহারে যেখানে যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই, সেখানেই তৃণমূল সন্ত্রাস চালিয়েছে বলেই অভিযোগ সাধারণ মানুষ থেকে বিরোধী দলগুলির।

আরও পড়ুনঃ ভোটের ‘দাওয়াই’ দেওয়ার বেনজির হুমকি রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের

কোচবিহারের শিতলকুচির অনেক বুথেই বিরোধী প্রার্থীর পোলিং এজেন্টকে ঢুকতেই দেওয়া হয় নি বলেই অভিযোগ। শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস এজেন্টদেরই দেখা যাচ্ছে। এমনকি বুথে যেতে বাধা দেওয়া হয় ভোটারদেরও। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনেই চলে হুমকি। ভোটের আগে সব বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি ছিল বিরোধীদের। কিন্তু কোচবিহারে ৯৫০টি বুথে রয়েছে রাজ্য পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভবিষ্যতের ভূতকে ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা দেবে মমতা সরকার

আর রাজ্য পুলিশ থাকা অধিকাংশ বুথেই চলছে চরম দাদাগিরি, এমনটাই অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। মাথাভাঙ্গা ও দিনহাটার অধিকাংশ বুথেই চলছে ভোটারদের বাধা দেওয়ার কাজ। অনেক বুথেই বিরোধী এজেন্টদের বসতেই দেওয়া হয় নি বলেই নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি, বাম ও কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ মমতার ফোনের পরই ৫ টি বুথে পুনরায় নির্বাচন চাইলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ

রাজ্যের উপর ভরসা করে ডুবল ভারতের নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের পুলিশের উপর নির্ভর করে ডুবল নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় সন্ত্রাস চলছে অধিকাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী হীন বুথে। এমনটাই ভুরি ভুরি অভিযোগ জমা পরেছে নির্বাচন কমিশন এর কাছে। তবে রাজ্য ও রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা করে এইভাবে ডুবতে হবে টা ভাবেনই নি বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে ও নির্বাচন কমিশন।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাংলায় বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়নই বাতিল হয়ে গেল https://thenewsbangla.com/lok-sabha-poll-bengal-bjp-candidates-nomination-was-canceled/ Wed, 10 Apr 2019 13:44:41 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10490 রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী মুকুট মণি অধিকারীর মনোনয়নই বাতিল হল। তাঁর সরকারী চাকরিতে ইস্তফাপত্র গৃহীত হয় নি বা ওই ইস্তফাপত্র গ্রহনের কপি এসে পৌঁছায় নি। ওই আসনে বিজেপির প্রতীকের লড়বেন নদীয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক এর সভাপতি জগন্নাথ সরকার। এর ফলে জোর ঝটকা খেল বিজেপি। প্রার্থীর হয়ে দেওয়াল লিখন, প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছিল। আবার নতুন করে শুরু করতে হবে বর্তমান প্রার্থী জগন্নাথ সরকারকে। অবশ্য এটাকে নদীয়া জেলা বিজেপির তরফ থেকে ‘সাপে বর হল’ বলেই বলা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ মমতা আরএসএস কোর কমিটির সদস্য, জানিয়ে দিলেন অধীর

বিজেপি–র রানাঘাট কেন্দ্রের প্রার্থী নিয়ে নাটক অব্যাহতই ছিল মনোনয়নপত্র পেশের শেষ দিনেও। এই কেন্দ্রের জন্য দলের ঘোষিত প্রার্থী ডাঃ মুকুট মণি অধিকারীর প্রার্থিপদ নিয়ে জটিলতা ছিলই। স্ক্রুটিনির আগে সরকারি চাকরি ছাড়ার ছাড়পত্র না পেলে বাতিল হতই তাঁর প্রার্থিপদ। আর সেটাই হল। এসে পৌঁছায় নি তাঁর রিলিজ অর্ডার। ফলে বাতিল হয়ে গেল তাঁর মনোনয়ন পত্র।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রতর নকুল দানার পরিবর্তে মুড়ির মোয়ায় ভরসা লকেটের

রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী মুকুট মণি অধিকারী এদিন মনোনয়নপত্র পেশও করেন। পাশাপাশি এদিন দলের হয়ে মনোনয়নপত্র পেশ করেন দলের নদিয়া দক্ষিণের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি জগন্নাথ সরকারও। দুজন কিছুক্ষণ বসে থাকলেও কথাবার্তা বিশেষ বলেননি।
মুকুটমণি জানিয়েছেন, দলের ঘোষিত প্রার্থী হিসেবে তিনি মনোনয়নপত্র পেশ করছেন। তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে যে সমস্যা আছে, সেটা মিটে যাবে। তাঁর দল বিষয়টি দেখছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর সরকারী চাকরিতে ইস্তফাপত্র এসে পৌঁছায় নি।

আরও পড়ুনঃ কলকাতা নয় কোচবিহার থেকে ভোট মনিটরিং করবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে

দলের হয়ে জগন্নাথ সরকার বা অন্য কেউ মনোনয়নপত্র পেশ করেছেন বলে তাঁর কিছু জানা নেই, বলেই এদিন জানান মুকুট মণি অধিকারী। দল এ বিষয়ে তাঁকে কিছু জানায়নি বলেই জানান তিনি। অন্যদিকে এ বিষয়ে জগন্নাথ সরকার জানিয়েছেন, দলের ঘোষিত প্রার্থী ডাঃ মুকুটমণি অধিকারী। তবে তাঁর প্রার্থিপদ নিয়ে জটিলতা আছে। সে কারণেই দলের নির্দেশে তিনিও প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।‌

আরও পড়ুনঃ পথ হারাল মমতার হেলিকপ্টার, হতে পারত বড় বিপদ

এদিন এই দুই প্রার্থীই নদীয়া জেলাশাসকের কার্যালয়ে আলাদাভাবে তাঁদের অনুগামীদের নিয়ে মিছিল করে এসে মনোনয়নপত্র পেশ করেন। কার্যালয়ে এই সময়ে প্রচুর মানুষ ঢুকে যান। তার ফলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ অতিরিক্ত বিজেপি কর্মী–সমর্থকদের জেলাশাসকের কার্যালয় থেকে বার করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে মুকুট মণি অধিকারীর বদলে জগন্নাথ সরকার প্রার্থী হওয়ায় সাপে বর হল বলেই মনে করছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

