News – The News বাংলা https://thenewsbangla.com Bengali News Portal Thu, 24 Jan 2019 16:42:15 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.7.2 https://thenewsbangla.com/wp-content/uploads/2018/09/cropped-cdacf4af-1517-4a2e-9115-8796fbc7217f-32x32.jpeg News – The News বাংলা https://thenewsbangla.com 32 32 পিটিটিআই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের https://thenewsbangla.com/ptti-students-won-in-supreme-court-against-mamata-banerjee-government/ Thu, 24 Jan 2019 16:36:13 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=5982 ফের আরও একবার সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের। শীর্ষ আদালতের রায়ে ১৩ বছরের পিটিটিআই সমস্যার জট কাটল। ৮০০ জনকে আবেদনকারীকে দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে। মামলাকারীদের ১২ সপ্তাহের মধ্যে চাকরিতে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি দীপক গুপ্ত ও বিচারপতি সঞ্জয় কলের ডিভিশন বেঞ্চ।

আরও পড়ুনঃ নেতাদের পর সিনেমার প্রয়োজক, চিটফান্ড দুর্নীতিতে গ্রেফতার শ্রীকান্ত মোহতা

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মামলায়, বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে জয় পেলেন পিটিটিআই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের একাংশ। তাদের ৩ মাসের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগপত্র দেওয়ার নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। প্রয়োজনে শূন্যপদ তৈরি করে চাকরি দিতে হবে বলে জানিয়েছে বিচারপতি সঞ্জয় কাউল এবং বিচারপতি দীপক গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ।

আরও পড়ুনঃ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী মা দুর্গার সাক্ষাৎ অবতার, পোস্টার কংগ্রেসের

তবে, কেবলমাত্র ৩১ ডিসেম্বর, ২০১০-এর মধ্যে যেসব পিটিটিআই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা হাইকোর্ট অথবা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, কেবল তাঁরাই চাকরি পাবেন বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বৃহস্পতিবারের নির্দেশে।

আরও পড়ুনঃ ভরা ক্লাসে উষ্ণ চুম্বন, ছাত্র ছাত্রীদের কীর্তি দেখে সবাই তাজ্জব

পিটিটিআই পাশ করা সকলকে নিয়োগ, অন্যান্য রাজ্যের মতো প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক পাশ শিক্ষকদের সমতুল বেতন চালু করা এবং অন্যান্য দাবিতে আন্দোলন করছে ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রাইমারি ট্রেন্ড টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউবিপিটিটিএ)। এইদিকে বৃহস্পতিবার পিটিটিআই মামলায় বিচারপতি দীপক গুপ্ত ও বিচারপতি সঞ্জয় কলের ডিভিশন বেঞ্চ যুগান্তকারী রায় দিয়ে সব পিটিটিআই পাশ ছাত্রের পাশে দাঁড়াল বলাই যায়।

আরও পড়ুনঃ মোদীর বিরুদ্ধে ইন্দিরা তাস খেলতে রাহুলের কংগ্রেসে প্রিয়াঙ্কা

সুপ্রিমকোর্ট ২০০৪-০৫- এর পিটিটিআই শংসাপত্রকে বৈধতা দিয়েছে। ২০০৪-০৫ পিটিটিআই পাশ করা প্রার্থীদের ২০০৬-এ প্রশিক্ষণের জন্য ডাকে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ। কিন্তু ২০০৯ এ নিয়োগের সময় পিটিটিআই শংসাপত্রকে মান্যতা দেয়নি জেলা কাউন্সিলগুলি। এরপরই মামলা দায়ের হয় আদালতে।

আরও পড়ুনঃ মোদীর মাস্টারস্ট্রোকে দেশ পেতে পারে প্রথম মহিলা বাঙালি সিবিআই প্রধান

পিটিটিআই পাশ ছাত্র ছাত্রীদের একের পর এক পিটিশন জমা পরে উচ্চ আদালতে। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলায় রাজ্যের পক্ষেই রায় দেয়। এরপর কলকাতা হাইকোর্ট থেকে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। শেষপর্যন্ত জয় পেলেন আবেদনকারী পিটিটিআই পাশ চাকরিপ্রার্থীরা। মুখ পুড়ল রাজ্যের।

আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে নেতাজি সুভাষের মৃত্যুদিন নিয়ে ছেলেখেলা রাহুলের কংগ্রেসের

প্রসঙ্গত, এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০০৬ সালে। এর ভিত্তিতে ২০০৯ সালে পরীক্ষা হয়। এ ক্ষেত্রে সরকার প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের প্রাপ্য ২২ নম্বর দিতে চায়নি। কারণ হিসাবে রাজ্য সরকার জানায়, কলকাতা হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী রাজ্যের পিটিটিআই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, ফলে এই নম্বর দেওয়া যাবে না।

আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেনকে এক্সপ্রেস ভাবলেন ষ্টেশন মাস্টার, তারপরেই হল বিপদ

সরকারের এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট এবং পরবর্তী সময়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা। এদিন সেই মামলারই রায় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। এই রায়ের পর ফের একবার সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের। এত চাকরি কোথা থেকে দেবে সরকার, সেটাই এখন প্রশ্ন।

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

আরও পড়ুনঃ

বাংলায় ক্ষোভ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়াচ্ছে মোদী সরকার

ব্রিগেড থেকে ফিরেই ভোলবদল, মমতা নয় রাহুলকেই প্রধানমন্ত্রী চাইলেন নেতারা

রাজ্যের হাতে টাকা নেই বাজারে ধার, তারপরেও বিধায়কদের ভাতা বাড়ছে

পাহাড়ে মোর্চা বিজেপির সঙ্গেই, গোপন আস্তানা থেকে বার্তা বিমল গুরুংয়ের

পৃথিবী জুড়ে কমছে শিশু, চরম সমস্যায় বিশ্ব সমাজ

আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে The News বাংলা পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।

]]>
নতুন বছরে পেট্রোল ডিজেলের দাম রেকর্ড কমতে চলেছে https://thenewsbangla.com/petrol-diesel-prices-may-fall-further-before-the-lok-sabha-election/ Sun, 30 Dec 2018 16:03:02 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4975 The News বাংলা, দিল্লি: ২২ পয়সা কমে রবিবার দিল্লিতে পেট্রোলের দাম দাঁড়িয়েছে ৬৯.০৪ টাকা। ডিজেলের দাম ২৩ পয়সা কমে দিল্লিতে দাম দাঁড়িয়েছে ৬৩.০৯ টাকা। লোকসভা ভোটের আগেই পেট্রোল ডিজেলের দাম আরও কমতে পারে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০১৮-২০১৯ আর্থিক বছরে এটাই তেলের সবচেয়ে কম দাম।

আরও পড়ুনঃ বছর শেষে আবার ইন্দ্রপতন, প্রয়াত চিত্র পরিচালক মৃনাল সেন

২০১৮-২০১৯ এ রবিবারই সবচেয়ে কম দাম পেট্রোল ডিজেলের। এবছরের মার্চ এপ্রিলের পর থেকে এখন তেলের দাম সবচেয়ে কম। কলকাতায় রবিবার পেট্রোলের দাম দাঁড়িয়েছে ৭১.১৫ টাকা। মুম্বাইয়ে ৭৪.৬৭ টাকা। চেন্নাইয়ে ৭১.৬২ টাকা। দিল্লিতে ২০১৮ তেই প্রথমবার ৭০ এর নিচে এল পেট্রোলের দাম। পেট্রোলের দাম নতুন বছরে আরও কমবে বলেই জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ অগাস্টা ওয়েস্টল্যান্ড হেলিকপ্টার দুর্নীতিতে নাম জড়াল সোনিয়ার সঙ্গে রাহুলেরও