আরও পড়ুনঃ মোদীকে আটকে দিল নির্বাচন কমিশন, ভোটের আগে জোর ঝটকা

এছাড়াও বিজেপি–র অতিপরিচিত আরও দু–জন নেতাও এদিন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এঁরা হলেন মানবেন্দ্র রায় এবং সুজিত বিশ্বাস। মানবেন্দ্র রায় এর আগে ২০১৫ সালে কৃষ্ণগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপি–র প্রার্থী হয়েছিলেন। এই দুই প্রার্থী কিছু বলতে চাননি। তবে জানা গেছে, এঁদের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দলের প্রতীক সংবলিত নথি দেওয়া হয়নি। সেক্ষেত্রে এঁরা প্রার্থিপদ প্রত্যাহার না করলে, নির্দল হিসেবে পরিগণিত হবেন।‌

আরও পড়ুনঃ নির্বাচন কমিশনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মিমির বিজ্ঞাপনে মুখ ঢাকল যাদবপুর
আরও পড়ুনঃ ভোট বুথে গুন্ডাগিরি ও রিগিং রুখতে নির্বাচন কমিশন আনল বিশেষ অ্যাপ

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
ভোটের আগে আয়কর হানায় কোটি কোটি টাকা লেনদেনে অভিযুক্ত কংগ্রেস https://thenewsbangla.com/political-row-erupts-over-it-raids-on-congress-leaders-offices-before-election/ Tue, 09 Apr 2019 07:46:00 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10340 মধ্যপ্রদেশের পর এবার আয়কর দফতরের নজরে দিল্লি। দিল্লিতে ২৩০ কোটি বেনামি লেনদেনের হদিশ মিলেছে। ভোটের এক দিন আগে আরও বিব্রত কংগ্রেস। কমলনাথের পর অস্বস্তি বাড়ল আহমেদ প্যাটেলের। ভোপালে কালো টাকা কাণ্ডে নাম জড়াল কংগ্রেস নেতা ঘনিষ্ঠদের। হাওয়ালার মাধ্যমে ২০ কোটি টাকার লেনদেন। আয়কর দফতরের নজর তুঘলক রোডের পার্টি অফিসে।

আরও পড়ুনঃ অনুপ্রবেশকে সহ্য করা হবে না, ভোট ইস্তেহারে বলছে বিজেপি

বিপুল পরিমাণ অর্থের একটি অংশ, প্রায় ২০ কোটি টাকা দিল্লিতে একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে পাঠানো হচ্ছিল, জানিয়েছে আয়কর দফতর। যা হাওয়ালার মাধ্যমে নয়াদিল্লির তুঘলক রোডের এক সিনিয়র নেতার বাড়ি থেকে রাজনৈতিকদলের সদর দফতরে পাঠানো হচ্ছিল। জানানো হয়েছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডায়রেক্ট ট্যাক্সেস-এর পক্ষ থেকে। যদিও রাজনৈতিক দল এবং তাদের সিনিয়র নেতা সম্পর্কে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুনঃ মিগ ২১-র হামলায় পাক যুদ্ধবিমান এফ ১৬ ভেঙে পড়ার ব়্যাডার ইমেজ প্রকাশ বায়ুসেনার

কি বলছে আয়কর দফতর, দেখুনঃ

ভোটের আগে আয়কর হানায় কোটি কোটি টাকা লেনদেনে অভিযুক্ত কংগ্রেস/The News বাংলা
ভোটের আগে আয়কর হানায় কোটি কোটি টাকা লেনদেনে অভিযুক্ত কংগ্রেস/The News বাংলা

এই নগদের একটা অংশ কংগ্রেসের দিল্লি সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০ কোটি টাকা, যা হাওয়ালা চ্যানেলের মাধ্যমে দিল্লির তুঘলক রোডে কংগ্রেসের প্রবীণ কর্মকর্তার বাড়ি থেকে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। আয়কর দফতরের নজরে এবার তুঘলক রোডের পার্টি অফিস।

আরও পড়ুনঃ বিজেপি প্রার্থী বালি ও বৌ নিয়ে পড়েছিলেন, বাঁকুড়ায় ‘অশালিন’ অভিষেক

গত দুদিন ধরে মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়ে আয়কর দপ্তর একটি ‘সুবিস্তৃত’ ও ‘সুসংগঠিত’ চক্রের সন্ধান পেয়েছে। ওই চক্রের সঙ্গে নগদ ২৮১ কোটি টাকা জড়িয়ে রয়েছে যার কোনও হিসাব মেলেনি। আয়কর দপ্তরের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এই খবর দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ জুড়ে তল্লাশি চালিয়ে ২৮১ কোটির টাকা চোরাচালানের হদিশ পেয়েছে আয়কর দপ্তর।

আরও পড়ুনঃ কেন গ্রেফতার করা হবে না, রাজীব কুমারকে নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের

আয়করের দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিপুল পরিমাণ টাকার একটা অংশ একটি বড় রাজনৈতিক দলের দিল্লির কার্যালয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে ২০ কোটি টাকা দিল্লির তুঘলক রোডের এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বাড়ি থেকে হাওলার মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু নগদ নয়, সাড়ে ১৪ কোটি টাকা মূল্যের বাঘের চামড়া, ২৫২ বোতল মদ এবং কিছু অস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে ভোট বন্ধ করে দেবার হুমকি লকেটের

আয়কর দপ্তরের বিবৃতি অনুসারে দুদিনের হানায় যা যা আটক করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে বাঘের চামড়া, হিসাব–বহির্ভূত নগদ ১৪.৬০ কোটি টাকা, ২৫২ বোতল মদ এবং কিছু আগ্নেয়াস্ত্র। তার সঙ্গে পাওয়া গিয়েছে হাতে লেখা ডায়েরিতে অর্থ সংগ্রহ এবং অর্থ দেওয়া সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য, কম্পিউটার ফাইল এবং কিছু এক্সেল শিট।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারে কাশ্মীরের ৩৭০ এবং ৩৫ এ নং ধারা বিলোপের প্রতিশ্রুতি