ডিজেলের ক্ষেত্রে কলকাতায় দাম ৬৪.৮৪ টাকা। দিল্লিতে ৬৩.০৯ টাকা। মুম্বাইয়ে ৬৬.০১ টাকা ও চেন্নাইয়ে ৬৬.৫৯ টাকা। ডিজেলের দামও নতুন বছরে আরও কমবে বলেই জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ চিন সীমান্তে ভগবান হয়ে পর্যটকদের উদ্ধার ভারতীয় সেনার

নতুন বছরে পেট্রোল ডিজেলের দাম রেকর্ড কমতে চলেছে/The News বাংলা
নতুন বছরে পেট্রোল ডিজেলের দাম রেকর্ড কমতে চলেছে/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ ১৫ জনের মৃত্যুর বিনিময়ে বাংলাদেশ ভোট শেষ হয়ে চলছে গণনা

পেট্রোল ও ডিজেলের দাম নতুন বছরে বা লোকসভা ভোটের আগে আরও বেশ খানিকটা কমবে বলেই জানিয়েছে তেল কোম্পানীর আধিকারিকরা। সেটাই আরও আশার কথা সাধারণ মানুষের কাছে।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর হাতেই উদ্বোধন হচ্ছে ভারতের দীর্ঘতম দোতলা সেতু

বিগত দুই মাস ধরে কমেই চলেছে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম। আর সেই দামই এবার নতুন বছরে বেশ কিছুটা স্বস্তি দিতে চলেছে দেশবাসীকে। বিশেষজ্ঞদের মতে নতুন বছরে প্রথম দুমাসে প্রায় ৫-৬ টাকা পর্যন্ত কমতে পারে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম। এর ফলে এই রাজ্যে পেট্রোল ৬৪-৬৫ টাকা এবং ডিজেল ৫৯-৬০ টাকা হতে পারে।

আরও পড়ুন: লোকসভার আগেই রামমন্দির রায় দিতে সুপ্রিম কোর্টকে আর্জি মোদীর মন্ত্রীর

এই দাম কমার পেছনে বিশেষজ্ঞরা দুটো কারণ বলছেন। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচা তেলের দাম কমা এবং ডলারের তুলনায় টাকার দাম বৃদ্ধি হওয়া। আর এই ট্রেন্ড নতুন বছরেও একই ভাবে জারি থাকবে বলে দাবী বিশেষজ্ঞদের।

নতুন বছরে পেট্রোল ডিজেলের দাম রেকর্ড কমতে চলেছে/The News বাংলা
নতুন বছরে পেট্রোল ডিজেলের দাম রেকর্ড কমতে চলেছে/The News বাংলা

আরও পড়ুন: রবিবার বাংলাদেশ ভোটে ফের শেখ হাসিনা বনাম খালেদা জিয়া

অক্টোবর ১৮র পর থেকেই তেলের দাম কমেছে। শেষ আড়াই মাসে পেট্রোলের দাম কমেছে প্রায় ১৩.৭৯ টাকা ও ডিজেলের দাম কমেছে প্রায় ১২.০৬ টাকা। অক্টোবরেই দিল্লিতে পেট্রোলের দাম উঠেছিল রেকর্ড ৮৪ টাকা ও মুম্বাইয়ে দাম উঠেছিল ৯১.৩৪ টাকা। ডিজেলের দাম উঠেছিল দিল্লিতে ৭৫.৪৫ টাকা ও মুম্বাইয়ে ৮০.১০ টাকা।

আরও পড়ুনঃ লোকঠকানির লোন মাপ, রাহুলকে লজ্জায় ফেলে আত্মঘাতী কৃষক

আগস্ট ১৬ তারিখের পর থেকেই পেট্রোল ডিজেলের দাম বাড়তে থাকে। কংগ্রেস সহ বিরোধীরা অবশ্য এটাকে ভোটের চমক বলে অভিহিত করেছে। ভোটের আগে থেকেই বাড়িয়ে রাখা দাম এবার কমাচ্ছে মোদী সরকার, অভিযোগ কংগ্রেসের।

নতুন বছরে পেট্রোল ডিজেলের দাম রেকর্ড কমতে চলেছে/The News বাংলা
নতুন বছরে পেট্রোল ডিজেলের দাম রেকর্ড কমতে চলেছে/The News বাংলা

বিজেপির তরফ থেকে এখন থেকেই এই নিয়ে প্রচার শুরু হয়েছে। তাদের দাবি, তেলের দাম বাড়লে দেশের সমস্ত বিরোধী দল এবং মিডিয়ার এক অংশ মোদীকে দায়ী করত, তাই এখন দাম কমার কৃতিত্ব কেন মোদী পাবে না?

আরও পড়ুন: নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ‘আজাদ লড়াই’কে সম্মান নরেন্দ্র মোদীর

তবে তর্ক বিতর্ক যাই হোক, নতুন বছরে তেলের দাম আরও কমবে বলেই জানিয়েছে তেল বিশেষজ্ঞরা। আর এটাই নতুন বছরের সাধারণ মানুষের কাছে উপহার বলেই মনে করা হচ্ছে।

]]>
জেলেই সুমন চট্টোপাধ্যায়, সিবিআই নজরে বাংলার আরও তিন সাংবাদিক https://thenewsbangla.com/suman-chattopadhyay-is-in-jail-three-more-bengal-journalists-are-in-the-radar-of-cbi/ Fri, 28 Dec 2018 13:57:12 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4870 The News বাংলা, কলকাতাঃ জামিন না মেলায় নতুন বছরের শুরুটা জেলেই কাটাতে হবে বাংলার অন্যতম সেরা সাংবাদিক সুমন চট্টোপাধ্যায়কে। এদিকে চিটফান্ড কাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে, বাংলার আরও তিন সাংবাদিককে যে কোনদিন গ্রেফতার করতে পারে সিবিআই। সিবিআই সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ভূমিকম্পে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়বে সল্টলেক নিউটাউনের বাড়িঘর

এদিকে ফের জামিনের আর্জি খারিজ করে সিবিআই হেফাজত থেকে এবার জেল হেফাজতেই পাঠানো হল সাংবাদিক সুমন চট্টোপাধ্যায়কে। আগামী ৯ই জানুয়ারি পর্যন্ত সুমনবাবুকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে ভুবনেশ্বর আদালত। ওড়িশার খুরদা রোড জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাকে।

আরও পড়ুন: চোখ রাখুন বাংলায় কবে প্রকাশ পাবে নতুন ভোটার তালিকা

নতুন বছর জেলেই কাটবে বাংলার প্রখ্যাত এই সাংবাদিকের। জানা গেছে, চিটফান্ডের বেআইনি টাকায় কেনা সুমন চট্টোপাধ্যায় এর বিভিন্ন ব্যাংক এক্যাউনট ও তার প্রায় ১২টি বিলাসবহুল ফ্লাটের দিকেও নজর পরেছে সিবিআই-য়ের। সূত্রের খবর, বাংলার প্রায় ৫ জন সাংবাদিকের আয়-ব্যয় ও সম্পত্তি নিয়ে এখন খোঁজখবর করছে সিবিআই।

আরও পড়ুন: হাজার হাজার রুটি নষ্ট করে কৃষক আন্দোলনে ইতিহাস বাংলার বামেদের

গত বৃহস্পতিবার আইকোর মামলায় গ্রেফতার করা হয় সুমন চট্টোপাধ্যায়কে। মূলত চিটফান্ডের টাকা হাতানো, আয় সঙ্গতি, তথ্য গোপন সহ একাধিক মামলায় গ্রেফতার করা হয় সাংবাদিক সুমন চট্টোপাধ্যায়কে। জামিন বাতিল করে, প্রথমে তাকে সিবিআই হেফাজতে পাঠানো হয়। পরে সিবিআই হেফাজত শেষে জামিনের আবেদন খারিজ করে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় ভুবনেশ্বরের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