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথের প্রাক্তন ব্যক্তিগত সচিব প্রবীণ কাক্কার এবং প্রাক্তন পরামর্শদাতার বাড়িতে তল্লাশি চলে। ইন্দোর এবং দিল্লিতে দু’‌জনের বাড়িতে হানা দেয় আয়কর দপ্তর। ওই ঘটনার কিছু দিন আগে কর্নাটকে জেডিএস–কংগ্রেস সরকারের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কয়েকজনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় দপ্তর। দুটি ঘটনাতেই শাসককে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ ভোটের আগে কেন্দ্রীয় সরকার ভয় দেখাতে চাইছে।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ভোটে ভোটকর্মীদের কিছু হলে সম্পূর্ণ দায়ি থাকবেন সেই জেলার জেলাশাসক

এরপরেই আয়কর দফতরের নজর পড়ে দিল্লিতে। দিল্লিতে ২৩০ কোটি বেনামি লেনদেনের হদিশ মিলেছে। আয়কর দফতরের নজর তুঘলক রোডের পার্টি অফিসে। ভোটের বাজারে কংগ্রেসকে বদনাম করতে বিজেপি চক্রান্ত করছে, অভিযোগ কংগ্রেসের। আইন আইনের কাজ করছে, বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

আরও পড়ুনঃ ঘোড়া গাধা খচ্চর বিতর্কের পর গরুর গাড়িতে প্রচার, বিরোধী মতে মরার গাড়িতে তৃণমূল

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
সাহস থাকলে কেরালা বা তামিলনাড়ু থেকে লড়ুন, মোদীকে চ্যালেঞ্জ শশীর https://thenewsbangla.com/if-modi-has-courage-to-fight-from-kerala-or-tamilnadu-asks-tharoor/ Mon, 08 Apr 2019 06:15:09 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10270 উত্তর ভারতের মতো দক্ষিন ভারতেও রাহুল সমান জনপ্রিয় এবং তিনি জেতার ব্যাপারে যথেষ্ট আশাবাদী বলেই উত্তর ভারতের পাশাপাশি দক্ষিন ভারত থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, রবিবার এমনটাই দাবি করলেন কংগ্রেস নেতা শশী থারুর। নরেন্দ্র মোদীর কি সাহস আছে দক্ষিন ভারত থেকে লড়ার, এই প্রশ্ন তুলে মোদীর দিকে চ্যালেঞ্জও ছূঁড়ে দিলেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ নারদা-সারদার মূল পান্ডাকে কোলে নিয়ে ঘুরছেন মোদী, দিনভর তরজা মুকুল মমতার

শশী থারুর মোদীকে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, দক্ষিন ভারতের কেরালা বা তামিলনাড়ু থেকে নরেন্দ্র মোদীর লড়াই করার ক্ষমতা আছে কিনা। রাহুলের পক্ষে তিনি বলেন, দক্ষিন ভারতের জনগন আগ্রহের সাথে রাহুলকে গ্রহণ করে নিতে প্রস্তুত। দক্ষিন ভারত থেকেও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হতে পারে, সেই ব্যাপারে দক্ষিন ভারতীয়রা যথেষ্ট আশাবাদী বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুনঃ বারাসাত কেন্দ্রের বিজেপি ভোট প্রার্থী নিজেই কোনদিন ভোট দেননি ভারতে

হারের ভয়েই উত্তরপ্রদেশের আমেঠীর পাশে দক্ষিন ভারতে কেরালার ওয়ানাড লোকসভা কেন্দ্র থেকে লড়ছেন রাহুল গান্ধী, বিজেপির অনেক নেতাই এই দাবি করেছিলেন। এদিন তাদেরকেও কটাক্ষ করে তাদের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শশী থারুর।

আরও পড়ুনঃ সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে ভোট বন্ধ করে দেবার হুমকি লকেটের

কিছুদিন আগেই অমিত শাহ বলেছিলেন, রাহুল গান্ধী এমন একটি আসন থেকে লড়ছেন, যেখানে সংখ্যালঘুরা সংখ্যাগুরু। সংখ্যাগুরু হিন্দুদের ভোটে রাহুল ভরসা করতে পারছেন না বলে অনেকে কটাক্ষ করেছিলেন। আমেঠীতে রাহুলের প্রতিদ্বন্দ্বী তথা বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানী রাহুলকে বলেছিলেন, আমেঠীতে হার অপেক্ষা করছে রাহুল গান্ধীর জন্য, তাই তিনি কেরালা থেকে নিরাপদ আসনে লড়তে চলেছেন।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয়দের বাঁদরের সঙ্গে তুলনা করলেন রাহুলের গুরু পিত্রোদা

বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, এবার অমেঠীতে রাহুলের জেতার সম্ভাবনা একদমই নেই। তাই চক্ষুলজ্জার কারণে একটি নিশ্চিত আসন থেকে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন রাহুল। উল্লেখ্য, কেরালার ওয়াইনড লোকসভা কেন্দ্রটি বহুদিন ধরেই কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি। সেক্ষেত্রে অমেঠীতে হেরে গেলেও এই আসনে জিতে রাহুল গান্ধী নিজের সম্মান কিছুটা বজায় রাখতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে তৃণমূল সভাপতির বাড়ি থেকে উদ্ধার অস্ত্র ও কোটি কোটি টাকা

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বারাসাত কেন্দ্রের বিজেপি ভোট প্রার্থী নিজেই কোনদিন ভোট দেননি ভারতে https://thenewsbangla.com/lok-sabha-elections-bjps-barasat-candidate-would-cast-vote-for-first-time/ Sun, 07 Apr 2019 19:06:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=10264 মৃণাল কান্তি দেবনাথ। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বারাসাত কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী। এতে কোনও চমক নেই। কোনও দল যাকে মনোনয়ন দেবে তিনি নির্বাচনে সেই দলের হয়ে লড়তেই পারেন।

আরও পড়ুনঃ সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে ভোট বন্ধ করে দেবার হুমকি লকেটের

কিন্তু চমক এখানে যে মৃণালবাবু ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রে এবারই প্রথম ভোট দেবেন! শুনলে আশ্চর্য লাগলেও এটাই সত্যি যে একটি রাজনৈতিক দলের একজন প্রার্থী প্রথমবার প্রার্থী হয়ে তারপর তাঁর ভোটাধিকার প্রথমবার প্রয়োগ করবেন।

আরও পড়ুনঃ কংগ্রেস নির্বাচনী ইস্তাহারকে প্রো জিহাদ ও অ্যান্টি ইন্ডিয়া বলে আক্রমণ কোয়েনা মিত্রের