আরও পড়ুন: ভিড়ে ঠাসা কলকাতা মেট্রোতে আগুন ও ধোঁয়া, অসুস্থ বহু

এদিকে, যে কোনও মুহূর্তে একই পরিণতি হতে পারে বাংলার আরও তিন সাংবাদিকের। বিভিন্ন চিটফাণ্ড থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ আছে এদের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগের তথ্য-নথিও সিবিআই সংগ্রহ করেছে বলেই জানা গেছে। হাতে এসেছে কিছু ছবিও। ফলে, এই তিন সাংবাদিকের মাথার ওপর মহা-বিপদের কালো মেঘ ভালোভাবেই জমেছে।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: ৫৫ নম্বরের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে ৫৯ দিয়ে এসএসসি-র নতুন কীর্তি

এই তিনজনই সে আশঙ্কার কথা ভালো করেই জানেন। এদের একজন এখন মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন রাজ্যের বাইরের কোনও মিডিয়া হাউসে যোগ দেওয়ার। একাধিক হাউসে ইন্টারভিউও দিয়েছেন। একসময় বৃহত্তম সংবাদপত্র গোষ্ঠীতে থাকা সাংবাদিকটি এখন ছোট একটি মিডিয়াতে যুক্ত। বাকি দুজনের অবস্থাও একই। বিনিদ্র রজনী আর উচ্চ রক্তচাপকে সঙ্গী করে দিন পার করছেন।

আরও পড়ুন: EXCLUSIVE: ভোটের আগে বাংলার বিখ্যাত সাংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ‘সরকারি’ সন্ধি মমতার

সুমন চট্টোপাধ্যায় তিন দশকেরও বেশি সময় বাংলা ভাষায় সাংবাদিকতা করেছেন। গ্রেফতারের সময় তিনি একটি বাংলা দৈনিকের সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া, একদা টেলিভিশন সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। চিটফান্ড কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন সাংবাদিক এবং তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষও। তার বিরুদ্ধে এখনও মামলা চলছে।

আরও পড়ুন: বিশ্বজুড়ে ভূমিকম্পের বেশ কিছু অজানা কাহিনী

আইকোর, এমপিএস, সারদা ও চক্রের মতো চিটফান্ড সংস্থাগুলির কাছ থেকে বিপুল অর্থ নেওয়ার অভিযোগে কাঠগড়ায় সাংবাদিক সুমন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও আমলাদের সঙ্গে বৈঠক ও নানা ধরনের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চিটফান্ড সংস্থাগুলিকে। তার বদলে টাকা নিয়েছেন সুমনবাবু। সবমিলিয়ে ৫০ কোটি টাকা তিনি হাতিয়েছেন বলে সিবিআই সূত্রের খবর।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: কলকাতা থেকে পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের টাকা যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতে

এর আগে সারদা মামলায় তাঁকে জেরা করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেকটরেট। সূত্রের খবর ঠিক এই একই অভিযোগে, যে কোনও মুহূর্তে গ্রেফতার হতে পারেন এই রাজ্যের আরও তিন বিশিষ্ট সাংবাদিক। একাধিক চিটফান্ড থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেবার অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধেও। তাদের বিরুদ্ধে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ চলে এসেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে।

আরও পড়ুনঃ নেতাদের গুন্ডা পোষা না গুন্ডাদের নেতা হওয়া, প্রকাশ্যে বন্দুকবাজির কারন কি

ফলে এই তিন সাংবাদিক গ্রেফতার হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র বলেই মনে করা হচ্ছে। এই তিন সাংবাদিক তাঁদের দিল্লির প্রভাব খাটিয়ে সিবিআই-এর হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করছেন। এখন দেখার এই তিন সাংবাদিক কবে গ্রেফতার হন। তবে অনেকেই মনে করছেন এই তিন সাংবাদিক লোকসভার আগেই গ্রেফতার হতে পারেন। সব মিলিয়ে বাংলা সংবাদমাধ্যম কলঙ্কময় অধ্যায়ের মধ্য দিয়েই যাচ্ছে।

]]>
লোকসভার আগেই রামমন্দির রায় দিতে সুপ্রিম কোর্টকে আর্জি মোদীর মন্ত্রীর https://thenewsbangla.com/modi-minister-asked-supreme-court-for-ram-temple-verdict-before-parliament-election/ Tue, 25 Dec 2018 14:11:10 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4748 The News বাংলা: ভোট বড় বালাই। তারপর তিন রাজ্যে কংগ্রেসের কাছে ক্ষমতা হারিয়েছে বিজেপি। লোকসভা ভোট আর মাত্র ৩-৪ মাসের মধ্যেই। লোকসভা ভোটের আগেই অযোধ্যায় রাম মন্দির ইস্যুতে রায় দিতে এবার সুপ্রিম কোর্টকে আর্জি জানালেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।

আরও পড়ুনঃ নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ‘আজাদ লড়াই’কে সম্মান নরেন্দ্র মোদীর

রামমন্দির রায় না হওয়ায় শরিকরা ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। শিবসেনার মত অনেকেই এনডিএ জোট ছাড়ার হুমকি দিচ্ছেন। সমালোচনা করছে সাধু সন্ত সংগঠন। রাম মন্দির নিয়ে ব্যপক চাপে মোদী সরকার। ভোট বৈতরণী পার হওয়ার জন্য রাম মন্দির রায় খুব দরকার বিজেপির, বলে সমালোচনা বিরোধীদের। আর তাই রাম মন্দির মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে এবার সুপ্রিম কোর্ট এর বিচারপতিদের আবেদনই জানিয়ে ফেললেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।

আরও পড়ুনঃ স্বীকৃতি না রাজনৈতিক ফায়দা, নেতাজীকে নিয়ে বিতর্কে মোদী

শুধু তাই নয়, সেই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের কাছে তাঁর প্রশ্ন, শবরীমালা মন্দিরের ক্ষেত্রে চটজলদি সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হলে, অযোধ্যায় রামমন্দির মামলায় এত দেরি হচ্ছে কেন? লখনউতে অখিল ভারতীয় অধিভক্ত পরিষদের একটি সম্মেলনে এই কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর হাতেই উদ্বোধন হচ্ছে ভারতের দীর্ঘতম দোতলা সেতু

অখিল ভারতীয় অধিভক্ত পরিষদের যে অনুষ্ঠানে এই বক্তব্য রেখেছেন রবিশঙ্কর প্রসাদ, সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এম আর শাহ, এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি গোবিন্দ মাথুর সহ অন্যান্য বিচারপতিরা।

আরও পড়ুনঃ শহীদ জওয়ানকে সম্মান নয়, সেনাকে পাথর ছুঁড়ে দেশদ্রোহীরাই ভারতে ‘নায়ক’

সেখানেই সরকারের তরফ থেকে নিজেই অনুরোধ করে বসেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী। অবশ্য শুধু দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির অনুরোধ জানিয়েই থামেন নি রবিশঙ্কর প্রসাদ। তাঁর আরও প্রশ্ন, ‘৭০ বছর ধরে কেন আইনি জটিলতায় আটকে আছে রামজন্মভূমি নির্মাণের বিষয়টি’?

আরও পড়ুনঃ ‘মুসলিম’ নাম বদলে ‘রামরাজ্য’ আনতে উদ্যোগী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ

আগামী ৪ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এবং বিচারপতি এস কে কউলের বেঞ্চে ফের উঠবে এই মামলা। রাম জন্মভূমি বাবরি মসজিদ মামলার শুনানি। ২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের প্রেক্ষিতেই এই শুনানি হবে। এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় ছিল বিতর্কিত এলাকার ২.৭৭ একর জমি সমান ভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে নির্মোহী আখড়া, সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড এবং রাম লালা, এই তিনটি পক্ষের মধ্যে।

আরও পড়ুনঃ লোকঠকানির লোন মাপ, রাহুলকে লজ্জায় ফেলে আত্মঘাতী কৃষক

৪ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি শুরু হওয়ার আগেই কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের এই মন্তব্যে স্পষ্ট, রামমন্দির নির্মাণ নিয়ে ফের দেশ জুড়ে আন্দোলনের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে বিজেপি। সরকারে আসার পর চার বছর কেটে গেলেও মন্দির তৈরিতে এখনও পর্যন্ত এক পাও এগোতে পারেনি গেরুয়া শিবির।

আরও পড়ুনঃ নরেন্দ্র মোদীর হাতেই উদ্বোধন হচ্ছে ভারতের দীর্ঘতম দোতলা সেতু

‘রাম মন্দির হবেই’, ২০১৪ লোকসভা ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদী সহ প্রায় সব বিজেপি নেতারা। কেন্দ্রে মোদী এবং রাজ্যে যোগী এই জোট হওয়ার পরেও মন্দির তৈরিতে বিজেপির ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে খোদ গেরুয়া শিবিরের মধ্যেই। সেই ব্যর্থতা ঢেকে ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের বৈতরণী পেরোতে ফের মন্দির আন্দোলনেই ফিরতে চাইছে বিজেপি, এমনটাই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: কলকাতা থেকে পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের টাকা যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতে

কিন্তু, নিজেদের পুরনো অবস্থানে অনড় থাকে সুপ্রিম কোর্ট। অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভা ও অন্যান্যদের রাম মন্দির মামলার দ্রুত শুনানির দাবি খারিজ করে পুজোর আগেই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেই অযোধ্যা মামলার শুনানির দিন ঠিক হবে। পরে ঠিক হয়, আগামী ৪ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এবং বিচারপতি এস কে কউলের বেঞ্চে ফের উঠবে এই মামলা।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: দিল্লীর নির্ভয়া ধর্ষণ কাণ্ডের পরেও নিরাপত্তাহীন কলকাতার বাস

২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে, অযোধ্যার রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদের ২.৭৭ একর বিতর্কিত জমিকে রাম লালা, সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড ও নির্মোহী আখাড়ার মধ্যে সমান তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। এলাহাবাদ হাইকোর্টের ২০১০ সালের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। সেই সব মামলারই শুনানি আবার শুরু হবে।

আরও পড়ুন: ২২ বছর পর ফের ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন

সেই মামলায় ফের শুনানি শুরু হবে আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে। এখানেও খুব দ্রুত রায় দেবার সম্ভাবনা নেই বলেই আইনী মহলের মত। আর লোকসভা ভোটের আগে সেই রাম মন্দির রায়কেই হাতিয়ার করে এগোতে চাইছে বিজেপি। আর তাই বিচারপতিদের প্রকাশ্যে অনুরোধ করতেও পিছপা হচ্ছেন না কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। আইনমন্ত্রীর এই সরাসরি অনুরোধকে চরম সমালোচনা করা হয়েছে কংগ্রেস সহ বিরোধীদের তরফ থেকে।

]]>
জাত ধর্মের পর এবার হনুমানের পেশা নিয়েও চর্চা রাজনীতিতে https://thenewsbangla.com/after-caste-and-religion-hanumans-profession-also-in-research-by-politics/ Sun, 23 Dec 2018 10:56:12 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4676 The News বাংলা: জাত ধর্মের পর এবার পেশা। গত কয়েকমাস ধরেই হনুমানের জাত ও ধর্ম নিয়ে জোর চর্চা চলছে রাজনীতিতে। আদিবাসী, দলিত, মুসলমান না জাঠ এই নিয়ে চলছে বিতর্ক। এবার হনুমানের পেশা নিয়েও শুরু হল চর্চা।

আরও পড়ুনঃ আদিবাসী, দলিত না মুসলমান, বিজেপির গবেষণায় রামভক্ত হনুমানের জাত

পবনপুত্র হনুমানের জাত-ধর্ম নিয়ে কাটাছেঁড়া করাটা এখনকার রাজনৈতিক নেতাদের ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেউ বলছেন, পবনপুত্র ছিলেন আদিবাসী, কেউ বলছেন দলিত, কেউ বলছেন জাঠ, আবার কেউ তাঁর হনুমান নামের সঙ্গে রহমান, ইমরান, জিশানের মিল থাকায় তাঁকে মুসলিম আখ্যা দিতেও পিছপা হন নি।

আরও পড়ুনঃ ৫ রাজ্যে ভোট ধাক্কায় জোট শরিকদের সব দাবি মানছে মোদীর বিজেপি

জাতের পর এবার হনুমানের পেশা নিয়েও চর্চা রাজনীতিতে/The News বাংলা
জাতের পর এবার হনুমানের পেশা নিয়েও চর্চা রাজনীতিতে/The News বাংলা

এবার পালা উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী ও প্রাক্তন ক্রিকেটার চেতন চৌহানের। তিনি অবশ্য হনুমানের জাত বিচারের ঝুঁকি নিলেন না। তবে হনুমান ঠিক কী করতেন, তা নিয়ে এবার নতুন দাবি করে বসলেন চেতন। হনুমান বিচারের তালিকায় নয়া সংযোজন টেস্টে সুনীল গাভাস্কারের ওপেনিং পার্টনার চেতন চৌহানের নাম। তিনি অবশ্য হনুমানের জাতপাত বিচারের পথে না হেঁটে একেবারে নতুন একটা মন্তব্য করেছেন।

আরও পড়ুনঃ লোকঠকানির লোন মাপ, রাহুলকে লজ্জায় ফেলে আত্মঘাতী কৃষক

আমরোহতে একটি সভায় গিয়ে চেতন চৌহান প্রথমে বলেন, ভগবানের কোনও জাতপাত হয় না। এরপরেই তিনি বলেন, হনুমানজি আসলে একজন ক্রীড়াবিদ ছিলেন। উনি কুস্তি লড়তেন। এহেন বক্তব্যের পিছনে চেতন চৌহান যুক্তি দেন, ‘সমস্ত কুস্তিগীররা আখড়ায় খেলতে নামার আগে হনুমানদেবের পুজো করে যান’।

জাতের পর এবার হনুমানের পেশা নিয়েও চর্চা রাজনীতিতে/The News বাংলা
জাতের পর এবার হনুমানের পেশা নিয়েও চর্চা রাজনীতিতে/The News বাংলা

‘কুস্তিগীররা সকলেই ওনাকে খুব ভক্তি করে। উনি একজন ভগবান, আর ভগবানের কোনও জাতপাত হয় না’। তাই চৌহানের বক্তব্য, ‘পবনপুত্র হনুমানকে জাতপাত নিয়ে বিভাজন করা মানে তাঁকে অপমান করা’। প্রসঙ্গত, আমরোহ থেকে দুইবার লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন চেতন চৌহান। বর্তমানে তিনি উত্তরপ্রদেশের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী।

আরও পড়ুনঃ উগ্র হিন্দুত্ববাদী নিশানায় নাসিরউদ্দিন, নিন্দা বাংলার বুদ্ধিজীবীদের

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ভগবান হনুমানের বার্থ সার্টিফিকেট চেয়ে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রগতিশীল সমাজবাদী দলের নেতা শিবপাল যাদব। সেই শুরু। তারপর থেকেই দল বেঁধে রাজনীতিবিদরা হনুমানের ধর্ম বিচার করার চেষ্টা করছেন।

জাতের পর এবার হনুমানের পেশা নিয়েও চর্চা রাজনীতিতে/The News বাংলা
জাতের পর এবার হনুমানের পেশা নিয়েও চর্চা রাজনীতিতে/The News বাংলা