কেন এমন জানতে চাইলে তিনি বলেন যে আজ থেকে ৫০ বছর আগে তিনি ও তাঁর বাবা যখন বুথে গিয়ে ভোট দিতে গিয়েছিলেন তখন কিছু দুষ্কৃতি তাঁদের বুথ থেকে বল প্রয়োগ করে বার করে দিয়েছিল ভোট না দিতে দিয়েই।

আরও পড়ুনঃ ভারতীয়দের বাঁদরের সঙ্গে তুলনা করলেন রাহুলের গুরু পিত্রোদা

তখন ১৯৬৮ সাল। যুক্তফ্রন্টের আমল। তারপর থেকেই নাকি সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে আর কোনোদিন বুথমুখো হননি,কিন্তু আবার কি কারণে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা ফিরল এই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে সাধারন জনগনের মনে।

আরও পড়ুনঃ লাইভ ডিবেটে অসহিষ্ণুতা, সঞ্চালক ও বিজেপি নেতার দিকে গ্লাস ছূঁড়লেন কংগ্রেস নেতা

মৃণাল বাবুর কথায়, গণতন্ত্রের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে ভোটে মন না দিয়ে তিনি তাঁর পেশায় মন দেন। ১৯৭৪ সালে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাস করার পর কয়েক বছর দেঘরিয়ায় একটি ঘর ভাড়া করে প্র‌্যাকটিস শুরু করেন তিনি। এরপর ১৯৮১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি দেন।

আরও পড়ুনঃ বিরিয়ানি নিয়ে হাতাহাতি কংগ্রেস সমর্থকদের মধ্যে, ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

প্রথমে দক্ষিণ আমেরিকা। তারপর লন্ডন। সেখান থেকে সাইকিয়াট্রিক মেডিসিন নিয়ে পড়তে ভিয়েনা যান। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের একটি দ্বীপে সরকারের তরফে স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিচালনার দায়িত্ব পান। তবে ২৭ বছর পরে বছর দশেক আগে দেশে ফিরে আসেন তিনি। দুই সন্তান তাঁদের পরিবার নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত।

আরও পড়ুনঃ হিন্দুধর্ম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে থানায় অভিযোগ দায়ের উর্মিলার বিরুদ্ধে

বর্তমানে হাবরা ও চিনার পার্কে তাঁর দুটি বাড়ি আছে। স্ত্রীর সঙ্গে দেশে ফিরে এসেছিলেন অবসর জীবন কাটাতে। অর্থাৎ, সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি বিতৃষ্ণায় তিনি ১৯৬৮ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত ভোট দেন নি, তারপর ২৭ বছর প্রবাসে ছিলেন, সুতরাং ভোট দেওয়ার কোনও সুযোগ ঘটে নি।

আরও পড়ুনঃ ফাঁকা জনসভার ছবি তুলতে গিয়ে কংগ্রেস সমর্থকদের হাতে প্রহৃত চিত্র সাংবাদিক

তারপর ২০০৮ সালে তো তিনি ফিরে এলেন দেশে। তাও ভোট দেননি কেন? তারও উত্তর মৃণালবাবুর তৈরি। ২০০৮-এ দেশে ফেরার পরে তিনি রাজারহাট এলাকায় ভোটার তালিকায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করেন। কিন্তু তারপরেই তিনি তাঁর বন্ধুদের অনুরোধে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ডাক্তারি করতে চলে যান।

আরও পড়ুনঃ একই মঞ্চে শোভন, বৈশাখী ও সব্যসাচীর উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা

পাকাপাকিভাবে পশ্চিমবঙ্গে ফেরেন ২০১৩ সালে। তাই ওই সময়ের মধ্যে তাঁর আর ভোট দেওয়া হয়নি। কিন্তু ২০১৬ সালের বিধানসভায় ভোট দিলেন না কেন? তখনও কি সেই বিতৃষ্ণা? নাকি তখন আর ভোটার তালিকায় নাম ছিল না?

আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে তৃণমূল সভাপতির বাড়ি থেকে উদ্ধার অস্ত্র ও কোটি কোটি টাকা

বামেদের কটাক্ষ,গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না নিশ্চয়ই। তৃণমূলের কটাক্ষ, এত বছরে তিনি অনেকবার ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু দেননি। অর্থাৎ গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর অশ্রদ্ধা রয়েছে। এ ধরনের মানুষ কীভাবে ভোটে দাঁড়ান ! জনগনের প্রশ্ন, নতুন ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে এবার কি প্রথমবার ভোট দেবেন, মৃণালবাবু?

আরও পড়ুনঃ তিন লাখ কোটি টাকায় বিবাহবিচ্ছেদ

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বারাণসী থেকে লড়বেন মোদী, গান্ধীনগরে আডবানির পরিবর্তে অমিত শাহ https://thenewsbangla.com/modi-to-contest-from-varanasi-amit-shah-from-gandhinagar-in-lok-sabha-elections/ Thu, 21 Mar 2019 17:20:17 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8957 দেশ জুড়ে ১৮২ জন প্রার্থীর নাম প্রকাশ করল বিজেপি। বৃহস্পতিবার দলিয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকের পর, লোকসভা ভোটে প্রথম কয়েক দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। যার মধ্যে নাম ঘোষণা করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ২৮ জন প্রার্থীর।

প্রথম কয়েক দফার জন্য কংগ্রেস প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে ছিল। সেখানে একাধিক লম্বা বৈঠকের পরও প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিজেপি। এবার সেই সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রথম দফার প্রার্থী ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি। বৃহস্পতিবার রাতে সাংবাদিক বৈঠক করে লোকসভা ২০১৯-এর জন্য প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন বিজেপি-র নির্বাচক কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী জে পি নাড্ডা।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, বাংলায় বিজেপি প্রার্থীদের নাম

আগামী লোকসভা ভোটে সারা দেশের ১৮২টি কেন্দ্রে প্রার্থীদের নামের তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। এই মাসের ১৬, ১৯ এবং ২০ তারিখে বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকের পর এই প্রার্থীদের নামের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবারের সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছে বিজেপি।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা

দলিয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকগুলিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। ছিলেন নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, অরুণ জেটলি, রাজনাথ সিংহ সহ অন্যরা। সবার উপস্থিতিতেই দেশ জুড়ে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হল। জানানো হয়েছে উত্তরপ্রদেশের বারাণসী কেন্দ্র থেকে লড়বেন নরেন্দ্র মোদী, লখনউ আসনে রাজনাথ সিংহ, গুজরাতের গাঁধীনগরে অমিত শাহ এবং নাগপুরে বিজেপির হয়ে ভোটে লড়বেন নিতিন গডকরি।