বিজেপির হিন্দু মুখ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এর মতে হনুমান ছিলেন দলিত। বিজেপি বিধায়ক জ্ঞানদেব আহুজার মতে হনুমান ছিলেন আদিবাসী। আবার উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের পুর কাউন্সিলর বিজেপি নেতা বুক্কাল নবাব পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন হনুমান ছিলেন মুসলমান। উত্তরপ্রদেশের আরেক মন্ত্রী চৌধরি লক্ষ্মী নারায়ণ হনুমানকে জাঠ বলে দাবি করেছিলেন।

আরও পড়ুনঃ ২২ বছর পর ফের ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন

রোজদিনই কোনও না কোনও রাজনৈতিক নেতা হনুমানের জাত নিয়ে বেসামাল মন্তব্য করে বিতর্কের খোরাক জুগিয়ে যাচ্ছেন। হনুমানকে ‘চিনা’ বলে দাবি জানিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ কীর্তি আজাদ। যেন একটা ট্রেন্ড চলছে। হনুমানকে ঠিক কে ছিলেন, তা বিচার করার দায় রয়েছে তাঁদের উপর। আদিবাসী, দলিত, মুসলমান, জাঠ ও চিনা-র পর এবার কুস্তিগীর।

বিজেপির গবেষণায় এবার রামভক্ত হনুমানের জাত। আর সে জন্য হনুমানের জাত, ধর্ম, গোত্র বিচারের প্রতিযোগিতায় নেমেছেন ভারতীয় রাজনৈতিক মহল। এর শেষ কোথায় তার জন্যই এখন অপেক্ষা। হনুমানকে কোথায় নামিয়ে আনেন রাজনীতির নেতারা সেটাই এখন দেখার।

]]>
আদিবাসী, দলিত না মুসলমান, বিজেপির গবেষণায় রামভক্ত হনুমানের জাত https://thenewsbangla.com/adibasi-dalit-or-muslim-the-caste-of-rambhakta-hanuman-is-in-research-by-bjp/ Thu, 20 Dec 2018 18:04:55 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4558 The News বাংলা: রামভক্ত হনুমান আদিবাসী, দলিত না মুসলমান? সন্দেহ ও বিতর্ক দেশের শাসক দল বিজেপির মধ্যেই। এবার হনুমানের জাত নির্ণয় করতে আসরে বিজেপির সব জাতের নেতা।

বিজেপির হিন্দু মুখ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এর মতে হনুমান ছিলেন দলিত। বিজেপি বিধায়ক জ্ঞানদেব আহুজার মতে হনুমান আদিবাসী। আবার উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের পুর কাউন্সিলর বিজেপি নেতা বুক্কাল নবাব পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন হনুমান ছিলেন মুসলমান। আদিবাসী, দলিত না মুসলমান, বিজেপির গবেষণায় এবার রামভক্ত হনুমানের জাত।

আরও পড়ুন: মোদীর গেরুয়া রথকে আটকাতে পারল না মমতার সরকার

‘হনুমান মুসলমান ছিলেন’, এমনই মন্তব্য করে এবার বিতর্ক তৈরি করলেন বিজেপি নেতা বুক্কাল নবাব। এই নিয়ে গোটা দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল সমালোচনা। বিতর্কিত মন্তব্যকারী বুক্কাল নবাব উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের এক পুরসভার কাউন্সিলর। বৃহস্পতিবার, এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন বুক্কাল নবাব।

আরও পড়ুনঃ ‘রাজনীতিতে টিকে থাকতে গেলে তেল দিতেই হবে’ বিস্ফোরক তৃণমূল সাংসদ

আদিবাসী, দলিত না মুসলমান, বিজেপির গবেষণায় রামভক্ত হনুমানের জাত/The News বাংলা
আদিবাসী, দলিত না মুসলমান, বিজেপির গবেষণায় রামভক্ত হনুমানের জাত/The News বাংলা

এখানেই থেমে থাকেন নি তিনি। বিতর্ক উসকে দিয়ে বুক্কাল নবাব বলেন, ‘হনুমান কারও একার নন। গোটা দুনিয়া তার ভক্ত। সব ধর্মের মানুষই তাকে ভক্তি-শ্রদ্ধা করেন। তবে আমার বিশ্বাস হনুমান আসলে মুসলিম ছিলেন। সেই জন্যই মুসলমানদের মধ্যে রহমান, রমজান, ফরমান, জিশান, কুরবান, ইমরান, সুলতান, সুলেমান নামের প্রচলন রয়েছে। দেখবেন নামগুলো হনুমানের সঙ্গে সঙ্গে মিলে যায়! অন্য কোনও ধর্মে এমন নাম শুনেছেন কখনও!’

আরও পড়ুন: ২২ বছর পর ফের ভূস্বর্গে রাষ্ট্রপতি শাসন

এরপরেই শুরু হয়ে যায় বিতর্ক। এদিকে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে হনুমানকে ‘দলিত’ বলে উল্লেখ করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। রাজস্থানের আলোয়ারে ভোটের প্রচারে দলিতদের কাছে টানতে এভাবেই বজরঙ্গবলীর দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন তিনি। তা নিয়েও চলে প্রবল বিতর্ক। ওই মন্তব্যের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে একটি হিন্দুত্ববাদী সংস্থা।

আদিবাসী, দলিত না মুসলমান, বিজেপির গবেষণায় রামভক্ত হনুমানের জাত/The News বাংলা
আদিবাসী, দলিত না মুসলমান, বিজেপির গবেষণায় রামভক্ত হনুমানের জাত/The News বাংলা

আরও পড়ুনঃ শহীদ জওয়ানকে সম্মান নয়, সেনাকে পাথর ছুঁড়ে দেশদ্রোহীরাই ভারতে ‘নায়ক’

যোগী বলেছিলেন, হনুমান হলেন হিন্দু ধর্মের একজন দেবতা। যিনি রামের একনিষ্ঠ ভক্ত। হিন্দু পুরাণে হনুমানকে বিশেষ স্থান দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, রামভক্ত হনুমান ছিলেন দলিত। তিনি আগেও জোর গলায় দাবি করেন, হনুমান ছিলেন কর্নাটকেরই বাসিন্দা। ভগবান রামের সান্নিধ্যেই ধন্য হয়েছিল তাঁর জীবন। আর যারা ভগবান রামের আদর্শ প্রচার করে, তাঁদেরকেই ভোট দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ EXCLUSIVE: কলকাতা থেকে পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের টাকা যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতে

‘হনুমান আদিবাসী ছিলেন’। এর আগে গত ২ এপ্রিল আদিবাসীদের একটি বিক্ষোভে হনুমানের ছবিকে অসম্মান করার দাবি করে মন্তব্য করেন বিজেপির বিধায়ক জ্ঞানদেব আহুজা। তিনি বলেন, ‘এই পৃথিবীর প্রথম আদিবাসী নেতা হলেন হনুমান। সব থেকে বেশি মন্দিরও রয়েছে হনুমানজির। আমরা তাঁর অসম্মান করতে পারি না’।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষিতদের বিধায়ক করল তেলাঙ্গানা, কবে শিখবে বাংলা

একদিকে মুখ্যমন্ত্রী যোগী বলছেন, জঙ্গলনিবাসী পবনপুত্র ছিলেন দলিত সম্প্রদায়ের। বিজেপি বিধায়ক জ্ঞানদেব আহুজার দাবি, হনুমান আদিবাসী। অন্যদিকে তাঁদের এক সহকর্মী বুক্কাল নবাব পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন হনুমান মুসলমান।

হিন্দু যোগীর দাবী হনুমান দলিত। মুসলিম বুক্কাল নবাব এর দাবী হনুমান মুসলমান। আহুজা বলছেন, হনুমান আদিবাসী। আসলে হনুমান এর জাত কি? তবে সাধারণ মানুষ হেসে বলছেন, হনুমানকে নিয়ে যাঁরা টানাটানি করছেন তারাই আসল হনুমান।

]]>
৫ টি প্রধান কারনে ৫ রাজ্যে হার মোদীর বিজেপির https://thenewsbangla.com/five-major-reasons-why-narendra-modis-bjp-lost-in-five-states/ Tue, 11 Dec 2018 10:22:24 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=4030 The News বাংলা, নিউ দিল্লী: কি কি কারণে ৫ রাজ্যে শেষ মোদী ম্যাজিক? সবটার জন্যই কি রাজ্য সরকার বা রাজ্যের বিজেপি নেতারা দায়ী? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নরেন্দ্র মোদীর ভুল নীতিও এই ভোটে মানুষকে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিতে বাধ্য করেছে। কি কি কারণে হার বিজেপির? কি বলছেন ভোট বিশেষজ্ঞরা?