আরও পড়ুনঃ বাম কংগ্রেস বিজেপির আপত্তি নেই, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেন মাথাব্যথা শুধু তৃণমূলের

আগাম ঘোষণা মতই বারাণসী থেকে প্রার্থী হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বর্তমানে রাজ্যসভার সাংসদ থাকলেও, এবার গুজরাটের গান্ধীনগর থেকে লালকৃষ্ণ আডবানির পরিবর্তে ভোটে লড়বেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। এছাড়াও হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে লখনউ থেকে রাজনাথ সিং এবং নাগপুর থেকে নীতিন গডকরি এবং অমেঠি থেকে স্মৃতি ইরানি প্রার্থী হচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

এছাড়াও মথুরা থেকে হেমা মালিনী, গাজিয়াবাদ থেকে জেনারেল ভি কে সিং, মুম্বই নর্থ-সেন্ট্রাল থেকে পুনম মহাজন, জয়পুর গ্রামীণ থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজ্যবর্ধন সিং রাঠৌর-এর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

অন্য সময় সবার আগে প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও এবার অনেকটাই পিছিয়ে কেন্দ্রীয় শাসকদল। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনার শেষ নেই। বিভিন্ন মাধ্যম সূত্রে খবর, দলের অভ্যন্তরীণ কৌশলগত কারণেই দেরি। পাশাপাশি দোলপূর্ণিমার আগের সময়টা শুভ নয়, তাই নাম ঘোষণায় সময় নেওয়া হয়েছে বলেও জানান হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ বাবুলকে হারাতে ১ কোটি টাকার কাজের টোপ, বিতর্কিত ঘোষণা মেয়রের

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
বাম কং জোট ভাঙার পথে, বাংলায় সব আসনেই প্রার্থী চায় কংগ্রেস https://thenewsbangla.com/left-congress-alliance-is-not-happening-in-bengal-congress-wants-to-contest-all-seats/ Sun, 17 Mar 2019 13:32:12 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8641 ভাঙার পথেই বাংলায় বাম-কংগ্রেস জোট। বাংলায় সিপিএম-কংগ্রেস জোট বিশ বাঁও জলে। বাংলায় সব আসনেই প্রার্থী চায় কংগ্রেস। এবার দীপা দাশমুন্সি, শঙ্কর মালাকারের সঙ্গে জোট বাতিলের পক্ষে কথা বললেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রও। প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে বৈঠকের পর সোমেন মিত্র বললেন, “মনে হচ্ছে ৪২ টি আসনেই আমাদের প্রার্থী দিতে হবে”। তবে প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা সবটাই ছেড়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর উপর।

আরও পড়ুনঃ মোদীর সঙ্গে সবাই চৌকিদার, অদ্ভুত প্রচার বিজেপির

শুক্রবারই একতরফা ২৫টি আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দেয় বামফ্রন্ট। বামেদের তরফ থেকে বলে হয়, যে সমস্ত আসনে কোন সমস্যা নেই সেই সব আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হল। ১৭টি আসন ছেড়ে বাকি সব আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় বামেরা। রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসনে আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিল আলিমুদ্দিন। আজ রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ সহ মোট ২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বামেরা। বাকি ১৭ টির মধ্যেও আরও কয়েকটি আসনে বামেরা প্রার্থী দেবে ঘোষণা করায় বাংলায় বাম-কং জোট বিশ বাঁও জলে।

আরও পড়ুনঃ ২০২৫ সালের পর ভারতের অংশ হবে পাকিস্তান, ঘোষণা আরএসএস নেতার

জোট জট না কাটিয়ে বামেরা প্রার্থী ঘোষনা করায় ক্ষুব্ধ হয় প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। কার্যত তখনই শুরু হয় জোটে জট। তবে এখনও জোট ভাঙার দায় নিতে চাইছে না বাম কংগ্রেসের কেউই। তবে রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদের মত এই জোটের ফয়সালাও হবে সেই দিল্লিতেই। কংগ্রেস জোটের সিদ্ধান্ত ছেড়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতাদের হাতেই।

আরও পড়ুনঃ বিরোধী মহিলা প্রার্থীদের ‘মাল’ সম্বোধন করে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ ফিরহাদের

রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসনের ক্ষেত্রেও এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সীতারাম ইয়েচুরির বৈঠকে শেষ পর্যন্ত জট খোলে। ফের সেই সীতারাম ও রাহুলের হাতেই রাজ্যে আসন সমঝোতার জট খোলার দায়িত্ব পড়ল। সিপিএম কংগ্রেসকে ১১ থেকে ১৩টি আসন ছাড়তে চায়। কিন্তু প্রদেশ কংগ্রেস অন্তত ১৭টি আসন চায়। যার মধ্যে পুরুলিয়াও রয়েছে। কিন্তু ইতিমধ্যেই পুরুলিয়া আসনে ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছেন বিমান বসু।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী নিয়ে অশ্লীল ও বিতর্কিত মন্তব্য ক্ষিতির

জোট সঙ্গী কংগ্রেসকে চাপে ফেলে ২৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দেয় সিপিএম। তবে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের সঙ্গে আলোচনা করে নেন বিমান বসু। শুধু তাই নয়, বাকি ১৭ আসনের মধ্যেও বামেরা কয়েকটায় প্রার্থী দেবে বলেই জানিয়ে দেন বিমান বসু।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

বসিরহাট ও পুরুলিয়া আসন দুটি নিয়ে শরিকি টানাপোড়েনে আটকে গিয়েছিল বামেদের প্রার্থী ঘোষণা। বসিরহাট ও পুরুলিয়া দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েই ২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় বামফ্রন্ট। এদিকে কংগ্রেসকে ১৭টার বদলে ১১টা থেকে ১২টা আসন দিতে চাইছে সিপিআইএম। ফলে জট খুলতে ফের হাইকমান্ডের হস্তক্ষেপ চায় প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ইন্দ্রপতন, চলে গেলেন পদ্মশ্রী নৃত্যশিল্পী