আরও পড়ুনঃ Result Live: মোদীকে হারালেন রাহুল, ৫ রাজ্যেই ধরাশায়ী বিজেপি

৫ রাজ্যে বিজেপির হারার প্রধান ৫ টি কারণঃ

১. “নোটবন্দী”। ৫ রাজ্যে বিজেপির এই হারের প্রধান কারণ নোটবন্দী। ২০১৭ নভেম্বরে হঠাৎ করেই ৫০০ আর ১০০০ টাকার নোট অচল বলে ঘোষণা করে দেওয়ার প্রায় নয় মাস পরে জানা যায় বাতিল হয়ে যাওয়া প্রায় সব নোটই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে ফিরে এসেছে।

নোটবাতিলের ঘোষণার সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং তারপরে সব বিজেপি নেতা মন্ত্রীই দাবী করেছিলেন যে অর্থনীতিতে তিন লক্ষ কোটি টাকার জাল এবং কালো টাকা ঘুরছে। নোটবন্দীর পরে সেই কালোটাকা আর জাল নোট উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

সেই টাকা ব্যাঙ্কের কাছে আর ফেরত আসবে না,এমনটাও দাবী করা হয়েছিল। অথচ দেখা গেল চালু থাকা নোটের প্রায় ৯৯ শতাংশই ফিরে এসেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার বার্ষিক রিপোর্টে এই তথ্য দেওয়ার পরই হতাশ হন ভারতবাসী।

আরও পড়ুনঃ লোকসভার আগে রাহুলের কাছে মোদীর হার, পড়ল টাকার দাম

২. “আচ্ছে দিন”। না আচ্ছে দিন আসে নি। কোথাও কৃষক আত্মহত্যার রেশ কমে নি। শেষ ৩ বছরে প্রায় ১৫০০ কৃষক আত্মহত্যা করেছেন বলেই অভিযোগ। কৃষকদের ঋণ মকুব হয় নি। কৃষিঋণ মকুবের দাবিতে বিভিন্ন রাজ্যে কৃষক বিক্ষোভে মোদী সরকার বেশ বড় রকমের ধাক্কা খেল। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনেও এর এর প্রভাব পড়বে।

কৃষিঋণ মকুবের দাবিতে কৃষক বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়েছিল বিজেপি-শাসিত মধ্যপ্রদেশে। সেখানে বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে মন্দসৌরে পুলিশের গুলিতে মারা যান পাঁচজন কৃষক। রাজ্যে কৃষক আত্মহত্যার হার অনেক বেশি। এর আঁচ ছড়িয়ে পড়ে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, রাজস্থান, তেলেঙ্গানা, পাঞ্জাব সহ অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও। নিখিল ভারত কিষাণ সভার নেতৃত্বে কৃষক সংগঠনগুলি দিল্লিতে বিক্ষোভও দেখায়৷

মানুষ মেনে নেয় নি জিএসটি-ও। ছোট ও মাঝারি শিল্পপতিরা এখনও ধুঁকছে। পরিকল্পনা ছাড়াই জিএসটি চালু, মত অর্থনীতিবিদদের।

আরও পড়ুনঃ মোদী সরকারের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় পদত্যাগ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক গভর্নরের

৩. “কর্মসংস্থান”। ২০১৪ সালে যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোদী ক্ষমতায় এসেছিলেন তার প্রধান ছিল কর্মসংস্থান। কিন্তু এই ৫ বছরে বেকার সমস্যা আরও বেড়েছে ভারতের সব রাজ্যেই। বেকার যুবকরা মুখ ফিরিয়েছে বিজেপির দিক থেকে।

গত লোকসভা নির্বাচনের আগে বি জে পি-র প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যে এক বা একাধিক জনসভা করে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ক্ষমতায় এলে তিনি বছরে ২ কোটি চাকরির ব্যবস্থা করবেন। ৫ বছরে ২ লাখ হয়েছে কিনা সে নিয়ে সন্দেহ সবার।

বছরে ২ কোটি চাকরি তো দূরের কথা, ২ লক্ষ চাকরির বন্দোবস্তও করতে পারেনি মোদী, এমনটাই অভিযোগ। তাই ক্ষমতায় আসার পর বছরখানেক মেক ইন ইন্ডিয়া, স্কিল ইন্ডিয়া, স্টার্ট আপ ইত্যাদি নানান ধরনের রকমারি প্রকল্প ঘোষণা করে বাজার গরম করা হলেও, বাস্তবে নতুন করে কোনো কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি।

উলটে বিদেশি পুঁজি তথা কর্পোরেট বান্ধব পদক্ষেপ নেবার ফলে পুরানো কর্মসংস্থানেরও অবলুপ্তি ঘটতে থাকে। বেগতিক বুঝে গত এক-দেড় বছরে ভুলেও আর কর্মসংস্থানের কথা উচ্চারণ করছেন না নরেন্দ্র মোদী। দলীয় এবং সরকারি অনুষ্ঠানে সন্তর্পণে এড়িয়ে যাচ্ছেন চাকরি দেবার প্রতিশ্রুতির কথা। ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে মন ভোলানোর হাজারো গল্পকথা শোনানো হলেও, বেকারদের জন্য চাকরির বিষয়টি উহ্যই থেকে যায়।

আরও পড়ুনঃ মোদী সরকারের সাফল্য, বিজয় মালিয়াকে ভারতে ফেরতের নির্দেশ ব্রিটিশ আদালতের

৪. “ব্যাংক নীতি”। মোদীর আমলে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা শেষ করে দেওয়া হয়েছে বলেই অভিযোগ। নোট বাতিল থেকে শুরু করে ব্যাঙ্ক থেকে দিনে কুড়ি হাজার টাকার বেশি তোলা যাবে না, মেনে নেয় নি ভারতের আমজনতা। ব্যাঙ্কের সুদ কমেছে। অসহায় অবস্থা সিনিয়ার সিটিজেনদের। ব্যাঙ্কে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা না রাখলে জরিমানা বাবদ টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে, যা ক্ষোভ বাড়িয়েছে গরীব মানুষের।

অন্যদিকে বিজয় মালিয়া, ললিত মোদী, নীরব মোদি ও তার মামা গীতাঞ্জলি গ্রুপের কর্ণধার মেহুল চোকসি আমজনতার টাকা নিয়ে দুর্নীতি করে যেভাবে মোদী সরকারের নজর এড়িয়ে বিদেশে পালিয়েছে তা সরকারকে বেশ বিব্রত করেছে। বিরূপ প্রভাব ফেলেছে জনগণের মনে।

আরও পড়ুনঃ রাহুলের ‘রাফায়েল’ অ্যাটাকের জবাবে মোদীর হাতে ‘মাইকেল’