এই টানাপোড়েনে শনিবার ও রবিবার দিনভর বৈঠক করেও সোমেন মিত্র, প্রদীপ ভট্টাচার্য, রবিন দেব-রা জট খুলতে পারেননি। যদিও তৃণমূল-বিজেপিকে ঠেকাতে সমস্ত ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির একজোট হওয়া প্রয়োজন বলে রবিবারও মন্তব্য করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। কিন্তু সঙ্গে এও জানিয়ে দেন, “মনে হচ্ছে ৪২ টি আসনেই আমাদের প্রার্থী দিতে হবে”।

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভবিষ্যতের ভূত মুখ পোড়াল রাজ্য সরকারের

প্রথমে বাম-কংগ্রেস সমঝোতা নিয়ে জট পেকেছিল রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসন নিয়ে। কিন্তু রাহুল গান্ধী আর সীতারাম ইয়েচুরি বসে তা মিটিয়ে নেন। কিন্তু তারপরও জট রয়ে যায়। কংগ্রেস দাবি করে পুরুলিয়া ও বসিরহাট আসন তাদের ছাড়তে হবে। কিন্তু এখানে সিপিএমের হাত বাঁধা। কারণ ওই দুটি আসন বাম শরিকদের। এই দুটি আসনেও একতরফা প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় বামেরা।

আরও পড়ুনঃ তারকা যুদ্ধে বিজেপির বাজি শ্রাবন্তী, অগ্নিমিত্রা, চলছে জোর জল্পনা

এই পরিস্থিতিতে একাধিকবার কংগ্রেসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সিপিএম নেতারা। কিন্তু জট কাটেনি। শরিকদের চাপে, ফ্রন্টা ঐক্যের বাধ্যবাধকতা থেকেই কার্যত শুক্রবার আংশিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে আলিমুদ্দিন। ২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়ে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু প্রেস বিবৃতিতে বলেন, “বাকি আসনগুলির কয়েকটিতে বাম এবং কয়েকটিতে কংগ্রেস লড়বে”। পুরুলিয়া এবং বসিরহাট নিয়ে বলা হয়, কংগ্রেস যদি জিতবে মনে করে তাহলে তারা সেখানে প্রার্থী দিতে পারে।

আরও পড়ুনঃ মমতার প্রার্থী তালিকা নিয়ে গোপনে ক্ষোভ বাড়ছে জেলায় জেলায়

বিধান ভবনে বারবার বৈঠক করেও কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেননি প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা। বামেদের অনড় মনোভাবের কথা জানিয়ে হাইকমান্ডের হাতে জোটের ভাগ্য ছেড়ে দিয়েছে কংগ্রেস। অন্যদিকে বামফ্রন্টও আরও প্রার্থীর নাম ঘোষনা করে চাপে রাখতে চাইছে কংগ্রেসকে। দার্জিলিং পুরুলিয়া ও বসিরহাট নিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের বামেদের প্রস্তাবও ফিরিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। সবমিলিয়ে বাংলায় বাম-কংগ্রেস জোট হবার সম্ভাবনা ধীরে ধীরে কমছে।

আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
জঙ্গিপুরে প্রার্থী আজাদি গ্যাংয়ের নেতা উমর খলিদের বাবা https://thenewsbangla.com/umar-khalids-father-syed-qasim-rasool-ilyas-is-a-candidate-in-bengal/ Sat, 16 Mar 2019 10:27:47 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8603 আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন উমর খলিদের বাবা ইলিয়াস। এমনটাই জানা যাচ্ছে। জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশ্যে ভারত বিরোধী মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন জেএনইউয়ের এই বামপন্থী ছাত্রনেতা। সেই উমর খলিদের বাবা সইদ কোয়াসিম রসুল ইলিয়াস এবার বাংলা থেকে প্রার্থী।

মুর্শিদাবাদে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জঙ্গিপুর কেন্দ্রে ইলিয়াস লড়ছেন ডব্লুপিআই বা ওয়েলফেয়ার পার্টি অফ ইন্ডিয়ার টিকিটে। বিগত লোকসভা নির্বাচনে এই আসনে জয় লাভ করেছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির পুত্র অভিজিৎ মুখার্জি। এবারেও তিনিই কংগ্রেস প্রার্থী।

আরও পড়ুনঃ বাড়ি ভাংচুর, থানায় এফআইআর, বিজেপির অর্জুনকে শিক্ষা দিতে উদ্যোগী তৃণমূল

পশ্চিমবঙ্গের আসনে ভোটে লড়ার ব্যাপারে ইলিয়াস বলেন, মুর্শিদাবাদের জনসাধারণের জীবনযাত্রার মান দিনে দিনে নিম্নমুখী হচ্ছে। তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদ জেলা আম ও পাটের চাষের অনুকূল হলেও তাকে কেন্দ্র করে বিশেষ শিল্প বা কর্মসংস্থান সেভাবে গড়ে ওঠেনি।

এই জেলার অন্তত ৭ থেকে ৮ লক্ষ লোক কাজের তাগিদে কলকাতার ওপর নির্ভরশীল বলে তিনি মন্তব্য করেন৷ মূলত এই ইস্যুকেই তিনি ভোটের হাতিয়ার করে এগোচ্ছেন।

আরও পড়ুনঃ মমতারই পুরোনো অস্ত্রে তাকে ভোটযুদ্ধে চরম সমস্যায় ফেললেন মুকুল

ডব্লুপিআই বা ওয়েলফেয়ার পার্টি অফ ইন্ডিয়ার সমর্থন মূলত সংখ্যালঘু ও দলিত গোষ্ঠীভুক্ত জনসাধারণের মধ্যে। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গিপুর আসনটি কংগ্রেসের জন্য ছেড়েছে বামফ্রন্ট। ডব্লুপিআই এখানে মুসলিম ভোটে ভাগ বসিয়েই এগোতে চাইছে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ছাত্রাবস্থায় তিনি নিষিদ্ধ সন্ত্রাসবাদী সংগঠন সিমির সদস্য ছিলেন, কিন্তু সিমিকে নিষিদ্ধ ঘোষণার আগেই তিনি এই সংগঠন ত্যাগ করেন।

আরও পড়ুনঃ মিমি নুসরত এর চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ

সংবাদমাধ্যমকে নিশানা করে তিনি বলেন, তার অতীত ইতিহাসের জন্য তার পুত্রকে বিভিন্ন সংবাদবাধ্যম হেনস্থা করছে, বামপন্থী সংগঠনের সাথে যুক্ত হওয়া সত্ত্বেও তার পুত্র উমর খলিদকে দেশদ্রোহী তকমা দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন৷ মুসলিম হওয়ার কারণেও উমর খলিদকে টার্গেট করা হচ্ছে বলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন৷

তবে এই নিয়ে সমালোচনার ঝড় তুলেছে বিজেপি। ‘টুকরে গ্যাং’ এর কাউকেই ভোটে দাঁড়াতে দেওয়া উচিত নয় বলেই দাবি তাদের। তবে যে কেউ যেখানে খুশি দাঁড়াতে পারেন বলেই জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুনঃ ৪২টি কেন্দ্রে জেতানোর প্রার্থী নেই, অন্য দল থেকে আসা নেতার ভরসায় দিলীপ
আরও পড়ুনঃ পশ্চিমবঙ্গে নজিরবিহীন ৭ দফা ভোটে সুবিধা বিজেপির
আরও পড়ুনঃ বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
কোনো রাজ্যেই জোট নয় কংগ্রেসকে ধাক্কা দিয়ে ঘোষণা নেত্রীর https://thenewsbangla.com/narendra-modis-bjp-wont-form-alliance-with-the-congress/ Wed, 13 Mar 2019 06:56:35 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8260 কোনো রাজ্যেই কংগ্রেসের সঙ্গে জোটবদ্ধ না হওয়ার ঘোষণা করে দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিবিদ ও দলিত নেত্রী মায়াবতী। মায়াবতী তার রাজনৈতিক দল বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পরই বিএসপির তরফে এই ঘোষণা করে দেওয়া হয়। ফলে জোর ধাক্কা খেল বিজেপি বিরোধী মহাজোট।

আরও পড়ুনঃ মুনমুন সেনকে দাঁড় করিয়ে আসানসোলে কি বাবুল সুপ্রিয়কে ওয়াকওভার দিলেন মমতা

বিএসপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে স্থির হয়েছে যে বিএসপি ভারতের কোন রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে নির্বাচনী বোঝাপড়ায় যাবে না। বৈঠকে মায়াবতী জানিয়েছেন, বিএসপি ও সমাজবাদী পার্টির জোটটি সৎ উদ্দেশ্যে এবং পারস্পরিক সম্মানের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ মিছিল মিটিং করতে মমতার পুলিশ প্রশাসন আর আটকাতে পারবে না বিজেপিকে

তিনি আরও জানান , এটিই উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে প্রথম এবং পরিপূর্ণ জোট। যারা কিনা সামাজিক পরিবর্তনের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম ও বিজেপিকে পরাজিত করার ক্ষমতা রাখে।

বিএসপি এর তরফে দাবি করা হয়, অনেক রাজনৈতিক দলই বিএসপির সঙ্গে হাত মেলাতে আগ্রহী। কিন্তু সংকীর্ণ নির্বাচনী সফলতা পেতে মায়াবতী এমন কিছু করবেন না, যা দলের স্বার্থবিরোধী।

আরও পড়ুনঃ প্রচুর চমক, রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২জন প্রার্থী কে কে

আগামী এপ্রিলে হতে চলা লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বিজেপিকে পরাজিত করতে নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে বাদ দিয়ে জোটবদ্ধ হয়েছে বিএসপি ও সমাজবাদী পার্টি। মায়াবতীর ভেটোর মাধ্যমে এটি নিশ্চিত হলো যে বিএসপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ বিজেপির লোকসভা প্রার্থী হচ্ছেন কিনা জানাবেন বৈশাখী শোভন

মায়াবতী জানান, কংগ্রেসের সঙ্গে জোটবদ্ধ না হওয়ার কারণ হলো, আগে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে দেখা গেছে, কংগ্রেস তাদের ভোট বিএসপির পক্ষে প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে। গত জানুয়ারিতেই সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দেন মায়াবতী। তিনি বলেন, ‘কংগ্রেসের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার কোনো সুবিধা আমরা দেখছি না’।

আরও পড়ুনঃ সমস্ত তর্জন গর্জন সার, তৃণমূলের বাতিল সাংসদকে দলে নিয়ে মুখ রক্ষা মুকুলের

২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছিল সমাজবাদী পার্টি। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব। যদিও এই নির্বাচনে জোটের ভরাডুবি হয়। আর তাই কংগ্রেসের বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব আছেন অখিলেশ।

আরও পড়ুনঃ লাস্যময়ী নুসরত ও সুন্দরী মিমিই এবার মমতার চমক

দুই দলের নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে উভয় দলই ৩৮টি করে আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বাকি দুটি আসন তারা কংগ্রেসের জন্য ছেড়ে দেবেন। এ দুটি আসন হলো কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি আমেথি ও রায়বেরেলি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের এই দুটি আসনেই জয়লাভ করেছিল কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

গত বছর ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও রাজস্থানের বিধানসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটবদ্ধ হতে আলোচনায় বসেছিলেন মায়াবতী। আলোচনায় ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই কংগ্রেসের প্রতি বেজার তিনি।

এই ঘোষণার পর উত্তরপ্রদেশের পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও রাজস্থানেও কোন মহাজোট হচ্ছে না বলেই মনে করা হচ্ছে। আর এর ফলে বিজেপি বিরোধী মহাজোট জোর ধাক্কা খেল বলেই মনে করা হচ্ছে।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
লোকসভা ভোটে বিজেপির একমাত্র ভরসা সেই নরেন্দ্র মোদীই https://thenewsbangla.com/narendra-modi-is-the-only-hope-for-bjp-in-lok-sabha-election-2019/ Mon, 11 Mar 2019 07:21:02 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=8075 ফের মোদী ঝড়ের অপেক্ষায় বিজেপি। নরেন্দ্র মোদী ছাড়া আর কোন নেতাই মানুষকে আকর্ষণ করতে পারছেন না। সবাই চায় মোদীর প্রচার। দেশের ৫৪২ টি আসনের বিজেপি বা বিজেপি সমর্থিত বা বিজেপি জোটের প্রার্থীই চান মোদী আসুন তাঁর কেন্দ্রে প্রচারে।

২০১৪ সালে ভারতের জাতীয় নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) অন্যতম ট্রাম্পকার্ড ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আসন্ন নির্বাচনী প্রচারে ধারাবাহিকভাবে তাঁর নেতৃত্বকে নতুন করে মানুষের সামনে তুলে ধরার যথেষ্ট ভালো কারণও রয়েছে। কারন মোদী ছাড়া সেই স্ট্যান্ডার্ড এর নেতাই নেই।