৫. “দূর্নীতি”। ‘রাফায়েল দুর্নীতি’ মানুষকে আশাহত করেছে বিজেপির প্রতি, মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০১৪ সালে যে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়েছিল, তাতে মোট খরচ পড়ত ৭৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা। যুদ্ধবিমান আসত ১২৬টি। সেই চুক্তিতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হ্যালও উপকৃত হতো। বিজেপি আমলের এই চুক্তিতে বিমান আসবে ৩৬টি, খরচ ৫৮ হাজার কোটি টাকা।

মোদীর নতুন চুক্তিতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হ্যালের কোনো ভূমিকাও এখানে থাকছে না। মোদীর ছোঁয়ায় ‘কাট মানি’ খাবার সুযোগ পেয়েছে আম্বানি গোষ্ঠী, অভিযোগ বিরোধীদের। কংগ্রেস আমলের চুক্তিতে বিমানপ্রতি খরচ পড়ত ৬২৯ কোটি টাকা, বিজেপির চুক্তিতে খরচ পড়ছে ১ হাজার ৬১১ কোটি। কংগ্রেস হিসাব করে দেখিয়ে দিয়েছে, ৬২৯ কোটি টাকাতে ৩৬টি রাফায়েল কিনলে খরচ যেখানে ২২ হাজার ৬৪৪ কোটি হতো, সেখানে বিজেপি সরকার ওই ৩৬টি বিমানের জন্য দিচ্ছে প্রায় ৫৮ হাজার কোটি! অর্থাৎ আড়াই গুণেরও বেশি!

আরও পড়ুনঃ বাংলায় ২৫ টাকা কেজি পেঁয়াজ, নাসিকে দাম না পেয়ে আত্মহত্যা

রাফাল যুদ্ধবিমানের পর কয়লা আমদানি নিয়েও বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে যে কয়লা আমদানি করা হয়েছে, সেখানে অতিরিক্ত দাম দেখানো হয়েছে। রাফালের মতোই এখানেও বন্ধু ব্যবসায়ীদের বাঁচাতে বিজেপি চেষ্টা করছে বলেই অভিযোগ। ৩৫ হাজার কোটি টাকা কেলেঙ্কারির এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয় জল্পনা। স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম গঠন করে এই ঘটনা সামনে আনার জন্য আবেদনও জানায় কংগ্রেস।

সব মিলিয়ে মোদী সরকারের বিভিন্ন নীতিই বিজেপির এই ভরাডুবির জন্য দায়ী বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মানুষের এই ক্ষোভ বজায় থাকলে আর কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিরোধী জোট এককাট্টা হতে পারলে, আগামী লোকসভা নির্বাচন যে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের পক্ষে আরও দুঃসহ হতে চলেছে তা বলাই যায়।

]]>
বিশ্ব ব্যাংকের রিপোর্টে লোকসভা ভোটের আগে স্বস্তিতে নরেন্দ্র মোদী https://thenewsbangla.com/world-bank-report-makes-narendra-modi-confident-before-parliament-election/ Wed, 31 Oct 2018 18:19:20 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1792 নিউ দিল্লি: মোদীর হাত ধরে ২৩ ধাপ এগোল ভারত। ১০০ তম স্থান থেকে একেবারে ৭৭ তম স্থানে। সহজে ব্যবসার পরিবেশ তৈরির নিরিখে (ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস) বিশ্ব ব্যাংকের তালিকায় ২৩ ধাপ উঠে এল ভারত। রিপোর্টে প্রকাশ, ১৯০টি দেশের মধ্যে ৭৭ তম স্থানে রয়েছে ভারত। একাধিক ইস্যুতে লোকসভা ভোটের আগে সমস্যায় পড়া মোদী সরকারের কাছে বিশ্ব ব্যাংকের এই রিপোর্ট যথেষ্ট স্বস্তির কারণ।

Image Source: Google

বাণিজ্য সহায়ক পরিবেশ গঠনে বছরের সেরা ১০ দেশের তালিকায় ভারতের নাম উল্লেখ করেছে বিশ্ব ব্যাংক। এই নিয়ে পর পর দু’বছর এই তালিকায় জায়গা ধরে রাখল মোদী সরকার। BRICS সদস্যদের মধ্যে একমাত্র দেশ হিসেবে তালিকায় রয়েছে ভারত।

আরও পড়ুন: মোদীর ভারতে সর্দার প্যাটেলের রেকর্ড ভাঙবে ছত্রপতি শিবাজীর মূর্তি

Image Source: Google

গত দু’বছরে এই তালিকায় মোট ৫৩ ধাপ উপরে উঠেছে ভারত। এমন পারফরমেন্স প্রতিবেশী দেশ ভুটান ছাড়া বিশ্বের আর কোনও দেশের নেই। ব্যবসার পরিবেশ তৈরির ১০ টি সূচকের মধ্যে ৮ টি তেই যথেষ্ট ভালো করেছে ভারত, জানিয়ে দিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক।

Image Source: Google

বিশেষ উল্লেখযোগ্য জমি বরাদ্দ ও নির্মাণের অনুমতিতে। বিশ্বের ১৯০ টি দেশের মধ্যে ৫২ তম স্থানে রয়েছে ভারত। এই ক্ষেত্রে ১২৯ ধাপ উপরে উঠে মোদীর ভারত। এছাড়াও সীমান্ত-বাণিজ্য, ঋণ প্রদান-সহ ৬টি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। প্রসঙ্গত, ‘দক্ষিণ এশিয়ার সেরা অর্থনীতি’ হিসেবে ‘ইজ ইফ ডুয়িং বিজনেস ২০১৯’ রিপোর্টে ভারতের নাম উল্লেখ করেছে বিশ্ব ব্যাংক।

Image Source: Google

বিশ্ব ব্যাংকের এই রিপোর্টে, নতুন ব্যবসা শুরু করা ও তা বজায় রাখার ১০ টি মাপের মধ্যে ৬ টি মাপে বেশ এগিয়েছে ভারত। এই রিপোর্টে নিউজিল্যান্ড প্রথম স্থান ধরে রেখেছে। আর সোমালিয়া হল কোন ব্যবসা শুরু করার পক্ষে সবচেয়ে বাজে দেশ। ভারতের মত উন্নতি করেছে চীনও।

আরও পড়ুন: রাম মন্দির না বাবরি মসজিদ, লড়াই পিছিয়ে গেল

যদিও বিশ্ব ব্যাংকের মতে নতুন ব্যবসা শুরু ও কর গ্রহণে এখনও অনেক পিছিয়ে ভারত। সাংবাদিক বৈঠকে বুধবার একথা জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তাঁর মতে, ‘এই ক্ষেত্রগুলিতে আমরা এখনও পিছিয়ে।’ নতুন ব্যবসা শুরুর ক্ষেত্রে ১৩৭ স্থানে রয়েছে ভারত। যেটাও গত বছরের থেকে ১৯ ধাপ উপরে।

Image Source: Google

এই রিপোর্টে ব্যবসা শুরু করা, অনুমতি পাওয়া, বিদ্যুৎ পাওয়া, লোন পাওয়া, ট্যাক্স দেওয়া ও ছাড় পাওয়া, সীমান্ত দিয়ে ব্যবসা করা, এই সব কিছুই বিবেচনা করা হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের এই রিপোর্টে (ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস) আপাতত বিরোধীদের মুখ বন্ধ করতে পারবে জেটলির অর্থ দফতর।

আরও পড়ুন: মেয়াদ বৃদ্ধি রাজ্য পে কমিশনের হতাশ রাজ্য সরকারি কর্মীরা

নোটবন্দী ও জিএসটি চালু হবার পর যে সমালোচনার মুখে পড়েছিল মোদী সরকার, বিশ্ব ব্যাংক এই রিপোর্টে তা থেকে রেহাই দিল বলেই মনে করা হচ্ছে। লোকসভা ভোটের আগে বিশ্ব ব্যাংকের এই রিপোর্ট যথেষ্ট স্বস্তিতে রাখবে মোদী- জেটলির বিজেপি সরকারকে।