বাংলার কোন লোকসভা আসনে কবে ভোট দেখে নিন

সেন্ট্রার ফর দ্য স্টাডি অব ডেভেলপিং সোসাইটিজের (সিএসডিএস) লোকনীতি গবেষণা কর্মসূচির বিগত নির্বাচনের তথ্য বিশ্লেষণ সে আভাসই দিচ্ছে। কিন্তু আগামী এপ্রিল- মে মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনেও মোদী বিজেপির কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নিয়ে ঐকমত্যের ঘাটতি বিরোধী দলগুলোকে পেছনে ফেলে দেবে সে আলোচনাও বর্তমানে চলছে। কিন্তু সমীক্ষা সব চুপ করিয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সমস্ত তর্জন গর্জন সার, তৃণমূলের বাতিল সাংসদকে দলে নিয়ে মুখ রক্ষা মুকুলের

লোকনীতি-সিএসডিএস সমীক্ষায় উত্তরদাতাদের কাছে তাদের পছন্দের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীর নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। এ হিসেবে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় মোদীর জনপ্রিয়তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে দেখা গেছে। সমীক্ষা অনুসারে, ২০১৪ সালে ৩৬ শতাংশ উত্তরদাতা এবং ২০১৮ সালের মাঝামাঝি ৩৪ শতাংশ উত্তরদাতা মোদীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যোগ্য মনে করেছে।

আরও পড়ুনঃ মুনমুন সেনকে দাঁড় করিয়ে আসানসোলে কি বাবুল সুপ্রিয়কে ওয়াকওভার দিলেন মমতা

উত্তরপ্রদেশে বিজেপির তুমুল বিজয়ের পর ২০১৭ সালে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ওঠে। তবে এরপর থেকেই তাঁর জনপ্রিয়তায় পতনও দেখা যায়। তা সত্ত্বেও ভারতের অন্যান্য রাজনীতিবিদের তুলনায় অনেক বেশি সমর্থন রয়েছে মোদীর। বলা যায়, প্রায় ২০১৪ সালের সমানই জনপ্রিয়তা রয়েছে তাঁর।

২০১৮ সালের মে মাসে সর্বশেষ সমীক্ষার পর জনপ্রিয়তার রেটিং অসংখ্যবার পরিবর্তন হয়েছে। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকে বিজেপি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ সপ্তদশ লোকসভা ভোট ৭ দফায়, দেখে নিন কবে কোথায় কত আসনে ভোট

একই সঙ্গে কৃষক কল্যাণ ও বেকারত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে জোর সমালোচনার মুখে পড়েছে। পরবর্তীতে কৃষকদের জন্য নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির মতো কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে হারানো সমর্থন কিছুটা ফিরে পেয়েছেন মোদী।

কিন্তু গত সপ্তাহে ভারতীয় বিমান বাহিনীর পাকিস্তানের অভ্যন্তরে বিমান হামলা নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তাকে আরো বাড়িয়ে তুলবে বলেই ধারণা করছে রাজনৈতিক মহল। অন্তত ভারতের নেতৃত্বের জায়গায় তার অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে এই বিমান হামলা।

আরও পড়ুনঃ লাস্যময়ী নুসরত ও সুন্দরী মিমিই এবার মমতার চমক

ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে এর আগেও প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে লড়াইয়ে রাজনৈতিক নেতাদের জনপ্রিয়তায় আকস্মিক পরিবর্তন দেখা গেছে। ১৯৯৯ সালের লোকসভা নির্বাচন কার্গিল যুদ্ধের পরপরই অনুষ্ঠিত হয়।

কার্গিল যুদ্ধের সুবাদে অটল বিহারি বাজপেয়ির জনপ্রিয়তায় উল্লেখযোগ্য ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। ১৯৯৮-৯৯ সালের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি দেখা যায়। পাকিস্তানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত কার্গিলের মতো বড় না হলেও, পাকিস্তানের অভ্যন্তরে বিমান হামলা অবশ্যই ভোটারদের মতামতে প্রভাব ফেলবে বলেই জানাচ্ছেন ভোট বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুনঃ প্রচুর চমক, রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪২জন প্রার্থী কে কে

গত কয়েক বছরে বিরোধী দল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধীর জনপ্রিয়তাও ধারাবাহিক বৃদ্ধি পেয়েছে। গত পাঁচ বছরে রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান, এমন উত্তরদাতাদের হার ১০ শতাংশ বেড়ে ২৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এর অন্যতম কারণ নেতৃত্ব নিয়ে কংগ্রেস সমর্থকরা স্পষ্ট অবস্থানে রয়েছে। আবার সমীক্ষায় এ প্রশ্নের উত্তর দেননি, এমন অংশগ্রহণকারীদের হার ২০১৪ সালের ২৯ শতাংশ থেকে সর্বশেষ সমীক্ষায় ১৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুনঃ পুলিশে ভরসা নেই, একমাস আগেই বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী

এদিকে ২০১৪ সালের তুলনায় রাহুল গান্ধীর গ্রহণযোগ্যতা বাড়লেও কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলোর মধ্যে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী করার ক্ষেত্রে অনাগ্রহ দেখা গেছে। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি অভিন্ন প্রচার নিয়ে বৈঠক করলেও অভ্যন্তরীণ কোন্দল এড়াতে বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থী নির্ধারণের আলোচনা এড়িয়ে চলছে।

আরও পড়ুনঃ লোকসভা ভোটের আগে পাকিস্তানে ফের একটা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হবে

কোন রাজ্যেই এখনও মহাজোট পরিষ্কার নয়। অনেকেই মহাজোট ছেড়ে বেরিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়ছে। বাংলাতেই তৃনমুল এর বিরুদ্ধে জোট করেছে সিপিএম ও কংগ্রেস। দিল্লি বা উত্তরপ্রদেশ সহ বাকি রাজ্যগুলোতেও মহাজোট হয় নি।

প্রার্থী নিয়ে বিরোধী দলগুলোর এ অনিশ্চয়তা আসন্ন নির্বাচনে বিজেপিকে সুবিধা করে দিতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। আর সেখানে মোদীর প্রচার পরিক্রমাতেই ভরসা বিজেপির। ফের সেই মোদী ঝড়ের অপেক্ষায় গেরুয়া শিবির।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>