]]>
কালীপুজোয় আতশবাজি পোড়ানোয় কোন নিষেধাজ্ঞা নেই https://thenewsbangla.com/there-is-no-ban-on-the-firecrackers-on-diwali-ordered-by-supreme-court/ Tue, 23 Oct 2018 05:44:19 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1335 নিউ দিল্লী: কালীপূজা বা দীপাবলির উৎসবে মানুষের আতশবাজি পোড়ানোর উপর কোন নিষেধাজ্ঞা চাপাল না সুপ্রিম কোর্ট। রাত ৮ টা থেকে ১০ টার মধ্যে আতশবাজি পোড়ানো যাবে আজ রায় দিয়েছে দেশের সর্ব্বোচ্চ আদালত। রাজ্য সরকারগুলোকে নিয়মিত বাজি কারখানাগুলিতে নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

শুধু দীপাবলি নয়, ইংরাজি নববর্ষের রাত বা ৩১ শে ডিসেম্বর রাতেও ১১.৫৫ থেকে ১২.১৫ পর্যন্ত এই ২০ মিনিটই আতশবাজি পোড়ানো যাবে বলে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। যে কোন উৎসবেই নিৰ্দিষ্ট সময় মেনেই আতশবাজি পোড়াতে হবে বলে মঙ্গলবার জানিয়ে দেয় আদালত।

পরিবেশ দূষণ রোধ করতে আতশবাজি পোড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা আনতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল পরিবেশ কর্মীরা। গত বছর কালীপুজোর ঠিক আগেই আতশবাজি বিক্রি সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দিয়েছিল আদালত। এর বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে আতশবাজি ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার, ‘দীপাবলিতে আতশাবাজি পোড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা নয়’, এমনই রায় জানিয়ে দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। তবে যে সমস্ত বাজি কম দূষণ ছড়ায় সেই বাজি বিক্রির পক্ষেই সায় দিয়েছে আদালত। সেটা দেখার দায়িত্ত্বও সরকারের বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। লাইসেন্স থাকা ব্যবসায়িরাই যাতে আতশবাজী তৈরি ও বিক্রি করতে পারে তার দিকে কড়া নজর রাখতে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্ব্বোচ্চ আদালত।

পাশাপাশি এদিন সুপ্রিম কোর্ট জানায়, অনলাইনে ও ই কমার্স সাইটে কোনওমতেই বিক্রি করা যাবে না আতশবাজি। এছাড়াও বাজি কারখানাগুলিতে প্রশাসনিক নজরদারি রাখতে হবে বলেও জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই বাজি তৈরি যাতে হয় তার দিকেই সরকারকে নজর দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।

এছাড়াও বাজি কারখানায় কি কি রাসায়নিক, কত পরিমাণে ব্যবহার করা হচ্ছে তার দিকেও প্রশাসনকে কড়া নজর রাখতে বলেছে দেশের সর্ব্বোচ্চ আদালত।

]]>
সুপ্রিম কোর্টেও জিত মমতার, পুজো অনুদানে কোন আসুবিধা নেই https://thenewsbangla.com/victory-for-mamata-banerjee-in-the-supreme-court-mamata-pujo-grant-is-legal/ Fri, 12 Oct 2018 07:04:58 +0000 https://www.thenewsbangla.com/?p=1082 নিজস্ব সংবাদদাতা: পুজো ও লোকসভা ভোটের আগে বড় জয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য সরকারের। কলকাতা হাইকোর্টের পর এবার সুপ্রিম কোর্টেও জিত মমতার। পুজোর অনুদান নিয়ে হাইকোর্টের রায়কেই মান্যতা দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের ডিভিশন বেঞ্চ মুখ বন্ধ করে দিল বিরোধীদের।

মমতার পুজো অনুদান সিদ্ধান্তে কলকাতা হাইকোর্ট এর রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল ‘দুর্গা পুজো অনুদান’ সংক্রান্ত মামলা। শুক্রবার দেশের শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি হয়। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশের আর্জি জানিয়ে এই মামলা করা হয়। শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তবে, ৬ সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে এই অভিযোগ নিয়ে আদালতে একটি রিপোর্ট জমা দেবার নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

কলকাতা হাইকোর্ট পুজোর আগে স্বস্তি দিয়েছিল রাজ্য সরকারকে। হাইকোর্ট রাজ্য সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুজো অনুদান সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলা গ্রহণ করে নি। পুজো উদ্যোক্তাদের অনুদানের সরকারি সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ নয়, পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিল হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয়।

সেপ্টেম্বর মাসে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কলকাতা পুলিশ, দমকল এবং সিইএসই-র সমন্বয় বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই সরকারি অনুদানের কথা ঘোষণা করেছিলেন। প্রতিটি পুজোকে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল।

ওই বৈঠকে মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, কলকাতার ৩ হাজার সহ রাজ্যের ২৫ হাজার দুর্গা পুজোকে রাজ্য সরকারের তরফে এককালিন ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। খরচ হবে ২৮ কোটি টাকা।

জনগণের করের টাকা এ ভাবে অনুদান হিসাবে দেওয়া যায় কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলার আবেদন জানানো হয়েছিল। রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে দুদিন পরপর স্থগিতাদেশ দিলেও, গত বুধবার সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে আদালত জানিয়ে দেয়, ক্লাবকে পুজো অনুদানের বিষয়টি আদালত গ্রাহ্য নয়।

রাজ্যের উন্নয়নে খরচা না করে কেন ২৮ হাজার পুজো কমিটিকে ২৮ কোটি টাকা দেওয়া হবে, সেই প্রশ্নও তোলা হয় ওই জনস্বার্থ মামলায়। ওই জনস্বার্থ মামলার আবেদনকারীর বক্তব্য ছিল, দুর্গাপুজোয় বিশেষ একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে অনুদান দিলে তা দেশের সংবিধানকে আঘাত করে। কারণ, বিশেষ কোনও ধর্মীয় সম্প্রদায়কে এমন অনুদান দিয়ে উৎসাহিত করা সংবিধান-বিরোধী।

কিন্তু গত বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনসভার সিদ্ধান্তে আদালত নাক গলাবে না। ওই বিষয়টি দেখার জন্য পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি রয়েছে। যদি কোনও সমস্যা থেকে থাকে, সেই বিষয়টি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি দেখবে বলে জানিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।

কলকাতা হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তে পুজোর আগে ও লোকসভা ভোটের আগে স্বস্তিতে রাখে রাজ্য সরকারকে। হাইকোর্টের এই রায়ের ওপরই অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের আর্জি জানানো হয়েছিল শীর্ষ আদালতের কাছে।

এদিকে, সুপ্রিম কোর্টে মামলা যাওয়ার কথা আগেই অনুমান করে রাত জেগে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় অনুদানের চেক বিলি শুরু করে রাজ্য সরকার। হাইকোর্টের রায়ের পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতেই অনুদানের টাকা দেওয়া শুরু হয়ে যায়। বুধবার রাতেই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় পুজো কমিটিগুলিকে ১০ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বর্ধমান ও হুগলিতেও বেশ কিছু পুজো কমিটিকে অনুদানের টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর, আপাতত পুজো নিয়ে বিতর্ক চাপা পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের পাশাপাশি হাঁফ ছেড়ে বাঁচল পুজো উদ্যোক্তারাও। এই রায়ে পুজো ও লোকসভা ভোটের আগে বড় জয় পেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

]]>